| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১ম পর্ব আমরা কি মিয়ানমারের সাথে যুদ্ধ সত্যিই চাই??
মিয়ানমারের সরকার এখন আর বছর পাঁচেক আগেরমতো একঘরে অবস্থায় নেই। এখনকার সময়ে মিয়ানমারের সাথে পরাশক্তিগুলো সম্পর্ক উন্নয়নের পথে রয়েছে শুধু মাত্র ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্যে।
চীনঃ চীনের সাথে বাংলাদেশ-মিয়ানমার দুই দেশেরই সম্পর্ক ভালো। চীনের সমর্থন দুই দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেননা দুই দেশেরই প্রধান যুদ্ধ সারঞ্জামদি চীনের তৈরী। যুদ্ধ শুরূ হয়ে গেলে গোলাবারূদ থেকে শুরূ করে সেসবের যন্ত্রাদির নিয়মিত দরকার হবে। যদি কখনো যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় চীন কার পক্ষে থাকবে ধারনা করা অত্যন্ত কঠিন। এর আগে চীন এধরনের পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ ছিল(নব্বুইয়ের দশকে)। আগেরবার চীন সরবরাহ না করায় বাংলাদেশ পাকিস্তানের কাছ থেকে খুব অল্প সময়ের মাঝে প্রচুর গোলাবারূদ পেয়েছিল। এখনকার পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের কাছ থেকে কিছু আশা করা বাস্তব সম্মত হবেনা। মিয়ানমার চীনের এই এলাকায় প্রাধান্য বিস্তারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।
১। চীন থেকে সরাসরি ভারত মহাসাগর এবং বঙ্গপসাগরে যাওয়ার(প্রাধান্য বিস্তারের) সবচেয়ে ছোট পথ মিয়ানমারের উপর দিয়ে।
২। বঙ্গপসাগর কিংবা এর আশে-পাশের এলাকায় প্রাধান্য ধরে রাখার জন্য মিয়ানমারের ভেতরে চীন ফরওয়ার্ড অপারেটিং বেস তৈরী করতে পারে ভারতের নেভীর হুমকি ছাড়া।
৩। মালাক্কান প্রণালী বাইপাস করে মিয়ানমার ব্যাবহার করে চীন বঙ্গপসাগর কিংবা ভারত মহাসাগরের সাথে যোগাযোগ পথ ৩,০০০ কিমি কমিয়ে দিতে পারে।
ভারতঃ মিয়ানমারের সাথে ভারতের আগ্রহের কারণ গুলি হচ্ছে
১। মিয়ানমার ভারতের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ প্রতিবেশী।
২। মিয়ানমার ভারতের সাথে দক্ষিন এশিয়া এবং দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
৩। ভারতের সেভেন সিষ্টারের সাথে চীনের দক্ষিণ অংশের মধ্যবর্তী বাফার জোন হিসেবে মিয়ানমার কাজ করে।
৪। মিয়ানমারের প্রচুর প্রাকৃতিক গ্যাস ভারতের জন্য আকর্ষনীয় বস্তু।
৫। মিয়ানমার ভারতের ল্যান্ড লকড সেভেন সিষ্টারের সাথে বঙ্গপসাগরের সম্ভ্যাব্য যোগাযোগের পথ।
চলবে...
২|
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৪০
ঢাকাবাসী বলেছেন: মিয়ানসারের সাথে কখনোই আমরা পারবনা!
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:০৬
সঞ্চয় বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সাথে অনেকেই একমত হবেনা... মিয়ানমার সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের থেকে বেশ এগিয়ে, কিন্তু ওদের কিছু বেসিক দূর্বলতা আছে। যুদ্ধ শুরূ হলে ওগুলোই ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হবে। পরবর্তী পর্বে সে বিষয়ে লিখার ইচ্ছা আছে।
তবে যেকোন বিবেচনায় যুদ্ধ সবচেয়ে খারাপ অপশন। যেকোন দ্বিপাক্ষিক সমস্যা কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান করাই কাম্য। অবশ্যই শক্তিশালী কূটনীতির জন্য ব্যালেন্সড সামরিক বাহিনীর বিকল্প নেই।
৩|
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:১৭
ইমাম হাসান রনি বলেছেন: বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের যুদ্ধ হলে বাংলাদেশ জয়ী হবে । এর অনেকগুলা কারন আছে । মিয়ানমার বাংলাদেশ সেনা বা নৌবাহিনীর চেয়ে কোন দিক দিয়েই এগিয়ে নেই । সামনের বছর আমাদের নৌবাহিনীতে দুইটা সাবমেরিন আর নতুন জাহাজ যুক্ত হবে ।
৪|
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:২৮
ইমাম হাসান রনি বলেছেন: মিয়ানমার তো আমাদের বিজিবির দাত ভাঙ্গা ফায়ার সহ্য করতে না পেরে সীমান্তে অবৈধভাবে সেনা মোতায়েন করে !!! যদিও ওদের কয়েক জন সেনা সদস্য বিজিবির ফায়ারে মারা গেছে ।
আসল কথা বাংলাদেশে ইয়াবা আর মাদক দ্রব্য ঢুকতে বিজিবি ও প্রশাসন কঠিনভাবে বাধা দেওয়ায় মিয়ানমার সীমান্ত পুলিশের আয় রোজগার কমে গেছে ।
৫|
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:৩১
মুহাম্মাদ মাহফুজুর রহমান শরীফ বলেছেন:
@ সঞ্চয় :
আপনি বলেছেন।---
"মিয়ানমার সামরিক দিক দিয়ে বাংলাদেশের থেকে বেশ এগিয়ে, কিন্তু ওদের কিছু বেসিক দূর্বলতা আছে।"
সামান্য ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে কি?
