নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার পুরো নাম শাইয়্যান মোহাম্মদ ফাছিহ-উল ইসলাম। অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমি লেখালিখি করি, মনের মাধুরী মিশিয়ে

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কদমবুচি করে সালাম করা আল্লাহর ওলীদের রেওয়াজ এবং এটি সুন্নত

২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০০



ছোটকাল থেকে আমাদের ঘরে পায়ে ধরে সালাম করার নিয়ম। গুরুজনেরা মনোক্ষুন্ন হতেন এভাবে সালাম না জানালে। একবার আমেরিকা থেকে আমার এক ভাই এলেন। তিনি ইসলামিক সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকা নামক এক ইসলামী সংগঠনের নেতা। তাঁর গড়া আরেকটি সংগঠন ছিলো- নর্থ আমেরিকান বাংলাদেশী ইসলামী সোসাইটি (নাবিক)। সেই ভাইটি এসে আমাদের ছোটদের জানালেন যে, পায়ে ধরে সালাম জানানো ইসলামে জায়েজ নয়!

বুঝুক না বুঝুক, নামাজ পড়ুক কি না পড়ুক, পর্দা করুক কি না করুক, আমাদের ছোটদের মধ্যে তখন কি জোশ। সবাই পায়ে ধরে সালাম করা বন্ধ করে দিলো। আমি কাজিনদের মাঝে সবার বড়। শুধু আমিই পায়ে ধরে সালাম করতাম।

আমার যুক্তিঃ

আরেকবার, শাহ জালাল ভার্সিটিতে পড়ার সময় আমার এক মামা আমাকে পায়ে ধরে সালাম করার কথা মানা করলেন। আমরা তখন একটা গলি দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম। হাঁটা থামিয়ে আমি সাথে সাথে উবু হয়ে জুতার ফিতা লাগানোর ভান করি। সামনে একটা কুকুর ছিলো। সোজা হয়ে মামাকে বললাম- মামা আমি কি করলাম বলো তো? আমি কি ঐ কুকুরকে উবু হয়ে সেজদা করলাম না জুতার ফিতা বাঁধলাম? যদিও, কুকুরটা আমার সামনে ছিলো, কিন্তু, আমি আসলে জুতার ফিতা বাধছিলাম। তাহলে, আমার মনের নিয়তটাই আসল নয়?

হযরত খাজা মাঈনুদ্দীন চিশতী (রহ)-ও কদ্মবুচি করতে্নঃ

একবার খাজা সাহেব সে সময়ের বড় বুজুর্গ হযরত ওসমান হারুনী (রহ)-এর সাথে দেখা করতে এলেন। তাঁর দিকে তাকিয়ে খাজা সাহেবের মনে অনেক ভক্তি তৈরী হলো। তিনি ওসমান হারুনী (রহ)-কে কদমবুচি করলেন।

এই সম্পর্কে যারা সন্দিহান, তাঁদেরকে হাটহাজারী মাদ্রাসার মাওলানা সৈয়দ মোঃ মিজানুর রহমান সম্পাদিত 'গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা মাঈনুদ্দীন চিশতী (রহঃ)' নামক বইয়ের ১৩৪-নং পৃষ্ঠা পড়ার আহবান থাকলো।

কদমবুচি ফার্সি শব্দ | কদম অর্থ পা আর বুচি অর্থ চুম্বন | অর্থাৎ বুযুর্গানে কেরাম , সম্মানী বাক্তিবর্গ ,মা বাবা ,উস্তাদ ও আপন মুর্শিদকে সম্মান ও তাজিমের সহিত পায়ে চুম্বন করাকেই বলে কদমবুচি | তবে সর্বসাধারণের জন্য ইহা প্রযোজ্য নয় | আর মাথা নত হওয়া মানেই সিজদাহ হয়না | সিজদাহর জন্য শর্ত হলো ৮ টি অঙ্গ প্রতঙ্গ মাটিতে লাগাতে হবে | যথা ২ হাতের তালু , ২ হাটু ,২ পায়ের আঙ্গুল , কপাল ও নাক | এর মধ্যে বিনা ওজর ছাড়া একটি বাদ পড়লে সিজদাহ হবেনা | অতএব মাথা নত মানেইসিজদাহ নয় আর প্রত্যেক কাজের আমল নির্ভর করে নিয়্যাতের উপর | ( বুখারী শরীফ , নাসাই শরীফ ) |

