| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ হতে ১৪৩৭ বছর আগে এই দিনে (১৪ ই জ্বিলহজ্ব) বিশ্বনবী (সা.)’র মোজেজার প্রকাশ হিসেবে তাঁর আঙ্গুলের ইশারায় পূর্ণ চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল।
আবু জাহলের নেতৃত্বে একদল মূর্তি পূজারী ও ইহুদি জানায় যে, মুহাম্মাদ (সা.) যে আল্লাহর রাসূল তা তারা মেনে নিবে যদি তিনি চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করে দেখাতে পারেন। রাসূল (সা.)’র আল্লাহর কাছে দোয়া করে আঙ্গুলের ইশারা করলে ওই অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে।
রাসূল (সা.) চাঁদকে এত স্পষ্টভাবে দুই টুকরা করেন যে ওই দুই টুকরার ব্যবধানের মধ্যে হেরা পর্বত দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু আবু জাহল বলে ওঠে, “ তিনি নজরবন্দি করেছেন। যেসব লোক বিদেশে গেছে তারা ফিরে এসে সমর্থন জানালে তখন বুঝব।” বিদেশ থেকে আসা লোকেরা দেশে ফিরে এসে এ ঘটনার সত্যতাকে সমর্থন করলেও আবু জাহল বলে, “ তিনি গোটা পৃথিবীর সব লোককে নজরবন্দী করেছেন।
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মালাবার রাজ্যের ততকালীন রাজা চক্রবর্তী ফারমাস (চেরামান পিরুমেল) আকাশে চাঁদ দুই টুকরো হয়ে যাওয়ার ওই অলৌকিক ঘটনাটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। যখন তিনি জানতে পারেন যে আরব দেশে শেষ নবী(সা.)’র আবির্ভাব ঘটেছে তখন তিনি মক্কায় আসেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। খবরটি এখানে পেলাম
ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪০
শিউলি বলেছেন: খবরটি শেয়ার করা লোভ সামলাতে পারলাম না। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
২|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৩
অপ্রকািশত বলেছেন: কেউ প্রমান দিক আর না দিক, স্বাক্ষ্য থাকুক আর না থাকুক ইহা সত্য।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৯
শিউলি বলেছেন: ভাল বলেছেন।
৩|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:২৬
ফাহান্ন বলেছেন: thnx
৪|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪২
স্বপনবাজ বলেছেন: সুবাহানাল্লাহ!
৫|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৪
আমি কে ? বলেছেন: সহমত@অপ্রকাশিত
৬|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৪৯
বিডিফয়ছল বলেছেন: সুবহানাল্লাহ। এ ধরনের আরো পোস্ট চাই।
৭|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:৫০
নক্ষত্রপথ বলেছেন: ++
৮|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১০
আজিজ বাংলাদেশী বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। +++++
৯|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৬
কনিফউজড_েনিটেজন বলেছেন:
১০|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৬
ইসমাইল হোসাইন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল পোষ্ট ।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৩
শিউলি বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৮
জিললুর রহমান বলেছেন: এই দুনিয়ার সবাই যদি এটা না ও মানে, তবুও এটা সত্য। +++++
১২|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:১৯
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন:
১৩|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৫
শোভন দাশ বলেছেন: পোষ্ট টি স্টিকি করবার দাবি জানিয়ে গেলাম
১৪|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৩৭
নির্জন০০৭ বলেছেন:
১৫|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৪২
মুহাই বলেছেন: ধন্যবাদ
১৬|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৪২
নগর সংগীত বলেছেন: ভাই আপনি চাদের ফাটার যে ছবি দিসেন ওটাকে lunar riles বলে, একটু গুগলে সার্চ মারেন, ওইরকম ফাটল মাকড়সার জালের মতো ছড়ায় আছে চাদে। আর এই দুই ভাগ হওয়া খালি ভারতের রাজা দেখলো, লাখ লাখ মানুষ দেখলোনা? বিশ্বাস করেন খুবই ভালো কথা কিন্তু আজগুবি জিনিস দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা কইরেননা, দুনিয়ার মানুষ এইজন্য হাসে আপনাদের নিয়ে।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪
