নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

facebook.com/sishaheb ভাল লাগা থেকে লিখি এতে কারও ভাল লাগুক আর না তাতে আমার কি!

এক আগন্তুক

এস আই সাহেব

আগন্তুক

এস আই সাহেব › বিস্তারিত পোস্টঃ

যে নির্লজ্জ সরকারের নিজেরই ইজ্জত নেই , তার বাহিনির ইজ্জতের রশি আর কি কাজেইবা লাগবে।

১০ ই মে, ২০১৪ দুপুর ২:৫৯

সত্যিকারের বিরোধীদল ছাড়া সরকারও যে অনেকটা একঘরা, দিশা হারা, অচল, হালকা ধরনের হয়, তা এই সরকারকে দেখলেই বুঝা যায়। নিরঙ্কুশ ক্ষমতা আছে, তারপরও অনেক কিছুই যেন নেই। কেন এমন হলো। সয়ং প্রধানমন্ত্রীকে আর আগের বারের মত এতটা মানানসই দেখায় না। অথচ গতবার ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি যোগ দেয়ায় তারা হেরে গেলেও বিজয় হয়েছিল গণতন্ত্রের। বিএনপি তখন নির্বাচনে না গেলে আওয়ামিলীগের পক্ষে সরকার গঠন সম্ভব হতোনা। কারন তখন সেনাবাহিনীই পুরো ক্ষমতা নিয়ে নিত। তাই আওয়ামিলীগের বিএনপির কাছে কৃতজ্ঞ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে তারা ক্ষমতায় যাবার পর থেকেই বিএনপির প্রতি অতি অন্যায় আচরন শুরু করে, যার শেষ এখনও হয় নাই। তবে ইতিহাস সাক্ষি, এভাবে কোন দিনই বিএনপির মত জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দলকে নিঃশেষ করা যাবেনা। তারা নিজেরাই আস্তে আস্তে নিঃশেষ হয়ে যাবে। যার শুরু নারায়গঞ্জের ঘটনার মাধ্যমে।সরকার যখন কোনো বাহিনীকে বেআইনী প্র্যাকটিসের হুকুম দেয়, তখন থেকেই বাহিনীগুলির মনজগতে বেআইনী প্রাইভেট প্র্যাকটিসের অধিকারবোধ, ইচ্ছে ও প্রবণতা তৈরী হতে বাধ্য । মনে করে দেখুন গত দুইটি বছর সরকার বিরোধী আন্দোলন ও যুদ্ধাপরাধিদের বিচার সংশ্লিষ্ট জামাত-শিবির নিধনে সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলিকে কীভাবে ব্যবহার করেছে এবং কত সংখ্যক মানুষ লঘু পাপে কিংবা বিনা পাপে বিনা বিচারে নৃশংস মৃত্যুদণ্ড পেয়েছে । কথায় কথায় দেখামাত্র গুলী চলেছে । বাড়ী-ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে । এই লেঃকঃ তারেক’কে ফেনীতে পাঠানা হয়েছিলো, সেখানে তিনি কী করেন নাই? উনি নির্বিচারে মানুষ মেরেছেন । এভাবেই বর্তমান সরকারের প্রতিষ্ঠা ও টিকি থাকা । কাজেই এই সরকারের পক্ষে কেনো মতেই সম্ভব নয় এইসব বাহিনীকে নিয়ণ্ত্রন করা, কারণ সেই নৈতিক ভিত্তি এই জনভিত্তিহীন সরকারের নেই এবং থাকতে পারে না । তার চাক্ষুষ প্রমাণ : ঘটনার বেশ কিছুদিন পূর্বে স্বরাষ্ট্র প্রতিমণ্ত্রী জানা সত্যেও উনি ব্যবস্থা নিতে পারেন নি এবং ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যে খোদ প্রঃমণ্ত্রী জানার পরেও তিনিও কিছুই করতে পারেন নি । কী জানি হয়তো উনি করতে চানও নি ।যারা এতোদিন গনতন্ত্র (democracy) বলে বলে কান ঝালাপালা করেছে সেই সব লোক এখন Autocracy-বা বাকশাল কায়েমের জন্য ব্যকুল। যারা এতোদিন বিএনপি-এর সহিংসতা বলে বলে কান ঝালাপালা করেছে সেই সব লোক এখন কোথায় ? পুলিশ, র‌্যাব আর আওয়ামিলিগ একতরে যে সহিংসতা করছে তা চোখে পরছে না ? বরং কিছু মিডিয়া ও কিছু আওয়ামি বুদধিজিবি খুন, গুম, অপহরন, ভোটডাকাতি, আওয়ামি সহিংসতা তথা বাকশালী রাজতত কায়েমের অভিলাসকে সমরথন দিয়ে যাচছে। কোথায় আজ ব্য. আমিরুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন ইউসুফ, রেহমান সোবহান, ড আবুল বারাকাত, ড খলিকুজ্জামান, ভিসি আরেফিন সিদ্দিক, সাংবাদিক বুলবুল, সোহরাব হোসেন ও তাদের তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধের চেতনার বুদধিজিবি ।শুশীল সমাজের আনদোলনেও তারা নেই কেনো ? এতো বড় ঘটনার পর আপনাদের কোন ভুমিকা নেই কেনো ?আওয়ামী লীগ নীরব কারণ ওরা 'ধরা' খাইয়া গেছে।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৯

এস আই সাহেব বলেছেন: আওয়ামী লীগ নীরব কারণ ওরা 'ধরা' খাইয়া গেছে।

২| ১০ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৫

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: কোথায় আজ ব্য. আমিরুল ইসলাম, নাসির উদ্দিন ইউসুফ, রেহমান সোবহান, ড আবুল বারাকাত, ড খলিকুজ্জামান, ভিসি আরেফিন সিদ্দিক, সাংবাদিক বুলবুল, সোহরাব হোসেন ও তাদের তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধের চেতনার বুদধিজিবি ।

১২ ই মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯

এস আই সাহেব বলেছেন: এদের মত বুদ্ধীজীবীদের কারণে বাংলাদেশের করুণ অবস্থা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.