নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পাতলা মানুষ

পাতলা মানুষ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতীয় টিভি সিরিয়ালের কুপ্রভাব পড়তে শুরু করেছে

৩০ শে জুলাই, ২০১৪ ভোর ৬:৪৬

সরকার নিয়ন্ত্রিত বিটিভি এবং বিটিভি ওয়ার্ল্ড ছাড়াও দেশে এখন চালু আছে অন্তত ৩০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল। প্রতিদিনের সর্বশেষ দেশী-বিদেশী খবর ছাড়াও আমাদের চ্যানেলগুলো সিনেমা, নাটক সিরিয়াল, স্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠান, বিনোদনমূলক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, টক শোসহ পাঠকদের চাহিদা মেটানোর জন্য সব ধরনের অনুষ্ঠান প্রচার করে থাকে। দর্শকদের ভিন্ন ভিন্ন রুচির চাহিদা মেটাতে গিয়ে চ্যানেলগুলোর কিন্তু প্রচেষ্টার অন্ত নেই। কিন্তু তাতে লাভ কি উলু বনেই যেন মুক্তা ছড়ানো হচ্ছে। কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। দর্শকদের কিন্তু ফেরানো যাচ্ছে না বাংলাদেশী চ্যানেলগুলোর এই প্রচেষ্টার দিকে। তারা ভারতীয় চ্যানেলগুলোর প্রতিই আসক্ত। বিশেষ করে ঘরে ঘরে মহিলারা যেন মাদকের মতো আসক্ত হয়ে পড়েছেন ভারতীয় চ্যানেলের প্রতি। এর কুপ্রভাব পড়তে শুরু করেছে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সমাজ সভ্যতার ওপর। এমনকি এবারের ঈদ বাজারেও তার ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ভারতের ফেনসিডিল আগ্রাসনে যুব সমাজ শেষ হবার দ্বারপ্রান্তে উপনীত হবার পর এবার ঐ দেশের টিভি সিরিয়ালের আগ্রাসনে রীতিমতো মগজ ধোলাই হতে চলেছে এই জাতির। মুসলিম জন্ম পরিচয় আর নামে আমরা যতই মুসলমান হই না কেন-চলনে, বলনে, কথনে, মননে আমরা হবো ভারতীয় সংস্কৃতির ধারক এবং বাহক। নিজস্ব স্বকীয়তা বলতে আমাদের কিছু থাকবে না। এটাই যেন ভারতীয় সিরিয়াল নির্মাতাদের টার্গেট। একটা জাতিকে মননে ভারতীয় বানাতে পারলে স্বার্থ হাসিল করা কোন কষ্টকর ব্যাপারই নয়। তরবারি দিয়ে যুদ্ধ করে দেশ দখলের যুগ এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে। এখনকার মনীষীদের ধ্যান-ধারণা হলো মানুষের মনের জগতটাকে দখল করা। ভারতীয় সিরিয়ালগুলো বাংলাদেশের মানুষের মগজ ধোলাই কাজে বেশ পারঙ্গমতার পরিচয় ইতোমধ্যেই দিয়েছে।



একটু লক্ষ্য করলেই স্পষ্ট বোঝা যায় যে, ভারতীয় টিভি সিরিয়ালগুলোর মূল বিষয়বস্তু তিনটি। প্রথমত : সিরিয়ালগুলোতে ভরপুর থাকে পারিবারিক ও সম্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসা এবং ঝগড়া। এটাকে কেন্দ্র করে গোটা সিরিয়ালজুড়েই থাকে কূটবুদ্ধির চর্চা। প্রতিহিংসা রূপ নেয় একে অপরকে ধ্বংস বা হত্যা অথবা হত্যা ষড়যন্ত্রের পর্যায়ে। গৃহবধূ, নারী এবং কিশোরীরা এই ঝগড়া-ঝাটি দেখতে বেশ পছন্দ করে। এটা তাদের মনের মধ্যে দাগ কাটে, নিজেদের প্রবৃত্তিটাও আস্তে আস্তে সেভাবেই বিকশিত হয়। পরিণত বয়সীদের মানসিকতায় পরিবর্তন আসে এই সিরিয়াল দেখে। তাদের ভিতরের স্বভাবটাও আস্তে আস্তে ঝগড়াটে স্বভাবে রূপ নেয়। এটা যখন বাস্তবে রূপ লাভ করে তখন পরিবারগুলোতেও দেখা দেয় প্রতিহিংসা, দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও ঝগড়াটে পরিস্থিতি। এরূপ প্রতিহিংসার জন্ম হয় মা-বেটির মধ্যে, বোনে-বোনে, ভাইয়ে-ভাইয়ে, বাপ-বেটায়, স্বামী-স্ত্রীতে, বউ-শাশুড়ীতে, বউ-ননদসহ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে। সব মিলিয়ে এক পারিবারিক দ্বন্দ যেন আমাদের পরিবার প্রথাকেই হেয় করে প্রস্ফুটিত করা এসব সিরিয়ালের উদ্দেশ। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, মহব্বতের সম্পর্ক থাকার কথা আমাদের ধর্ম, আমাদের পরিবার প্রথা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনুসারে। কিন্তু সেটাকে সুক্ষ্মভাবে ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা চলছে টিভি সিরিয়ালের প্রতি আসক্তি বাড়িয়ে।