শিউলি বলেছেন: ভাই, ছবিটা মূল ছবি না। কারণ সে সময় ক্যামেরা ছিল না। --
আর সে সময় অনেক মানুষ দ্বিখণ্ডি চাঁদ দেখেছে। কেবল আবু জেহেল আর আপনাদের মত কিছু নাস্তিক দেখে নাই বা বিশ্বাস করে নাই। বিশ্বের একশ' সত্তর কোটি মুসলমানসহ অন্য ধর্মের অনেকেই তা বিশ্বাস করে।
১৭|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:০০
রুদ্রাক্ষী বলেছেন: খুব ভালো লাগলো ভাই।শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আর নাস্তিকদের কথায় কান দিবেন না তারা আসলে নিজেদের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করে বাদ দেন ভাই।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:১১
শিউলি বলেছেন: বাদ দিলাম।
১৮|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:২৪
প্রকৌশলী রিয়াদ হাসান চৌধুরী বলেছেন: কেউ প্রমান দিক আর না দিক, স্বাক্ষ্য থাকুক আর না থাকুক ইহা সত্য।
১৯|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৫:৫৯
নগর সংগীত বলেছেন: "ভাই, ছবিটা মূল ছবি না। কারণ সে সময় ক্যামেরা ছিল না। "
তাহলে ক্যান lunar riles এর ছবি দিয়ে বলতেসেন এটা চাদ দুইভাগ করার ছবি? এরকম ফাটল আরো বেশ কিছু গ্রহে পাওয়া যায়। এটা কি প্রতারণা না? বিশ্বাস করতে মানা করতেসিনা, কিন্তু বিজ্ঞানের সাথে মিলাতে গেলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১
শিউলি বলেছেন: ছবিটা বাদ দিলেই কি আপনি বিশ্বাস করবেন? আর আমি কিন্তু পোষ্টের কোথাও বলি নাই যে, এটাই সেই ছবি। ছবিটি দিয়ে বুঝানো হয়েছে যে, চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল।
আর রাজা চেরামান পেরুমেলের যে ঘটনাটি এখানে উল্লেখ করা হয়েছে তা উইকিপিডিয়াতেও আছে।
২০|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৮
হিরক রাজা বলেছেন: কুরআন শরীফেও নাস্তিকদের কথা আছে, এই ব্লগেও তারা আছে এবং থাকবে।
২১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৩
নিয়েল ( হিমু ) বলেছেন: আল্লাহর নবী (দ) এর কথা, কাহিনী যেগুলো চিরায়ত সত্য সেগুলোর জন্য আবার ভারতের রাজার শাক্ষ শুনে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে কেন?
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৭
শিউলি বলেছেন: এটা তো মুসলমানদের বিশ্বাসের কথা । কিন্তু আবু জেহেল তো মুসলমান ছিল না। তাকে কিংবা তারমতো ইসলাম বিরোধীদের বুঝনোর জন্য ভারতের রাজার সাক্ষ্য দরকার ছিল।
২২|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৫৩
নগর সংগীত বলেছেন: আমার কমেন্ট উধাও হইলো কেমনে? যাই হোক উইকিতে লেখা আছে "Prof. A. Sreedhara Menon concluded that the legend of Rama Varama Kulashekhara's conversion originated as a figment of imagination or as a case of mistaken identity and continued to be reproduced without critical examination." এটাকি আপনি পড়সেন নাকি না পড়েই লিংক দিসেন?
আর ছবিতে লেখা ছিলো:
"this is the location of the split that extends........."
এটাতেই আমার আপত্তি, এটা মোটেও সেই split এর লোকেশন না, এটা প্রতারণা, ছবিটা রাইলসের।
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
শিউলি বলেছেন: ছবি প্রসঙ্গ বাদ দিলাম। এবার আপনি স্পষ্টভাষায় জবাব দেন, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করার ঘটনাটি আপনি বিশ্বাস করেন কিনা? না করলে কেন করেন না?
২৩|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৩৭
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: "লেখক বলেছেন: ছবিটা বাদ দিলেই কি আপনি বিশ্বাস করবেন? আর আমি কিন্তু পোষ্টের কোথাও বলি নাই যে, এটাই সেই ছবি। ছবিটি দিয়ে বুঝানো হয়েছে যে, চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছিল। "
-- কোথাও বলেননাই আবার ছবিটা দিয়ে বোঝানো হয়েছে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছিলো? তারমানে আপনি নিজেও জানেন এটা দ্বিখন্ডিত হবার ছবি না। তাহলে ছবি দিলেন কেন? যা নয় সেটা ধারনা দেবার চেস্টা করছেন কেন ভুল ছবি দিয়ে?
