| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভালো ছাত্র আমি কোন কালেই ছিলাম না,টপ এ যাওয়ার ইচ্ছাও ছিলনা কোনদিন,আমাদের শিক্ষা দেওয়ার পদ্ধতির এই সার্কাস এ সবসময় সবচেয়ে দুর্বল জোকারটি ছিলাম আমি,কচ্ছপ দৌড় এ পিছনের দিকেই আমার অবস্থান ছিল সবসময়..প্রচলিত ঘরানার ভালো ছেলে হওয়ার ইচ্ছে আমার কোনদিনই ছিলো না। আমি শুধু মানুষ হতে চেয়েছি....বিশেষন বিহীন মানুষ.....মানবিকতা সম্পন্ন মানুষ..ভার্চুয়াল জগৎ দিয়ে আমি কিছুই বদলাতে পারবনা,তবু স্বপ্ন দেখি একদিন কোন সু বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে আমাদের মাঝে,আর সেই বিপ্লবের একজন সৈনিক থাকবো আমিও..:)
২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়া এবং তাঁর পুত্রধন তারেক রহমান
যেভাবে তাঁদের হাতের পুতুল ব্যক্তিত্বহীন রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের
মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে নির্লজ্জভাবে কলুষিত করেন,তারপরেও
এ ব্যবস্থার অধীনে আবার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা সুস্থ মাথায় ভাবা চলে
কি?নামে মাত্র হ্মমতায় ছিল অথর্ব ইয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক
সরকার ।আসলে তা ছিল বিএনপির তাঁবেদার সরকার ।বিএনপির এই তাঁবেদার সরকারকে
হ্মমতা থেকে হটিয়ে দিয়ে মঈন-ফখরুদ্দীন(ড.ইউনুসের আশীর্বাদ ও সমর্থন
নিয়ে)জুটি দেশে সেনা তাঁবেদার তত্ত্ববধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা করেন
।অর্থাত্ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বিএনপির হাতে ধর্ষিত হওয়ার পর
আবার মঈন-ফখরুদ্দিন জোটের হাতে ধর্ষিত হয় ।অর্থাত্ তত্ত্বাবধায়ক সরকার
ইস্যুটি সর্বসময় বিতর্কীত ।তাই বলা যায় সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার
হ্মেত্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুটি গণতন্ত্র প্রিয় মানুষের কাছে
গ্রহনযোগ্য নয় ।কিন্তু এই ধর্ষিত ও কলুষিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি
পুনঃপ্রবর্তনের দাবিতে খালেদা জিয়া গণ-অভ্যুত্থান ঘটানোর হুমকি দিচ্ছেন
!তাঁর হয়তো মনের আশা,তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি পুনঃপ্রবর্তিত হলে
তিনি আবার একজন সাহাবুদ্দিন অথবা ইয়াজুদ্দিন পাবেন এবং আবার ২০০১ ও ২০০৬
সালের খেলা খেলতে পারবেন ।একই সঙ্গে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
প্রক্রিয়াটিও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুর আন্দোলন দ্বারা নস্যাত্ করে
দেওয়া যাবে,আর যা পরবর্তী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার পেছনে
প্রধান বাঁধা হিসেবে যথেশ্ঠ !এতে করে বোঝা যাচ্ছে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন
আয়োজনের হ্মেত্রে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুরোপুরি বিতর্কিত এবং এই
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে বিএনপির আশু ডাকা গণঅভ্যুত্থান ঘটবে
বলে মনে করাও বোকামির কাজ !তবে বিএনপির চক্রান্তের খেলা ভন্ডুল করার জন্য
কোনো ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থায় বর্তমান সরকার যদি আগামী
নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়,তাহলে অন্য কথা !
তাই গ্রহনযোগ্য ও নিরপেহ্ম নির্বাচনের জন্য স্বাধীন ও নিরপেহ্ম নির্বাচন
কমিশনের বিকল্প আপতত নেই ।আর বর্তমান সরকারের অধীনে থাকা নির্বাচন কমিশন
পুরোপুরি স্বাধীন,যার প্রমান আমরা দেখেছি কুমিলা সিটি করপোরেশন ও
পৌরসভাগুলোর নির্বাচনে ।তাই পরবর্তী নির্বাচন আয়োজনের হ্মেত্রে বর্তমান
নির্বাচন কমিশনের ওপর ভরসা রাখাই শুভবুদ্ধির কাজ হবে বলে মনে করি ।তবে এর
জন্য কমিশনকে আরো শক্তিশালী করতে হবে এবং সব ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত
রাখতে হবে আর এই দায়িত্ব সরকারকেই নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে ।এক কথায়
বিতর্কমুক্ত স্বাধীন ও নিরপেহ্ম নির্বাচন কমিশনই-সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের
প্রধান পথ ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৫
আশিকুর রহমান শোভন বলেছেন: অনেক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এই সরকার , তবে ''বিএনপি-জামায়াত''র মত জঙ্গি লালন করেনি এই সরকার . ধর্ম নিয়েও নোংরামি করেনি এই সরকার !!! এমন কোনো অবস্থার সৃষ্টি হয় নি জাতে করে জামানত হারানোর ভয় আছে !!
আমাদের নেতাকর্মীরাই তো ঠীক নাই !যতই তত্ত্বাবধায়ক সরকার দাবি করুক , দেখবেন সুষ্ঠু নির্বাচন করার পরেও হেরে গেলে ''পাতানো নির্বাচন মানিনা '' হাবিজাবি দাবি তুলবে :পি (দুই দলের জন্যই প্রযোজ্য )
২|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: ভাল কথাটি না মানলে যেমন মন্দ
তত্ত্বাবধায়ক শব্দের অর্থ অবিভাবক
এখন অবিভাবক যদি স্বৈরাচার হয় সে দায় বা দুষ শব্দ টির নয়
ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৫৮
আশিকুর রহমান শোভন বলেছেন: আপনার কথাটির সাথে সহমত পোষণ করছি
বিএনপি কিন্তু নিজেদের লোককেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করেছিলো !!!! বিএনপি নিজেদের লোককেই বিশ্বাস করে না , অন্য দলের মতামত তো দুরের বাতিঘর :ডি
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:০০
ধৈঞ্চা বলেছেন: নির্বাচন কমিশন নিজেও মনে করে না যে তারা স্বাধীন, ২/১টা এমপি, মেয়র অন্য দলের হলে তো কোন সমস্যা নাই বাট জাতিয় নির্বাচন বলে কথা। সেখানে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার মানে সামনের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের জামানত নিয়া টানাটানি। এই সরকার কেন বুঝে শুনে এই ফাদেঁ পা দেবে। এটা আপনি যেমন জানেন আমিও জানি।