নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

..........

শূন্য সারমর্ম

.........

শূন্য সারমর্ম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমলাতন্ত্রের ব্যবচ্ছেদ ; শিক্ষিত এবং অশিক্ষিতদের ভাবনাশক্তির হের ফের

১১ ই জুন, ২০২১ রাত ১:২২



আমলা শব্দটা আরবী কিন্তু "ব্যুরোক্রেসি" শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে ফরাসি ও ল্যাটিন ঘাটতে বলা হলেও; এই তন্ত্র নিয়ে ভেবেছেন ম্যাক্স ওয়েভার "Economy and Society  বইয়ে। সেখানে মূল সুর ছিল সরকার যায় সরকার আসে, এসে আমলাদের একই জায়গায় দেখে। মার্ক্স নিজে বিরোধীতা করেছিল কিনা কে জানে, তবে মার্ক্সবাদীরা বিরোধী ছিল সবসময়। সমাজতত্ত্ববিদ ও মার্ক্সের আমলাতন্ত্রের শ্রেণীবিভাগের পার্থক্য ছিল এই যে মার্ক্সের ভাগে নিজের দর্শনের প্রাধান্য ছিল ; অন্যরা যা দেখেছেন সেভাবেই ভাগ করেছেন। মাও ও লেনিন মার্ক্সের প্রভাবিত পথে হেটে আলাদা পরিকল্পনা পেশ করেছিল ; যাতে কখনো গুনগান ছিল না, ছিল ঘৃণা।


অতীতে নজর দিলে দেখা যায়;
লিখনপদ্ধতি আবিষ্কারের সাথে সাথে শাসনকৃত ভূখণ্ড এবং প্রজাদের উৎপাদন, রাজকর, বণ্টনকৃত ভূমি প্রভৃতি টুকে রাখার জন্য কিছু গোষ্ঠীর প্রচলণ হয়েছিল,প্রাচীন সুমেরীয়তে তারা ছিল অক্ষরজীবী, প্রাচীন মিশরেও ফারাওরা সবার সামনে কিছু মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিতো ;তাদের কাজ হল জমির ইজারা, গাছ কাটার অনুমতি ও ট্যাক্স বসানো।রোমান সম্রাট ডিওক্লেটিয়ান সামাজ্র ভাগ করে লোক নিয়োগ দিতো প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য।


প্রাচীন চীন বংশ দ্বারা শাসিত হত ' রাজার আনুগত্য মাপার যোগ্যতায় রাজা লোক নিয়োগ দিতো ; হান সম্রাট কনফুসিয়াস দর্শনে প্রভাবিত ছিল ,পরে লাওজু দর্শনের উদ্ভব হলে কুনফুসিয়াস পিছনে পড়ে যায়; দর্শনের ভিত্তিতে নিয়োগ বন্ধ করে, লাওজুর কথা মেনে নতুন নিয়োগ পদ্ধতি চালু করে, যা ছিল অনেকটা হালের নিয়োগের মত ১৯০৫ পর্যন্ত।

প্রাচীন ভারতে চন্দ্রগুপ্তের প্রধানমন্ত্রী চানক্য অর্থশাস্ত্র" বইয়ের মাধ্যমে রুপরেখা তৈরী করে ;যাতে থাকে কার্যবিধি, বেতনকাঠামো ও উন্নয়নের মডেল। সময়ের ধারায় মুগল আমলেও চানক্য প্রভাব বজায় থাকলেও, মুগলে আমলে আকবর ১৯ ভাগে সরকার ভাগ করে ভৌগলিক ও প্রাকৃতিক সীমারেখার উপর;যেখানে সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত হতেন রাজস্ব ও অর্থবিভাগের প্রধান কর্মকর্তা।যোগ্যতার ভিত্তিতে ভাগ হতো কৃষি,সংবাদ, ধর্মীয় ও সামরিক সেক্টরসমূহে।

