| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পশু-প্রাণীরা তাদের বিপদস্থল বোঝে চলাফেরা করে, আর মানুষ বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের বিপদস্থল বোঝেনা এটা নিতান্তই দু:খজনক।বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান যেমন- মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের পাদদেশ, সমুদ্রসৈকতের চোরাবালি, সমুদ্রের জোয়ার ভাটার গভীর স্রোত, সামুদ্রিক ঝড়, সুন্দরবণের হিংস্র জানোয়ার আর জলদস্যুদের হামলা আরো বিবিধ কিছু মানুষের জন্য চরম বিপদের কারণ।অসংখ্যবার এসব স্থানগুলোতে ঘটেছে প্রানহানি যা আজকের জন্য নতুন নয়, এসব খবর মিডিয়ায় ব্যাপক আকারে প্রচার করা হয়। বিশ্বায়নের এই যুগে যেখানে মূহুর্তেই হাতের মুঠোয় সব খবর চলে আসে আহসানউল্লা ভার্সিটির এই ছাত্রগুলো এর আগে কি এরকম খবর পায়নি, তারা কি এতই অসচেতন……..? বিশেষ করে এসব স্থানগুলোতে লাল পতাকার চিহ্ন দেয়া থাকে, নিরাপত্তাকর্মীরা বাধা প্রদান করে তা সত্তেয় অনেকে এসব উপেক্ষা করে রোমঞ্চকর অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের আশায় বিপদের মুখোমুখী হয়,তাই প্রাণহানির জন্য দায়ী থাকে নিজেরাই। দেশের এই সূর্য সন্তানদের দেশমাতৃকার সেবায় জীবন উৰসর্গ করার পরিবর্তে সামান্য আনন্দ-উল্লাস করতে গিয়ে জীবন ক্ষয় করাটা নিতান্তই দু:খজনক। আফসোস…………..!
©somewhere in net ltd.