২৪|
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৯
নগর সংগীত বলেছেন: বাদ দিলেন কেন ভাই?উইকির লাইন তুলে দেবার পর সেই কথাটাও এড়ায় গেলেন। আপনার কি এখনো বুঝতে বাকি আছে যে আমি বিশ্বাস করিনা? করিনা কারণ সেটার কোনো প্রমাণ নাই, বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটা অসম্ভব। প্রাচীন কালে কোন রাজা দেখসে সেইসব বলে লাভ নাই, এইগুলা হলো প্রাচীণ কিংবদন্তী, শক্ত কোনো প্রমাণ নাই। চাদের ভূতাত্ত্বিক গবেষণা করে যদি বিজ্ঞানীরা বলেন এই ঘটনা ঘটেছিলো এবং সেই গবেষণা যদি রিভিউড জার্নালে প্রকাশিত হয় তাহলে আমি মেনে নিব, এছাড়া না।
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২২
শিউলি বলেছেন: উইকিতে দুই ধরনের বক্তব্যই আছে। রাজা যে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হতে দেখেই ইসলাম গ্রহণ করেছেন তা জানানোর জন্যই আমি উইকির লিংক দিয়েছিলাম।
২৫|
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪৯
নগর সংগীত বলেছেন: আপনি কিভাবে বুঝলেন কোন বক্তব্যটা ঠিক? উইকিতে লেখা আছে এটা একটা কিংবদন্তী, কোন লাইনে লিখেছে যে কোনো ইতিহাসবিদ রায় দিয়েছেন যে চাদ দুভাগ হবার ঘটনা সত্যি?
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৫
শিউলি বলেছেন: আমার পোস্টের শেষ লাইনেও বলা আছে, ভারতের ইতিহাস গ্রন্থ ‘তারিখে ফেরেশতা’য় ওই ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে।
--তাহলে এত প্যাচান কেন? আর ঘটনাটি যেহেতু পবিত্র কুরআনে আছে তাই অন্য কোথাও না থাকলেও মুসলমানরা তা বিশ্বাস করে।
২৬|
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৫
আয়না বাবা০০৭ বলেছেন: আমার দাদার দাদার দাদার দাদার টাক মাথায় একটা কাক হাগু করেছিল, রাগে উনি লাঠি ছুড়ে মেরেছিলেন, সেইটা কাককে না লেগে চাঁদে লেগেছিল। সেই থেকে...
২৭|
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৮
কাউন্ট ড্রাকুলা বলেছেন: একটু অবাক হচ্ছি। ব্লগার পোষ্টের বিষয়বস্তুর সাথে মিল রেখে সাথে একটা ছবি দিতেই পারে। কিন্তু এই পোষ্টে কিছু আবালের কমেন্ট দেখে অবাক হচ্ছি। পোষ্টের সাথে একটা ছবি নিয়ে এরা অবান্তর প্রশ্ন করছে। এই ব্রেন নিয়ে এইগুলো আসে ব্লগিং করতে?
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৫৪
শিউলি বলেছেন: ওরা আসলে প্রকৃত সত্য থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়।
২৮|
০১ লা নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৫৭
নগর সংগীত বলেছেন: @কাউন্ট ড্রাকুলা: আবাল বলেন, আর যাই বলেন যেই ছবিতে চাদের একটা লোকেশন দেখায় লিখে দেয় "this is the location" সেইটা প্রতারণা ছাড়া কিছুইনা। আপনি তুখোড় ব্রেইন নিয়ে সেটা কেন বুঝেননা আপনিই জানেন।
@লেখক: তারিখে ফেরেশতার কথা উইকিতে আছে? আপনার দেয়া ব্লগের লিংকে লেখা: ""মার্কিন মহাশূন্য সংস্থা নাসার নভোচারীদের মাধ্যমে তোলা ছবিতেও চাঁদের মধ্যে গভীর ফাটলের চিহ্ন বা দাগ দেখা গেছে এবং এ থেকে স্পষ্ট হয় যে কোনো এক সময় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল।"" নাসা কখনো বলসে যে এটা সেই ফাটল? যদি না বলে থাকে তাহলে কেন আপনারা প্রতারণা করেন? ফাটলতো অনেক জায়গাতেই আছে।
"আর ঘটনাটি যেহেতু পবিত্র কুরআনে আছে তাই অন্য কোথাও না থাকলেও মুসলমানরা তা বিশ্বাস করে। "
এইটা বললেই হয়, এত প্রমাণ করার চেষ্টা করেন ক্যান আর নাসাকে টানেন ক্যান?
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:১৯
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ,