নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

চেতনা, ৭১ , পাকিস্তান ঘৃনা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৫


যুদ্ধে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ ও যুদ্ধবিধ্বস্ত ভিয়েতনাম দুটো দেশের অর্থনৈতিক যাত্রা শুরু হয় প্রায় একই সময়ে কিন্তু তুলনামূলক ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে ভালো ছিল। বাংলাদেশে ছিল অনেক ভারী শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিয়েতনামে তাও ছিলনা বললেই চলে। অর্থনৈতিকভাবে ভিয়েতনাম তরতর করে এগিয়ে চলছে। পোশাক শিল্পে বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে। ভিয়েতনামে তৈরি হচ্ছে কম্পিউটার, মোবাইল, ইলেক্ট্রিক পণ্য, উচ্চ প্রযুক্তির ইলেক্ট্রনিক্স পন্য, চামড়া শিল্প। কি নেই সেখানে? শুধুমাত্র নেই চেতনা, ৭১, পাকিস্তান ঘৃনা ও ভারত প্রেম।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ভিয়েতনামের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের (আমদানি ও রপ্তানি) পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৪‌৯.৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ বাণিজ্য উদ্বৃত্ব দেশ। ভিয়েতনামের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার চীন এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র দেশটির অন্যতম বড় রপ্তানিবাজার। অথচ এই যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামকে তামা বানিয়ে ফেলেছিল তারপরও ভিয়েতনামের কোন চেতনা নেই, নেই তাদের ৭১ কিংবা পাকিস্তান ঘৃনা ও ভারত প্রেম।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১০৪ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে আমদানি ছিল ৬৪.০২ বিলিয়ন ডলার এবং রপ্তানি ছিল ৪০.০৪ বিলিয়ন ডলার অর্থাৎ বাংলাদেশ বাণিজ্য ঘাটতির দেশ।

পোশাক ছাড়া তেমন বড় কিছু নেই রপ্তানী করার মতো। বর্তমানে ঔষধ শিল্পে বাংলাদেশ ভালো করছে। উজ্জ্বল চামড়া শিল্পে বড় বিপর্যয় শুধুমাত্র ভারতকে লাভবান করার জন্য; কাচা চামড়া ভারতে রপ্তানী হতো। আধিপত্যবাদী ভারতের দালালেরা পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত ভারী শিল্পগুলো ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দিয়েছে তাদের স্বার্থের জন্য।

আমাদের আছে চেতনা, ৭১, পাকিস্তান ঘৃনা ও ভারত প্রেম। পুরো বিশ্ব যখন তাকিয়ে আছে ২০২৭, ২৮, .. .. .. ..২১০০ সালের দিকে আমরা তাকিয়ে আছি ৭১ এর দিকে। সামনে না গিয়ে পিছনে হাঁটছি।

পিছনে হাঁটা সুবিধাও আছে; বিদেশে নাগরিকত্ব, শুখের জীবন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যাংক ব্যালেন্স, নারী, গাড়ী, বাড়ী সুতরাং চেতনাই তো ভালো, ভালো না?

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১৯

অপু তানভীর বলেছেন: আপনি বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার ব্যাপারটাকে দুটো অপ্রসাঙ্গিত ব্যাপারের সাথে যুক্ত করে দিয়েছেন। বাংলাদেশের পিছিয়ের পড়ার সব থেকে বড় কারণ হল বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতগ্রস্থ।
যার ভেতরে একাত্তরের চেতনা আছে সেও চোর, যার ভেতরে পাকি চেতনা আছে সেও চোর! যার ভেতরে ভারত প্রেম আছে সেও চোর, যার ভেতরে পাকি প্রেম আছে সেও চোর!
আপনি কোনটার সাথে কোনটা মিলাইলেন?

