| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!
দেশ এখন পুরোপুরি তিন ভাগে বিভক্ত। একদিকে নব নির্বাচিত বিএনপি সরকার, অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি জোট। একদল আরেক দলকে সহ্য করতে পারছেন না। আর, বরাবরের মতো চিপায় পড়ে গিয়েছেন ৩য় পক্ষ - 'সাধারণ জনগণ'। প্রশাসনও প্রায় নিরুপায়, দুই দিক থেকেই মার খাচ্ছেন। আজকের হাতিয়া এর পরিস্থিতি দেখে তা-ই মনে হচ্ছে।
নির্বাচনের পর সাধারণত রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, পরিস্থিতি অনেক ক্ষেত্রে আরও জটিল হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা যখন সামাজিক বিভাজনে রূপ নেয়, তখন তা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা এবং নাগরিক নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করে।
এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ - এখন করণীয় কী?
সম্ভবত এ সময় সবচেয়ে প্রয়োজন সংলাপ, ধৈর্য এবং সামাজিক নেতৃত্বের। রাজনৈতিক দলগুলোর আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ এবং সম্মানিত ব্যক্তিদের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসা জরুরি হতে পারে। ইতিহাস বলছে, বহু সংকটময় সময়ে স্থানীয় নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ, ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তিরা উত্তেজনা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
গ্রাম থেকে শহর - প্রতিটি পর্যায়ে এমন ব্যক্তিদের একটি নৈতিক বলয় তৈরি করা দরকার, যারা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থেকে শান্তি, সংলাপ ও সহনশীলতার পক্ষে দাঁড়াবেন। তাঁদের কাজ হবে উত্তেজনা কমানো, ভুল বোঝাবুঝি দূর করা এবং সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক চাপ তৈরি করা।
কারণ রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নির্ভর করে না; এটি নাগরিকদের পারস্পরিক আস্থা, সহনশীলতা এবং দায়িত্ববোধের ওপরও নির্ভরশীল।
আজ প্রয়োজন প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার নয় - বরং সহাবস্থানের পথ খুঁজে নেওয়ার। মতভেদ থাকতে পারে, রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে।
এই সংকটময় সময়ে প্রশ্নটি তাই ব্যক্তিগতও - আমরা কি উত্তেজনার অংশ হব, নাকি সমাধানের অংশ?
সম্ভবত সময় এসেছে, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে শান্তি, সংলাপ এবং মানবিকতার পক্ষে দাঁড়ানোর।
আপনিও কি সেই দায়িত্বশীল নাগরিকদের একজন হতে চান না?
২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সাহেবের প্রতিশ্রুতির প্রতি আস্থা রেখেছি। তিনি বলেছিলেন - শহরাঞ্চল ও গ্রামগুলোতে পাঞ্চায়েতকে শক্তিশালী করবেন।
ভালো থাকুন নিরন্তর।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শোনা যাচ্ছে ১০ই মার্চের মধ্যে আওয়ামী লীগ মাঠে নামবে
তখন রাজনীতির মেরুকরন আরেক ধাপ পরিবর্তন হবে ।