ভারতে ইউরোপ থেকে ব্রিটিশ মগজ এসে আমলাতন্ত্রকে ঢেলে সাজায় ওয়ারেন হেস্টিংস ও লর্ড কর্নওয়ালিস। হেস্টিংস শেতাঙ্গদের সর্বোচ্চ দেয়ার ফলে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি সীমা ছাড়িয়ে যেতে থাকে। ব্যক্তিগত ব্যবসায়ের সুযোগ এবং অঘোষিত কমিশনের সমুদ্রে ডুবে যেতে থাকে আমলারা। এভাবে দিন গত হলে লাট হয়ে কর্ণওয়ালিস এসে ব্যবসার সুযোগ বন্ধ করে দেয় তার পরিবর্তে  আকর্ষণীয় বেতন, প্রশাসনিক ক্ষমতা ও বহুল সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হয়। ভারতে থেকে ভারতীয়দের বাদ দিয়ে প্রশাসন পরিচালনা, রাজস্ব আদায়ে সমস্যা হয়ে দাড়ায় ;তখন পদ সৃষ্টি করে স্থানীয় সংযুক্তি শুরু হয়। ১৮৫৩ সালে কমিটি গঠন করে মেধা যাচাই শুরু হয়  স্থায়ী সিভিল সার্ভিস কমিশনার্স গঠন করা হয়। ( চলবে)



মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জুন, ২০২১ রাত ২:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমলাতন্ত্র ছাড়া দেশ চলে না সম্পুর্ন ভুয়া কথা।
২০১৮তে প্রেসিডেন্ট ও কংরেসে রেষারেষির কারনে তহবিল বন্ধ করে দেয়া হলে সকল আমলা ফেডারেল কর্মচারিদের বেতন ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। ও তাদেরকে বাসায় থাকতে বলা হয়। ৯ মাস গভর্মেন্ট শাটডাউন ছিল। সকল সরকারি কাজ বন্ধ ছিল (বিমানবন্দর নিরাপত্তা রক্ষীরা বাদে) এতে আমেরিকার কোন ক্ষতি হয় নি। আমলা ছাড়া দেশ চলে, প্রমানিত।

বাংলাদেশে আমলাদের সমস্যা হচ্ছে আজীবন চাকুরি গ্যারান্টি, অবসরের বয়স হলেও মেয়াদ বৃদ্ধি, অবসরের পরেও ক্ষমতা কমে না। অসীম ক্ষমতা। গাড়ী বাড়ী ফ্রী, দুর্নিতী করলেও মামলা করতে সেই আমলাদের পারমিশন লাগে, রাগকরে পদত্যাগ করলেও ডেকে এনে বসায়।

আমেরিকার আমলাদের চাকুরি মেয়াদ ৪ বৎসর, ৪ বছর পর অটো বর্খাস্ত। মাঝে কোন অনিয়ম হলে আগে বর্খাস্ত পরে তদন্ত।
৪ বছর পর নবনির্বাচিত সরকার প্যানেল থেকে নিজেদের দলিয় পছন্দের আমলা নিয়োগ দেয়। গাড়ী বাড়ী দেয়া হয় না, ভাড়া বাসা। নিজের গাড়ী কিনতে হয়, ড্রাইভার নেই, নিজেই নিজের গাড়ীতে গ্যাস(পেট্রল) ভরতে হয়।

১১ ই জুন, ২০২১ সকাল ১১:০৭

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: সমস্যা হল, বাংলাদেশে আমলারাই দেশ চালায়।

১১ ই জুন, ২০২১ সকাল ১১:১৪

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: আমলাতন্ত্র ছাড়া দেশ চলে না - এ বাক্যে বিশ্বাসী মানুষ অনেক বেশি। ২০১৮ আমেরিকার ক্যাচাল ছাড়া আর কোনো উদাহরণ আছে?