ভারতের বাংলা চ্যানেল জি বাংলা, স্টার জলসা, ইটিভি, হিন্দি চ্যানেল জিটিভি এবং স্টার প্লাস সর্বাধিক সিরিয়াল প্রচার করে থাকে। এগুলোর সবই বাংলাদেশে জনপ্রিয়। এসব সিরিয়ালের দ্বিতীয় বিষয়বস্তু হলো ‘পরকীয়া’। এক নারীর সাথে একাধিক পুরুষের দৈহিক সম্পর্ক, বিবাহ বহির্ভূত মেলামেশা, আবার এক পুরুষের সাথে একধিক নারীর দৈহিক সম্পর্ক ও মেলামেশাকে কেন্দ্র করে কাহিনী আবর্তিত হয় ভারতের চ্যানেলগুলোর টিভি সিরিয়ালে। এগুলোকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক বিশ্বাসের পরিবর্তে সৃষ্টি হয় সন্দেহের। স্ত্রী স্বামীকে, স্বামী স্ত্রীকে সন্দেহ করে। ফলে সুখের সংসারে আগুন লাগে। কখনো কখনো নতুন বউ ঘরে আসতে না আসতেই এই সন্দেহ দানা বেধে ওঠে। মাতালের মতো আগ্রহ নিয়ে এইসব সিরিয়ালের কাহিনী পর্যবেক্ষণের কারণে আমাদের সমাজেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। স্বামী সকালে বাসা থেকে বের হয়ে সারা দিন কি করে, সে কি চাকরি করে, না প্রেম করে, না আরেক বিবির কাছে সময় কাটিয়ে আসে, অফিসে কি সে তার কোন নারী কলিকের সাথে ফস্টি-নস্টি বা কোন অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে কিনা। এমন সন্দেহ ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে এই টিভি সিরিয়ালের বদৌলতে। একইভাবে উল্টো সন্দেহের সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক স্বামীর মাঝে। কারণ তিনি থাকেন সারা দিন বাইরে, ঘরে একা নারী অন্য কারো সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তে পারে। এভাবে একে অপরকে সন্দেহ করা এখন আমাদের ঘরে ঘরে। এ কারণে বিশ্বাসের জায়গা, মহব্বতের জায়গা, একে অপরের অধিকারের জায়গাটা আগের মতো আর থাকছে না। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ধরে চলে ভারতের একেকটি সিরিয়াল। যার পুরোটাজুড়েই আবর্তিত থাকে পরকীয়া। স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, মহব্বতের মধ্য দিয়েই পৃথিবীতে গড়ে উঠেছে মানব সভ্যতা এবং শান্তির আবাসস্থল। বিশ্বাস না থাকলে বাস্তবে পৃথিবীতে কোন সভ্যতাই গড়ে উঠতো না। সেই বিশ্বাস যেন ভেঙ্গে দিতে চাইছে সিরিয়ালগুলো।