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক ব্যাপার হলো কি করে? চেতনার ঠ্যালায় বাংলাদেশের সবকিছু লুট করে নিয়ে গেলো কিন্তু আপনি কিছুই দেখলেন না? ৪/৫ টা ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে গেলো আপনি কিছুই দেখলেন না? বিদেশে লক্ষ্যকোটি ডলার পাচার করলো চেতনাবাজরা আপনি কিছুই দেখলেন না? দারুণ আপনার মধ্যে তাহলে চেতনা আছে নিশ্চয়?

একজনা আপনার বাড়ির টাকা পয়সা, সোনাদানা, গয়নাগাটি, লেপতোষক, খাট পালঙ্ক সবই নিয়ে গেলো আরেক জন আপনার বাথরুমের বদনা নিয়ে গেলো তাহলে দুই চোরই কি সমান? যদিও দুইজন চোর।

২| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মক্কা বিজয়ের পর কাবায় দেব দেবীর মূর্তি স্থান পায়নি। তবে তারপরও সেই নতুন সমাজে উপদ্রব হিসেবে ছিলো মোনাফেকরা। তারা মুসলমানের বেশ ধরে মুসলমান হিসেবে সেই নতুন সমাজে সর্ব প্রকার সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করতো কিন্তু অন্তরের অন্তঃস্থলে তারা ছিলো কাফের।

এখন ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর দখলদার পাকিস্তানীদের সাথে সশস্ত্র ভাবে পক্ষ নেয়ার কোনোই সুযোগ জামায়াতিদের ছিলো না। তারপরও জামায়াতি মোনাফেকরা সশস্ত্র ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অবস্থান নিয়েছিলো। ১৬ ই ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হওয়ার পর এই স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে জামায়াতি মোনাফেকদের অস্তিত্ব থাকার কথা ছিলো না, মক্কার কাবায় যেমন কোনো মূর্তি/মূর্তির অনুরূপ থাকতে পারেনি। অথচ এরা এদের স্বনামে, কপালে মোনাফেকের সিল মোহর লাগিয়ে, দিব্যি সেই স্বাধীনতার সুফল ৫৫ বছর যাবৎ ভোগ করে আসছে যে স্বাধীনতার বিরোধী মনোভাব তারা আজও নিষ্ঠার সাথে লালন করে।

উপরে মুসলমানের ভেক আর মনে মনে মূর্তির পূজারি….এরই অপর নাম জামায়াতি মোনাফেক।

কলেমা না পড়ে, আল্লাহ ও তার শেষ রাসূলের ওপর বিশ্বাস না করে, মনে সন্দেহ রেখে মুসলিমের বেশ ধরলে, তা যেমন আগাগোড়াই অর্থহীন;

তেমনি,
/বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরোধী হয়ে,
/৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে সন্দেহ পোষণ করলে,
/গণহত্যায় ও নারী নির্যাতনে সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলে,
/অখণ্ড পাকিস্তানে গভীর ভাবে বিশ্বাস করলে,
বাংলাদেশে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, এদের “বাংলাদেশী” বলারই কোন সুযোগ নেই।

ভাই আপনি কি বাংলাদেশী নাকি জামায়াতি?
—ওদের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন করা খুবই ন্যায্য।

সুতরাং, জামায়াতের জন্য যে একটামাত্র কাজ করা খুব যুক্তিযুক্ত ও জরুরি, তা হলো এদের (জামায়াতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃত্ত) সবার নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়া। তাদের সবার বিদ্যমান এন আই ডি, পাসপোর্ট ও জন্ম সনদ সার্ভারে block/invalid করে মূল কপিতে লাল কালির বাতিল সিল মেরে দেয়া অথবা perforate করে দেয়া (রাজাকার ও তার ২.০ প্রজন্মের ৭১ এ পাকিস্তান ভাঙ্গার কষ্টের চাইতে বাংলাদেশী পরিচয় নিশ্চিত করে এমন এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্মসনদ হারানোর কষ্ট নিশ্চয় বেশি হতে পারে না)। চূড়ান্ত পর্যায়ে এই আইন করে, সংসদে পাশ করে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যদি আমরা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো রাজাকার ৩.০ প্রজন্ম এই বাংলাদেশের মাটিতে দেখতে না চাই।

বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে, এই বাংলাদেশের নাগরিক সুবিধা নিতে হলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিঃশর্ত মেনে নিয়েই করতে হবে। আর না মানলে এদের জন্য ওই বন্দোবস্তই করতে হবে যেন তারা একমুখী বিমান টিকিট কেটে তাদের স্বপ্নের পবিত্র ভূমি পাকিস্তানের করাচির বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জেলে পল্লীতে গমন করতে পারে আর অধীর আগ্রহ নিয়ে এই আশায় থাকতে পারে যে কবে তাদের পেয়ারের পাকিস্তান সরকার তাদের পাকিস্তানী নাগরিকত্ব দেবে।

এটাই একমাত্র কার্যকরী সমাধান, বিকল্পহীন, যা সামান্য উদ্যোগের অভাবে আজও অমীমাংসিত আছে।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: দাদা ভাই লেজে আগুন লেগেছে বুঝি? যাইহোক আপনি কপিপেস্ট করতে বেশ পটু দেখি। খুব ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে চেতনার বড় ধারকবাহক আপনি।

৩| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: কিন্তু ২৪ এর জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সম্পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্বে সেনাবাহিনী থাকার পরও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত অসংখ্য ভাস্কর্য, স্হাপনা ও যাদুঘর স্বাধীনতা বিরোধীদের সুপরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ হতে রক্ষা পায়নি। বাংলাদেশের যাবতীয় আন্দোলন ও অভ্যুত্থান সমূহের সাপেক্ষে তৎকালীন সেনা নেতৃত্বের ভূমিকার বিপরীতে ২৪ এর স্বাধীনতা বিরোধী মবের হাতে ঘটা মুক্তিযুদ্ধ সংস্লিস্ট যাবতিয় দৃশ্যমান ধ্বংসযজ্ঞের বিপরীতে নির্বিকার দাড়িয়ে থাকা বর্তমান সেনা নেতৃত্ব জন সাধারনকে কি বার্তা দিলো? সেনা নেতৃত্বের এই অতি ব্যতিক্রমী ভূমিকা/অবস্থান কি নিছক কাকতালীয় দুর্ঘটনা/ঘটনা মাত্র নাকি ভবিষ্যতের জন্য একটি red flag? লাল রঙের সূক্ষ্ণ সীমারেখা (thin red line) অতিক্রমের উদাহরণ?

মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় কোন অবস্থাতেই ফ্যাসিবাদের নিদর্শন হতে পারে না - এই সাধারণ জ্ঞানটুকু আম জনতারও আছে। তাই আমাদের চৌকস সেনা নেতৃত্বের এই জ্ঞান থাকবে না তা বিশ্বাস যোগ্য নয়। আর সুনির্দিষ্ট সময়ে, সুনির্দিষ্ট এলাকা সমূহের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট সেনা ইউনিট সমূহের দায় এড়ানোরও কোন সুযোগ নেই।

সেনাবাহিনীর সৈনিক, অফিসার সকল সেনা সদস্যই নিশ্চয় বাং/লাদেশের স্বশস্ত্র বাহিনীর রেশনের চাল খেয়ে থাকেন। ওই চাল কোন দেশের সে ব্যাপারে নিশ্চিয় তাদের বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই? নাকি ওই চালকে অন্য কোনো দেশের স্বশস্ত্র বাহিনীর মনে করে খায়?

