| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমেদ ফারুক শুভ্র
আহমেদ ফারুক শুভ্র, ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার
বেকার সমস্যা সমাধান নিয়ে একটা সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে কাঠখড় পুড়িয়ে একটা বক্তব্য রেডী করেছিলাম। সেমিনারের মূল প্রতিপাদ্য ছিলো, বাংলাদেশের বেকার সমস্যা এবং তার সমাধানে করণীয়'"
আমি সেদিন বলেছিলাম বাংলাদেশে এখন পদ্মাসেতুর দরকার নেই। পদ্মা সেতুর চার হাজার কোটি টাকা দিয়ে সরকারী ভাবে চল্লীশটা জেলায় চল্লিশটা ইন্ডাস্ট্রী গড়ে তোলা হোক। তাহলে চল্লীশ জেলার প্রায় চার লহ্ম ছেলে মেয়ের কর্মসংস্থান হবে। যা আমাদের অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান এবং সুসংগঠীত করবে। এবং দু বছর পর আমরা এই লভ্যাঙ্গশের সামান্য টাকা দিয়ে হলেও পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পারব!!!!!!/
আমার কথা শুনে নেতাদের মাথায় হাত। বলেকি!?
আসলেই কি আমার কথার অর্থ সেইসব বিবেকবান সমাজের সুবিবেচকেরা বুঝেছে নাকি বোঝেন নাই আমি জানিনা। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লহ্ম নিয়ে কাজ করছে। দেশের দুই তৃতীয়াংশ বেকার জনসংখ্যা রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া আর অরণ্যে রোদন করা কি একই কথা নয়!?
আগে দেশের বেকার সমস্যা নির্মূল করার প্রয়াশ গ্রহণ করুন, তারপর দেশ এমনিতেই ডিজিটাল হয়ে যাবে। এসএসসি পাশ করে একটা মেয়ে প্রাইমারি স্কুলের টিচার হচ্ছে, আর মাস্টার্স পাশ করে একটি ছেলে চায়ের দোকানদারী করে। কেন, মেয়েটার চাইতে কি ছেলেটার যোজ্ঞতা কম!? সম অধিকারের কথা বলে আমাদের সমাজে সমস্ত ছেলেদের কে হিজড়া বানিয়ে দিয়েছে আমাদেরই সরকার।
নিয়োগের হ্মেত্রে ঘুষের কথা বাদ দিলাম। কারণ এইটা সবাই জানে, টাকা ছাড়া সরকারী চাকুরী এই দেশে সম্ভবপর নয়। কোঠা পদ্ধতি আবার কোন শর্তে। মেধাবীদেরকে চাকুরী দেয়ার নাম করে কোঠা পধতিতে জনবল নিয়োগ হচ্ছে, তাতে কি নির্দিষ্ট জায়গায় মেধাবিরা যেতে পারছে।
এটার কোঠা, সেটার কোঠা, দিয়ে প্রায় আশি পারসেন্ট পদ ফিলাপ করে ফেলছেন। বাকী বিশ পারসেন্ট শূন্য পদের জন্য আমার মতো সাধারণ পরিবারের ছেলেরা জীবনের অর্ধেক সময়টা পড়াশুনা করেই পার করে দিচ্ছি।
তাই আমার বলতে বিন্দুমাত্র দ্বীধা নেই, আমি এবং আমার মতো যারা আছেন, তার সবাই হিজড়া। ঘরে বসে বইয়ের পাতায় মুখ গুজে বসে থাকা ছাড়া আমাদের আর কিচ্ছু হবেনা।
মাস্টার্স পাশ দেয়া ভাইটির জন্য আফসোস, বইয়ের এবিসিডি না শিখে ছত থেকে রিকশা চালানো শিখলেই এতোদিনে বেকার শব্দটা নিজের ঘারের উপর থেকে সরে যেতো।
আমি বেকার!!!!/ বলতে আফসোস নেই। আমাকে বেকার বানিয়েছে কারা!!!?
আমি দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ নই, কারণ আমি মিথ্যেবাদী কবিদের দলে কিংবা রাজনেতাদের দলে নই। আমি গর্ব করেই বলছি আমি দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ নই। দেশ আমাকে টাকার বিনিময়ে শিহ্মা নিতে শিখিয়েছে। দেশ আমার মৌলিক চাহিদার একটাও পূরন করতে পারেনি। তবে কিসের জন্য কৃতজ্ঞ থাকবো আমি.।।
প্রশ্ন থাকলো সবার কাছে।
২|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩২
আহমেদ ফারুক শুভ্র বলেছেন: হুম, তা আমি জানি। তাহলে দেশ ডিজিটাল করে লাভ কি?
৩|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৫৮
আরণ্যক রাখাল বলেছেন: ভালো বলেছেন
৪|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৫৯
সুমন কর বলেছেন: প্রশ্নগুলো সহজ আর উত্তরও তো জানা !!
সমাধান চেয়ে লাভ নেই !!!
৫|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:১৬
আব্দুল্লাহ তুহিন বলেছেন: বাংলাদেশে এখন পদ্মাসেতুর দরকার নেই। পদ্মা সেতুর চার হাজার কোটি টাকা দিয়ে সরকারী ভাবে চল্লীশটা জেলায় চল্লিশটা ইন্ডাস্ট্রী গড়ে তোলা হোক। তাহলে চল্লীশ জেলার প্রায় চার লহ্ম ছেলে মেয়ের কর্মসংস্থান হবে। যা আমাদের অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান এবং সুসংগঠীত করবে। এবং দু বছর পর আমরা এই লভ্যাঙ্গশের সামান্য টাকা দিয়ে হলেও পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পারব!!!!!!
আপনার মাথায় যে এটা ধরেছে, এটা যদি আমাদের দেশের একজন মন্ত্রির মাথায় ও ধরত, তাহলে সত্যিই দেশের উন্নতি হইত,
কিন্তু ওরা তোহ এক একটা,,,,
থাক,,
৬|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৩৪
আহমেদ ফারুক শুভ্র বলেছেন: হুম।
৭|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৫০
উল্টা দূরবীন বলেছেন: আবদুল্লাহ তুহিন বলেছেন, বাংলাদেশে এখন পদ্মাসেতুর দরকার নেই। পদ্মা সেতুর চার হাজার কোটি টাকা দিয়ে সরকারী ভাবে চল্লীশটা জেলায় চল্লিশটা ইন্ডাস্ট্রী গড়ে তোলা হোক। তাহলে চল্লীশ জেলার প্রায় চার লহ্ম ছেলে মেয়ের কর্মসংস্থান হবে। যা আমাদের অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান এবং সুসংগঠীত করবে। এবং দু বছর পর আমরা এই লভ্যাঙ্গশের সামান্য টাকা দিয়ে হলেও পদ্মা সেতুর কাজ সম্পন্ন করতে পারব!!!!!!
বৈকি। চার লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের আগে যে পরিমাণ ঘুষের টাকা জমবে তা দিয়ে কয়েকটি ব্যক্তিগত পদ্মাসেতু বানিয়ে ফেলা যাবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৯:৩০
বিজন রয় বলেছেন: শুধু আপনি না। ৯৮% লোক দেশের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।