২| ১১ ই জুন, ২০২১ রাত ৩:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:




আমাদের দেশের আমলারা মাফিয়ার মত দেশের সম্পদ লুট করছে; এরা শেখ হাসিনাকে বেগম জিয়ার স্তরে নিয়ে গেছে।

১১ ই জুন, ২০২১ সকাল ১১:০৮

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: একেবারে নিয়ে যাক, পরে সার্জারী করে আবার শেখ হাসিনায় নিয়ে আসবো।

৩| ১১ ই জুন, ২০২১ ভোর ৬:২১

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রিত সরকার দেশের জন্য উন্নতি করতে পারেনা। আমলারা রাজনীতিবিদদের চেয়ে শক্তিশালী হয়ে গেলে দেশের অমঙ্গল আসে।

১১ ই জুন, ২০২১ সকাল ১১:১০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: দেশের স্তরটা এখন কোথায়? অমঙ্গল কতদূরে?

৪| ১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:০৮

ঈশ্বরকণা বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী,
আমেরিকায় থেকেও আমেরিকা সম্পর্কে যা বললেন তার সবইতো ভুল দেখছি !

ট্রাম্পের সময় ২০১৮-২০১৯ গভর্নমেন্ট শাট ডাউন ছিল নয় মাস ! এই তথ্য কোথায় পেলেনরে ভাই ? ওই শাট ডাউন ছিল ৩৫ দিনের আর ওটাই আমেরিকার সবচেয়ে দীর্ঘ গভর্নমেন্ট শাট ডাউন। তার আগের সবচেয়ে বেশি সময় শাট ডাউন হয়েছিল ক্লিনটনের সময় ২১/২২ দিনের । আর সে সময় সরকারের সব কাজ বন্ধ হয়েছিল সেটাই বা কে বললো ? সরকারি কর্মচারীদের ওই সময়ে আন পেইড কাজ করতে হয়েছিল সে সময়গুলোতে । জরুরি সব কিছুই চলেছে বিশেষ ব্যবস্থায় । খুব কম সার্ভিসই পুরো ডাউন শাট ডাউন করা হয়েছিল । সরকারের সব কিছুই পুরোপুরো বন্ধ ছিল সেটা নয় ।

আর 'আমেরিকার আমলাদের চাকুরি মেয়াদ ৪ বৎসর, ৪ বছর পর অটো বর্খাস্ত' এই তথ্যই বা কোথায় পেলেন ? আমেরিকান সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তারা টেনিউর জব হিসেবেই তাদের কাজ করেন অন্য দেশের মতোই । এখানে যেটা হয় সেটা নতুন প্রেসিডেন্ট প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্টের (বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়)শীর্ষ কর্মকর্তাদের (বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের) পরিবর্তন করে দলীয় মতাদর্শের লোককে মনোয়ন দিতে পারেন বেশি দক্ষতার সাথে প্রশাসন চালাতে (যেহেতু সরকারের মতাদর্শের সাথে আদর্শগত কোনো বিরোধ থাকে না নিয়োগপ্রাপ্তদের )। ইটা ১৮২৯ সালে প্রেসিডেন্ট এন্ড্রু জ্যাকসনের সময়ে প্রথম চালু হয় । যাকে স্পয়েল সিস্টেম বা পেট্রোনেজ সিস্টেম বলা হয় । কিন্তু এটা খুব সীমিত আকারেই ব্যবহার করা হয় নীতি নির্ধারণী শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেই । আমেরিকান কংগ্রেস ১৮৮৩ সালে পেন্ডুলটন এক্ট দিয়ে আমেরিকান সিভিল সার্ভিসে মেরিট সিস্টেমের সূচনা করে যা এখনো বহালই আছে । সিভিল সার্ভিস এক্টের অধীনেই নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মকর্তারা তিন বছরের প্রভিশনাল পিরিয়ড পর্যায়ের সব ধরণের ট্রেনিংয়ে উত্তীর্ণ হলে লাইফ লং টেনিউর পান সিভিল সার্ভিসে । এই যে এখনকার আলোচিত ডক্টর ফাউচি কিন্তু একজন বুরোক্রাট । তিনি প্রায় চল্লিশ বছর ধরে সিভিল সার্ভিসে আছেন । ট্রাম্পের বরখাস্তকৃত এফবিআই ডাইরেক্টর জেমস কোমির পর যিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এফবিআইয়ের দায়িত্ব পালন করেন সেই এন্ড্রু ম্যাকবে ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্ররোচনায় বরখাস্ত হবার আগে তিনি ২১ বছর এফবিআই -এ কাজ করেন । ট্রাম্প ইউক্রেনের যে আলোচিত এম্বাসেডরকে বরখাস্ত করেছিলেন সেই মারিয়া ইভানোভিচ বুশের সময় আমেরিকান ফরেন সার্ভিসে যোগ দিয়েছিলেন । তাই চার বছর হলেই বুরোক্রাটরা বরখাস্ত অটোমেটিক সেটা সঠিক নয় ।

