নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চেতনায় ইসলাম

আমি ফেইসবুকেwww.facebook.com/skaziz.iiuc

শেখ আজিজুর রহমান

আমি এক জন ছাত্র, সব সময় চাই সবার কাছ থেকে কিছু না কিছু শিক্ষতে।

শেখ আজিজুর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বুর্জ খলিফা : একই ইমারতে ইফতারের ৩ সময়

৩০ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৭

একই ইমারতে ইফতারের জন্য তিন রকম সময়?

হ্যাঁ, দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় যারা বাস করেন, তারা তিন সময়েই

ইফতার করেন।

হবে না কেনো!

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ইমারত ১৬০ তলার এই বুর্জ। উচ্চতা দুই

হাজার ৭২২ ফুট।

এই উচ্চতার কারণেই সেখানে সময়ের এই হেরফেরটা হয়। অর্থাৎ

ইমারতের নিচতলায় যখন সূর্য ডুবে, ১৬০তম তলায় ডুবে এর

আরো তিন মিনিট পর।

আবার সূর্য উঠার সময় ঘটে উল্টোটা- ১৬০তম তলায়

সকালটা তিন মিনিট আগেই হয়ে যায়।

একই ভবনে সকাল-সন্ধ্যার এই হেরফেরের কারণেই

সেখানে ইফতার ও সেহরির সময়েও ব্যবধান।

২০১১ সালে এমনটিই জানিয়েছিলেন দুবাই ইসলামিক অ্যাফেয়ারস

ডিপার্টমেন্টের তৎকালিন ফতোয়া বোর্ডের প্রধান আহমেদ

আব্দুল আজিজ আল হাদ্দাদ।

তিনি বলেন, ভবনের উচ্চতার বিভিন্নতার কারণে বুর্জ খলিফার

বাসিন্দারা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ইফতার, ফজরের নামাজ ও

মাগরিবের নামাজ পড়বেন।

দুবাইয়ের এই ডিপার্টমেন্ট ২০১১ সালে ইমারতটিতে ইফতার ও

সেহরির জন্য তিন রকম সময় নির্ধারণ করে। তাদের সিদ্ধান্ত

অনুযায়ী, ১৬০ তলাবিশিষ্ট এই ভবনটির ৮০ তলার

উপরে যারা বসবাস করেন তারা নিচতলার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের

দুই থেকে তিন মিনিট পর ইফতার করে আসছেন।

হাদ্দাদ জানান, যেসব মুসলমান ভবনের ৮০ থেকে ১৫০তম তলায়

থাকেন তারা নির্দিষ্ট সময়ের দুই মিনিট পর ইফতার করবেন।

অর্থাৎ ওই এলাকার মসজিদে যখন মাগরিবের আযান হবে তারও

দুই মিনিট পর তারা ইফতার করবেন। আর যারা ১৫১

থেকে ১৬০তম তলার মধ্যে থাকেন তারা আরো এক মিনিট পর

অর্থাৎ আযান দেয়ার তিন মিনিট পর ইফতার গ্রহণ করবেন।

ডিপার্টমেন্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইফতারের মতো উপরের তলার

বাসিন্দাদের সেহরির সময়েও হেরফের হয়। নির্দিষ্ট সময়ের দুই

থেকে তিন মিনিট আগে তারা সেহরি শুরু করেন।

সময়ের এ ভিন্নতার কারণ হিসেবে জানানো হয়, রোজাদার

যে এলাকায় থাকবেন সেখানকার সময়েই তাকে ইফতার

করতে হবে। এমনকি রোজাদার যদি বিমানে চড়ে কোথাও যান,

সে ক্ষেত্রেও তিনি যে এলাকার আকাশে থাকবেন সেখানকার

সময়েই ইফতার করবেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু এ ভবনটির নির্মাণকাজ শুরু হয়

২০০৪ সালের ৬ জানুয়ারি। শেষ হয় ২০১০ সালে।

ভবনটি উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালের ৪ জানুয়ারি।

এটি নির্মাণে খরচ হয় দেড় হাজার কোটি মার্কিন ডলার।

সূত্র : গালফ নিউজ।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭

ঢাকাবাসী বলেছেন: এটাই বিজ্ঞানসম্মত ও ধর্মমতে সঠিক।

২| ৩০ শে জুন, ২০১৪ রাত ৮:৪৩

সৌভিক ঘোষাল বলেছেন: ধর্মের সঙ্গে বিজ্ঞানকে জড়ান কেন ? বিজ্ঞানমতে ঈশ্বর আল্লা ভগবান এর অস্তিত্ব নেই। থাকতে পারে না। ব্যক্তিগতভাবে পৃথিবীর কোনো কোনো শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ঈশ্বরে বিশ্বাস করলেও থাকতে পারে না।

৩| ০১ লা জুলাই, ২০১৪ রাত ২:০০

শেখ আজিজুর রহমান বলেছেন: কে বলেছে বিজ্ঞানেমতে আল্লাহ নাই..। আর আপনিকি কখনো দেখেছেন কোন কিছু এমনে এমনিতে সৃষ্টি হতে ? যেমন ধরেন একটা বাস, আপনি কি কখনো দেখেছেন যে কারিগর ছারা সব কিছু একটার সাথে অন্যটা সংযোক্ত হয়ে এমনি এমনি তৈরি হয়ে গেল একটা বাস, আসলে এরকম সম্ভবনা, আর কত সুন্দর এই পৃথিবী, আপনি বলছেন এটা এটা এমনি এমনি সৃষ্টি হয়েছে এ কথা আমি কি ভাবে বিস্বাস করব......। কে কি বলল সেকথা ভুলে আপনি আপনার মনকে প্রশ্ন করেন আপনার চারপাসে যা কিছু আছে তাকি এমনে এমনি হয়েছে নাকি তার পিছে কেহু একজন সৃষ্টি কর্তা আছে ?? চিন্তা করেন, আরো চিন্তা করেন দেখবেন শেষে একটা উত্তর আসবে সেটা হল হ্যা, এত সব কিছু এমনে এমনি সৃষ্টি হয়নাই এর পেছনে এজন সৃষ্টি কর্তা আছেন আর তিনিই আল্লাহ..। আর ইসলাম এমন একটি ধর্ম যার দলিল দ্বারা বিজ্ঞান পূর্নতা পেয়েছে...।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.