সেনা অফিসার হওয়ার সময় বিএমএ তে কোরআন ছুয়ে শপথ করা হয় কি উদ্দেশ্যে? জীবন দিয়ে হলেও কোন কিছুর রক্ষা বা সুরক্ষার জন্যই তো সেই শপথ। সন্দেহাতীত ভাবে সেই শপথের আওতায় ৭১ এর মুক্তিসংগ্রামের সাথে সম্পর্কিত সর্বপ্রকার দৃশ্যমান স্থাপনা ও অদৃশ্য রূপক/symbol সমূহের সুরক্ষার পবিত্র দায়িত্বও অন্তর্ভুক্ত। এখন কোন বিষয়টা সত্য? সেনা সদস্য কর্তৃক কোরআন ছুয়ে শপথ নেয়াটা সত্য নাকি কোরআন ছুয়ে শপথ করা সেনা সদস্যের উপস্থিতিতে স্বাধীনতা বিরোধী মব কর্তৃক ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের বিবিধ স্মারক সমূহ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়াটা সত্য? এই দুই সত্য তো একসাথে বিদ্যমান থাকতে পারে না। ওই শপথ সত্য হলে মুক্তিযুদ্ধের বিবিধ স্মারক সমূহ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার যাবতীয় ঘটনা মিথ্যা। আর বাস্তবে ওই স্মারক সমূহ ধ্বংসপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনা সত্য হলে কোরআন ছুয়ে মিথ্যা শপথ করার বিষয়টিই সত্য। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব এখন কোরআন ছুয়ে মিথ্যা শপথ করা কতিপয় মোনাফেকদের হাতে, সেটিই নির্মম সত্য।

সেনা নেতৃত্বের মনস্তত্বে ধূসর/আবছায়া রূপে রুপান্তরিত আমাদের ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ....

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৩

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চেতনা বিক্রি করতে করতে চেতনার বড় ফেরিওয়ালা আপনি। চেতনার গুরু মুজিব জামাতিদের নাগরিকত্ব বাতিল করেনি বা করতে পারেনি সেখানে আপনি কোন হরিদাস পাল? তার মানে চেতনা ব্যবসা ভালো ভাবেই করেছেন? চেতনা আবিস্কারেও আপনি অনেক অগ্রগামী যেমন রাজাকার ২.০ প্রজন্ম, রাজকার ৩.০ প্রজন্ম নিশ্চয় প্রজন্ম ৩.০ পর্যন্ত ব্যবসা শেষ হলো রাজাকার ৪.০ প্রজন্ম আবিস্কার করবেন?

৪| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০০

অপু তানভীর বলেছেন: তো আপনি জামাত বিএনপি যখন ক্ষমতায় তখন লুটপাট হয় নি বলতে চাচ্ছেন? চুরি তো দুই পক্ষেই করেছে সুযোগের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। পাকি প্রেমি যেমন চুরি করেছে চেতনা প্রেমী চুরি করেছে। আপনার চোখে কেবল একটা ধরা পড়ছে!

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চোর দুইজন কিন্তু একজন আপনার বাড়ির টাকা পয়সা, সোনাদানা, গয়নাগাটি, লেপতোষক, খাট পালঙ্ক সবই নিয়ে গেলো আরেক জন আপনার বাথরুমের বদনা নিয়ে গেলো তাহলে দুই চোরই কি সমান?

৫| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২১

অপু তানভীর বলেছেন: চুরি তো দুই পক্ষেই করেছে সুযোগের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। বদনা চোর সুযোগ পাইলে সোনার গয়নাও চুরি করবে!

যাইহোক, আমি শেখ হাসিনাকে স্বৈরাচার ভোট চোর হিসাবেই দেখি। গোআজমকে দেখি রাজাকার হিসাবে।
আপনার চোখে গোআজম রাজাকার তো?

