| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাকিল মাহমুদ সুমন
সবচেয়ে বড় পরিচয় একজন মানুষ। অনুভূতি যখন যা চায় তাই প্রকাশ করি লিখার মাধ্যমে। বাহিরের জগৎটা কেমন জানি উদ্ভট মনে হয় তাই লিখাতেই আমি বেশ আনন্দ পাই, এর মাধমেই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করি আমার ভিতরের এবং বাহিরের জগৎকে। আরো ভালো জানতে https://www.facebook.com/Shuvo.After
“নিয়তি”
--শাকিল মাহমুদ সুমন
সময় ঠিক রাত ১১ঃ৩০, টিউশনি শেষ করে যাচ্ছিলাম ধানমন্ডির একটি গলি ধরে। সোডিয়ামের আলো আমার দৃষ্টি থেকে দূর করে রেখেছে আঁধার। সোডিয়ামের আলো আঁধারকে দূর করতে পারলেও দৃষ্টি থেকে দূর করতে পারেনি পরিত্যক্ত ডাস্টবিনের মায়াবী দুটি পা। পা দুটো আকাশের দিকে ইশারায় ব্যস্ত ছিলো। কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম, আশেপাশে তাকাচ্ছিলাম কাউকে দেখতে পাইনি।
সামনে এগুতেই কানে ভেসে আসছিলো ছোট্ট শিশুর কান্না সেই ডাস্টবিন থেকে। দ্রুত এগিয়ে গেলাম ময়লার স্তুপের দিকে, পলিথিনে মোড়ানো একটি ফুটন্ত গোলাপের ন্যায় শিশু। মাথাটা পলিথিনের ভিতরে এবং পা দুটো বাহিরে আকাশমুখি অবস্থায়। আহ! জীবন,
অনবরত কান্নায় ব্যস্ত ছিলো শিশুটি। পলিথিন থেকে শিশুটিকে বের করে কোলে নিলাম কিন্তু
বুঝতে পারছিলাম না কি করবো সেই মুহূর্তে।
মনের মধ্যে শুধু প্রশ্ন জাগছিল কার এই সন্তান, এ সন্তান কি কারো বৈধ ফসল নাকি কোন পাপী বাবা-মায়ের অবৈধ সাময়িক আনন্দের ফসল?
নিয়তি আজ শিশুটিকে করেছে দূর্ভাগা। কখন যে গাল বেয়ে ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু শিশুটির গালে পড়ছিলো তা বুঝতে পারিনি। চারদিকে তাকালাম কোন লোকজন দেখতে পেলাম না।
শিশুটিকে কোলে নিয়ে রওয়ানা দিলাম আজিমপুর 'ছোট্টো শিশু নিবাসের' উদ্দেশ্যে। সেখানকার দায়িত্বশীল লোকজনের নিকট আমি শিশুটিকে হস্তান্তর করি।
তারা জানায় শিশুটিকে দত্তক দিয়ে দিবে। দাঁড়িয়ে ছিলাম আর দেখছিলাম শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার করুণ দৃশ্য। অনবরত সেই বাচ্চা শিশুটির মতো কেঁদেছিলাম আমিও।
হয়তো কেউ এখান থেকে শিশুটিকে নিয়ে মা-বাবার আদরযত্ন দিয়ে বড় করে তুলবে মানুষের মতো মানুষ করে তুলবে নয়তো শিশুটির শেষ পরিণতি হবে অবহেলিত একজন পথশিশু।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৪
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: আহা!
২|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৫
আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সমাজে নৈতিক অবক্ষয় আজ চরমে.....
সমাজটা পচে গেছে...
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৫
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: পচতে পচতে একসময় নিঃশেষ হয়ে যাবে।
৩|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২১
স্ক বলেছেন: কাজটা আপনি ঠিক করেননি। শিশুটি যে পাপের ফসল - এটা জানতে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া লাগেনা। শিশুটিকে বাঁচতে দিয়ে আপনি দেশের জন্য একটা আপদ বাড়ালেন। ডাস্টবিনে মরে গেলেই একটা আপদ সহজে বিদেয় হত। মা বাবার পরিচয় নেই - এমন শিশু কোন জায়গাতে গিয়েই স্বস্তি পাবেনা। এদের কদর হয় মাদক ব্যবসায়ী অথবা সন্ত্রাসীদের কাছে।
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: ভালো কিছুর আশায় এটা করেছি। কখনো সম্ভব নয় চোখের সামনে এমন কিছু দেখেও অবহেলা করে চলে যাওয়া।
৪|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৬
হাবিব বলেছেন: মাঝে মাঝে থেমে যায় মনে হয়........
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: তারপরেও চালিয়ে নিতে হয়।
৫|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ ভোর ৫:৫০
বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ভাল কাজ করেছেন। আল্লাহ এই সুযোগ আপনাকে দিয়েছেন...
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: শোকরিয়া
৬|
০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৫
রাজীব নুর বলেছেন: এটা কি আসলেই সত্যি না গল্প লিখেছেন?
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০
শাকিল মাহমুদ সুমন বলেছেন: গল্প কাকে বলে?
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৯
ডুবুরি বলেছেন: "আহা জীবন"