| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
বাংলাদেশে ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প এখন দেশের অন্যতম শক্তিশালী খাত, কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে ওষুধের দাম এখনো বড় চিন্তার বিষয়। এখানে জেনেরিক (generic) ওষুধ হতে পারে এক বড় সমাধান। গবেষণায় দেখা গেছে, জেনেরিক ওষুধ মূল ব্র্যান্ডেড ওষুধের তুলনায় অনেক সস্তা হলেও কার্যকারিতায় প্রায় একই । সহজ ভাষায় - “নাম কম, কাজ কিন্তু কম না!”। আমাদের দেশে অনেক সময় রোগীরা শুধু ব্র্যান্ড নাম শুনেই দামি ওষুধ কিনে ফেলেন, অথচ একটু খোঁজ নিলে কম দামে একই মানের বিকল্প পাওয়া সম্ভব।
ধরা যাক, একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ নিয়মিত খাচ্ছেন। ব্র্যান্ডেড ওষুধ কিনতে গেলে মাস শেষে বাজেট “ডায়াবেটিসের মতোই বেড়ে যায়”! কিন্তু যদি একই ওষুধের জেনেরিক ভার্সন ব্যবহার করা যায়, তাহলে খরচ অনেকটাই কমে আসে। গবেষণায় দেখা যায়, অনেক দেশে জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো খরচ কমানো এবং সহজলভ্যতা । বাংলাদেশেও এই ধারণা আরও জনপ্রিয় হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
তবে সমস্যা একেবারেই নেই তা নয়। অনেক সময় মানুষ জেনেরিক ওষুধের ওপর পুরোপুরি ভরসা করতে পারেন না - “সস্তা মানেই কি ভালো?” - এই প্রশ্ন থেকেই যায়। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ফার্মেসিতে গিয়ে দেখা যায়, ফার্মাসিস্ট নিজেই বেশি লাভের জন্য দামি ব্র্যান্ড সাজেস্ট করেন! গবেষণায়ও বলা হয়েছে, ভোক্তাদের ধারণা ও তথ্যের অভাব জেনেরিক ওষুধ ব্যবহারের বড় বাধা হতে পারে। তাই সচেতনতা বাড়ানো এখানে খুবই জরুরি।
এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে সরকার, ডাক্তার এবং ফার্মাসিস্ট - সবার সমন্বিত ভূমিকা দরকার। ডাক্তাররা যদি প্রেসক্রিপশনে জেনেরিক নাম লিখেন এবং ফার্মেসিগুলো যদি সঠিক তথ্য দেয়, তাহলে মানুষ ধীরে ধীরে আস্থা পাবে। একই সাথে গণসচেতনতা বাড়াতে মিডিয়া ও স্বাস্থ্য ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। শেষ কথা হলো - “কম দামে ভালো চিকিৎসা” কোনো স্বপ্ন নয়, বরং সঠিক ব্যবস্থাপনা হলে এটি বাংলাদেশের বাস্তবতাই হতে পারে।
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:২০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
জেনেরিক ঔষধের কার্যকারিতা যদি প্রায় সমানই থাকে, তাহলে ব্র্যান্ডেডগুলো নিম্নবিত্তদের অফার করার প্রয়োজন কি?
শুভেচ্ছা নিরন্তর।
২|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:০৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: কোটি টাকা লাগে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে?
হার্ডওয়্যার ছাড়া?
৩|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৮
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: বাংলাদেশের প্রায় ২০ টা কোম্পানির ওষুধ খুব ভালো মানের। বেক্সিমকো, স্কয়ার এর ওষুধ এখন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়। ফার্মা সেক্টর বাংলাদেশের একটা সম্ভবনাময় সেক্টর। মার্কেটিং খরচ হল কষ্টিং এর বড় খরচ। এটা কমাতে পারলে আরও কম দামে ওষুধ পাওয়া সম্ভব।
৪|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:০১
আলামিন১০৪ বলেছেন: এন্টিবায়োটিক যে ব্রান্ডগুলো সস্তা সেগেুলো প্রায়ই মানহীন হয়
৫|
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের ওষুধের মান গুনগত নয়। সমস্যা আছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: “কম দামে ভালো চিকিৎসা” কোনো স্বপ্ন নয়, বরং সঠিক ব্যবস্থাপনা হলে
এটি বাংলাদেশের বাস্তবতাই হতে পারে।
..................................................................................................
বাংলাদেশের মতো এত সস্তা ওষুধ ও সহজলভ্য আর কোথাও নেই ।
জার্মানীতে একটি ওষুধের জন্য আমাকে প্রায় একমাস অপেক্ষা করতে হয়েছিলো ।
তবে আমাদের ওষুধের গুনগত মান ভালো নয় । ভারতের একটি নাপা যে কাজ করে
আমাদের ক্ষেত্রে ৩/৪ টি প্রয়োজন হয় ।