নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নানা দেশ কত কথা

কিছু দেশ দেখার সুযোগ হয়েছে এই জীবনে।ভ্রমণ আমার ভাল লাগে্‌ তাই সবার মাঝে তা জানাতে চাই।সবার উপরে ভালোবাসি বাংলাদেশ । ধন্যবাদ

শোভন শামস

আমার দেখা নানা দেশের কথা সবার জন্য - পাঠকের ভাল লাগাতেই আনন্দ

শোভন শামস › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাউথ কোরিয়া - কালচারাল ভিলেজ-– ছবি ব্লগ ২

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:২১



সিউল শহর থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা জার্নি করে আমরা কালচারাল ভিলেজে এসে পৌছালাম।
শহুরে জীবনে অভ্যস্ত হয়ে যাওয়াতে কোরিয়ানরা তাদের অতীত ভুলে যেতে বসেছে, বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম। এরা কেবল আধুনিকতা আর প্রাচুর্য দেখে, তাদের অতীতের কষ্ট ও আগের প্রজন্মের মানুষের আত্মত্যাগ সম্বন্ধে জানতে এই আয়োজন। ছোট বাচ্চারা যাতে তাদের অতীত জানতে পারে তাই এই প্রয়াস।
এখানে শনে ছাওয়া ঘর, গরমের সময় কি করে শীতল রাখা হতো, শীতের সময় শীতের তীব্রতা কমাতে ঘর উষ্ণ রাখার উপায় এসব দেখা যায়।
তাদের বিয়ে শাদী কিভাবে হতো সেসব অনুষ্ঠান ও আচার জানা যায়। এখানে অনেক কাপল আসে বিয়ের জন্য এবং সনাতন প্রথা অনুসারে তদের বিয়ে এখানে হয়। সব ব্যবস্থা আছে। বর কনের জন্য কাপড় ও ভাড়াতে পাওয়া যায় বাহিরের দোকানে। এছাড়া অনেকে এখানে তাদের ঐতিহ্য বাহী পোশাক ভাড়া নিয়ে পরে ভেতরে এসে ঘুরে ঘুরে সব দেখে। গাইডের ও ব্যবস্থা আছে, তাঁরা ভলান্টিয়ার সার্ভিস দেয়, আগে পর্যটন অফিসে জানিয়ে রাখলে তাঁরা ব্যবস্থা করে দেয়। পর্যটকরা তাদের কিছু সম্মানী দিয়ে দেয় খুশী হয়ে।


গৃহস্থলীর নানা সামগ্রী

ভেতরে গ্রামের বিচারকের/ পুলিশ স্টেশান। এখানে প্রাচীন রীতি মেনে বিয়ে অনুষ্ঠান হয়।
নানা ধরনের কুঠির শিল্প বিক্রয়ের দোকান, সুভেনির শপ, এখানে সব স্থানীয় ভাবে তৈরি।
সেই আমলের গ্রামের বাড়ী, মাটির দেয়ালের উপর ছনে ছাওয়া, দেয়াল যাতে নষ্ট না হয়।

অবস্থাপন্ন কৃষকের বাড়ী, ভেতরে বেশ বড় উঠান









ঘোড়ার নানা রকম খেলা, তীর ছোড়া ইত্যাদি।












মেঠো পথ, দুপাশে সারি সারি গাছের ছায়া, গ্রামের অনুভূতি এনে দেয়



মেঠো পথ, দুপাশে সারি সারি গাছের ছায়া

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৩৬

মামদুদুর রহমান বলেছেন: অনেক সুন্দর। খুব ইচ্ছে হয়।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৩৮

শোভন শামস বলেছেন: বাংলাদেশ থেকে অনেকে সেদেশে যাচ্ছে।
সাথে থাকবেন , ধন্যবাদ ++

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:০৫

প্রামানিক বলেছেন: খুব ভালো লাগল।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৬

শোভন শামস বলেছেন: সাথে থাকবেন , ধন্যবাদ +++

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:১১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার ছবি ;
কিছুটা হলে ও ধারনা পাওয়া যাচ্ছে কালচারের ।

শুভ কামনা !