উন্নত সব দেশেই বুরোক্রেসি আছে। সেটা ছাড়া দেশ চালানো মুশকিল। বুরোক্রেসির জন্যতো আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স বা জার্মানি অনুন্নত দেশ হয়ে যায় নি । কিন্তু সেটা ঠিকমতো চালাতে হবেতো।সেটা পারলেই দেশ ভালোই চলবে । উন্নত দেশগুলো সেটা ভালো করে পারছে বলেই তাদের দেশও ভালো চলছে। আমরা পারছিনা ভালো করে চালাতে রাজনৈতিক নষ্টামির জন্য সেজন্যই আমাদের অবস্থা খারাপ । এর সব দোষ কিন্তু একক ভাবে বুরোক্রেসির ওপর দিয়ে চালিয়ে দিলে হবে না। আমাদের আমলাতন্ত্রের অনেক দোষ আছে সেটা ঠিক কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক নেতা নেত্রী, মন্ত্রী,সংসদের নীতি নৈতিকতা, দক্ষতা লেভেল আরো খারাপ। এর জন্যই তারা একটা ছোট আমলাতন্ত্রও দক্ষ করে চালাতে পারছে না বা তাদের দোষগুলো ঠিকঠাক করতে পারছে না।

৫| ১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:০৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আমেরিকার আমলাদের চাকুরি মেয়াদ ৪ বৎসর, চুক্তিই ৪ বছর।
তাহলে ৪ বছরপর অটো বর্খাস্ত নাতো কি?।
তবে বিনা বেতনে নামমাত্র ভাতা পেয়ে প্যানেলে অপেক্ষমান থাকেন ওএসডির মত। আমেরিকায় সব কাজ ঘন্টায় বেতন, বিনা কাজে এক পয়শাও দিবে না সরকার।
সেইম রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না আসলে পুর্ববর্তি হাতি ঘোড়াদের কখনোই নিয়োগ করা হয় না, দুএকটি ব্যাতিক্রম বাদে।

৬| ১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১৫

গফুর ভাই বলেছেন: যে দেশে দুর্নিতিবাজ এর সাথে বিয়ে দিবার জন্য সামাজিক স্বীকৃতি থাকে, দুর্নিতি করাই একটা মানদণ্ড এ দেশে আশা করাটা ভুল আপাতত।আমি ঢাকার অনেক মসজিদে জুমার নামাজ পড়ছি কোনদিন আমার কানে আসে নাই ভাই মুসুল্লি গন কে বলতে দয়া করে কেঊ ঘুসের টাকা দান হিসাবে দিবেন নাহ ইমাম সাহেবের পক্ষ থেকে।
পরিবর্তন কষ্ট আর ত্যাগ ছাড়া কোনদিন আসে নাই। বাংলার জনগন মনে করে ৪র্থ আসামান থেকে কেঊ আসবে ওহি নিয়ে আর তাদের নিয়া গড়ে তুলবে সোনার দেশ আর এই আশায় বসে দিন গুনে ঘরের কোনায়।একাবার সরকারি আমালা কে পেয়েছিলাম সেলুন এ খুব করে ধরেছিলাম দুর্নিতি নিয়ে অনেক কথা হয়েছিল।