হাদিসের দৃষ্টিতে কদমবুচিঃ

১নং হাদীস :
عن الوازع بن عامر (رض) قال: قّدِمْنَ فَقِيْلَ ذَاكَ رسول الله (ص) فَاَخَذْنَا بِيَدِهِ وَ رِجْلَيْهِ نُقَبِّلَهَا (بخاري/الأدب المفرد/باب تقبيل الرجل/٤٤٦)

অর্থ: ওয়াযি’ ইবনে আমের (রা:) বলেন, আমি একদা রাসুল (সা:) এর দরবারে গিয়ে হাজীর হলাম, আমাকে বলা হল ইনিই হলেন আল্লাহর রাসুল। আমরা তখন তাহার হস্তদ্বয় ও পদদ্বয় ধরে চুমু খেলাম। . (ইমাম বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, অনুচ্ছেদ ৪৪৬, (তাক্ববিলুর রিজল), কদমবুছি বা পদচুম্বন) (৪)

২ নং হাদিস:
ِعن ذكوان عن صهيب قال رَأيْتُ عَلِيًّا يُقْبَلُ يَدَ اْلعَبَّاسِ وَرِجْلَيْه
অর্থ: হযরত যাকওয়ান রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হযরত ছুহাইব রদ্বিয়াল্লাহু আনহ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুকে (স্বীয় চাচা) হযরত আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহ’র হাত ও পা যুগল চুম্বন করতে দেখেছি। (ইমাম বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ, অনুচ্ছেদ ৯৮৮, (তাক্ববিলুর রিজল), কদমবুচি বা পদচুম্বন। এবং মিশকাত শরিফ।) (৫)

৩নং হাদিস:
عن زارع وكان فى وفد عبد القيس قال لما قدمنا المدينة وجعلنا نتبادر من رواحلنا فنقبل يد رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجله
অর্থ: হযরত যারেঈ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহ যিনি আব্দুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি বলেন, আমরা যখন মদীনা শরীফে আগমন করলাম তখন আমাদের বাহন হতে তাড়াতাড়ি নেমে পড়লাম এবং রসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাত ও পা মোবারক চুম্বন করলাম। (আবূ দাউদ, হাদিস নং ৫২২৪, ৩য় খন্ড, ৪ নং অধ্যায় । (৬)

৪নং হাদিস:
عن صفوان بن عسال ان قوما من اليهود قبلوا يد النبى صلى الله عليه وسلم ورجله
অর্থ: হযরত ছাফওয়ান বিন আসসাল রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, নিশ্চয়ই ইয়াহুদীদের একটি গোত্র হুজুর এ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র হাত ও পা মোবারক চুম্বন করেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৭০৫, ৫ম খন্ড, ১৬ নং অধ্যায়, পৃ: ৩২। (৭)

৫নং হাদীস:
হযরত বুরাইদা রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-
سأل أعربى النبى صلى الله عليه وسلم أية فقال له قل لتلك الشجرة رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعوك فقال فمالت الشجرة عن يمينها وشمالها وبين يديها وخلفها فقطعت عروقها ثم جاءت يتخذ الارض تجر عروقها مغبرة حتى وقعت بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال له السلام عليك يا رسول الله قال الاعرابى مرها فلترجع الى منبتها فرجعت فدلت عروقها فاستوت فقال الاعربى ائذن لى اسجد لك قال لو أمرت احدا ان يسجد لاحد لامرت المرأة ان
تسجد لزوجها قال فأذن لى ان اقبل يديك ورجليك فاذن له