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৭

শোভন শামস বলেছেন: দেশটা অনেক সাজানো আর সুন্দর
সাথে থাকবেন , ধন্যবাদ +++

৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৪০

সুমন কর বলেছেন: ছবি-ব্লগ ভালো লাগল।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৩৭

শোভন শামস বলেছেন: সাথে থাকবেন , ধন্যবাদ +++

৫| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:৪৭

নিয়াজ সুমন বলেছেন: কোরিয়াতেও যে মেঠো পথ আছে দেখে অভিভুত হলাম। এত সুন্দর ছিমছাম পুরো এলাক। সত্যি মনোরম।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৭

শোভন শামস বলেছেন: এক সময় অবশ্যই ছিল, এখন সেই পুরানো ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের বাচ্চাদের জানানোর জন্য এই কালচারাল ভিলেজের সৃষ্টি।

সাথে থাকবেন ধন্যবাদ ।

৬| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৪

বিদ্রোহি নাজরুল বলেছেন: ভ্রমনের খুব ইচ্ছা , বাট টাকার লাই পারিনা।। আপনার ফিচার দেখছি আর আফসোস করছি। ভাল তাকোন ।।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

শোভন শামস বলেছেন: অবশ্যই যেতে পারবেন একদিন। ইচ্ছে রাখতে হবে। বাংলাদেশী অনেক ব্যবসায়ী এখন কোরিয়াতে যাতায়াত করে।
সাথে থাকবেন ধন্যবাদ ।

৭| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৩১

জুন বলেছেন: আপনার চোখে পুরনো কোরিয়াকে দেখে ভালোলাগলো শোভন শামস । বছরখানেক আগেও দঃ কোরিয়া যাবার পরিকল্পনা করে ভেস্তে গেলো নানা কারনে । এখন অনেক দেশেই নতুন প্রজন্ম তাদের উত্তরসুরীদের কষ্টের কথা ভুলে গেছে বা ভুলিয়ে দিয়েছে । বেইজিং এ দেখেছি মাও সেতুং এর নামও বর্তমান প্রজন্ম পরিহার করে চলে । তিয়েনানমেন স্কয়ারে মাওএর প্রতিকৃতিতে খুব ভোর থেকে ফুল দেয়ার জন্য দূর দুরান্ত থেকে গরীব মানুষেরাই আসে।
লেখায় প্লাস
+

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

শোভন শামস বলেছেন: আমি আশা করছি আপনি অচিরেই কোরিয়াতে ভ্রমন করবেন। আপনার চোখে সবাই তখন কোরিয়ার সৌন্দর্য নতুন ভাবে উপভোগ করতে পারবে। কোরিয়াতে ও চীনের ছায়া দেখতে পাবেন, এরা কাছাকাছি জাতি গুষ্ঠি। ধন্যবাদ ++++

৮| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ২:৩৪

ফেরদৌসা রুহী বলেছেন: দেখে নিলাম আবারো সাউথ কোরিয়া কালচারাল ভিলেজ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

শোভন শামস বলেছেন: সব কিছুই এখানে সাজানো আর সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সাথে থাকবেন ধন্যবাদ

৯| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪১

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন: কি কোরিয়ান ফোক ভিলেজ (Korean Folk Village)?
আমার কোরিয়ান ফোক ভিলেজে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।
কোরিয়ান ফোক ভিলেজে Gyeonggi প্রদেশের সিউল মেট্রোপলিটন এলাকার Yongin শহরে অবস্থিত।

কোরিয়ান ফোক ভিলেজে আমি


৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:২৮

শোভন শামস বলেছেন: সুন্দর ছবি, আশা করি সেখানে সময় কাটাতে বেশ ভাল লেগেছে।
সাথে থাকবেন ধন্যবাদ

১০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৩

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন: কোরিয়ান ফোক ভিলেজে আমি
কোরিয়ান ফোক ভিলেজে আমি

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩১

শোভন শামস বলেছেন: এখানেই কোরিয়ার কালচারের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ আছে
সাথে থাকবেন ধন্যবাদ

১১| ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

মোহাম্মদ আলী আকন্দ বলেছেন: কোরিয়ান ফোক ভিলেজে বিয়ের অনুষ্ঠান

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৩২

শোভন শামস বলেছেন: বিয়ের অনুষ্ঠান দেখা হয়নি, সেদিন বিয়ে ছিল না।
সাথে থাকবেন, মন্তব্যের আর ছবির জন্য ধন্যবাদ +++++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.