১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:২৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: দেশের শিক্ষিতদের কাছে আমলারা গুগল সার্চ ;অশিক্ষিতের কাছে ডার্ক ওয়েভ।

৭| ১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:১৬

আমি সাজিদ বলেছেন: আমলারা দেশের সূর্যসন্তান। দেশের সকল উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা সবার চেয়ে সব সময়ই বেশী ছিল। দুই একজন অন্যরকমের থাকতে পারেন তবে দেশের ৯৯% আমলাই খুব পরিশ্রমী, রাত দিন দ্বায়িত্ব পালন করেন। মনে রাখতে হবে দেশের সেরার থেকেও সেরা মেধাবীরাই প্রশাসনে নিয়োগ পায়৷ তাই তাঁদের নিয়ে কোন বাজে মন্তব্য করার আগে নিজের শিক্ষা ও অবস্থান নিয়ে ভাবতে হবে৷ মিডিয়া শুধু নেতিবাচক খবর লিখছে। মিডিয়ার আজে বাজে কথা ও দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় মনোযোগ না দিয়ে আমাদের উচিত দেশের সূর্যসন্তানদের কোন প্রশ্নের মধ্যে না ফেলা। ধন্যবাদ।

১১ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:২৭

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: দেশের সূর্যসন্তানদের ওজন মাপার কোনো নিক্তি আছে?

৮| ১১ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৪৩

আমি সাজিদ বলেছেন: মেধাবীদের মেধাবী সূর্যসন্তানদের ওজন মাপার জন্য ওরাকল গাইড, এমপিথ্রি গাইড, স্কিল বানানো ছাড়া গ্রাজুয়েশনের পরের কয়েকটা বছর ও চাকরির পরীক্ষা, সিংঘাম স্টাইল দাবাং, একবার ঢুকলে আজীবন নবাব, স্পেশালিস্ট না হয়েও সব জায়গায় নাক গলানো, ফাউন্ডেশনে চুরি কাঁচি কিভাবে ধরতে হবে টাই কিভাবে পড়তে হবে ট্রেনিং, সব শেষে দেশের মালিক বনে যাওয়া, এইসব বাটখারা নেড়েচেড়ে দেখতে পারেন।

ম্যান, সরকারী টাকায় এমএস আর পিএইচডি, অনেকে চাকরি করতে করতেই পিএইচডি, ডাবল পিএইচডি, আরামের আরাম .... !:#P

১১ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৫

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: এত নিক্তি জোগাড় করে ফেললেন!!

৯| ১১ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

আমি সাজিদ বলেছেন: আট নম্বর মন্তব্যটি অশিক্ষিতের মতো করলাম। আমার কিছু বলার নাই।

১১ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৫৭

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

১০| ১২ ই জুন, ২০২১ ভোর ৫:৪৮

ঈশ্বরকণা বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী ,
আপনিতো দেখছি বড় ধরেনর গুবলেট করে ফেলেছেন তথ্য আর তত্বে । আসলে আপনি যা বলেছেন সেটা হলো ভুল জিনিস বলেছেন ঠিক ভাবে। সেজন্য একটু হলেও সাবাশী আপনার প্রাপ্য। দিলাম সেটুকু।এখন বলি কোথায় গুবলেট করেছেন আপনি ।