সিরিয়ালগুলোর তৃতীয় মৌলিক বিষয়বস্তু হলো ধর্ম। সস্পত্তি নিয়ে দ্বন্দ্ব, পরকীয়া, বা যা কিছু নিয়েই দ্বন্দ্ব, প্রতিযোগিতা বা প্রতিহিংসা যখন চরম পরিণতির দিকে যায় তখন ধর্মের কাছে গেলে তার সমাধান হয়ে যায়। ধর্মই সত্যের ওপর অবিচল থাকা নায়ক বা নায়িকার শেষ আশ্রয়স্থল। ভারতের বাংলা বা হিন্দি সিরিয়ালগুলোতে সেটাই দেখা যায়। চরম সমস্যা সঙ্কুল পরিস্থিতিতে যখন কেউই তার পক্ষে নেই বলে মনে হয় তখন দেখা যায় যে, সংক্ষুব্ধ নায়ক ,নায়িকা বা সংশ্লিষ্ট চরিত্রের ব্যক্তি দেবী দুর্গার কাছে, কখনো কালির কাছে, কখনো সরস্বতির কাছে, কখনো গণেশ, আবার কখনো রাম বা অন্য কোন দেবতার মন্দিরে মূর্তির কাছে কান্নাকাটি করছে। দেবতার কাছে পূজা দিচ্ছে তার কাছেই সব সমস্যার সমাধান খুঁজছে। শেষ পর্যন্ত সমাধানও তাদের ধর্মের কাছে গিয়েই হচ্ছে। একটা বিষয় খুবই লক্ষণীয় যে, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ধরে চলা মেগা সিরিয়ালের কাহিনী, কথোপকথন এবং ঘটনা পরম্পরায় যখন যে পূজা তখন সেখানে গিয়ে আবর্তিত হয়। সিরিয়ালের সুদক্ষ কাহিনীকার, পরিচালক, প্রযোজক পূজার পর্বগুলো এমনভাবে সাজান যেন কাহিনী এই পূজা উপলক্ষে সবেমাত্রই লেখা হয়েছে। সিরিয়ালের শেষ মীমাংসাও হয় ধর্মে। বাস্তবে কৌশলে সিরিয়ালগুলোতে তারা তাদের দেশের ধর্মটাকেই প্রচার ও প্রতিষ্ঠিত করছে। ধর্মকেই সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয়া হচ্ছে সিরিয়ালগুলোতে। অথচ আমাদের দেশের সমস্ত নাটক, সিনেমা, সিরিয়াল সব কিছুতেই খারাপ চরিত্রটি বলতে ধার্মিক ব্যক্তি বা ধর্মের লেবাসধারী কোন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। ধর্মটাকে এখানে সংস্কৃতির অঙ্গনে খারাপ অর্থেই ফুটিয়ে তোলা হয়। ধর্মের প্রতি সবাইকে বিদ্বেষ তৈরি বাংলাদেশের সংস্কৃতির অঙ্গনের হোতাদের কমন টার্গেট বলেই ধরে নেয়া হয়।



পবিত্র মাহে রমযানের শেষপ্রান্তে এসে সবাই ব্যস্ত ঈদ কেনাকাটায়। ঈদ শপিং-এ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে এই ভারতীয় টিভি সিরিয়ালগুলো। এবার সেটা কতটা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইতোমধ্যে একটি মেয়ে আত্মহত্যা করেছে তাকে পছন্দের ‘পাখি’ পোশাক কিনে না দেয়ার কারণে। আবার স্ত্রী কতৃক স্বামীকে তালাক দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে এই সিরিয়ালের পছন্দের পোশাক স্বামী কিনে না দেয়ার কারণে। এই দুইটি ঘটনাই প্রমাণ করে যে, ভারতীয় টিভি সিরিয়ালগুলোর কুপ্রভাব আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেটা মহামারী আকার ধারণ করার আগেই ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ঈদ ফ্যাশনে আমাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, ফ্রক, গহনার স্থান দখল করে নিচ্ছে ভারতীয় আগ্রাসী টিভি সিরিয়াল। আমাদের ঐতিহ্য সংস্কৃতি তমদ্দুন হারিয়ে যেতে বসেছে , একসময় হয়তো হারিয়েই যাবে যদি সমাজ ও রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারকরা সঠিক কাজটি না করেন।



এতো গেল ঈদ বাজারের কথা। বাস্তবে ঘটছে ঘরে ঘরে আরো জঘন্য ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, তার স্ত্রী খুই অসুস্থ। তবে বিকেল থেকে যখন ভারতীয় সিরিয়ালগুলো শুরু হয় তখন সে আস্তে আস্তে সুস্থতা বোধ করে। বাস্তবে সে অসুস্থতা ভুলে থাকে। আরেকজন জানান, রাতের খাবার তারা পরিবারের সবাই মিলে একসাথে খেতে পারেন না। কারণ সিরিয়াল মিস হয়ে যাবে। তাই স্ত্রী চলে যান ভাত নিয়ে টিভির সামনে। রোববার বোধহয় সিরিয়াল থাকে না, তাই ঐদিন একত্রে খাওয়া সম্ভব হয় কোন কোন সপ্তাহে। আরেকজন ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদককে জানান, তিনি সারা দিন সংসারের জন্য খেটেপুটে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরেন রাত ১০টা বা তারও পরে। সারা দিনের কর্মক্লান্ত শরীর দ্রুতই বিছানা চায়। কিন্তু স্ত্রীর সিরিয়াল দেখা শেষ না হলে বিছানায় যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তার টিভিটাও শোবার রুমে। রাত সাড়ে বারোটার আগে শুতে যাওয়ার কথা বললে বাসায় ক্রুক্ষেত্র বেধে যায়। কারণ এটা স্ত্রীর ভাল লাগার ওপর হস্তক্ষেপ হয়ে যায়! সারা দিনের কর্মক্লান্ত স্বামী কোনদিন অসুস্থ থাকলেও সেদিকে তাকানোর সময় নেই সিরিয়াল আসক্ত স্ত্রীর। ঐ ব্যক্তি আরো জানান, আমিতো লজ্জা শরম ত্যাগ করে মনের কথা, আমার ভোগান্তির কথা বললাম। খবর নিয়ে দেখেন গিয়ে যে, প্রতিটি ঘরেই একই চিত্র।



