নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

..........

শূন্য সারমর্ম

.........

শূন্য সারমর্ম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বন্ধুকধারীরা হামাগুড়ি দিতে দিতে দাড়িয়ে গেছে?

০৮ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:৫২



মহাদেশব্যাপী ম্যাপে নজর দিলে দেখা যায় এশিয়াতে শেষে "স্তান বলা আফগানিস্তান,পাকিস্তানে এমনিতেই বন্ধুক ধারণ করা লোক বেশি; গুলি বেড়িয়ে যায় ;নিহত, আহত হয় । কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করলে ভালো তা না হলেও উক্ত এলাকায় জনসাধারণ বুঝে ফেলে কার কাজ,কেন করেছে। আফগান দেশে টার্গেট হয় সুপ্রিমকোর্টের গেট, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, শিখ মন্দির - বাজার হচ্ছে সর্বজনবিদিত।পাকিস্তান আফগানদের পেছনে পেছনে এগিয়ে আসছে ধীরে ধীরে এই তরিকায়।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এটম বানায় ; ইরাক,ইয়েমেন, সিরিয়া ধ্বংসস্তূপ হয়, সৌদি অস্ত্র ব্যবসার মূল কাস্টমার।ইসরাইল ফিলিস্তিনে ধুলা উড়ায়,হামাস আয়রন ডোম নিয়ে ব্যস্ত থাকে,বন্ধুকের ঝামেলা কম তাই শুধু রকেট ছোড়ে, যুদ্ধবিরতিতে জিতে গেছি মিছিল বের করে এবং বাঙালীর ছাদে ছাদে পতপত করে ফিলিস্তিন পতাকা উড়ে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের লেভেল একটু উঁচু, বন্ধুকের পাশাপাশি ফ্রি থাকে মিসাইল,রকেট বোমা।

আফ্রিকা হচ্ছে দগদগে ঘা এসব কাজে। গত ৩ দিন আগে বুরকিনা ফাসোতে হামলায় ১০০ জন নেই ; এ যেন অঘোষিত দায় স্বীকার । অপহরণবিদ্যায় নাইজেরিয়া থেকে ট্রেনিং নেয়া দরকার ;ওদের ইচ্ছা হলে মাদ্রাসা,স্কুল ও আবাসিক হল থেকে শতের উপর তুলে নিয়ে মুক্তিপণ চেয়ে বসে ; আদায় হলে যে শতভাগ ফিরে আসে তাও কিন্তু নয়।কেউ যদি এসব তথ্যের জন্য নাইজেরিয়াতে চেয়ে থাকে তাহলে অন্যান্য দেশে (নাইজার,কঙ্গোতে,কেনিয়া) মাঝেমাঝে এমন ২০-৫০ জন নিহত হয় এসব তেমন পাত্তা দিবে না। আফ্রিকায় দায় স্বীকার ওপেন সিক্রেট, ১০ বছরের বাচ্চাও বুঝে যায়।

সভ্য হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোতে সমস্যা কোথায়? ওপেন সিক্রেটস নেই, দায় স্বীকার করা গোষ্ঠী নেই এজন্য হয়তো। তবুও কেউ ওয়ালমার্টে ডুকে ২০-২৫ মেরে বের হয়ে যাবে,রেল ইয়ার্ডে মারবে;বিমানবন্দরে মারবে আগুন লাগাবে। রাষ্ট্র নেতারা কিভাবছে ! মেক্সিকো বাদে উত্তর আমেরিকায় সূর্য কি মাত্র উঠতে শুরু করলো। দ.আমেরিকায় মাদকের ডিলে ঝামেলায়, লাভের ভাগ বাটোয়ারায় বন্ধুক থেকে গুলি ঠিকই বের হয় তবে হাইলাইট হয় না।

ইউরোপে হঠাত করে বেড়িয়ে যায় বন্ধুকধারীর গুলি; নিহতও হয়। পুরো বিশ্বের সমবেদনা পায়। তারপর আবার সবাই দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে গুলি বের হবার জন্য।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে গিয়ে অল্পের জন্য বেচে যায় মসজিদ থেকে একটু দূরে থাকার জন্য। বন্ধুকধারী আর্মি ও ফিল্মি স্টাইলে গুলি করে ফলাফল নিয়ে আসে ৫০ জনের মরদেহে।নিউজিল্যান্ডের জেসিন্ডা কালো দিন ঘোষনা, বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা হাফ ছেড়ে বাঁচা।
গতকাল নাকি কানাডায় ২০ বছরের এক যুবক রাস্তায় থাকা মুসলিম পরিবারের উপর ট্রাক উঠিয়ে দেয়, ফলাফল ৪ জন নিহত যা অনেকেই বলছে পূর্বপরিকল্পিত।

মহাদেশব্যাপী বন্ধুকধারীদের পার্থক্য হচ্ছে দায় স্বীকার ও দায় খুজে বের করা।স্থান,কাল,পাত্রভেদে নিসংসতার পরিমাপ আপ-ডাউন হয়; সমবেদনা স্টকমার্কেট সূচকের মত কাজ করে, অপেক্ষার পালাবদল হয় এই যা।



মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমেরিকার সমস্যা হলো, যেকোন আমেরিকান অটোমেটিক রাইফেল ও অস্ত্র ধরণের বাইফেল কিনতে পারে। মানসিক সমস্যার লোকজন সেগুলোকে ব্যবহার করছে।

পাকিস্তান, আফগানিস্তানের বুদ্ধিমান মানুষের মানসিক অবস্হা আমেরিকান মানসিক রোগীর কাছাকাছি।

০৮ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:৩৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: বাইডেন প্রশাসন কি ভাবছে? পদক্ষেপ নিয়েছে?

২| ০৮ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ক্যাপিটেলিজম মানুষের শান্তি কেড়ে নিচ্ছে।

০৮ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: তবুও বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ ক্যাপিটালিজমে শান্তি খুজে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.