অর্থাৎ, একজন বেদুঈন হুজুর এ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র কাছে মুজিযা দেখতে চাইল, হুজুর এ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেদুঈনকে এরশাদ করলেন ওই বৃক্ষটাকে বলো আল্লাহর রসূল তোমাকে ডাকছেন, সে যখন বললো বৃক্ষ তার ডানে-বামে, সম্মুখে পেছনে ঝুকল তখন ওটার শিকড়গুলো ভেঙ্গে গেল। তারপর তা মাটি খোদাই করে শিকড়গুলো টেনে বালি উড়িয়ে হুজুর এ পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’র সম্মুখে এসে দাড়াল এবং বলল আস্‌সালামু আলায়কা ইয়া রাসূলাল্লাহ! বেদুঈন বললো “আপনি তাকে আদেশ করুন যেন এটা ওখানে (উৎপত্তিস্থল) ফিরে যায়” তাঁর নির্দেশে ওটা ফিরে গেল এবং তার শেকড়গুলোর উপর গিয়ে সোজা হয়ে দাড়ালো। বেদুঈন বললো “আমাকে অনুমতি দিন আমি আপনাকে সিজদা করবো” তিনি এরশাদ করলেন, “যদি কাউকে সাজদাহ করার হুকুম দিতাম তাহলে স্ত্রীকে আদেশ দিতাম সে যেন তার স্বামীকে সাজদাহ করে।” বেদুঈন লোকটি আরজ করলো “হুযুর তাহলে আমাকে আপনার হস্ত ও পদদ্বয় মোবারক চুম্বন করার অনুমতি দিন” তিনি (নবীজী দঃ) তাকে অনুমতি প্রদান করলেন। (শিফা শরিফ) তিরমিযি, কিতাবুল আদাব, হাদিস নং ৩১৫৫, অধ্যায় ১৮। আহমদ ১৮৮১৪. (৮)

৬ নং হাদীস :
روى عن النبى صلى الله عليه وسلم كان يقبل فاطمة ويقول اجد منها ريح الجنة وقبل ابو بكر رأس عائشة وقال النبى صلى الله عليه وسلم من قبل رجل امه فكان قبل عنبة الجنة
অর্থ: হুযূর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, হযরত ফাতেমা (নবীজীর স্নেহের কন্যা) রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহাকে চুমু খেতেন আর তিনি বলতেন আমি ফাতেমা রদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছ থেকে বেহেশতের সুঘ্রান পাচ্ছি। হয়রত আবু বকর রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু হযরত আয়েশা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহার মাথা মোবারক এ চুমু খেয়েছেন। আর প্রিয় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- যে ব্যক্তি তার মায়ের পা চুম্বন করবে সে যেন বেহেশতের চৌকট চুমু খেল। (আবু দাউদ মাধ্যমে মাবসুত লিস সারাখছি, খন্ড-১০, পৃষ্ঠা: ১৪৯। (৯)


কদমবুচির শরয়ী অনুমোদনে ফোক্বাহায়ে কেরাম ও মুহাদ্দিসীনে ই’জামদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য :

(১): রদ্দুল মোহতার গ্রন্থকার বলেন-
قال الامام العينى بعد كلام فعلم اباحة تقبيل اليد والرجل والرأس كما علم من احاديث المتقدمة اباحتها على الجبهة وعلى العينين و على وجه المبرة والكرام
অর্থ: আল্লামা আইনী বলেন দীর্ঘ আলোচনায় প্রমাণিত হলো যে, হাত চুম্বন, কদমবুচি, মাথা বুচি ইত্যাদির বৈধতা প্রমানিত হলো। যেভাবে বর্ণিত হাদীস হতে কপালে, দুই চোখের মাঝে চুমু দেয়ার বৈধতা প্রমাণিত হল, তবে এ সকল ক্ষেত্রে চুম্বন তখন জায়েয যখন সম্মান ও বরকত হাসিল উদ্দেশ্য হয়। (১০)

(২): বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘ফতহুল বারী’ এর মধ্যে আল্লামা ইবনে হাজর আল আসকালানী (রহ:) বলেন,
والحديث يدل على جواز تقبيل اليد والرجل -وقال الابهرى انما كرهها مالك اذا كانت على التعظيم والتكبر واما اذا كانت على وجه التقرب الى الله تعالى لدينه اولعلمه او لشرافته فان ذالك جائز-
অর্থ: (তিনি বলেন) হাদীস শরীফ দ্বারা হাতবুচি ও কদমবুচির বৈধতা ও অনুমোদন প্রমাণিত তবে ইমাম মালেক ও ইমাম আবহারী রাহমাতুল্লাহি তা’য়ালা আনহুমা এগুলিকে মাকরুহ বলেছেন এই শর্তে যে যদি তা বড়ত্ব/আহমিকা প্রকাশের উদ্দেশ্য হয়। কিন্তু যদি আল্লাহ তা’য়ালার নেকট্যবান বান্দা বা জ্ঞানগত সম্মান ও মর্যাদার কারনে হয় তাহলে উহা নি:সন্দেহে জায়েয এবং উত্তম । (১১)

