নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশে জীবন্ত কোন মানুষের পহ্মে দূর্ণীতি দমন অসম্ভব।

আহমেদ ফারুক শুভ্র

আহমেদ ফারুক শুভ্র, ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার

আহমেদ ফারুক শুভ্র › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি দেশ ও কিছু ধীক্কার =প্রথম পর্ব

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৯

দেশ কোথায় যাচ্ছে। কতোটা ডিজিটাল হচ্ছে । চোখের সামনে দেশের পরিবর্তণ দেখলেই বোঝা যায়।


আর দশজনের মতো আমিও সাধারন দেশের সাধারণ মানুষ। মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করে স্বপ্ন দেখি পড়াশুনা শেষ করে ছোট্ট একটা চাকুরী করে সাধারণ একটা জীবন যাপণ করতে।স্বপ্ন দেখি নিজের বেকারত্বের গ্লানী মুছে ফেলে, বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমারো অবদান রাখতে।

সত্যি কি দেশ আমাকে সেই সুযোগ করে দিচ্ছে!????


এক কথায় উত্তর না!!!!!?


সেদিন একটা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তীতে হাস্যকর একটা বিষয় দেখলাম। সরকারী নিয়োগের শর্তে প্রধান শর্ত দেয়া আছে" শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা এবং তার সন্তানের সন্তানেরা আবেদন করতে পারবে।"

তাহলে দেশের বাকী মানুষেরা কোথায় যাচ্ছে!!!!!!

আমার বাবা অথবা আমার উচিত ছিলো ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে মুক্তিযুদ্ধের বিশ বছর আগে জন্ম নেয়া। তাহলে আমারো আজ মুক্তিযোদ্ধার তকমা গায়ে লাগানো থাকতো। আমি মুক্তিযোদ্ধাদের বিপহ্মে নই। বরং তাদের আমি সম্মান করি নতো চিত্তে। রাষ্ট্রীয় ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্বের একটি। আমরা তাদের সম্মান জানাই।

কিন্তু, তাদের বঙ্গশধরেরা কালের পরিক্রমায় সেই সকল সুবীধা পাবে কোন যুক্তিতে!!!!? তবে কি এই দেশে শুধু মাত্র তারাই নাগরীক যারা মুক্তিযোদ্ধার ছেলেমেয়ে, মুক্তীযোদ্ধার নাতীনাতনী, পোতা পুতনী, থোতা থুতনী.।.।।

বাকীরা তাহলে কেন সুবীধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে,। কেন বাকীদের প্রতি এতোটাই বৈষম্যতা করা হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জোর গলায় এসি রুমে ঠান্ডা বাতাস খেতে খেতে বলেন, দেশে কোন দূর্ণীতি নাই"""""???


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , এসি রুম থেকে বাইরের গরম বাতাসে একদিন বের হয়ে দেখেন" আমাদের দেশের প্রতি কণা বালুতেও দূর্নীতি ভরপুর।"

প্রতি ইঞ্চি মাটিতে মিশে থাকা শহীদদের রক্ত আজ অপবিত্র হয়ে গেছে।




আমাদের স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পরেও শিহ্মাকে টাকা দিয়ে কিনে নিতে হয়। শিহ্মাব্যাবসার বলী হতে হয়।

সরকারী হসপীটালে রোগী থাকে কিন্তু ওষুধ , বেড , নার্স, ডাক্তার এসব হচ্ছে আমাবস্যার চাঁদ। দেখা পাওয়া অনেক ভাড়,।

ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, ছাত্র শিবিরেরে নামে একদল সন্ত্রাসী পোষে আমাদেরই নেতারা।

ঘুষ এবং ঘুষ ছাড়া একটা বেসরকারী চাকুরীও হয়না।

প্রাইমারী স্কুল থেকেই একজন ছেলেকে ঘুষনামা মুখস্থ করার ব্যাবস্থা করেন এখন থেকেই। তাহলে ভবিষ্যতে ঘুষ নিয়ে ঘুষাঘূষী করতে হবেনা।

যদি কোথাও প্রমান না মেলে যে দেশে দূর্ণীতি হচ্ছেনা। তাহলে আমার রঙ নাম্বারে ফোন দিয়ে আমার সাথে দেখা কইরেন।

আমি দূর্নীতি বিষয়ক খোয়াবনামা আপনার হাতে ধরিয়ে প্রমান্স্বরুপ দু একজন মহৎ মানুষকে বলি দিয়ে দিবো।

অবৈধ দখল বাজী, টেন্ডারবাজী, সিন্ডিকেটিং, চোরাচালান , সব কিছুই হচ্ছে আপনার প্রশাসনের চোখের সামনেই।

অথচ আপনার প্রশাসন হীজড়াদের মতো আচরণ করেই যাচ্ছে দিনের পর দিন,।



কোথায় শাহাবাগীরা>>>>>>>>???



নাটক অনেক করেছেন। রাজাকারদের ফাঁসি দিয়েছে,। কিন্তু যারা দেশের সবচেয়ে বড়ো শত্রু তাদের উপর একবার আঙ্গুল তুলছেন না কেন????


ও তারাই তো আপনাদের চালাচ্ছে। আঙ্গুল তুলবেন কি?

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.