নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজস্ব ভাবনা চিন্তা নিয়ে আমার ভার্চুয়াল জগত!

এস.এম. আজাদ রহমান

মানুষ

এস.এম. আজাদ রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৩


৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, নাকি নেপথ্যে ক্ষমতার আরেক সমীকরণ?

একটি সরকার পতনের দিনকে আমরা কীভাবে পড়ব- জনতার বিজয় হিসেবে, নাকি রাষ্ট্রক্ষমতার নেপথ্যে ঘটে যাওয়া এক জটিল ক্ষমতা- হস্তান্তর হিসেবে?
২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন খুব দ্রুতই একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেয়। আন্দোলনের ওপর রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ, প্রাণহানি, গ্রেপ্তার ও সহিংসতার অভিযোগ, আবারো বলি অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রাথমিক বিশ্লেষণেও বলা হয়, জুনে শুরু হওয়া প্রাথমিকভাবে শান্তিপূর্ণ কোটা আন্দোলনের পর নিরাপত্তা বাহিনীর (!) বলপ্রয়োগ ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ সামনে আসে।

জুলাইয়ের শেষ দিকে পরিস্থিতি আর শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি।(এটা টার্নিং পয়েন্ট)। ৩ আগস্ট ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বড় সমাবেশ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রিসভার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করে এবং অসহযোগ কর্মসূচির ডাক দেয় (কি ভাবছেন কোটা আন্দোলন ছিল এটা?)। একই সময়ে দেশজুড়ে সংঘাত অব্যাহত ছিল। ৪ আগস্ট পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পরদিন ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীমুখী জনসমাগম বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগ করেন সামরিক বিমানযোগে এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জাতির উদ্দেশে ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের উদ্যোগের কথা জানান (এবার বুঝুন জেনারেল সাহেবের মনের ইচ্ছা কি ছিলো?)।

এই ধারাবাহিকতার কারণেই ৫ আগস্টকে শুধু একটি সরকারের পতনের দিন হিসেবে দেখলে ঘটনাটির পূর্ণ পটভূমি ধরা পড়ে না। এটি ছিল দেশ বিরোধী কয়েক সপ্তাহের জঙ্গীদের সন্ত্রসী কার্যকলাপ ও শেষ মুহূর্তে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সমন্বিত পরিণতি।

কিন্তু এখানেই ইতিহাসের বড় প্রশ্নটি সামনে আসে- কোটা কীভাবে সরকার পতনের পর্যায়ে পৌঁছাল, সেনাবাহিনীর অবস্থান কখন ও কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল এবং ৫ আগস্টের শেষ কয়েক ঘণ্টায় রাষ্ট্রের ক্ষমতার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ কার হাতে ছিল?

৫ আগস্টের আগে কী ঘটেছিল?
৫ আগস্টের আগের কয়েক দিন ছিল বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে অস্থির সময়গুলোর একটি। আন্দোলন এক দফায় পৌঁছানোর পর সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা কার্যত সংকুচিত হয়ে যায়। ৪ আগস্টের সংঘাতের পর ৫ আগস্টের ‘মার্চ টু ঢাকা’ পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরণমুখী করে তোলে।সেনাবাহিনীর ছদ্রছায়ায়।

এর মধ্যেই সেনাবাহিনীর অবস্থান হয়ে ওঠে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।[
৩ আগস্ট সেনাপ্রধান সেনা সদর দপ্তরে ‘অফিসার্স অ্যাড্রেস’ অনুষ্ঠানে কর্মকর্তাদের জনগণের জীবন, সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা রক্ষার নির্দেশ দেন। জাতিসংঘের পরবর্তী তদন্তেও ৩ আগস্ট সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের বিষয়ে অনীহার বিষয়টি উঠে এসেছে।

এখান থেকেই শুরু হয় নানা ব্যাখ্যা
৩ আগস্ট থেকেই সেনাবাহিনী সরকার পতনের জন্য ‘সবুজ সংকেত’ দিয়েছিল এবং ৫ আগস্টের ঘটনাটি ছিল একটি নীরব সেনা অভ্যুত্থান। কিন্তু এই দাবিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে ধরনের প্রত্যক্ষ ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন, তা প্রকাশ্য তথ্যভান্ডারে সম্পূর্ণভাবে একনো প্রতিষ্ঠিত নয়নি।