উল্লেখ্য, ভারতে বাংলাদেশের কোন টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের অনুমতি নেই। কিন্তু আমাদের দেশে ভারতীয় চ্যানেলের কোন লাগাম নেই। এভাবে আকাশ খুলে দিয়ে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনকে নীরবে তার মহামারির রুপ ধারণ করতে দেয়ার মত দুর্ভাগা জাতি আর আছে কিনা তা জানা নেই। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারনী খেলার সময় মালয়েশিয়ায় থাকাকালে দেখেছি বিদেশী চ্যানেল দেখার বিষয়ে কতটা রেসটিকটেড ঐ দেশটি। কোন কেবল অপারেটরই একটি কানেকশনে দুনিয়ার সব চ্যানেল আমাদের দেশের মত দেখিয়ে দিতে পারেনা। তাদের জাতীয় টেলিভিশন ছাড়া যেকোন বেসরকারি বা বিদেশী চ্যানেল দেখতে হলে আগে পারমিশন নিতে হয়। এই পারমিশন অত্যন্ত সীমিত।আর সে কারনেই কুয়ালালামপুরে যে বাসাতে ছিলাম সেই বাসায় বসে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার সুযোগ হয়নি। প্রিয়দল আর্জেন্টিনা আর জার্মানীর ফাইনাল খেলা সেই রাতে গিয়ে দেখতে হয়েছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটারিয়ায় গিয়ে।

মন্তব্য ১৪ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৮:৫০

অণুজীব বলেছেন: thik bolesen.

২| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৮:৪৩

শাহ আজিজ বলেছেন: আপনি আচরি ধর্ম ।

আপনার আলোচনায় বোঝা যায় আপনি নিজেও আসক্ত ।

৩০ প্লাস ১ মিলে দর্শককে ফেরাতে পারছেনা যখন তখন সার্থক ভারতীয় চ্যানেল। আমাদের চ্যানেলে কজন পেশাদার মালিক আছে ? ওরা কিন্তু এক্সময়ের মারকিনি সিরিয়াল অনুকরন করেই এ জায়গায় এসেছে। আমাদেরও সমাজে অসংখ্য উপাদান আছে সিরিয়াল বানানোর কিন্তু মানুষ নেই বানানোর বা বানাতে দেওয়া হয়না । আমরা এখন ওদের কিছু অংশ কপিক্যাট করে আমাদের আঙ্গিকে বানাতে পারি। কুশলী দরকার , তা আছেও ,সমস্যা মাগ্না খাটতে হয় । আর হ্যাঁ এই মুসলিম সমাজ ৪৭এর আগে পুরোপুরি ভারতীয় ছিল ,ওখানে মুসলিম খান ভাইয়েরা পৃথিবী খ্যাত নায়ক , মুসলিম বাজিয়েরা ভারত খ্যাত । আলাপের সময় খেই হারিয়ে ফেলবেন না । গুজরাট দাঙ্গায় খুব কাদেন, মোদীর গুষ্ঠি উদ্ধার করেন , এ আর রাহমান এলে তাকে অপমান করেন । এই হচ্ছে আমাদের ক্যারেকটার ।

