| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-
বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু দীপের ডাকে উত্তরার বাসা থেকে বের হন তিনি। পরদিন টঙ্গীর রাজাবাড়ী ঘাটে তুরাগ নদে ভাসমান অবস্থায় মেলে তাঁর লাশ।
এ পর্যন্ত সামনে এসেছে, উত্তরার একটি বারে দেড় ঘণ্টা কাটানোর পর তাঁরা টঙ্গী পশ্চিম থানার মাজার বস্তিতে যান। দীপের বক্তব্য বদলেছে বারবার। প্রথমে বলেছেন খাওয়ার পর আলাদা হয়ে গেছেন, পরে বলেছেন একসঙ্গে মাজার বস্তিতে গিয়েছিলেন, শেষে বলেছেন পুলিশের পোশাক পরা লোকজনের ধাওয়ায় তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন। তাঁর দেওয়া তথ্যে তাহসিফের মোটরসাইকেল উদ্ধার হয়েছে। বাবার করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
এখান থেকেই প্রশ্নগুলো ওঠে। এগুলোর উত্তরের জন্য কোনো গোপন সূত্র লাগে না, লাগে শুধু নথি খোলার ইচ্ছা।
১. দীপ যদি পুলিশের কথা বলেন, তবে ২৭ তারিখ রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানার ডিউটি রেজিস্টার ও জিডিতে কোন টহলদল কোথায় ছিল? কারা মাজার বস্তির দিকে গিয়েছিল? খাতা খুললে এর উত্তর পাঁচ মিনিটের ব্যাপার।
২. দীপের ফোন পিবিআইয়ের হাতে থাকার কথা। সন্ধ্যা ৬:৩০ থেকে রাত ২:৩০ পর্যন্ত ফোনটি কোন কোন টাওয়ারে ধরা পড়েছে, তা বের করা কি এতই কঠিন?
৩. শোনা যাচ্ছে, তাহসিফের ফোনও পাওয়া গেছে। তাহলে তাঁর শেষ কল কার সঙ্গে, শেষ বার্তা কার, শেষ নেটওয়ার্ক অবস্থান কোথায়? রাত ১:৩৫-এ মাকে "আমি আসছি" বলার সময় তিনি কোথায় দাঁড়িয়ে ছিলেন? এসব তথ্য রাষ্ট্রের হাতেই থাকার কথা।
অথচ জনআলোচনায় ঘুরছে মাদকের ইঙ্গিত, পুরোনো অবসর-বিজ্ঞপ্তির প্রসঙ্গ, হ্যাঙ্গারের গল্প। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এটা কি অক্ষমতা, নাকি আসল প্রশ্ন থেকে নজর সরানোর চেষ্টা? আমার সন্দেহ দ্বিতীয়টির দিকে। তবে প্রমাণ আমার হাতে নেই, তাই এটা সন্দেহ, সিদ্ধান্ত নয়।
ভয়টা অমূলক নয়। হাদীর বিচারের কি হলো, সরকার কী একদম নিশ্চুপ, নীরব নয়?, সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন একশোরও বেশি বার পিছিয়েছে। আলোচিত মামলা ফাইলের নিচে ঘুমিয়ে পড়ার নজির আমাদের চোখের সামনেই। পাঠক নিশ্চয়ই এতোক্ষণে বুঝে গেছেন সাধারণ মানুষ কার দিকে ইঙ্গিত করতে পারে?
দীপ আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন মাত্র। কিন্তু সব সন্দেহ শুধু তাঁকে ঘিরেই ঘুরলে আসল সত্য চাপা পড়ে যেতে পারে। ডিউটি রেজিস্টার, টাওয়ার ডেটা ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এলে সব জল্পনার অবসান হয়। তাহসিফের পরিবার সত্য জানার অধিকার রাখে।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দীপ আদালতে দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন মাত্র।
...............................................................................................
সে দাবার ঘুঁটি মাত্র !
আইনের সত্যিকারের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে
এমন মিথ্যাচার, অত্যাচার আরও দেখতে হবে ।