তবে প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
৩ আগস্ট সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে আসলে কী আলোচনা হয়েছিল?
কোন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর অবস্থান বদলেছিল?
কখন তারা বুঝেছিল যে সরকার আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না?
এসব প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক বক্তব্যে নয়, প্রয়োজন নথি ও প্রত্যক্ষ সাক্ষ্যের।

সেনাবাহিনী-সরক্ষক, নাকি ক্ষমতার মধ্যস্থতাকারী?
৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন এবং জানান যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এখানেই একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন সামনে আসে।
একটি নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সেনাবাহিনীর ভূমিকার সীমা কোথায়?
সেনাবাহিনী যদি রক্তপাত ও বৃহত্তর সংঘাত ঠেকাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়, সেটি এক ধরনের ব্যাখ্যা। কিন্তু যদি সামরিক প্রতিষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক সরকারের পতন নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা নেয়, সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

এই দুই ব্যাখ্যার পার্থক্য নির্ধারণ করবে দলিল, সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা এবং স্বাধীন তদন্ত- রাজনৈতিক বিশ্বাস নয়।
সুতরাং ৫ আগস্টকে ‘নিরব সেনা অভ্যুত্থান’ বলা হোক কিংবা ‘জনঅভ্যুত্থানের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ’ বলা হোক- দুটিরই প্রমাণভিত্তিক অনুসন্ধান প্রয়োজন।

গণভবন কেন রক্ষা করা গেল না?
শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর গণভবনে বিপুলসংখ্যক মানুষ ঢুকে পড়ে। সেখানে লুটপাট, ভাঙচুর ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ এবং প্রতিশোধমূলক সহিংসতার ঘটনাও নথিবদ্ধ হয়েছে। জাতিসংঘ এসব ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের সুপারিশ করেছে।
এই দৃশ্য শুধু একটি রাজনৈতিক সরকারের পতনের প্রতীক নয়; এটি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
গণভবন কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ।

তাহলে প্রশ্ন হলো-
সরকারপ্রধান চলে যাওয়ার পর রাষ্ট্রীয় স্থাপনাটি রক্ষার দায়িত্ব কার ছিল?
নিরাপত্তা বাহিনী কেন তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি?
কেউ যদি রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে কতগুলো মামলা হয়েছে? কতগুলো তদন্ত হয়েছে? কত সম্পদ উদ্ধার হয়েছে?
এসব প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির অংশ হওয়া উচিত।


লুট হওয়া অস্ত্রের হিসাব কোথায়?
আরও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন থানা ও কারাগার থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনায়।
২০২৪ সালের আগস্টে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির সময় বিভিন্ন স্থান থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয় এবং কিছু অস্ত্র উদ্ধারও করা হয়।
কিন্তু যে অস্ত্রগুলো উদ্ধার হয়নি?
সেগুলো কোথায় গেল?

সেগুলো কি পরবর্তী কোনো অপরাধে ব্যবহৃত হয়েছে? হয়ে থাকলে কারা ব্যবহার করেছে? কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল কি? নাকি অপরাধী চক্রের হাতে চলে গেছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত অস্ত্র লুটের অধ্যায়টি শেষ হয়ে যায় না।
কারণ একটি রাষ্ট্রে অস্ত্রের হিসাব হারিয়ে যাওয়া নিছক প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়—এটি জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন।
শুধু একজনকে দায়ী করলে ইতিহাস অসম্পূর্ণ থাকবে

৫ আগস্ট এবং তার আগে-পরে সংঘটিত সহিংসতার বিচার করতে গেলে আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।
আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর বলপ্রয়োগ হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে। থানা ও সরকারি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। কোথাও অস্ত্র লুট হয়েছে। আবার বিভিন্ন পক্ষের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে।

জাতিসংঘের তদন্তও জুলাই-আগস্টের ঘটনাকে একপাক্ষিকভাবে দেখেনি। নিরাপত্তা বাহিনীর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ যেমন নথিবদ্ধ হয়েছে, তেমনি ৫ আগস্টের পর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং সাবেক ক্ষমতাসীন দলের সদস্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক সহিংসতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