(৩) বুখারী শরীফে মুকাদ্দামায় আল্লামা আহমদ আলী সাহারানপুরী (রাহ:)বর্ণনা করেন-
قال جاء مسلم بن الحجاج الى البخارى فقبل بين عينيه وقال دعنى اقبل رجليك يا استاذ الاستاذين ويا سيد المحدثين ويا طبيب الحديث فى علله –
অর্থ: একদা হযরত ইমাম মুসলিম রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হযরত ইমাম বুখারী রাহমাতুল্লাহি আলাইহির সাক্ষাৎ পানে ধন্য হওয়ার জন্য আগমন করে ইমাম বুখারীর উভয় চোখের মাঝখানে চুম্বন করলেন, অত:পর তিনি ইমাম বুখারীকে সম্বোধন করে বললেন, হে শিক্ষককূল শিরমণি! মূহাদ্দিসগণের সম্রাট ও হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামার কারনসমূহ অনুসন্ধানে ডাক্তারের ভূমিকা পালনকারী সম্মানিত ও পবিত্র সত্ত্বা, আমাকে একটু মেহেরবানী করে আপনার পদযুগল চুম্বন করে ধন্য হওয়ার সুযোগ দিন। (মুকাদ্দামাতু সহিহীল বুখারী)। (১২)

(৪). পাক ভারত উপমহাদেশের সর্বজন স্বীকৃত অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস শায়খ আব্দুল হক মহাদ্দিসে দেহলভীর অভিমতঃ
قال الشيخ عبد الحق المحدث الدهلوى: وفى هذا الحديث دليل على جواز تقبيل الرجل –
অর্থ: হযরত শায়খ এ দেহলভী (রহ:) বিশিষ্ট সাহাবী হযরত জারে (রা:) কর্তৃক বর্ণিত কদমবুচি অনুমোদিত হাদীসের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, (মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি চিত্তে) বুর্জগানে দ্বীন ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের পদযুগল চুমু দেয়ার বৈধতা অত্র হাদীস দ্বারা দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত।

কদমবুচির বৈধতায় দেওবন্দীদের অভিমত

১) মৌলভী রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী
وفی الفتاویٰ رشیدیہ: سوال:کسی شخص کے لئے تعظیم کو کھڑا ہو جانا اور پاوں پکڑنا اور چومنا تعظیما درست ہے یا نہیں؟ جواب: برائے تعظیم دینداروں کے لئے کھڑا ہونا درست ہے اور پاوں چومنا اس جیسی شخص کا بھی درست ثابت ہے۔

অর্থ, দেওবন্দি মৌলভী রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী তার রচিত “ফতুয়ায়ে রশিদিয়ার” মধ্যে প্রশ্নোত্তরে বলেন- প্রশ্ন: কোন ব্যক্তির সম্মানে দাড়ানো বা তাকে কদমবুচি করা বৈধ কিনা ?উত্তর: দ্বীনদার ব্যক্তির সম্মানে দাড়ানো ও তাদের পায়ে চুমু খাওয়া বৈধ এবং তা হাদীসে রসূল দ্বারা প্রমাণিত।

— ফতুয়ায়ে রশিদিয়া

২) দেওবন্দী মুফতি শফির অভিমত
حضرت شیخ محمد عابد سندھی نے اپنی رسالہ میں تحریر فرمایا کہ تعظیم و تکریم کیلئے دست بوسی یا قدم بوسی صرف ان لوگوں کی جائز ہے جو عالم صالح یا سلطان عادل ہویا کوئی دینی شرف و بزرگی رکھتا ہو۔[ذکر الشفعی فی جواھر الفقہ صفحہ،১৮৫ جلد،৮]

অর্থ- তিনি বলেন, হযরত শায়খ মুহাম্মদ আবেদ সিনদী বলেছেন, তাকওয়াবান আলেম, ন্যায়পরায়ন বাদশা, ধর্মীয় দৃষ্টিতে সম্মান ও মর্যাদার অধিকারী শুধুমাত্র এমন লোকদের হাত ও পা চুম্বন করা জায়েয।

— জাওহারুল ফিকহ: খন্ড ১, পৃ: ১৮৫

৩) এমদাদুল ফতোয়া কিতাবের ভাষ্য মতে
پس صحیح جواز تقبیل قدم فی نفسہ ہے اور فقہاء کی منع عارض مفسد۔