৩| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:০৬

অদ্বিত বলেছেন: কোন এককালে আমরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম। সে কথা ভুলে গেলে চলবে না। ঐ জানোয়ার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ যদি দ্বিজাতি তত্ত্ব না দিত, তাহলে পূর্ব পাকিস্তানই গঠিত হইত না আর বাংলাদেশ হওয়ারও কোনই সম্ভাবনা থাকত না। ঠিক আছে ? এত বিদেশী সংস্কতির কুপ্রভাব কুপ্রভাব বলে লাফানোর কোন দরকার নাই, দেশীয় সংস্কৃতিরও কুপ্রভাব আছে। বিদেশী সংস্কৃতিরও সুপ্রভাব থাকতে পারে আবার দেশীয় সংস্কৃতিরও ভয়ানক কুপ্রভাব থাকতে পারে। প্রতিটি সংস্কতিরই কিছু ভাল দিক এবং খারাপ দিক আছে, এমনকি আমাদের নিজেদের সংস্কৃতিরও। গণহারে বিদেশী সংস্কৃতিকে খারাপ বলা অনুচিত। আমাদের উচিত প্রতিটি সংস্কৃতির ভাল দিকগুলকে গ্রহণ করা এবং খারাপ দিকগুলোকে বর্জন করা।
আরো একটা কথা, ঈদ কি বিদেশী সংস্কৃতি নয় ? এটা কি আরবীয় সংস্কৃতি নয় ? অবশ্যই আরবীয় সংস্কৃতি এবং নিশ্চয়ই আরবীয় সংস্কৃতি বাঙালি সংস্কৃতির মধ্যে পড়ে না, পড়ে নাকি ? কিন্তু বাঙালি সংস্কৃতি নিঃসন্দেহে ভারতীয় সংস্কৃতির অংশমাত্র। জিন্নাহর জন্য না হয় আমরা আলাদা হয়ে গেছি, কিন্তু এককালে তো আমরা একসাথেই ছিলাম, কি ছিলাম না ?
শেষ কথা, অত মুসলমান হওয়ার রকার নাই। ঠিক আছে ? আগে মানুষ হন, তারপর পৃথিবীয়ান হন, তারপর এশিয়ান হন, তারপর ভারতীয় উপমহাদেশবাসী হন, তারপর বাঙলি হন, তারপর বাংলাদেশী হন। আর সবার শেষে গিয়ে আপনি মুসলমান না কি যেন হইতে চান সেইটা হন গিয়া। হুঃ

৪| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:১৯

অদ্বিত বলেছেন: ভারতীয় বাংলা চ্যানেলে দেখানো নাটকের নায়িকার ড্রেস কিনতে গিয়ে এই যে আত্মহত্যা আর তালাকের মত ঘটনাগুলো ঘটছে, নিঃসন্দেহে এগুলো দুঃখজনক ঘটনা। সবারই এতে দুঃখ পাওয়া উচিত। কিন্তু যারা এই ঘটনায় দুঃখ পেয়ে ভারতীয় বাংলা চ্যানেল বন্ধের দাবী জানাচ্ছেন তাদেরকে উদ্দেশ্য করে শুধু একটি কথাই বলতে চাচ্ছি - ''যদি ভারতীয় বাংলা সিরিয়ালের পরিবর্তে বাংলাদেশী বাংলা সিরিয়ালের কোন নায়িকার ড্রেস নিয়ে একই ঘটনা ঘটে, তবে কি সবাই happy ? যদি বাংলাদেশী কোন নাটকের নায়িকার ড্রেসের জন্য এরকম আত্মহত্যা আর তালাকের ঘটনা ঘটে, তাহলে কি আপনারা খুশি হবেন ?''

৫| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:৫০

মুখর বলেছেন: ওপরের দুই মন্তব্যকারীকে বলতে চাই,

প্রথমে আসি #শাহ আজিজ সাহেবের কথায়, ভাই লেখার বক্তব্যের পাশ কাটিয়ে বলে দিলেন ১৯৪৭ এর আগে কোথায় ছিলাম, সেখানে মুসলমান নায়ক, বাজিয়ে কী করেছিল। আপনিই তো বোধয় খেই হারিয়ে ফেলেছেন। ঐসব মুসলমানদের কাজগুলো ইসলাম অসমর্থিত। এক সময় পৃথিবীতে কোন রাষ্ট্রের অস্তিত্ত্ব ছিল না বলে কি আপনি রাষ্ট্রসমূহের বিলোপ চাইবেন এখন ??? ৪৭ এর আগে ভারতের সাথে ছিলাম বলে কি বাংলাদেশের ভারতের আভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক নীতি এক হবে ? ? ? ৭১ র আগে পাকিস্তানের সাথে ছিলাম বলে কি বাংলাদেশের পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক নীতি এক হবে ? ? ?

এবার আসি #অদ্বিত সাহেবের কথায়, অাপনি স্বীকার করেছেন এটি সংস্কৃতির ভাল এবং মন্দ উভয় দিকই থাকতে পারে। এখন আপনার কাছে প্রশ্ন হচ্ছে উপরে লেখক যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন সেখানে কি ভারতীয় সংস্কৃতির কোন খারাপ দিক খুজে পাচ্ছেন না ???

আপনি বলেছেন ঈদ বিদেশী সংস্কৃতি। এটা ধর্মীয় সংস্কৃতি। ধর্মীয় সংস্কৃতির দেশ কাল নেই।

আপনি আরো বলেছেন আমরা ভারতের সাথে এক সাথে ছিলাম বলে বাঙালি সংস্কৃতি ভারতীয় সংস্কৃতির অংশ। তাহলে পাকিস্তানের সাথেও তো ছিলাম তাহলে কি বাঙালি সংস্কৃতি পাকিস্তানি সংস্কৃতির অংশ ???