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:৪৬
সঞ্চয় বলেছেন: ওদের সামরিক বাহিনীর লজিস্টিকস, সাপ্লাই চেইন, প্রশিক্ষণ, মোরালসহ আরও কিছু। আগামী পর্বে আলোচনা করার আশা রাখি
৬|
০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৩১
ইসপাত কঠিন বলেছেন: একটি ব্যালান্সড সামরিক বাহিনীর জন্য টুথ টু টেইল রেশিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। মায়ানমার সামরিক বাহিনীর টুথ টু টেইল রেশিও আমাদের চেয়ে খারাপ।
টুথ টু টেইল রেশিও হলো ফাইটিং (পদাতিক ও সাঁজোয়া) ও সাপোর্টিং আর্মস (আর্টিলারী, ইন্জ্ঞিনিয়ার্স ও সিগন্যালস) এর সাথে সার্ভিস ( লজিস্টিক এসেলন তথা সার্ভিস কোর, ইএমই, অর্ডন্যান্স, এমপি, মেডিক্যাল কোর) এর অনুপাত।
মায়ানমার নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বেসামরিক জনসাধারনকে কাজে লাগিয়ে মানব প্রাচীর করার পরিকল্পনা করছে। এটি করতেও তাদের কিছু ফাইটিং এসেলন এনগেজড হয়ে যাবে। এর কারনে যুদ্ধের শুরুতেই তারা অগোছালো হয়ে পড়তে পারে।
শেষ কথা, শত্রু যতই দূর্বল হোক, তাকে আন্ডারস্টিমেট করতে নেই। মায়ানমার তো শক্তিশালী শত্রু।
০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৪৪
সঞ্চয় বলেছেন: যুদ্ধকে এড়ানোর সবথেকে ভালো কৌশল যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা... আমরা যুদ্ধ চাইনা... কিন্তু আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে সামরিক বাহিনীর সাথে সাথে আমরা সাধারন মানুষরাও ঝাপিয়ে পড়বো
৭|
০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ১২:৪৯
ইসপাত কঠিন বলেছেন: লেখক বলেছেন: যুদ্ধকে এড়ানোর সবথেকে ভালো কৌশল যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা... আমরা যুদ্ধ চাইনা... কিন্তু আমাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে সামরিক বাহিনীর সাথে সাথে আমরা সাধারন মানুষরাও ঝাপিয়ে পড়বো[/sb
যথার্থ বলেছেন। চীনের সাথে মাঝে মাঝে সৃষ্ট উত্তেজনা বিষয়ে একজন মার্কিন নীতি নির্ধারককে চীনের সাথে যুদ্ধের সম্ভাবনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তর দেন, "We may not engage with China in hundred years but we can not remain unprepared for a single moment"
৮|
০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:২৪
কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: বাস্তব দৃষ্টিকোণ থেকে মনের কথা গুলোই বলছেন। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায়।
৯|
০৯ ই জুন, ২০১৪ রাত ২:৪১
পংবাড়ী বলেছেন: মিয়ানমার নাকি আপনাকে খুঁজছে; আপনাকে মিয়ানমারের হাতে তুলে না দিলে তারা বাংলাদেশ আক্রমণ করবে।
বাংলাদেশ ও বার্মার যু্দ্ধ হওয়ার কোন কারণ থাকতে পারে না।
১০|
২০ শে অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৪:৫১
খেলাঘর বলেছেন:
আমরা কারো সাথে যুদ্ধ চাই না; আমরা যুদ্ধ বিরোধী।
১১|
২৩ শে অক্টোবর, ২০১৪ ভোর ৬:৩১
খেলাঘর বলেছেন:
আমরা যুদ্ধ কেন করবো, আমরা কি বেকুব?
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুন, ২০১৪ রাত ৯:৩৯
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
এটিও পড়ুন
Click This Link