নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুস্থধারায় ফিরছে রাজনীতি; আম্লিগের ফেরার পথ আরো ধূসর হচ্ছে

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১০


গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও ভুল-বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এসব বিরোধ যেন প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যাত্রাপথে ভিন্ন দল কিংবা ভিন্নমতের সবার সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এদিকে জামাত জোট ঘোষনা করেছে যে তারা সংসদকে কার্যকর করতে গঠনমূলক আলোচনা করবে এবং দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তারা সরকারকে সবধরনের সহযোগিতা করবে। লক্ষনীয় যে জামাত বলেনি যে হরতাল করে বিএনপিকে অচল করে দেওয়া হবে। আপনাদের কি মনে আছে ১৯৯১ সালের বিএনপি সরকারের পতনের জন্য আম্লিগ ১৭৩ দিন হরতাল ডেকে দেশে ভয়াবহ অরাজকতা সৃষ্টি; কার্যকরভাবে দেশ অচল হয়ে পড়েছিল?

আরো ভালো সংবাদ হলো বিএনপি, জামাত ও এনসিপির সৌহার্দমূলক অবস্থা দেশের জন্য ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি। নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতে তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে জামায়াতের আমিরের বাসায় গেছেন সেখানে কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও সমসাময়িক বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়াও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় গেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলাম দুজনই তারেক রহমানকে ফুলেল সুভেচ্ছা জানান। এ যেন ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মানের শুভলক্ষণ। রাজনীতি যত সুস্থধারায় ফিরবে তত আম্লিগের ফিরে আসার পথ ধূসর হয়ে উঠবে। এখন মানুষের একটাই চাওয়া আম্লিগের মত চোর, গুন্ডা, চাঁদাবাজ, ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, ব্যাংক ডাকাত ও বিদেশে টাকা পাচারকারীরা যেন আর ফিরতে না পারে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য মানুষের জন্য কাজ করলেই হয়

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সবাই মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করলে দেশ উন্নতির শিখড়ে ধাবিত হতে বাধ্য।

২| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: রাজনীতি কতটা সুস্থ ধারায় ফিরবে , তা এখনি বলা মুশকিল।বিএনপির একগাদা ঋনখেলাপি, চাদাঁবাজ, খুনের আসামী, টাকা পাচারকারী দ্বৈত নাগরিকেরাতো আর সুস্থ ধারার রাজনীতি করার জন্য সংসদে যাচ্ছে না। তবে আস্থা ও ভরসার জায়গা যে , বিরোধী দল এবার শক্ত। জামাত ও এনসিপির নির্বাচিত বেশিরভাগ এম্পিরা উচ্চশিক্ষিত ও দুর্নিতির অভিযোগমুক্ত। এছাড়া উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে যাচ্ছে আরো কিছু ট্যলেন্টেড ব্যক্তি। জামাত ও এনসিপি উন্নত সভ্য দেশের আদলে শ্যডো কেবিনেট গঠনের ঘোষনা দিয়েছে। সেইসাথে জামাতের এম্পিরা সরকারী প্লট, ট্যক্স ফ্রি গাড়ি নেবে না বলে জানিয়েছে জামাতের আইনজীবি শিশির মনির। সব মিলিয়ে সংসদে এবার আর কোন সার্কাস নয়, জনপ্রতিনিধিদের যৌক্তিক লড়াই দেখার সুযোগ মিলবে। আর সবচেয়ে বড় শক্তি জনগনের ভোটে জিতে আসা জুলাই সনদ।এই সনদের জোড়ে আওয়ামিলীগ ও বিএনপির দুবুত্তায়নের অপরাজনীতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে দিতে হবে সম্পুর্নভাবে।

৩| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
দেশের কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ নেই।
অতিরিক্ত মানুষ।
এই দেশের উন্নয়ন সম্ভব না।

৪| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মানুষ সৎ নয়

৫| ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: কবি বলেছেন, মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্য হাসে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.