| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যারা বোঝেনি—তাদের অপরাধ অজ্ঞতার,। যারা জেনে–বুঝে বাকিদের অন্ধকারে রেখেছে—তাদের অপরাধ ইতিহাস ভুলবে না
নাহিদ, হাসনাত, সারজিস, মাহফুজ, আসিফ নজরুল কিংবা মজহার মোল্লারা কি জানতেন না জুলাই–আগস্টের মূল হত্যাকাণ্ড কারা ঘটিয়েছে?
এই প্রশ্নটাই ভণ্ডামি।
ওরা জানত। পুরোপুরি জানত।
না জানত কেবল নিচের সারির কর্মীরা। না জানত আবেগে ভাসা সাধারণ মানুষ।
এই সাধারণ মানুষকে একটা গল্প বিশ্বাস করানো হয়েছে—সব খুন করেছে শেখ হাসিনা। এই গল্পটা রাজনীতির জন্য দরকার ছিল। কারণ রক্ত ছাড়া বিপ্লবের বাজার বসে না, আর আবেগ ছাড়া জনতা নামে না।
কাল ঝুমাকে দেশাত্মবোধক গান গাইতে দেখলাম। অনেকেই গলা নিয়ে হাসাহাসি করেছে। কিন্তু আসল প্রশ্ন গলা না—প্রশ্ন হলো আবেগ।
সে আবেগটা আসল। কারণ ঝুমা জানে না—এই খুনগুলো ছিল স্নাইপার দিয়ে করা, মেটিকুলাসলি ডিজাইন করা রাজনৈতিক হত্যা।
যে জানে, সে এভাবে গাইতে পারে না।
নীলা ইস্রাফিল বলেছে—জুলাই–আগস্টে সে জানত না পুরো আন্দোলনটা বিলিয়ন ডলারের বাজেটে পরিচালিত হচ্ছিল। পরে বুঝে সরে গেছে।
সে যে কারণেই সরে যাক—এই কথাটা সত্য।
তাহলে এত মানুষ বুঝতে পারছে না কেন?
কারণ বুঝতে দেওয়া হচ্ছে না।
কারণ আবেগকে অস্ত্র বানানো হয়েছে।
কারণ কেউ স্বার্থে চুপ। কেউ সুবিধাভোগী। আর কেউ—বোঝার যোগ্যতাই রাখে না।
কিন্তু সবচেয়ে বিপজ্জনক কারা জানেন?
ওরা না—যারা বুঝতে পারেনি।
ওরা—যারা বুঝে গেছে।
যারা জানে ভেতরের চক্রান্ত। জানে কারা গুলি চালিয়েছে। জানে কারা ফান্ড দিয়েছে। জানে কারা স্ক্রিপ্ট লিখেছে।
কিন্তু তবু মুখ খুলছে না।
কারণ তারা এই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করছে।
যারা বোঝেনি—তাদের অপরাধ অজ্ঞতার।
কিন্তু যারা জেনে–বুঝে বাকিদের অন্ধকারে রেখেছে—তাদের অপরাধ ইতিহাস ভুলবে না।
এই রক্তের হিসাব একদিন চাইতেই হবে।