নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

.....

শূন্য সারমর্ম

কঠিন সত্য কি মানুষ বদলাতে পারে?

শূন্য সারমর্ম › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিশুদ্ধ ভাবনা বলতে কিছু আদৌ আছে?

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৩৪





মানুষের ভাবনা মহাবিশ্ব নিয়ন্ত্রণে প্রভাব ফেলতে সক্ষম,নাসা কিছুদিন আছে উল্কা ধাক্কা দিয়ে দেখিয়েছে। মানুষের ভাবনা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে, মানুষ কিভাবে ভাবতে পারবে, তা বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে ; যেমন :পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র,শিক্ষা,রাজনীতি,অর্থনীতি ও ধর্ম। কথা বলার প্যার্টান ও স্পেসিফিক কোনো বিষয়ের উপর জোর দেবার প্রবণতা থেকে মানুষের ভাবনা প্রেডিক্ট করা যায় কিছুটা।

বিদ্যুৎ চমৎকির দৃশ্য দেখে ভয় পাওয়া প্রথম মানুষ যখন পরিবার সৃষ্টি করলো পরিবারের নতুন সদস্য নিশ্চই প্রথম ব্যাক্তির মত ভয় পেত না;ফ্রান্কলিন এক্সপেরিমেন্ট করে অলৌকিক থেকে লৌকিক হিসেবে তুলে ধরেছিলেন বিদ্যুৎকে ; এখন মানুষ বৃষ্টির ছবি তুলে,বিজলির ছবি তুলে নস্টালজিক হয়। মানুষ শিক্ষিত হয়ে, সায়েন্স ও টেকনোলজিকে কাজে লাগাতে চাইছে ; ফ্রয়েডের ভাবনা জীবনের সাথে মিলে কিনা তার প্রমান চাইছে, বায়াসমুক্ত মানুষ আদৌ সম্ভব কিনা বুঝতে চাইছে।

প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স থেকে যে ভাবনা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিলো,তার প্রভাব এখনো লক্ষ্য করা যায়; মানুষ এরিস্টটল,প্লেটো সক্রেটিস চিনে, ওদের ভাবনা বুঝতে চায়।সেই প্রাচীনকালেও উনারা কীভাবে এমনভাবে ভাবতে পেরেছিলো, উনাদের ভাবনায় কি প্রভাব ছিলো? আপনি দর্শনশাস্ত্র পছন্দ করেন, আপনার পছন্দের দার্শনিকও থাকতে পারে। উনাদের ভাবনার আলোকে নিজের জীবন গড়ছেন কিনা তা দেখতে হবে। আপনি নিজে দার্শনিকের মত আচরণ করছেন নাকি।

সভ্যতার এযুগে এসে রিপাবলিকের আন্ডারে থেকেও ভাবনায় গোজামিল থাকবে, মৌলিক অধিকার থেকে বন্চিত হলে, বিশেষ করে শিক্ষা থেকে বাদ গেলে জীবনে কখনো বুঝবে না, পৃথিবীর আধুনিক ভাবনা কোথায় গিয়ে ঠেকছে।মার্ক্সের ভাবনায় বিপ্লব হয়েছিলো, ধর্মীয় ভাবনায় রাজনীতি প্রভাবিত হচ্ছে এখনো।আপনার কাছে বিশুদ্ধ ভাবনার ডেফিনিশন কি? আপনি কিভাবে ভাবেন, নিজের ভাবনা ব্যবচ্ছেদ করতে পারেন?

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৫৭

জুল ভার্ন বলেছেন: অবশ্যই আছে। সুস্থ্য সুন্দর নির্দোষ ভাবনাই বিশুদ্ধ ভাবনা।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৫৫

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

নির্দোষ ভাবনা সময়ের ব্বযধানে দোষী হতেও পারে।

২| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:১৩

সোনাগাজী বলেছেন:



বিশুদ্ধ ভাবনা হলো, যেই ভাবনা লজিক্যালী সঠিক।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৫৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মানুষ লজিক বুঝতে শুরু করেছে কখন?