শেষে যে পরামর্শ দিয়েছেন তা কিছুটা অন্যের ওপর মত চাপিয়ে+ দেয়ার মত। কে কোনটা আগে হবে সেটা তার ব্যাপার। তবে একজন মুসলমানের কাছে মুসলমান হওয়াটা সব চেয়ে বড় মূল্যবান বিষয়।

৬| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১০:৫৯

কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:


ভালো বিশ্লেষণ করেছেন।

৭| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১১:১৯

শাহ আজিজ বলেছেন: @মুখর ## ১৯৪৭ এর আগে কোথায় ছিলাম, সেখানে মুসলমান নায়ক, বাজিয়ে কী করেছিল। আপনিই তো বোধয় খেই হারিয়ে ফেলেছেন। ঐসব মুসলমানদের কাজগুলো ইসলাম অসমর্থিত। এক সময় পৃথিবীতে কোন রাষ্ট্রের অস্তিত্ত্ব ছিল না বলে কি আপনি রাষ্ট্রসমূহের বিলোপ চাইবেন এখন ??? ৪৭ এর আগে ভারতের সাথে ছিলাম বলে কি বাংলাদেশের ভারতের আভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক নীতি এক হবে ? ? ? ৭১ র আগে পাকিস্তানের সাথে ছিলাম বলে কি বাংলাদেশের পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক নীতি এক হবে ? ? ?

আমার কথাঃ আর হ্যাঁ এই মুসলিম সমাজ ৪৭এর আগে পুরোপুরি ভারতীয় ছিল ,ওখানে মুসলিম খান ভাইয়েরা পৃথিবী খ্যাত নায়ক , মুসলিম বাজিয়েরা ভারত খ্যাত । আলাপের সময় খেই হারিয়ে ফেলবেন না । গুজরাট দাঙ্গায় খুব কাদেন, মোদীর গুষ্ঠি উদ্ধার করেন , এ আর রাহমান এলে তাকে অপমান করেন । এই হচ্ছে আমাদের ক্যারেকটার ।

আপনি মিথ্যাচার করেছেন । দেখুন তো আপনি যা দাবি করছেন তা আমি লিখেছি কিনা।

অন্য প্রসঙ্গ গেলাবেন না আমায় ।

৮| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫

bakta বলেছেন:






নিজে যদি থাকি ভালো
কেহ নাহি করে কালো
যদি থাকি সদা সৎ পথে
জয়ধ্বজা উড়বে রথে ।

কেহ কাহাকেও নাহি করে গো খারাপ
যদি নাহি হই তা নিজেরই থেকে,
দোষ নাহি দিও কারে হইলে খারাপ
আপন আঁচলে নিজ মুখটি ঢেকে।

৯| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১২:২২

মুখর বলেছেন: কোনটাকে মিথ্যাচার বলছেন !!! আপনি যে উদাহরণ টেনেছেন তা আলোচনার সাথে মেলে না। আপনাকে যে প্রশ্ন করলাম তার উত্তর না দিতে পারা ঢাকতে চান ? আপনাকে আমি কি গেলাবো ! আপিনি তো নিজের মতকে কুলিন ভাবার শরবত গিলে বসে আছেন।

১০| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১২:২৪

মুখর বলেছেন: @শাহ আজিজ

কোনটাকে মিথ্যাচার বলছেন !!! আপনি যে উদাহরণ টেনেছেন তা আলোচনার সাথে মেলে না। আপনাকে যে প্রশ্ন করলাম তার উত্তর না দিতে পারা ঢাকতে চান ? আপনাকে আমি কি গেলাবো ! আপিনি তো নিজের মতকে কুলিন ভাবার শরবত গিলে বসে আছেন।কোনটাকে মিথ্যাচার বলছেন !!! আপনি যে উদাহরণ টেনেছেন তা আলোচনার সাথে মেলে না। আপনাকে যে প্রশ্ন করলাম তার উত্তর না দিতে পারা ঢাকতে চান ? আপনাকে আমি কি গেলাবো ! আপিনি তো নিজের মতকে কুলিন ভাবার শরবত গিলে বসে আছেন।

১১| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ১:৪২

তাসনুভা সাখাওয়াত বীথি বলেছেন: আমাদের দেশের টিভি চ্যানেল গুলোকে অতি মাত্রায় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ করতে হবে। বিজ্ঞাপনের কারণেই এই ঈদে অনেকে টিভি চ্যানেল দেখছেনা। ৪০ মিনিটের একটা নাটকে ১ ঘন্টা বিজ্ঞাপন।

আপনার বিশ্লেষন সুন্দর হয়েছে।

bakta বলেছেন:



নিজে যদি থাকি ভালো
কেহ নাহি করে কালো
যদি থাকি সদা সৎ পথে
জয়ধ্বজা উড়বে রথে ।

কেহ কাহাকেও নাহি করে গো খারাপ
যদি নাহি হই তা নিজেরই থেকে,
দোষ নাহি দিও কারে হইলে খারাপ
আপন আঁচলে নিজ মুখটি ঢেকে।

আমার কথাও সেম। ঈদ মুবারক।

১২| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ দুপুর ২:৪০

এম.ডি অভ্র বলেছেন: লেখকের বক্ত্ব্যর সাথে আমি এক মত হতে পারলাম না।১.দেখুন ভারতীয় টিভি চ্যেনেলের সাথে বাংলাদেশের টিভি চ্যনেল গুলোর তুলনা করবে না।কারন যেখানে ভারতিয় চ্যলেন গুলো প্রতিটি অনুষ্ঠান প্রাচারের সময় বিঙ্গাপন বিরতি ২-৩ মিনিট। যা বাংলাদেশে.৭-১০ মিনিট।ঈদ অনুষ্ঠানে তো কোন কথায় নেই।যার ফলে অনুষ্ঠানে আর্কষন নষ্ট হয়ে যায়।আর বাংলাদেশের নাটক গুলো যদি সপ্তাহে ১-২-৩ দিন হয় ফলে বাকি দিনে ঐ নাটকটির প্র্রতি আর আকর্ষন থাকে না।যেখানে ভারতীয় সপ্তাহে ৬ দিনই প্রচার করে।
২.নিজে ভালো তো জগৎ ভালো।কারন ভারতিয় চ্যনেল গুলো অনুষ্ঠান গুলো পারিবারিক কাহিনি হিংসা,দন্দ,পর নারী আসক্ত ব্যাস অনেক হয়েছে এগুলো বাংলাদেশের নাটকেও আছে।ভারতিয় চ্যনেল গুলো অনুষ্ঠান প্রচারের সময় যদি তা কাল্পনিক হয় তা তারা উল্লেখ করে।আবার যদি কোন অভিনয়ে সমাজের বিরধি হয় তার সেটাও উল্লেখ খাকে যে এই অনুষ্ঠানর এই অংশ টুকু শুধু মাত্র বিনদনের জন্য।যা এই চ্যনেল কোনভাবেই সমর্থন করেনা..তাহলে কেন আপনি সেটি কে দেষারপ করছেন।
৩.ভারতিয় চ্যনেল গুলো ও একটি বিনদন মাধ্যম যা শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বে সম্প্রচার হয়।তাহলে কেন শুধু তা বাংলাদেশ কে বা দেশের মানুষ কে নষ্ট করবে নষ্ট করলে পুরো বিশ্বকে নষ্ট করবে।
৪.পাখি পাষাক নিয়ে যে তথ্যটি দিয়েছেন তা যতার্থ বলে মনে করিনা।কারন স্টার জলসা কিন্তু বাংলাদেশের পোষাক কারখানার মালিক দের বলে নাই এই ঈদে আপনার পাখি জামা বানিয়ে বাজার জাত করুন।বা তারা তৈরী করেও আমাদের দেয় নাই।তাহলে এখানে কেন ভারতীয় চ্যনেল গুলো দায়ি হবে।।ঐ খানে নায়িকার নাম যিদ পাখি না হয়ে জমেলা সুন্দরী হত তাহলে নিশ্চই আমরা জমেলা সুন্দরী জামা তৈরী করতাম।কেনরে ভাই বাংলাদেশের নাটকে কি কারো নাম পাখি ছিলনা?
৫.ভারত হিন্দু দেশ আর তার সেই অনুপাতে নাটক বানায়। আপনার বাংলাদেশে কে ডেটিকেট করে নাটক তৈরী করেনা যে তারা আল্লাহর গান প্রচার করবে।তারা তাদের দেশের কালচার নিয়ে নাটক করে।

*আমি বিভিন্ন সময় ফেইস বুকে দেখি স্টার জলসা,জি বাংলা বন্ধের জন্য পোষ্ট করে।তাদের কে বলি চ্যনেল হলো বিনদনের মাধ্যম যা ভোগ করার অধিকার সবার আছে আপনার জদি ভালো না লাগে আপনার বাসার টিভি লিষ্ট থেকে চ্যনেল গুলো আউট করে দিন অযথা অন্যর বিনদনে বাধা হয়ে দাড়াবে না।*


লেখক ভাই ছোট্ট একটি উদাহরন আমরা জানি চোর চুরি করে তাই বলে আমাকেও চোর হতে হবে?। যেমন bakta বলেছেন: নিজে যদি থাকি ভালো
কেহ নাহি করে কালো
যদি থাকি সদা সৎ পথে
জয়ধ্বজা উড়বে রথে ।

কেহ কাহাকেও নাহি করে গো খারাপ
যদি নাহি হই তা নিজেরই থেকে,
দোষ নাহি দিও কারে হইলে খারাপ
আপন আঁচলে নিজ মুখটি ঢেকে।

*ভারতীয়রা যে ভাবে প্রচার করে সেই ভাবে যদি বাংলাদেশের চ্যনেল গুলো দর্শকে সময় কে মাথায় রেখে প্রচার করলে অবশ্যই আমাদের চ্যনেল গূলো প্র্রিয় হয়ে উঠবে।তাই অযথা নিজের ভিতর ফরমালিন রেখে অন্যর পচা জিনিস খুজে বের করার দরকার কি?.....