অর্থ- কদমবুচি মূলত একটি জায়েয আমল। তবে দিক বিবেচনা করে তা নিষেধ করেছেন।

— জাওহারুল ফিকহ, খন্ড ৫, পৃ: ৪৫

৪) এমদাদুল আহকাম গ্রন্থে আছে-
عالم،والدین کہ تقبیل ید ورجل جائز ہے مگر انحناء مثل رکوع حرام ہے۔

অর্থ, আলেম, পিতা-মাতা ইত্যাদির হাত ও পায়ে চুম্বন করা জায়েয, কিন্তু রুকুর উদ্দেশ্য মাতা ঝুকানো হারাম।

— এমদাদুল আহকাম: খন্ড, ১ম পৃ: ৩৫ পৃষ্ঠা।

৫) ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া গ্রন্থে আছেঃ
جو شخص واجب الاکرم ہو اس کی قدم بوسی کے اجازت ہیں لیکن اعتقاد میں غلو نہ ہو اور سجدہ کی ھیّت نہ ہوئی پائی۔

অর্থ, যে ব্যক্তি সম্মানের পাত্র তার কদমবুচি করা বৈধ। তবে ভ্রান্ত বিশ্বাস এবং সেজদার মত হবেনা।

— ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া: খন্ড-১ পৃষ্ঠা: ১৭৫

৬) মৌলভী আশরাফ আলী থানভীর অভিমত
اس حدیث پہ بھی معلوم ہوا ہے یہ جو محبین کے عادت ہے کہ پیر کے ہاتھ کو یا پیشانی وغیرہ کو بوسہ دیتے ہیں اسکا بھی کچھ حرج نہیں البتہ اذن شرعی سے تجاوز نہ چاہئے۔

অর্থ, তিনি “আওাকাশুফ” গ্রন্থের একটি হাদীস উদ্ধৃত করে বলেন, এই হাদীসের জ্ঞাতব্য মূল কথা হল- পীরের প্রায় মুরীদগণের অভ্যাস হল স্বীয় পীরের হাত, পা ও কপালে চুম্বন করা। সুতরাং এতে কোন অসুবিধা নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে এ ক্ষেত্রে শরয়ী হুকুমের কোন ব্যাত্যয় যাতে না ঘটে।

— আত্তাকাশুফ।

বিশুদ্ধ হাদীস শরীফ, সাহাবায়ে কেরামের আমল ও বিশ্ব বরেন্য ওলামায়ে কেরাম-এর অভিমত ও আমল দ্বারা প্রমাণিত হল হাত ও কদমবুছি শুধু জায়েয নয়’ বরং সুন্নাত।

পরিশেষে বলতে হয়, কদমবুছি সার্বজনীনভাবে সবাইকে নয় বরং মুত্তাকি পরহেজগার বুজুর্গ লোকদের বিশেষ করে মা- বাবা, শিক্ষকমন্ডলী, পীর-মাশায়েখ, বুজুর্গানে দ্বীনকে করা বৈধ ও উত্তম একটি সুন্নাতী আমল। এতে শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি, স্নেহ, মমতা ও ভালবাসা বৃদ্ধি পায়। তবে এ ক্ষেত্রে জেনে রাখা জরুরী যে, পুরুষ ও মহিলাগণ পরষ্পর যাদের সামনে বের হওয়া জায়েয নয় তাদের দস্তবুছি বা কদমবুছি করাও জায়েয নয়।

আশা করি, ব্লগে যারা ইসলাম নিয়ে লিখেন, তাঁরা ওলী-আউলিয়াদের পথ হতে সরে যাবেন না।


সূত্রঃ

১) নিজের যুক্তি
২) ঊপরিউক্ত বই
৩) নূরীয়া দরবার শরিফ
৪) http://www.sunnipediabd.com/

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৭

শাহ আজিজ বলেছেন: আমার আরবিয় গুরু একজন কূটনীতিক যার কাছ থেকে বহুবিধ উপদেশ নিয়েছি । পা ধরার ব্যাপারটা একদমই নেই আরবে । আমার পাকিস্তানী কলিগরাও পা ধরার ব্যাপারে নারাজ । হিন্দু ও বৌদ্ধ সমাজে পা ছুয়ে ধুলো মাথায় নেবার পদ্ধতি আছে । হাজার বারশ সালের দিকে পারসিয়ান , তুর্কিরা ভারতবর্ষে এলে স্থানীয় রীতি অনুযায়ী পা ছুঁয়ে সালাম করার রীতি বেছে নেন । কারন আমাদের অনেকের পূর্ব পুরুষ এদেশি মহিলার সাথে বিয়ে করে সংসার পেতেছিলেন । মায়ের শিক্ষাটা বড় তাই সন্তানরা সেই পথ আগলে আছে ।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




