নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাকিস্তান আর তার সমর্থকদের ব্যাপারে সারা জীবন জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে

০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৩৯



'কাফের ভাসানী কোথায়?'

পাক সেনারা মওলানা ভাসানী'র ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার সময় ঠিক এ কথাই বলেছিলো। কি কারণে একজন মুসলমান কাফের হয়ে যেতে পারে... এ প্রশ্নটা তাই করতেই হচ্ছে।
.
মানুষকে 'কাফের' বা 'ধর্মদ্রোহী' ট্যাগ দিয়ে দেওয়ার কালচার অনেক আগে থেকেই। 'দল কানা'-রা এমনটা অনেক আগে থেকেই করে আসছেন।
.
মাজারে গিয়ে দোয়া করবেন? দল কানারা সমস্বরে বলে উঠবেন- 'ও, তুমি মাজার-পূজারী?' ব্যস! আপনি ভয়ে একদম চুপ!
.
'আহলে বাইয়াত', অর্থাৎ, রাসূল (সাঃ)-এর বংশধরদের প্রশংসা করবেন? সাথে সাথে আপনাকে 'শিয়া' বলে ট্যাগ করা হবে। আপনার জীবন শেষ!
.
পশ্চিমাদের ভালো কাজে সহযোগিতা করবেন? আপনাকে নিশ্চিৎ 'ব্রিটিশদের দালাল' বলে গালি দেওয়া হবে।

নিজ ধর্ম অস্বীকার করলে ইসলামে শাস্তির বিধান আছে। সেই সাথে আছে ধর্মে ফিরে আসার সুযোগ। তাই বলে, শাসকগোষ্ঠীর অনাচার, অবিচারের প্রতিবাদ করলে কেউ কাফের হয়ে যায় এমনটাতো শুনিনি!
.
তবে কি 'হুকুমতে রব্বানী' প্রতিষ্ঠার জন্যে সারা-জীবনভর পরিশ্রম করা এক ব্যাক্তিকে শুধুমাত্র শাসক গোষ্ঠীকে 'আসসালামু আলাইকুম' বলে বিদায় জানানোর জন্যেই এই 'কাফের' পদ দিয়ে দেওয়া হয়েছিলো!
.
সেই মওলানা ভাসানী সাহেবই তো ব্রিটিশ ভারতের এক অত্যাচারী হিন্দু জমিদারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাকে পরাভূত করেছিলেন যে কিনা তার বাড়ির পাশ দিয়ে ছাতা মাথায়, পায়ে সেন্ডেল দিয়ে প্রজার হেঁটে যাওয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছিলো।
.
পাকিস্তানের তৎকালীন জান্তা মনে হয় নিজেদের মওলানা ভাসানী'র চেয়ে বেশি বড় মুসলমান প্রমাণ করার জন্যেই পূর্ব পাকিস্তানের রাজস্ব খাতে ব্যয় করতো ১৫০০ কোটি টাকা, যেখানে পশ্চিম পাকিস্তানে ব্যয় হতো ৫০০০ কোটি টাকা। সেই 'বড়' মুসলমানত্বের বলেই কি তারা পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়ন খাতে ব্যয় করতো মাত্র ৩০০০ কোটি টাকা আর পশ্চিম পাকিস্তানে ৬০০০ কোটি।
.
সরকার অন্য দেশের ব্যাপারে আমাদের নাক গলানো বন্ধ করতে বলেছেন। কিন্তু, পাকিস্তানের সাথে আমাদের কোন দিনই বন্ধুত্ব হবে না। এই ব্যাপারে আমি 'জিরো টলারেন্সে' বিশ্বাসী।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫৮

মীর আবুল আল হাসিব বলেছেন: বন্ধুত্ব চাইনা কুলাঙ্গারদের সাথে।
৭১ এর পাকিস্তান আর এখনকার পাকস্তান একইরকম আছে। এখনো বদলায়নি ওরা। পাকিস্তানিরা আর তাদের পদলেহনকারীরা হচ্ছে "কুয়োর"।
কুয়োর হলোঃ- কুকুর আর শুয়োরের মিশ্রনে তৈরী একটা হাইব্রিড জাত।

০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

সামুতে অনেক আগে একটি শব্দ চালু ছিলো।

শব্দটি হচ্ছে 'গদাম'।

অবুঝদের জন্যে গদাম রীতি চালু রাখতে হবে।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। অনেক বড় মাপের একজন মানুষ।

৩| ০৩ রা জুন, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৪

আমি সাজিদ বলেছেন: না সবসময় জিরো টলারেন্স না৷ বিশ্ব রাজনীতি এখন চেঞ্জ হয়েছে। চেতনার পাশাপাশি এখন বিশ্ব রাজনীতির অংশ হওয়ার সময়। এইসব সস্তা জাফর স্যারের মতো কথা বাদ দেন৷

৪| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ৯:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমার খুব কষ্ট লাগে মাওলা ভাসানী, তাজউদ্দিন আহমেদ এর কথা কেউ বলে না। চারিদিকে শুধু শেখ মুজিব। তাদের কথা বললে কি শেখ মুজিব ছোট হয়ে যাবেন?

৫| ০৩ রা জুন, ২০২০ রাত ১০:১৫

মোঃ নুরুজ্জামান (জামান) বলেছেন: যারা মাওলানা ভাসানীর কথা বলে বেড়াতে কষ্ট পান তারাও পাকিদের দালাল।

৬| ০৫ ই জুন, ২০২০ রাত ১২:৫৭

নতুন বলেছেন: পাকিস্তানের, আফগানস্থানের মানুষের মাথায় একটু সমস্যা আছে। এটা গোয়াড় টাইপের এবং বুদ্ধি একটু অন্য রকমের হয়।

বত`মানে আমার ৪ জন পাকিস্তানী স্টাফ আছে। তারা যোগ দেবার পরে বলাবলি করেছিলো। তাদের কেউই ভালো বলেনা। তারা পাকিস্তানী বলে অন্য চোখে দেখে। তারা তাদের ম্যেনেজার বাংলাদেশী এবং অন্য ম্যানেজার ভারতীয় দেখে একটু চিন্তায় ছিলো =p~

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.