৩| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: প্রাচীন গ্রীস দেশের মানুষের ভাবনা আর আরব দেশের মানুষের ভাবনা এক না। গ্রীসের লোকদের ভাবনা বিশুদ্ধ ভাবনা। আর আরবদের ভাবনা বেকুবি।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৫৭

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

গ্রীক/আরব/বৃটিশ/পাকি মিলিয়ে জগাখিচুড়ি বাঙালী ভাবনা।

৪| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৪৩

ঋণাত্মক শূণ্য বলেছেন: সমস্যাতো "বিশুদ্ধ" কি সেটা।

বিজ্ঞানের কথাই ধরেন, একসময় ব্লাকহোল এর ধারণা ছিলো না। বিজ্ঞানীরা নিয়ে এলো সে ধারণা, নাসা সেটা প্রমানে লেগে গেলো। এক সময় ধারণা করা হলো আমরা ব্লাকহোল পেয়েছি।

এর সাথে আর একটা ধারণা হলো ওয়ার্মহোল নিয়ে। ওয়ার্মহোলের একপাশ দিয়ে একটা কিছু ঢুকে অন্য পাশ থেকে বের হলে অন্য সময় বা অন্য ইউনিভার্সে চলে যায় এমনটাই ধারণা।

ব্লাকহোল থেকে কিচ্ছু বের হয়না, এটাই হচ্ছে বড় ধারণা। কিন্তু দেখা গেলো সেখান থেকেও বের হয়। তখন বিজ্ঞানীরা আবার নতুন করে বলছে যে হয়ত ব্লাকহোলই ওয়ার্মহোল, ওয়ার্মহোলই ব্লাকহোল!

প্রতিটা পদক্ষেপেই যথেষ্ট যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রমান দেওয়া যায়। কিন্তু প্রথমটার পর দ্বিতীয়টা প্রমান করলে প্রথমটা এলোমেলো হয়ে যায়।

একজন বলেছেন গ্রীকদের ধারণা ঠিক, গ্রীকেরা গাদিগাদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করতো। যিনি বলেছেন গ্রীকদের ধারণা ঠিক, তিনিই আবার ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না! তাহলে দাড়ালো গ্রীকদের ভাবনা বিশুদ্ধ বলা লোকের ভাবনাই বিশুদ্ধ না; তাই আমরা তার ভাবনাকেও বিশুদ্ধ বলে নিতে পারি না!

আগে "বিশুদ্ধ" ডিফাইন করতে হবে। তারপর কোনটা বিশুদ্ধ ভাবনা সেটা ভাবা যাবে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:০২

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মাহাকাশের ভিতরের অনুমানকে সঠিক প্রমাণ করতে গিয়ে ভিন্ন কিছু ধরা পড়লে, ভাবনায় সমস্যা ধরা পড়ে।সময়ের ব্যবধানে ব্যাপারটা সঠিকভাবে বুঝলে, ভাবনা সঠিক হয়, বিশুদ্ধতার কাছে ঘেষতে পারে । গ্রীকের অনেকে জিউস/প্রমিথিউস এর উপরে গিয়ে ভাবতে পেরেছিলেন।

৫| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:৫১

চারাগাছ বলেছেন:
আজ যেটা বিশুদ্ধ কাল সেটা অশুদ্ধ।
ভাবনা পরিবর্তনশীল, চলমান। ভাবনা এক পথে চলে না , দিক পরিবর্তন করে।


মৃত্যু নিয়ে সক্রেটিস দুটি ভাবনা :


ভাবনা -১:
মৃত্যু একটি স্বপ্নহীন ঘুম। অর্থাৎ, মৃত্যু মানে চির নিদ্রায় শায়িত হওয়া, যে নিদ্রার কোনো শেষ নেই। সেক্ষেত্রে মৃত্যুকে ভয় পাবার আদৌ কোনো কারণ আছে কি?