সম্মানিত শাহ আজিজ ভাই,

রাসুলূল্লাহ (সাঃ ) তো আরবের মানুষ ছিলেন। তিনিও তো কদমবুচি নিতেন। আপনি চাইলে আমি তা উপস্থাপন করতে পারি।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

২| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৪৬

শাহ আজিজ বলেছেন: আমি আপনি দুজনেই বাঙালি , জন্ম ১৯০০+ সালে । আমি রেফারেন্স দিলাম সৌদি আরবের একজন দ্বিতীয় শীর্ষ কূটনীতিকের কিন্তু আপনার পছন্দ হল না বা আমলে নিলেন না । সমস্যাগুলো এভাবেই শিকড় গজায় । কাল যে শবেবরাত এর নামাজ পড়ব তাও ওদের জানা নেই কারন এটি ফারসি শব্দ । ওরা পালন করেনা তবে তিনি আমায় বললেন নফল নামাজে আপত্তি থাকার কারন নেই ।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


জী, সম্মানীয়। আপনি ঠিকই ধরেছেন।

বর্তমান আরবে তা নেই। পাকিস্তানেও তা নেই বলেই জানি। কারণ, সেখানে আমার আত্মীয়-স্বজন থাকেন। তাঁদের কাছ থেকেই এটা শুনেছি।

কিন্তু, আরব/পাকিস্তানে নেই বলে ইসলামে নেই তা কি হতে পারে?

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৩| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

নতুন বলেছেন: কদমবুচি আমাদের সমাজে এসেছে হিন্দু, বৌদ্ধ সমাজ থেকে।

মুসলমান বিয়েতে গায়ে হলুদ, ঘরের লক্ষী, এই সব বিষয়গুলি সামাজিক বিষয় ধর্মীয় না।

ইসলামে যেহেতু সৃস্টিকতার কাছে সেজদার কথা আছে তাই অন্য মানুষের সামনে মাথা নত করার বিয়ষটা থাকবেনা সেটাই সাভাবিক।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:০৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমার তা মনে হয় না।

আপনি মনে হয় আমার লেখাটি ভালো করে পড়েননি!

ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:০১

শাহ আজিজ বলেছেন: রাসুলুললাহ সা: মক্কা দখলের আগে যে দেবদেবীর মূর্তি ছিল তাতে পুজারিরা সোজা শুয়ে কপাল শরীর ঠেকিয়ে পুজা , সন্মান দিত যা এই মুহূর্তে থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ মুর্তির সামনে দেওয়া হয় । পূজারীকে পদচুম্বনের ব্যাপারও ছিল । সেক্ষেত্রে বলতে পারি পা ছুয়ে সালাম সেইসময় ছিল । সিজদাও পরিবর্তন করা হয়েছিল , মুনাজাতে হাত ফাকা রাখা সহ বিবিধ বিষয় সংস্কার করা হয়েছিল । আমি সন্তানদের পা ছুয়ে সালাম নিষিদ্ধ করেছি ।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:১৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:





পা ছুঁয়ে সালাম করা একটি সুন্নত।

আপনার গবেষণা থেকে আপনি হয়তো অন্য রকম পেয়েছেন বলেই এমন করেছেন।

আর, আমার গবেষণায় আমি এটাকে সুন্নত হিসেবে পেয়েছি। উপরে নতুন করে একটু পড়ে দেখবেন, প্লিজ। আমি অনেক রেফারেন্স দিয়েছি।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৫| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে অনেক কথা

২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:৫৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



ছোট ছোট অনেক বিষয় থেকেই অনেক বড় কিছু ঘটে থাকে।

তাই, ছোট ছোট ভালো কিছুর মাধ্যমে বড় কোন ভালো কাজের দিকে এগিয়ে চলা উচিৎ।

ধন্যবাদ নিরন্তর।

৬| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৮:৪১

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার তা মনে হয় না। আপনি মনে হয় আমার লেখাটি ভালো করে পড়েননি! ধন্যবাদ।