আপনি এক্সিকিউটিভ অফিস অফ দ্যা প্রেসিডেন্ট (যেটা হোয়াইট হাউস ) আর তাদের আমলাদের সাথে টেনিউরড আমলাদের মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন । এক্সিকিউটিভ অফিস অফ দ্যা প্রেসিডেন্ট বা হোয়াইট হাউসের কর্মচারী ( কম বেশি) প্রায় ৩ হাজার প্রেসিডেন্টের ষ্টাফ অফিসার থেকে শুরু করে শেফ বা গার্ড ধরণের কর্মচারী ধরে। এদের বেশিরভাগই প্রেসিডেন্টের এডমিনিস্ট্রেশন নির্বাচন করে আর এদের টেনিয়ার সঙ্গত কারণেই প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদ পর্যন্ত ।এরা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছে দায়বদ্ধ । এই এক্সিকিউটিভ অফিস অফ দ্যা প্রেসিডেন্ট সিস্টেমটা শুরু হয়েছে ১৯৩৯ সালে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সময়ে প্রেসিডেন্টের কাজ আরো ভালোভাবে করতে সাহায্য করার জন্য ।তার আগেও কিন্তু আমেরিকান সিভিল সার্ভিস ছিল আগের মন্তব্যে যেমন বলেছি পেন্ডলটন এক্টের মধ্য দিয়ে মেধা ভিত্তিক পদ্ধতিতে যাতে আমলা নেই সিস্টেমটা শুরু হয়।

যাহোক, এক্সিকিউটিভ অফিস অফ দ্যা প্রেসিডেন্ট বা হোয়াইট হাউসের সাথে আছে আরো পনেরোটা ডিপার্টমেন্ট যাদের প্রধানদের দিয়ে প্রেসিডেন্টের ক্যাবিনেট যেমন স্টেট্ ডিপার্টমেন্ট, ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট ইত্যাদি (এগুলোর সংখ্যা সময় সময় বাড়তে বা কমতে পারে)। এই ডিপার্টমেন্টগুলো আমাদের মন্ত্রণালয়ের মতো বলে ধরে ধরা যেতে পারে । প্রত্যেক প্রেসিডেন্টই এই ডিপার্টমেন্টের প্রধান বা সেক্রেটারিকে নির্বাচন করেন আর এগুলো সিনেট করফর্মড পোস্ট । এদের সাথে ডিপার্টমেন্টগুলোর এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি, ডেপুটি সেক্রেটারিকেও প্রেসিডেন্ট বা ট্রে প্রশাসন নিয়োগ দেন বা নির্বাচন করেন । এই সেক্রেটারির সিভিল সার্ভিস সদস্যদের থেকেও হতে পারেন বা সার্ভিসের বাইরে থেকেও হতে পারেন । যেমন হিলারি ক্লিনটন সেক্রেটারি অফ স্টেট্ ছিলেন কিন্তু আমেরিকান সিভিল সার্ভিসের সদস্য ছিলেন না কখনো ।আবার এখনকার সেক্রেটারি অফ স্টেট্ এন্থনি ব্লিঙ্কেন একজন টেনিউর্ড সিভিল সার্ভেন্ট । আমেরিকান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন ১৯৯৩ সালে। ওবামার সময় ডেপুটি সেক্রেটারি অফ স্টেট্ হিসেবে নিয়োগ পান ২০১৫ সালে। ট্রাম্প এডমিনিস্ট্রেশনের সময়ও তিনি সিভিল সার্ভিসেই একই পজিশনে কাজ করেছেন ।এদের টেনিউর চার বছর যেহেতু প্রেসিডেন্ট এদের সরাসরি নির্বাচন করেন তার মতাদর্শের সাথে মিল রেখে ।

