| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জনসংখ্যার প্রায় দশভাগ হিন্দু সম্প্রদায় যা গোটা জাতিতে সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচিত । বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় একটা অভিশাপের নিদম্ব উদাহরনও হতে পারে।
ইতিহাস এর পাতা খতিয়ে দেখলে দেখা যাবে হিন্দুরা অনেক আগেই এই পৃথিবীর বুকে পা রেখেছে এবং গোটা বিশ্বের সভ্যতা পরিবর্তনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে আ্জও। কিন্তু আজ আমি এসব কথা বলবনা।
দুঃখ একটাই যখন কোনো এই সংখ্যালঘুর উপর জঘন্য বর্বরতার নির্যাতন চালায় চিৎকার করে কিছু বলতে পারি না । যদিও বা করি তখন আমাদেরকে থামিয়ে দিয়ে প্রশাসন, সরকারী ও বিরোধী দলের নেতা বলে বিষয়টা আমাদের মাথায় আছে সময়মত এর ব্যবস্থা আমরা নেব । তখন আমরা অসহায় এর মত বলতে থাকি আপনাদের উপর আমাদের অনেক বিশ্বাস আছে। এই পর্যন্তই শেষ ।
একটি উদাহরন সরুপ যদি দেখি- কুমিল্লার দেবিদ্বার, হোমনা ও মুরাদনগর উপজেলাসহ সারাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন, বাড়ী-ঘর হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে আজ পর্যন্তও কি তার কোন সুরাহা হয়েছে ? এখন দেশের নামি-দামী সাংবাদিক, মিডিয়াগুলো নিরব হয়ে গেছে। দু-চারদিন তারা খুব প্রেসার এ ছিল, যে এই খবরটা আমার চ্যানেল নিউজ এ আগে না দেখাতে পারলে র্যাংকিং টা কমে যাবে । এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর আর কারো সময় নেই । যাক এসব কথা বলে সরকার ও বিরোধীদলের কাছে মাথা ঠুকালেও আর কোন কাজ হবেনা এটাই আশা করছি।
এবার আসি মূল কথায়, ঠিক আছে মানলাম আপনারা এত সব অত্যাচার এর বিচার কোনদিনও করবেন, অসহায় সংখ্যালঘুদের অভাব কোনদিনও মেটাবেন না । সংখ্যালঘুদের ছোট, অবহেলিত জাতি হিসেবেই দেখবেন, তারপর আপনারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর কবিতার সুরে বলবেন
অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরন
কান্ডারী! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তি পন।
হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার,
যদি এই কথায় হয় তাহলে আমাদের অধীকারটা কোথায় ? আমি অন্য ধর্মাম্বলী জাতিগুষ্ঠীকে ছোট করে কথগুলো বলছিনা। এদেশের নব্বইভাগ মানুষ মুসলিম। তাদের ঈদের খুশীতে সরকারী ভাবে তিনদিন ছুটির ঘোষনা করা হয় কিন্তু ঈদ তো হয় একদিন। আর আমদের বছরে একটা সর্ববৃহৎ পুজোউৎসব সেটা অনুষ্ঠিত হয় পাঁচদিন ধরে আর সরকারী ভাবে ছুটির ঘোষনা করা হয় একদিন।
আমাদের পুজোউৎসবে পাঁচদিন ধরে ছুটির ঘোষনাটা হয়ত সরকারি কোনো নিয়মের খাতায় নেই কিন্তু তি্নদিন তো হতে পারে ? আমরা সংখ্যালঘু বলেই কি আমাদের বেলায় এই আনিয়ম ? ছুটির এমন অসম বন্টন না করে সেটাকে সমতায় আনা যায় কিনা এটা জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল।
২|
২০ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৪
জাহাঙ্গীর জান বলেছেন: সংখ্যালঘু শব্দটি না ব্যবহার করাই ভালো, আপনারা ও এই দেশের নাগরিক আপনাদের অধিকার আদায়ের সব চেষ্টাই করা উচিত । ধর্ম বর্ণ যার যার জায়গায় দেশটা সবার । সেই মানসিকতায় আগে বাড়লে হয় ।
৩|
২০ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৪
পলাশ দেবনাথ ২ বলেছেন: ছুটির অসম বন্টন না করে সমতায় আসা উচিত ।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:১৫
মুদ্দাকির বলেছেন:
পোষ্টে সহমত !!
সাথে আমারো দাবি, ঈদুল ফিতরের ছুটি মুসলমানদের ২৭ রমজান থেকে হওয়া উচিৎ। আর দূর্গা পূজায় মুসলিমদের ছুটি দরকার নাই। ঈদে হিন্দুদের ছুটি না দেয়াই উচিৎ। বরং তাদের পূজার ছুটি দির্ঘ করুন।