আপনার লেখায় যদি কোরানের বা সহী হাদিসের রেফারেন্স না থাকে তবে সেটা বিভিন্ন কিতাবের এবং এই কিতাবগুলি পীরভক্ত মানুষের লেখা ।

আপনি বিশ্বাস করেন যে এই মানুষ গুলি সৃস্টিকতার সাথে যোগাযোগ ছিলো। আমি মনে করি এরা ধর্মিয় বিষয়ে জ্ঞানী ছিলেন।

২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৯:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




ঠিক আছে। আমার দেওয়া কোন কোন হাদিস সহিহ নয়, তা প্রমাণ করুন।

জী, আপনি যে দেশে থাকেন, সে দেশের বর্তমান মানুষগুলোর হয়তো সৃস্টিকতার সাথে যোগাযোগ নেই। কিন্তু, আমার দেশের মানুষের তো আছে।

এ দিয়ে আপনি কি প্রমাণ করতে চান তা এখনও বুঝতে পারিনি।

ধন্যবাদ।

৭| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৯:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হুম
আমি বুঝিনা ধর্মের পোষাকে সাধারণ অনুভব কেউ কেউ হারিয়ে ফেলে কেন?
প্রেম, ভক্তি আর ভালবাসার তো কোন বিধান নেই। বাঁধাহীন বন্ধনহীন এ অনুভবগুলো।
এবং এতে অকল্যানেরও কিছু নেই।
অথচ বর্তমান পোষাকী নজদী, ওহাবী গং তেলের পয়সার জোরে তাদের ইচ্ছেকে ধর্মের নামে জোর করে চালু করতে চাইছে সমাজে। বিশ্বে । সেই ইয়াজিদী সংস্কৃতিরই যেন এক নতুন রুপ তারা ছড়িয়ে দিতে চাইছে। যেখানে নবী প্রেম মানা, যেখানে আহলে বাইত প্রেম মানা, যেখানে নিরস বিধি-বিধানের নামে সুকুমর বৃত্তির ধ্বংসই মূখ্য।

সাধারন মানবীয় ভাল বোধের বিরোধীতা ইসলাম কখনোই করেনি। অথচ তারা ইসলামের নামে সউদ বংশের, বা কথিত গ্রান্ড মুফতির স্বেচ্ছাচারী ভাবনাকেই চালিয়ে দিতে চাইছে। প্রয়োজনে হাদীস কোরআনকেও ম্যানিপুলেট করতে নিজের মনমতো ব্যখ্যা করে।

৩১ শে মার্চ, ২০২১ দুপুর ১:০৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমিও বুঝি না, গাছের আগায় উঠে কেউ যদি নেটওয়ার্ক পেয়ে যায়, তাতে কার কি অসুবিধা!

আর, গাছের আগায় উঠতে নিশ্চয়ই কেউ স্যুট-প্যান্ট পড়ে উঠে না!

দেরীতে উত্তরের জন্যে দুঃখিত।

শুভেচ্ছা নিরন্তর।

৮| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ৯:৫৭

সোহানাজোহা বলেছেন: ব্লগার #নতুন সঠিক বলেছেন। তার প্রতিটি মন্তব্যে লাইক।

৯| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১০:৩১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: হঠাৎ করে বগ্লে পা নিয়ে কেনো এত লেখা

১০| ২৮ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১১:৫৫

মুক্তা নীল বলেছেন:

আপনি কি মুফতি বাড়ীর কেউ ? কিছু মনে না করলে
জানাতে পারেন ।

১১| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১২:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: মুসলমানদের পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা নিষেধ। এটা হিন্দুদের নিয়ম।

১২| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ রাত ১:২৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি আজগুবি বিষয় নিয়ে আজগুবি কথা লিখেন।

১৩| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:০৮

নতুন নকিব বলেছেন:



৩. ২৮ শে মার্চ, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৬১

নতুন বলেছেন: কদমবুচি আমাদের সমাজে এসেছে হিন্দু, বৌদ্ধ সমাজ থেকে।

মুসলমান বিয়েতে গায়ে হলুদ, ঘরের লক্ষী, এই সব বিষয়গুলি সামাজিক বিষয় ধর্মীয় না।

ইসলামে যেহেতু সৃস্টিকতার কাছে সেজদার কথা আছে তাই অন্য মানুষের সামনে মাথা নত করার বিয়ষটা থাকবেনা সেটাই সাভাবিক।


