| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কারিনা ইস্যুতে যা ঘটেছে, তা শুধু একটি পরিবারের আত্মপক্ষ সমর্থন না- এটা জনমতের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন। যদি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই হেটস্পিচ আসতো, তাহলে কারিনার মা জানাজার পর দাঁড়িয়ে এভাবে বলতে বাধ্য হতেন না- “আমরা জুলাই যোদ্ধা না”, “আমরা গণভবনে যাই নাই”, “আমরা চুরি করি নাই”।
এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, সাধারণ মানুষের ভেতর এখন একটা বড় ধরনের নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। কারণ মানুষ দেখেছে- আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ গণভবনে ঢুকে লুটপাট করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, নিজেদের নায়ক বানানোর চেষ্টা করেছে। আর সেই কারণেই আজ “জুলাই যোদ্ধা” পরিচয়টি গর্বের বদলে অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কারিনার পরিবার খুব ভালো করেই বুঝেছে, জনগণের ক্ষোভটা কোথায়। তাই তারা দ্রুত নিজেদের আলাদা করতে চেয়েছে। তারা বুঝেছে- সাধারণ মানুষ এখন আর গণভবন লুটেরাদের পাশে নেই। বরং মানুষ তাদের ঘৃণা করতে শুরু করেছে। এই জনরোষই তাদের এমন ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য করেছে।
এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— এই প্রতিক্রিয়া কোনো একটি দলের একক প্রচারণা না; এটা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অবস্থান। কারণ সাধারণ মানুষ চুরি, লুটপাট, বিশৃঙ্খলা কিংবা সুযোগসন্ধানী রাজনীতি কখনোই ভালো চোখে দেখে না। আন্দোলনের নামে যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে চায়, জনগণ শেষ পর্যন্ত তাদের প্রত্যাখ্যানই করে।
আজকে যারা নিজেদের রক্ষার জন্য বলতে বাধ্য হচ্ছে- “আমরা জুলাই যোদ্ধা না”, তার মানে তারা নিজেরাও বুঝে গেছে এই পরিচয় এখন মানুষের কাছে সম্মানের নয়, বরং বিতর্কের। আর গণভবনে যারা চুরি করেছে, তাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা দিন দিন আরও বাড়বে। কারণ জনগণ কখনোই লুটেরাদের আপন করে নেয় না।
তবে একটা বিষয় স্পষ্ট- শুধু রাজাকার ও স্বাধীনতাবিরোধী মানসিকতার মানুষ ছাড়া দেশের সাধারণ জনগণ কখনো চুরি, সহিংসতা আর রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাটকে সমর্থন করে না। রাজাকার ছাড়া বাকি জনগণ সবসময় দেশের পক্ষে থাকে, বিশৃঙ্খলার পক্ষে নয়। আর এই জনমতই ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে বড় বার্তা।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৮:২৪
বিষন্ন পথিক বলেছেন: তথাকথিত জুলাই যোদ্ধারা নামাজে জানাজা আয়োজন করে একতা দেখাল ,ভারত থেকে আসা লাশের সামনে দিল্লি না ঢাকা স্লোগান, সেখানে তার মা বলেছে আমরা জুলাই যোদ্ধা না। ..