নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সঞ্চয়

সঞ্চয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা কি মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ সত্যিই চাই??

০৭ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪৩

মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের খুব ছোট (২৭১ কিমি) সীমানা আছে। কিন্তু এই অল্প সীমানা নিয়েও মোটামুটি নির্দিষ্ট বিরতীতে মিয়ানমারের সাথে আমাদের বিভিন্ন সময়ে ভুল বুঝা-বুঝি(!!!) হয়ে যাচ্ছে। ১৯৯১, ১৯৯৯, ২০০১, ২০০৮ এবং সবশেষে গত মাসের ঘটনা।



প্রতিবেশী দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখাই আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল বক্তব্য। কিন্তু সুসম্পর্ক কখনই একপক্ষের মাধ্যমে রাখা সম্ভব না। গত মাসের ঘটনার পর মিয়ানমারের সরকারের বক্তব্য লক্ষ্য করলেই বুঝা যায় সুসম্পর্ক রাখার জন্য তাদের আগ্রহ কতটুকু। ওদের বক্তব্য ছিল "the first incident on May 28 involved Myanmar troops and "two suspected armed Bengalis in yellow camouflage uniform who entered into Myanmar territory" in Maungdaw Township. One was killed and the other fled into Bangladesh"







এই ছবি গুলা শহীদ বিজিবি সদস্যের যখন তাঁর মরদেহ আনা হচ্ছিল। খেয়াল করলেই দেখা যাবে সে বিজিবির ইউনিফর্ম পরে ছিল। মিয়ানমার সরকারের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ যখন একটা ঘটনা ঘটানোর পরও ভুল স্বীকার না করে এরকম মিথ্যাচার করে তখন তাদের বন্ধুত্ব রক্ষা করার মানসিকতা কতটুকু সেসম্পর্কে ধারনা করা কঠিন কিছুনা।



ঘটনার পরে আমাদের রিএকশন আমার ক্ষুদ্র মস্তিস্কের হিসাবে ঠিকই ছিল(পররাষ্ট্র মন্ত্রীর বক্তব্য ছাড়া)। বিজিবি সীমিত আকারে তাদের শক্তি প্রদর্শন করে। জানামতে মিয়ানমারের সেনা মোতায়েনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীরও একটি ব্রিগেড কে মুভ করানোর আদেশ দেওয়া হয়েছিল, এবং সে হিসেবে তারা এলাকা রেকিও করেছিল। কিন্তু সবথেকে বড় প্রশ্ন, আমরা কি মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ করতে চাই??



মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী আমাদের থেকে দ্বিগুণেরও বড়। তাদের সারঞ্জামাদী আমাদের মতো হলেও পরিমাণে বেশী। কিন্তু মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধ হলে, ওই এলাকায় বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে। যুদ্ধ যদি বাংলাদেশের ভেতরে হয় নিশ্চিত ভাবে বাংলাদেশ জয়ী হবে। কিন্তু যুদ্ধ দিয়ে সমাধান খোজা একটা অত্যন্ত ব্যায়বহুল পছন্দ। ডিপ্লমেটিক উপায়ে সমাধান সবসময়ই প্রথম পছন্দ হওয়া উচিৎ। কিন্তু শক্তিশালী কূটনীতির জন্য একটি শক্তিশালি সাহসী সামরিক বাহিনী দরকার। তার থেকে বেশী দরকার সরকারের মনোবল। আশা করি এই দুইয়ের সমন্বয়ে সরকার আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।







মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:২১

ইসপাত কঠিন বলেছেন: আপনি কিন্তু সঠিক জায়াগায় আঘাত করেছেন। শক্তিশালী কূটনৈতিক কোরের পেছনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হলো শক্তিশালী সামরিক বাহিনী।

২| ০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৩৩

নষ্ট ছেলে বলেছেন: মায়ানমার বিশাল দেশ। প্রাকৃতিক সম্পদ আমাদের থেকে অনেক বেশি অন্যদিকে জনসংখ্যা কম। দীর্ঘদিন যুদ্ধ চালিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের থেকে তাদের বেশি। পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন থেকে দেশ চালানোর অভ্যাস তাদের আছে।
সবকিছু চিন্তা করলে যুদ্ধ লাগলে আমাদেরই ক্ষতি।
সীমান্তের সমস্যা কূটনৈতিক ভাবেই সমাধান করা উচিত।

৩| ০৯ ই জুন, ২০১৪ ভোর ৬:১৫

পংবাড়ী বলেছেন: এই সব ছবি কিভাবে প্রকাশ পেলো, বিজিবি এগুলো প্রকাশ করার পক্ষে?

৪| ০৯ ই জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৬

পংবাড়ী বলেছেন: ইয়াবা যুদ্ধ তো শেষ, আবার যুদ্ধ কেন?

৫| ১২ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:০২

পংবাড়ী বলেছেন:


ব্লগার নস্ট ছেলে (ফিল্ড মার্শাল) বলেছেন যে, মিয়ানমার অনেকদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে। হ , কথা ঠিক!

বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের কোন সমস্যা নেই; ইডিয়ট রাজাকার/জামতীরা রোহিংগাদের অস্ত্র দিয়েছে, এটা এখন সমস্যা।

৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৪ সকাল ৭:১৩

খেলাঘর বলেছেন:

যুদ্ধ কেন?

৭| ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:০০

খেলাঘর বলেছেন:

যুদ্ধের বাহিরে সমাধান খোজেন!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.