-মন্তব্যগুলো পড়তে পড়তে দেখি, নতুন নকিবের না বলা কথাটা নতুন এসে আগেই বলে গেছেন! বাহ! শুকরিয়া, নতুন ভাই। তাই কিছুই আর বলছি না পোস্টের বিষয়ে। উপরন্তু, এই পোস্টটা সম্ভবতঃ আমার সালামের নামে কদমবুচি বা পদচুম্বন করা নিয়ে কিছু কথা... পোস্টের জবাবেই দেয়া হয়েছে।

যাই হোক, বিতর্ক করার কিছু নেই। আমাদের দায়িত্ব শুধু সত্য কথা প্রচার করে যাওয়া। প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করার পরে যার যেটা ভালো মনে হয়, তিনি সেটা পালন করবেন। এতে কারও আপত্তি থাকার কারণ নেই। মনে রাখতে হবে, কাউকে জোর জবরদস্তি করে নিজের মতের পক্ষে নেয়ার শিক্ষা ইসলাম কখনো দেয় না। আর ইসলামের বিধান হচ্ছে, কারও পাপের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়েও দেয়া হবে না। প্রত্যেককে আমল অনুসারেই ফলাফল প্রদান করা হবে।

পোস্ট দিয়ে আপনার মতামত তুলে ধরার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, সত্যপথিক শাইয়্যান।

১৪| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৩:৩৩

অন্তরন্তর বলেছেন: আমি সাধারণত ধর্ম আর রাজনীতির পোস্টে মন্তব্য করি না। এখানে করছি কারণ দেখলাম প্রায় সকলেই বলছে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা যাবে না। কিছুদিন পূর্বে নতুন নকিব এ বিষয়ে পোস্ট দিয়েছেন এখন এটার কাউন্টার পোস্ট আপনি দিয়েছেন। নতুন নকিব সাহেব আপনি কিন্তু এখানে উল্লেখিত একটা হাদিসের ব্যাপারে কথা বললেন না, এ হাদিসগুলি সহি নাকি জইফ তার ব্যাপারে কথা বলা দরকার ছিল। তাহলে ব্লগে যারা ইসলামিক বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন তাদের কাছ থেকে আমরা কিছু শিখতে পারি। ব্লগ পোস্টে মতবিনিময় আর দলিলের মাধ্যমে উপস্থাপন আমরা সাধারণ মানুষ কিছু জানতে পারি। নতুন নকিব সাহেব এর উচিত এখানে উল্লেখিত প্রত্যেকটি হাদীস সম্পর্কে আমাদের ধারণা দেয়া তাহলে উনার এ সংক্রান্ত পোস্ট আরও গ্রহণযোগ্যতা পাবে। শুভকামনা সকলের প্রতি।

১৫| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা আর পা চুম্বন করা একই বস্তু কিনা তা আলোচনার দাবি রাখে। কোলাকুলি করা, হাতে চুমু খাওয়া, সিনায় সিনা লাগানো, মাথায় চুমু খাওয়া স্থানীয় রেওয়াজ বা সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে, কিন্তু নীচু হয়ে কারো পায়ে হাত দিয়ে সালাম দেয়াকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো কাছে মাথা নত করার শামিল, যাকে শির্‌ক বলেও গণ্য করা যায়।

কোনো বিধিবিধানের ব্যাপারে সর্বাধিক প্রচলিত হাদিসকেই প্রাধিকার হিসাবে গণ্য করতে হবে, তার ব্যতিক্রম হিসাবে বাই চান্স দু-একটা হাদিস পাওয়া গেলে সেগুলোকে প্রাধান্য দেয়া মনে হয় ঠিক হবে না।

তবে, নতুন নকিব ভাইয়ের পোস্টে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা যাবে না, এই মর্মে কোনো হাদিস নেই। যে বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, সেই বিষয়ের পক্ষে কোনো হাদিস পাওয়া গেলে সেটাকে প্রাধিকার হিসাবে গণ্য করা যায়।

অন্তরন্তর ভাইয়ের কথার সাথে আমি একমত।

১৬| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৪:৫৪

রানার ব্লগ বলেছেন: পায়ে হাত দিয়ে সালাম, কদমবুচি করা হিন্দুয়ানী চাল !!!

ইহা কেবল ভারতবর্ষেই দেখা যায় ।

১৭| ২৯ শে মার্চ, ২০২১ বিকাল ৫:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে সবার মন্তব্য গুলো ভালো লাগলো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.