নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

facebook.com/sishaheb ভাল লাগা থেকে লিখি এতে কারও ভাল লাগুক আর না তাতে আমার কি!

এক আগন্তুক

এস আই সাহেব

আগন্তুক

এস আই সাহেব › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভোটারবিহীন নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার সরকারকে কেবল নদীতে ভাসা নিস্প্রান বিভত্স লাশের মতই মনে হয় ।

১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৮:৫২

ভারতের কালকের নির্বাচনে সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস পেয়েছে- ৪৮ টি আসন

জয়ললিতার দল পেয়েছে - ৩৭ টি আসন

আর পশ্চিমবঙ্গের মততা পেয়েছে - ৩৪ টি আসন.



সোনিয়া গান্ধী বা রাহুল গান্ধী ১০ বছর টানা ক্ষমতায় ছিল। তাদের আত্মবিশ্বাস দাম্ভিকতায় রুপ নিয়েছে।

রাহুলের বাবা, দাদা, খুড়ো, মাসি, পিসি, ভারতের জন্যে হেন করেছে , তেন করেছে।তাই তাদের ভোট দেবেই

সবাই। এই বিশ্বাসে বলীয়ান হয়ে তারা ডুগডুগি বাজাইত



হাসিনা যে নির্লজ্জ অন্যায় একটা নির্বাচন করেছে, তাতে মনমোহন সরকার অনৈতিকভাবে সমর্থন করেছে।

বাংলাদেশের ভিতরে এসে ভারতের বাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।বাংলাদোশে শত শত মানুষের গুমের পেছনে

ভারতের "র" এর হাত আছে/ বাংলাদেশের এই ন্যাক্কাড়জনক পরিস্থিতির জন্যে হাসিনা তো অবশ্যই দায়ী,

তবে মনমোহন আর সোনিয়াও অনেকাংশে দায়ী !!



দাম্ভিকতার পতন দেখুন !! কংগ্রেস একা পেয়েছে মাত্র ৪৩ আসন যেখানে জয়লোলিতা বা মমতা শুধু নিজের

যোগ্যতায় কংগ্রেসের কাছাকাছি আসন পেয়েছে / আকাশ থেকে টেনে একেবারে মাটিতে নামিয়ে দিয়েছে

রাহুল আর সোনিয়া গান্ধীকে / এই শুয়োরগুলো রাস্তায় চিৎকার করতেছে , এই অবস্থা দেখার অপেক্ষায় রইলাম।ভারতের অবাধ ও নিরপেক্ষ সাধারণ নির্বাচনে বি জে পি-এর বিশাল নিরঙ্কুশ বিজয় তথা সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহন সীমাহীন আনন্দ আর প্রাণচাঞ্চল্যে পরিপূর্ণ ; তার বিপরীতে বাংলাদেশে বিগত ভোটারবিহীন নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার সরকারকে কেবল নদীতে ভাসা নিস্প্রান বিভত্স লাশের মতই মনে হয় ,জোর করে আর যাই হোক, গণতন্ত্র হয়না । আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চাই।আমরা আবার ভোট দিতে চাই।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:০৩

াহো বলেছেন:
1)বিচারবহির্ভূত হত্যা
এ ধরনের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছিল ২০০৫ ও ২০০৬ সালে বিএনপির আমলে। ২০০৫-এ ৩৭৭ এবং পরের বছর ৩৬২ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। তখন ‘ক্রসফায়ার’ নামে পরিচিত

2)অপহরণ, গুম ও নিখোঁজ
১২ বছরের মধ্যে ২০০২ সালে ১০৪০, ২০০৩ সালে ৮৯৬ জন, ২০০৪ সালে ৮৯৮ জন, ২০০৫ সালে ৭৬৫ জন, ২০০৬ সালে ৭২২ জন, ২০০৭ সালে ৭৭৪ জন, ২০০৮ সালে ৮১৭ জন, ২০০৯ সালে ৮৫৮ জন, ২০১০ সালে ৮৭০ জন, ২০১১ সালে ৭৯২ জন, ২০১২ সালে ৮৫০ জন ও ২০১৩ সালে ৮৭৯ জন অপহরণ, গুম ও নিখোঁজ হয়েছে।

৩)অপরেশন ক্লিন হার্ট( ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ই জানুয়ারি )
ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে আইনের আশ্রয় নিতে না পারে এজন্য তখন ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি আইন
বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে যৌথবাহিনী ‘অপরেশন ক্লিন হার্ট' নামে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালায় ৷ এই অভিযানে হতাহতের ঘটনাও ঘটে৷ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে আইনের আশ্রয় নিতে না পারে এজন্য তখন ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি আইন ২০০৩' পাশ হয়৷

৪)




Source
1)Prothom Alo ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৪
2)ITTEFAQ 30 April 2014

১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:২০

এস আই সাহেব বলেছেন: আমি নির্বাচনের কথা বলেছি।এত পরিসংখ্যানের দরকার নেই।ভাল কাজ করলে জনগনের উপর ভরসা নেই কেন?

২| ১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:০৪

রেজওয়ান26 বলেছেন: সত্য বড়ই নির্মম যা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে ভারতীয় কংগ্রেস। যে যেমন করবে তেমন ফলই পাবে । এটাই পৃথীবির নিয়ম।

১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:২১

এস আই সাহেব বলেছেন: সত্যিকারের প্রতিনিধীত্বশীল সরকারের বিকল্প নেই।

৩| ১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:১০

ভুয়া প্রেমিক বলেছেন: ভোটারবিহীন নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার সরকারকে কেবল নদীতে ভাসা নিস্প্রান বিভত্স লাশের মতই মনে হয়।

বাংলাদেশের একটি দূর্ভাগ্যের নাম বাললীগ

১৭ ই মে, ২০১৪ রাত ৯:২২

এস আই সাহেব বলেছেন: সত্যিকারের বিরোধীদল ছাড়া সরকারও যে অনেকটা একঘরা, দিশা হারা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.