১৩| ৩০ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১১:১২

মুকতোআকাশ বলেছেন: বাববা! এত এত লেকচার শুনে এটা ঠিক বোঝা গেলো যে,ভারতীয় সংস্কৃতি যে ইনাদের মগজ ধোলাই করে দিয়েছে ১০০% ঠিক। লেখকের বিরোধিতা কারিরা নিজেরাই নিজেদের বিরোধিতা করেছে অনেক জায়গায়।
হিন্দুস্তানের সংস্কৃতির সব কিছুই খারাপ একথা কেউ বলেনি ।
ভালো হোক আর মন্দ হোক অন্যের জিনিস নিয়ে এত লালান কেন?
এক গাধা বলল ঈদ না কি আরবীয় সংস্কৃতি ! এরাতো এটাও জানেনা যে ইসলাম বিশ্ব সংস্কৃতি। এটা শুধু আরবের মানুসের জন্য আসে নাই।বিশ্বের সকল মানুষের জন্য এসেছে। ভালো, ভালো কেন,আর মন্দ, মন্দ কেনো তা আগে জানতে হবে।
একজন বলল জানোয়ার মহম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ব দিয়ে ই নাকি বাংলাকে ভাগ কোরে ফেলেছে। নাহোলে ধুপের গন্ধে ঢুলু ঢুলু চোখে প্রতিমার সামনে বোসে ভজন গাওয়া যেত। এখন তো ঐ সব লোকেরা আগরবাতি আর গোলাপ জলের দুর্গন্ধে মসজিদ আর গোরস্থানের সামনে দিয়ে যেতেই পারেনা।জিন্নাহ বেটা কত বড় সর্বনাস করেছে এদের ! বাংলা ভাগ কি জিন্না করেছে নাকি নেহেরু করেছে এরা তাও জানেনা। জানবেই বা কি করে? দাদারা বলেছে -জিন্নাটা তোদের সর্বনাস করেছে ! একথা কি আর অবিশ্বাস করা যায় ? বেয়াদবি হবেনা!
একজনে বলল- নিজে ভালো তো জগৎ ভালো। যুক্তি দেখানোর সময়,নিজের কথাকে প্রতিস্ঠিত করার জন্য এই সব নীতি বাক্য বলাযায়। একটা কথা জিঙ্গেস করি-পাকিস্তান আমলে আমরা তো ভালো মানুষই ছিলাম,তো জগৎটা অতো খারাপ হোয়ে গেলো কি করে?
এখন এটা বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে ৪৭ এর পর থেকে ভারতীয় তথা হিন্দু জাতীয়তাবাদ যে মগজ ধোলাই এর প্রজেক্ট শুরু করে ছিলো তার সুফল ৭১ এর পর থেকে বেশ ভালো ভাবেই পেতে শুরু কোরেছে । এই সব মানুষের জন্য আফসোস করে লাভ নাই কারন এরা চিন্তার দাস।এরা চিন্তায় চেতনায় দাসত্ব করে।এরা গোলামির জিন্জিরে আবদ্ধ থাকতেই বেশি সস্তি ও তৃপ্তি বোধ করে ।এই সব মানুষের জন্য করুনা করা ছাড়া আর কিছু করার নাই। লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই সময়োপোযোগী লেখাটির জন্য।

১৪| ০১ লা আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:২৯

এম.ডি অভ্র বলেছেন: পোষ্ট টি দেখে যুক্তিতে আমরা কমেন্ট করেছি এতে মগজ ধোলাই হয় কি করে?।তাহলে এখন আমাদের কমেন্ট পড়ে আপনি যে মন্তব্য করলেন তাতে বুঝলাম আপনার মগজ হারপিক আর টয়লেট ব্রাশ দিয়ে ধবধবে সাদা করেছি...... না হে সে পরলাম না ও নি নাকি পাকিস্তান আমলে ভালো মানুষই ছিলেন,তো জগৎটা অতো খারাপ হোয়ে গেলো কি করে?। নামে ভালো মানুষ ছিলাম কামে নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.