নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সত্যের জয়!

২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৪২



একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে, সেই দেশের জনগণের দারিদ্রতা দূর করতে হয়। দারিদ্রতা দূর করতে হলে, আগে নিজেদের উপার্জনকে ভোগ করা শিখতে হবে। যখনই আমরা নিজেদের উপার্জন থেকে আসা অর্থ ভোগ করবো, তখন আমাদের চাহিদা বেড়ে যাবে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ার অর্থ আমাদের আরও অর্থের প্রয়োজন হবে। সেই অর্থ উপার্জনে আমাদের দেহ, মন আর হৃদয় দিয়ে কাজে লেগে যাবো। যখনই কাজে লেগে যাবো তখন আমাদের কর্ম ক্ষমতা আমাদেরকে নতুন নতুন কাজের সন্ধান দিবে। এরফলে, হয় আমরা জব পাবো, অথবা নিজেরা উদ্যোক্তা হবো। যখনই আমারা জব পাওয়ার চেষ্টা করবো, তখন সরকার নতুন জব সৃষ্টি করার সুযোগ পাবে। আর, আমরা কর্মস্পৃহা দেখালে, আর সমাজে সেই পরিমাণ জব না থাকলে, আমাদের উদ্যোক্তা হবার পথ খুলে যাবে। যখনই আমরা উদ্যোক্তা হবো, তখন আরও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সেই সাথে আমরা একেকজন বড় কনজিউমার হয়ে উঠবো। আমরা যত বড় কনজিউমার হবো, তত বেশি পণ্য বাজারে আসবে। সেই সাথে নতুন নতুন ব্যবসা খুলতে থাকবে আর দেশে কর্মসংস্থান হতে থাকবে।

লক্ষ্য করে দেখেছেন কি, বাংলাদেশে অনেক স্মৃতি সৌধ, বড় বড় ভাস্কর্য আছে। আমি মাঝে মাঝে রাতেরবেলা বের হই। ঢাকার ফুটপাতবাসীরা কেমন আছেন তা জানতে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে বানানো এইসব স্মৃতি সৌধ আর ভাস্কর্যের নিচে রাতেরবেলা ঠাই হয় ফুটপাতবাসীদের। আজকের ঠা ঠা গরমের সময়েও এইসবের নিচে সমাজের ছিন্নমূলদের শুয়ে থাকতে দেখেছি। ধন্যবাদ দিতে চাই তাঁদের যারা এইসব গড়ে ছিন্নমূল ঢাকাবাসীদের একটু গরমে জিরানোর ব্যবাস্থা করে দিয়েছেন।

এইসব মানুষেরা কোথায় পিসু করেন তা নিয়ে আমি মাঝে মাঝেই ভাবিত হই। সমাজের ছিন্নমূলদের জন্যে কিছু পিসুখানা করে দেওয়া প্রয়োজন। এজন্যে, কাউকে তেমন কণ্ঠ উঠাতে দেখি না। সব দোষ তো আসলে আমেরিকা আর ধনী আরবদের যারা নিজেদের জনগণকে ভালো রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে!

আমি লক্ষ্য করে দেখেছি, যারা আমেরিকা আর আরবদের গালিগালাজ করেন, তারা আমেরিকা বা কোন পশ্চিমা দেশে থাকেন। তাঁদের গালিগালাজের মূল কারণ - ঐসব দেশের শানশৌকত তারা ছুঁতে পারেন না। অথচ, আমেরিকা বা পশ্চিমা দেশ কিংবা ধনী আরব দেশ তাঁদের নিজেদের ভূমির সম্পদ ব্যবহার করেই এই পর্যন্ত এসেছে যা আমাদের মতো দেশগুলো পারে নাই। আমাদের জনগণ দূর্নীতি আর লুটতরাজ করে করে দেশকে ডুবিয়ে দিয়েছে।

পশ্চিমা ও আরব দেশগুলো নিজেদের এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে, যা সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো পারে নাই। সমাজতন্ত্র ফেইল মেরেছে এই জায়গাতেই। তাঁরা নিজেদের দেশের মানুষদের ভালো রাখতে পারে নাই, অভাব - অনটন থেকে দূরে রাখতে পারে নাই। ফলে, সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো সব ভয়ে ভয়ে থাকে। তাঁরা অটোক্রেটিক সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলে যাতে তাঁদের জনগণ তাঁদেরকে টেনে-হিচড়ে মাটিতে নামাতে না পারে। তাঁদের স্ট্যাচুগুলো তাঁরা বড় বড় করে গড়ে তুলেন যাতে সাধারণ মানুষ সেগুলোর মাথায় খুব তাড়াতাড়ি পিসু না করতে পারে। তাঁরা অন্যদের গালিগালাজ করেন যাতে তাঁদেরকে কেউ গালিগালাজ করতে না পারে!

কিন্তু, সত্যের জয় একদিন হয়ই হয়!!! :)

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১২

মেহবুবা বলেছেন: টয়লেটের বিষয়টা আমারও মনে হয়। আমাদের আপামর জনগনকে কোনো Standard এ ফেলতে চাই না আমরা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.