অতএব পুরো ঘটনাকে শুধু একটি পক্ষের অপরাধ অথবা একটি পক্ষের বিজয়ের গল্পে পরিণত করলে ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ অংশ অদৃশ্য হয়ে যাবে।
কোনো সরকারের অপরাধ থাকলে তার বিচার হতে পারে। কিন্তু সেই সরকারের পতনের সময় সংঘটিত অন্য অপরাধও বিচারযোগ্য।
এক পক্ষের অপরাধ অন্য পক্ষের অপরাধকে বৈধতা দেয় না।

এটাই আইনের সবচেয়ে মৌলিক শিক্ষা।
৫ আগস্টের আসল শিক্ষা কোথায়?
৫ আগস্টকে শুধু ‘কার বিজয়’- এই প্রশ্নে আটকে রাখলে হয়তো রাজনৈতিক বক্তব্য তৈরি করা যায়, সত্যি ইতিহাস তৈরি হয় না।
কারণ এই দিনটি একই সঙ্গে কয়েকটি বাস্তবতা দেখিয়েছে।

প্রথমত, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্ষমতা জনঅসন্তোষের মুখে কত দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে।
দ্বিতীয়ত, একটি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক সংকটের মুহূর্তে কী ভূমিকা নেয়, তা ক্ষমতার গতিপথ নির্ধারণে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
তৃতীয়ত, ক্ষমতার পরিবর্তনের মুহূর্তে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়লে তার সুযোগ নেয় বিশৃঙ্খলা, লুটপাট ও সহিংসতা।

সুতরাং ৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়তো ‘কে জিতেছিল?’ নয়।
প্রশ্ন হলো- রাষ্ট্র কি সেদিন জিতেছিল?

যদি রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট হয়, অস্ত্র হারিয়ে যায়, আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ে এবং অপরাধের পূর্ণাঙ্গ বিচার না হয়—তাহলে ক্ষমতার পালাবদল ঘটলেও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা শক্তিশালী হলো, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।

ইতিহাসের আদালতে শেষ কথা প্রমাণের
৫ আগস্ট নিয়ে বহু গল্প আছে। বহু ব্যাখ্যা আছে। কারও কাছে এটি গণঅভ্যুত্থান, কারও কাছে ক্ষমতার পালাবদল, আবার কারও কাছে নেপথ্যে অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় সমীকরণের ফল।

কিন্তু ইতিহাস কোনো দলের মুখপত্র নয়।
ইতিহাস জানতে চাইবে- ৩ আগস্ট কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ৪ আগস্ট কী ঘটেছিল, ৫ আগস্ট সকালে কারা কোথায় ছিলেন, কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় স্থাপনা কেন রক্ষা করা গেল না, লুট হওয়া অস্ত্রের কী হলো এবং সহিংসতার প্রতিটি ঘটনার দায় কার।
এসব প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক বক্তৃতায় নয়, প্রয়োজন নথি, সাক্ষ্য, স্বাধীন তদন্ত ও জবাবদিহি।

কারণ ৫ আগস্টকে যে পক্ষ যেভাবেই ব্যাখ্যা করুক, একটি সত্য অস্বীকার করা কঠিন-
সরকার বদলানো ইতিহাসের একটি ঘটনা; কিন্তু সেই পরিবর্তনের আড়ালে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে আচরণ করেছিল- সেটিই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ৫ আগস্টের প্রকৃত ইতিহাস হয়ে থাকবে।

আর সেই ইতিহাস যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর না দেয়, তাহলে ৫ আগস্টের গল্প শেষ হবে না। বরং সেদিনের সবচেয়ে বড় প্রশ্নটিই বারবার ফিরে আসবে-
আপনারা জানেন কি- ক্ষমতা বদলেছিল ঠিকই- কিন্তু সেদিন রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ আসলে কার হাতে ছিল?

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:০৯

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ৫ আগস্ট ২০২৪: জনঅভ্যুত্থান, বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির অভ্যুত্থান, দেশকে বাঁচানোর অভ্যুত্থান, দেশের টাকা পাচার রোধের অভ্যুত্থান, স্বাধীনভাবে কথা বলার অভ্যুত্থান, আয়নাঘর ধ্বংস করার অভ্যুত্থান, মানুষকে ঘুম করা রোধের অভ্যুত্থান সর্বোপরি লীগকে চিরতরে ঝেটিয়ে বিদায় করা অভ্যুত্থান।

২| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭

হাসান রাজু বলেছেন: ফালতু পোস্ট। না পারে বুঝাইয়া কইতে, না পারে সইতে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.