| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এস আই সাহেব
আগন্তুক
Minar Rashid
ষাড়ের বলদ করন এবং এইডস আক্রান্ত একটি দেশ
দুটি গোলাকৃতির অঙ্গ কেটে ফেলে ষাড়কে বলদ বানানো হয়। ফলে ষাড়ের শরীরে যে তেজ থাকে বলদের গতরে তা থাকে না। ষাড়ের জন্যে ব্যাপারটি অমানবিক ও বেদনাদায়ক হলেও মনিবের জন্যে খুবই উপকারী। এই প্রক্রিয়ায় ষাড়টি বলদ হয়ে মনিবের একান্ত বাধ্য হয়ে পড়ে। তাই এর নাম হয়েছে বলদ। অনেকেই বলদ বলে গালি খেলেও জানে না যে কেন বলদকে বলদ বলা হয়। সমাজে আজ এই ধরনের বলদের সংখ্যাও অজস্র।
একটি ষাড় বা মানুষকে যেমন বলদ বানানো যায় একটি দেশকেও তেমনভাবে বলদ বানানো যায়। ইউরোপে অনেকগুলি ষাড়(দেশ) পাশাপাশি রয়েছে। কিন্তু আজব কারনে ইন্ডিয়া তার চারপাশে কোন প্রতিবেশীকে ষাড় হিসাবে দেখতে চায় না। সবাইকে বলদ করে রাখতে চায়। ১৯৭১ সালের যুদ্ধকে আমরা স্বাধীনতার যুদ্ধ হিসাবে গণ্য করি। কিন্তু ইন্ডিয়ার কাছে এটা ছিল একটি ষাড়কে এক জায়গা থেকে ছুটিয়ে বলদ বানানোর মহা সুযোগ বা Opportunity of the Century.
এই বলদ করনের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে প্রবাসী সরকারকে যে ৭দফা চুক্তি গেলানো হয়েছিল , তা ছিল নিম্নরূপ-
১. যারা সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে শুধু তারাই প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োজিত থাকতে পারবে। বাকীদের চাকুরীচ্যুত করা হবে এবং সেই শুন্যপদ পূরণ করবে ভারতীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
২. বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভারতীয় সৈন্য বাংলাদেশে অবস্থান করবে (কতদিন অবস্থান করবে, তার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি)। ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাস থেকে আরম্ভ করে প্রতি বছর এ সম্পর্কে পুনরীক্ষণের জন্য দু'দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
৩. বাংলাদেশের কোন নিজস্ব সেনাবাহিনী থাকবে না।
৪. অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মুক্তিবাহিনীকে কেন্দ্র করে একটি প্যারামিলিশিয়া বাহিনী গঠন করা হবে।
৫. সম্ভাব্য ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অধিনায়কত্ব দেবেন ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান, মুক্তিবাহিনীর স
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই মে, ২০১৪ সকাল ১১:৫২
একজন ঘূণপোকা বলেছেন:
চুক্তির দফাগুলো দেখে মনে হচ্ছে, জলন্ত কড়াই থেকে উনুনে গিয়ে পড়লাম।