নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

পাখির ডানা

পাখির ডানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিষয়-দেশী ভাষায় বিদাশী খাবার!!(মশলা দোসা)!! B-)B-)B-)

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ৩:৩৩

আজ মিরপুর দশে দোসা হাউজ নামে একটি রেস্তোরা দেখে কিছুটা অবাকই হলাম।আলাদাভাবে শুধু দোসা খাওয়ার ব্যবস্থা আছে তা দেখেই অবাক লেগেছিল।এক বন্ধুর মাধ্যমে আমার প্রথম এই দোসার সাথে পরিচিতি।

দোসা দক্ষিণ ভারতের খুবই জনপ্রিয় খাদ্য।এসব খাদ্য ভারতের পাশাপাশি পুরো বিশ্বেই অনেক জনপ্রিয়।এমনকি সি,এন,এন কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের জনপ্রিয় খাদ্য তালিকায় মসলা দোসা ৪৯ তম।বিভিন্ন রকম দোসা রয়েছে,এর মধ্যে আমি আজ শুধু দোসা আর মসলা দোসা বানানোর প্রক্রিয়ার সাথে আপনাদের পরিচিত করব।













মশলা দোসা একধরনের পেনরুটি বা দোসা যার মধ্যে পুর হিসেবে আলু,পেঁয়াজ ভাজা,আর মসলার মিশ্রণ থাকে।আর এটি মূলত সাম্বার,চাটনি,নারকেল চাটনি,আচার,দই,চিনি এসব দিয়ে পরিবেশন করা হয়।



দোসা বানাতে যা যা লাগবেঃ

দুই কাপ আধাসিদ্ধ পোলাও চাল

অর্ধেক কাপ কলাই ডাল

লবণ

খাবার সোডা

চিনি

তেল



মসলা দোসার পুর বানানোর উপাদানঃ

২টা বড় আলু সিদ্ধ করে চারকোনা করে কেটে রাখুন।

১টা কাটা পেঁয়াজ

১ টেবিলচামচ মটর

১/২ টেবিলচামচ সরিষা

১/২ টেবিলচামচ হলুদ

১টা ভাজা শুকনো লাল মরিচ

১টা বা ২টা কাঁচামরিচ কাটা

১ টেবিলচামচ তেল

লবণ





দোসা বানানোর প্রক্রিয়াঃ

১।চাল এবং ডাল পরিমান মত নিয়ে আলাদা আলাদা বাটিতে অন্তত ৮ ঘন্টা বা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন।

২।পরের দিন ডাল ও চাল ভাল মত ধুয়ে পিষিয়ে পাতলা পেস্ট তৈরি করুন এবং রুম তাপমাত্রায় রাখুন

৩।একটি নন-স্টিক পাত্রে তেল ঢেলে হাল্কা তাপে গরম করুন।একটি পরিষ্কার কাপড়ে কিছু তেল মাখিয়ে পাত্রের চারপাশে লাগিয়ে নিন।তেল গরম হয়ে গেলে চামচে করে এক চামচ দোসা তৈরির পেস্ট ঢালুন এবং তা পাত্রের চারদিকে চামচ দিয়ে গোল করে ছড়িয়ে দিন।

৪।কিছুক্ষণ পর দোসার নিচের দিকের অংশ হালকা বাদামী রঙের হয়ে যাবে এবং কিনারাগুলো উঠে যাবে।বুঝবেন যে আপনার বানানো দোসা হয়ে গেছে।



পুর তৈরিঃ

১।একটি কড়াই নিয়ে গরম করে তাতে তেল ঢালুন।তেল গরম হলে সরিষা,শুকনো লাল মরিচ,কাঁচামরিচ কাটা,পেঁয়াজ ঢেলে দিন।চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন।

২।সেদ্ধ আলু যোগ করুন।সাথে লবণ আর সলুদের গুঁড়া দিন আর সাথে নাড়তে থাকুন।কিছু পরিমান পানি যোগ করুন এবং সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত নাড়ুন।



মসলা দোসাঃ

আলুর পুর দোসার মাঝে রেখে দোসাটিকে রোল করে একপাশ থেকে ভাঁজ করুন।

তাহলেই তৈরি হয়ে গেল দক্ষিণ ভারতের মজাদার মসলা দোসা!!গরম গরম মশলা দোসা সাম্বার,চাটনি,নারকেল চাটনি,আচার,দই বা চিনি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।









এরকম আরও বিভিন্ন দেশের মজাদার সব রেসিপি পেতে এই রেসিপি সাইটে ক্লিক করুন,আশা করি আপনাদের হতাশ হতে হবে না।

দোসা কেন খালি বাইরেই খেতে যেতে হবে?ঘরে বানিয়েই দেখুন না একবার!আশা করি আপনি এবং আপনার অতিথি সবাই এই রেসিপিটি পছন্দ করবেন।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ ভোর ৫:৪১

মহাজাগতিক পিঁপড়া বলেছেন: মিরপুরের ওই রেস্তোরাতে দোসার দাম কত করে? আমি দিল্লিতে ৪০রুপিতে খেয়েছিলাম।দামটা মধ্যবিত্ত হলে খেতে যাব ভাবছি।

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:১১

পাখির ডানা বলেছেন: আমি ঠিক দামটা জানি না।একবার ঢুঁ মেরেই দেখুন না!

২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:০৭

ভিটামিন সি বলেছেন: তামিলরা সকালে দোষা দিয়ে সকালের নাস্তা করে। আমাকেও মাঝে মাঝে অফার করে। মন চাইলে খাই, নাইলে না।

৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:২১

অদ্বিতীয়া আমি বলেছেন: মিরপুরের দোসা হাউজ টা ভালই

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.