এর বাইরেও কিন্তু এই ডিপার্টমেন্টগুলোতে আরো অনেক সিভিল সারভেন্ট বা আমলা আছে। আমেরিকান ফেডারেল সিভিল সার্ভিসের সদস্য প্রায় ৪ মিলিয়ন ।যেমন উদাহরণ দেই ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট্ - এর কর্মকর্তা কর্মচারী সংখ্যা ৩০ হাজার আর বার্ষিক বাজেট ৩৫ বিলিয়ন ডলার! এই ৩০,০০০ কর্মকর্তা আর কর্মচারী যারা সিভিল সার্ভেন্ট বা আমলা এদের সবারই কিন্তু চাকুরীর টেনিয়ার কিন্তু চার বছর না।সত্যিকার অর্থে বেশিরভাগেরই টেনিয়ার চার বছর না বরং সার্ভিস ট্রেনিং আর অন্য রিকোয়ার্মেন্টগুলো সাফল্যজনকভাবে পূরণ সাপেক্ষে লাইফ লং I এই ব্যুরোক্রাটদের (মিড্ লেভেল থেকে অপার লেভেলের আমলাদের কথা বলছি) )৯০% কেই রিক্রুট করা হয় আমেরিকান সিভিল সার্ভিস সিস্টেমের রেগুলেশনের আওতায় । এদের রিক্রুটমেন্ট প্রসেস বিভিন্ন হলেও এদের মধ্যে যারা মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়ে নির্বাচিত হন তাদের বলা যায় আমাদের আমলাদের মতো ।এদের রিক্রুটমেন্ট পরীক্ষা নেয় হচ্ছে অফিস অফ পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (OPM) । এদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নানা ধরণের সিলেকশন ক্রাইটেরিয়া, ট্রেনিং, পড়াশোনা, পূর্ব অভিজ্ঞতা এ’সমস্তই বিবেচনা করা হয় । এদের নিয়োগ হোয়াইট হাউস স্টাফদের মতো নয় যারা প্রেসিডেন্টের পছন্দে নির্বাচিত হন । সিভিল সার্ভিস রিফর্ম এক্ট ১৯৭৮ (Civil Service Reform Act of 1978) অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত বেশির ভাগ আমলাদেরই ১০ বছরের রিনিউবল কন্ট্রাক্টের অধীনেই নিয়োগ করা হয় । এদের মধ্যে মেধাবীদের ধরে রাখার সব চেষ্টাই করা হয় । অন্যরা পারফর্মেন্স এসেসমেন্ট টেষ্টের ভিত্তিতে জব রিনিউ করার সুযোগ পান ।ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ৩০,০০০ জন সরকারি আমলা ও কর্মচারী বা আমেরিকান সিভিল সার্ভিসের ৪ মিলিয়ন সদস্য কিন্তু প্রতি চার বছর পর পর বরখাস্ত হয় না । চার বছর পরপর এতো মানুষ রিক্রুট করা সম্ভবও নয় বুঝতে পারছেন নিশ্চই? এদের অনেকেই টেনিয়ার জব করেন । অনেক কন্ট্রাক্ট জবের আমলাও আছেন সেখানে । আপনার উক্তিটা পুরো সত্যি শুধু হোয়াইট হাউজের প্রেসিডেন্টের নির্বাচিত আপার লেভেলের আমলাদের আর ক্যাবিনেটের সেক্রেটারি, আন্ডার সেক্রেটারীদের জন্য। আরো কিছু টপ পজিশনের আমলাদের জন্যও সত্যি । কিন্তু আমেরিকান সিভিল সার্ভিসের সব আমলার জন্য কখনোই নয় সত্যি নয় । তাই ব্ল্যান্টলি "আমেরিকার আমলাদের চাকুরি মেয়াদ ৪ বৎসর, চুক্তিই ৪ বছর। তাহলে ৪ বছরপর অটো বর্খাস্ত নাতো কি?" মন্তব্যের আগে আপনি যদি বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো ভালো করে জেনে নিতেন তাহলে ভালো লাগতো । যাইহোক ভ্রান্তিতে থাকলেও কুশলে থাকুন ।

১১| ০৫ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৫৮

ফড়িং-অনু বলেছেন: পড়লাম।

০৫ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:০০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.