| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদ ফারুক শুভ্র
আহমেদ ফারুক শুভ্র, ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার
বিপিএল এর উদবোধনী অনুষ্ঠানে ভারতির স্টারদের দের এনে আমাদের দেশের সংস্কৃতিমনা ইন্ডিয়ান চামচারা কি ফলাফল পেলেন। জ্যাকুলীন প্রতি মিনিট পারফরমেন্সের জন্য ছয়লহ্ম করে টাকা নিয়ে চলে গেছে। ঋতিক সাহেব আরো অনেক বেশি। বড়ো কথা হলো, আমরা অনেককেই বলতে দেখেছি, তিভি টকশোয়ে ইন্ডিয়েন টিভি চ্যানেল নিয়ে কথা বলতে। বিশেষ করে বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজীন অনুষ্ঠান "ইত্যাদী" এর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশি উপস্থাপক হানিফ সংকেত সাহেব, ভারতীয় মিডিয়ার আগ্রাসী ছোবল থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য অনেক কথাই বলেছেন।
আজ কোথায় গেলো হানিফ সঙ্গকেত সাহেব!!!?
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন হয়েছিলো, বাংলা ভাষার জন্য ভাষা শহীদেরা প্রাণ ত্যাগ করেছিলো। ফেব্রুয়ারী আসলেই বুঝি বাংলা ভাষার জন্য কেউ প্রান দিয়েছিলো। বাকী সারা বছর, সালাম , রফিক, বরকত ইজ হোয়াট।??????
বিপিএলের মতো বড়ো আসরের উদবোধনে, বাজলো সেখানে হিন্দি গান। আহা, কি চমৎকার দেখা গেলো। বাংলা ভাষা ইজ বাল। আবালেরা বাংলা ইউজ করে।
আমিও ব্যক্তিগত ভাবে চাইনা বাংলাদেশে কোনো ভারতীয় চ্যানেল চলুক। তাতে লাভ কি? দেশের মহাবোদ্ধারা তো ঠিকই ভারতীয় স্টারদের লিঙেগের উপর বসে হাততালি দিচ্ছে...! তবে কি বাংলাদেশে কোনো স্টার নেই!? নেই কোনো ভালো মানের সঙ্গীত তারকা!? যে আমাদেরকে ভারত মুখী হতে হবে। দোষটা আসলে কার। ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধার নামে ফেব্রুয়্রারীতে কিসের বালের শ্রদ্ধাঞ্জলি। লোক দেখানো নাকি!?
আসলে আমাদের চর্চাগুলোই হচ্ছে পরনির্ভরশীল। সেটা যাই হোকনা কেন!?
মা কে মা বলতে লজ্জা পায় এই দেশের কতিপয় ডিজিটাল পোলা। বাবাকে বাবা বলতে লজ্জা পায় ভার্চূয়াল জগতে থাকা লেডিস এন্ড জেন্টলম্যানেরা। মাম্মী, ড্যাডী দিয়ে দিন শুরু হয় এদের। আর এখন তো, আমাওরা নিজেরাই বাংলাদেশ বদলে ভারত হয়ে যাচ্ছি, শুধু আংশীক নয়, পচাত্তর শতাংশ হয়ে গেছি। ভারতিয় কোনো সিনেমা মুক্তি পেলে ইউটিউবে ভীর করে সার্ভার ডাউন করে ফেলছি। কেন!?
আমাদের দেশে কি ভালো মানের অনুষ্ঠান নির্মাতা নাই, সিনেমা পরিচালক নাই। আছে।
আমাদের ক্রিকেট কে নিয়ে ভারতীয়দের রাজনিতিদের কোন শেষ নেই। তিস্তার পানির বদলে মুস্তাফীজকে চাওয়ার মতো লজ্জাহীন আবদার ছিল কার!?
সামনের এশিয়া কাপে বাংলাদেশ যাতে ভালো কিছু অথবা চমক দেখাতে না পারে সেই জন্য উঠে পরে লেগেছে আইসিসি( ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সীল।) । কারণ হিসেবে পর্যবেহণ করলে বোঝাই যায়, বাংলাদেশ এখন ইন্ডিয়ার চাইতে ভালো করছে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোয়। যার বাঁশ গেছে সেই জানে বাঁশের জ্বালা ঠিক কেমন। বাংলাদেশের সাথে ন্যাক্কারজনক সিরিজ পরাজয়ের পর ইন্ডিয়া নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে বাংলাদেশ এখন আর বাচ্চা নেই। পরিপোক্ত শক্তপোক্ত যুবক হয়ে গেছে।
তাই এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলা হবে।
বিপিএলকে নিয়ে অনেক আপত্তিকর এবং অসম্মানজনক বিজ্ঞাপণ এবং দায়ালগ প্রচলীত আছে ইন্ডিয়ায়। বিপিএল নাকি ফকিন্নির লিগ, .।আহা। তাই তারা কোনো খেলয়াড়কে বিপিএলে দিবেনা।
আর আমরা নির্লজ্জ বাঙ্গালির বাচ্চারা, ইন্ডিয়া থেকে চিয়ার ল্যাদি এন্ড চিয়ার জেন্টস ভাড়া করে এনে বিপিএল এর উদবধন পালন করি। আজব।
লজ্জাটা আমাদের কোথায় গেছে ভাবলেই কষ্ট হয়!!!!!?
আমরা হীন্দি চ্যানেল দেখবোনা, হিন্দি সিরিয়াল দেখবোনা, গলা উচিয়ে প্রচার করে বেড়াই।
কিন্তু লাউডস্পিকারে হিন্দি গান শোনা যাবে, হিন্দি কন্সার্ট হবে, এই তো আমাদের লজ্জা।
গু খাবিতো খা, একবারেই খা। গু দেখে মুখ ভেঙচিয়ে লাভ আছে নাকি।
©somewhere in net ltd.