ভাবনা -২:
মৃত্যু হচ্ছে অন্য পৃথিবীতে প্রবেশ করার টিকিট! হ্যাঁ, এক পৃথিবী থেকে অন্য এক পৃথিবীতে যাওয়া যাবে মৃত্যুর পর যেখানে দুঃখ, কষ্ট, জড়া, ক্লেশের মতো ব্যাপারগুলো থাকবে না। বরং সেখানে পূর্বে মৃত্যুবরণ করা মানুষদের সাথে দেখা হবে যা তার নিকট নিছক আনন্দের ব্যাপার। এক্ষেত্রেও মৃত্যুকে ভয় পাবার মতো কোনো উপরকরণ খুঁজে পাননি সক্রেটিস।



কোন ভাবনাটাকে আপনি বিশুদ্ধ বলবেন ?
কাকে আপনি বিশুদ্ধ ভাবনা বলবেন ?

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:০৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মৃত্যু নিয়ে সক্রেটিসের ভাবনায় তৎকালীনের প্রভাব রয়েছে, আধুনিক ভাবনায় মৃত্যুভয়/পরবর্তী জীবন কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তা বের করতে হবে।

৬| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:৪৭

চারাগাছ বলেছেন:
সক্রেটিসের ভাবনা , তৎকালীন ভাবনা , আধুনিক ভাবনা !

ইতোপূবেই বলেছি কিন্তু ভাবনার পথ পরিশুদ্ধতার কথা।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৪০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

ভাবনা রিফাইন হতে হতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে বলা কঠিন, তবে প্রত্যেক মানুষের জন্য বেঁচে থাকার সময়কালটার ভাবনা আধুনিক কিনা সেটা দেখা দরকার।

৭| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:৫৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মানুষের ভাবনা আপেক্ষিক এবং সাবজেটটিভ। যেমন সভ্য সমাজে একই বিষয় আগে যা ছিল নিষিদ্ধ এখন তা অনুমোদিত অথবা এটার উলটাটা। এই কারণেই সৃষ্টিকর্তা যুগে যুগে তার ভাবনা মানুষকে জানিয়েছেন ঐশী গ্রন্থের মাধ্যমে যেন মানুষ সঠিক ভাবনা অর্জন করতে পারে। সৃষ্টিকর্তার দিক নির্দেশনা বিবর্জিত ভাবনার ভুল হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:০৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


ঐশী গ্রন্থ আর আসবে না তো।

৮| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:১৭

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: শেষ ঐশী গ্রন্থে লেখা আছে যে এটাই ফাইনাল। মুসলমানরা এটাই বিশ্বাস করে।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:২৮

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মুসলমানরা বিশ্বাস করে ভালো, তবে মুসলমানরা অন্যের বিশ্বাস কন্ট্রোল করে না।

৯| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৬:৫৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: অন্য লোকে জাহান্নামে যেতে চাইলে তাদের সেই স্বাধীনতা আছে। কেউ যদি মনে করে মৃত্যুতেই সব শেষ এটা তার নিজের ব্যাপার। মুসলমানদের দায়িত্ব সঠিক তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা।

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৬

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মুসলমানরা ঠিকমতই দায়িত্ব পালন করছে মনে হয়, আগের থেকে ব্যাপারটা অনেক সহজ হয়েছে ইন্টারনেটের কল্যাণে।

১০| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সত্য এবং ন্যায় পথে থাকার ভাবনা কী বিশুদ্ধ ভাবনা নয়।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৪০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

সত্য পথ খুজে পেয়ে থাকলে ঐ পথে চলা বিশুদ্ধ ভাবনার আওতায় পড়ে।

১১| ২১ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:৩৯

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


ধন্যবাদ।

১২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ৮:৫৮

কামাল১৮ বলেছেন: যুক্তি তথ্য প্রমান নির্ভর ভাবনাই বিশুদ্ধ ভাবনা।বাকি সব ভাবনাই আবল তাবল ভাবনা।

২২ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:১১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:

হতে পারে

১৩| ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ২:১৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: বিশুদ্ধ জিনিসটাই যদি আপেক্ষিক হয় তবে ভাবনাটাও বিশুদ্ধ থাকনা।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১:২১

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


মানুষের বুঝতে পারার সক্ষমতার উপরে ভাবনা বিশুদ্ধতাার দিকে যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.