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: বদনাচোর সোনা চুরি না করা পর্যন্ত তাকে সোনা চুরির দায়ে দোষ দেওয়া যাবেনা। কোন রাজাকারকে যদি আমি মুক্তিযোদ্ধা বলি আপনি কি তা মানবেন? যদি আদালত বা রাস্ট্রকতৃক স্বীকৃত হয় তাহলে তো কোন কথা থাকার কথা না ঠিক তেমনী গোলাম আজম যদি রাষ্ট্রকতৃক বা আদালত কতৃক রাজাকার আখ্যা দিয়ে থাকে তাহলে আমিও তাকে রাজাকার বললো না করলে বলবোনা।

৬| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ভিয়েতনাম আর বাংলাদেশ এক হইলো? আমাদের এতোদিন একটা চেতনা ছিল যেটা দেখায়ে দেশের চেতনাবাজরা আয়-রোজগার করতো। এখন আরেকটা চেতনা যোগ হয়ে মিলে-ঝুলে দুই-দুইটা চেতনা; সেখানে ভিয়েতনামের একটাও নাই।

এখন বলেন, কোন দেশ অগ্রগামী!!!! =p~

২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভিয়েতনাম বড্ড বোকা ওদের চেতনা নেই কাজেই আমরা অগ্রগামী :P

৭| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: কলেমা না পড়ে, আল্লাহ ও তার শেষ রাসূলের ওপর বিশ্বাস না করে, মনে সন্দেহ রেখে মুসলিমের বেশ ধরলে, তা যেমন আগাগোড়াই অর্থহীন;

তেমনি,
/বাংলাদেশের অস্তিত্বের বিরোধী হয়ে,
/৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে সন্দেহ পোষণ করলে,
/গণহত্যায় ও নারী নির্যাতনে সম্পৃক্ততা অস্বীকার করলে,
/অখণ্ড পাকিস্তানে গভীর ভাবে বিশ্বাস করলে,
বাংলাদেশে রাজনীতি করা তো দূরের কথা, এদের তো “বাংলাদেশী” বলারই কোন সুযোগ নেই।

ভাই আপনি কি বাংলাদেশী নাকি জামায়াতি?
—ওদের উদ্দেশ্যে এমন প্রশ্ন করা খুবই ন্যায্য।

সুতরাং, জামায়াতের জন্য যে একটামাত্র কাজ করা খুব যুক্তিযুক্ত ও জরুরি, তা হলো এদের (জামায়াতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃত্ত) সবার নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়া। তাদের সবার বিদ্যমান এন আই ডি, পাসপোর্ট ও জন্ম সনদ সার্ভারে block/invalid করে মূল কপিতে লাল কালির বাতিল সিল মেরে দেয়া অথবা perforate করে দেয়া (রাজাকার ও তার ২.০ প্রজন্মের ৭১ এ পাকিস্তান ভাঙ্গার কষ্টের চাইতে বাংলাদেশী পরিচয় নিশ্চিত করে এমন এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্মসনদ হারানোর কষ্ট নিশ্চয় বেশি হতে পারে না)। চূড়ান্ত পর্যায়ে এই আইন করে, সংসদে পাশ করে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যদি আমরা ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো রাজাকার ৩.০ প্রজন্ম এই বাংলাদেশের মাটিতে দেখতে না চাই।

বাংলাদেশে রাজনীতি করতে হলে, এই বাংলাদেশের নাগরিক সুবিধা নিতে হলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব নিঃশর্ত মেনে নিয়েই করতে হবে। আর না মানলে এদের জন্য ওই বন্দোবস্তই করতে হবে যেন তারা একমুখী বিমান টিকিট কেটে তাদের স্বপ্নের পবিত্র ভূমি পাকিস্তানের করাচির বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জেলে পল্লীতে গমন করতে পারে আর অধীর আগ্রহ নিয়ে এই আশায় থাকতে পারে যে কবে তাদের পেয়ারের পাকিস্তান সরকার তাদের পাকিস্তানী নাগরিকত্ব দেবে।

বর্তমান বাস্তবাতা এটাই যে শৈশবেই জামায়াতি রাজাকার কর্তৃক recruited এইসব শিক্ষার্থীরা বাংলা কিংবা মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমের সিলেবাসে মানসম্পন্ন না হতে পারে কিন্তু বাংলাদেশ বিরোধিতা/বিদ্বেষের বিষয়ে ২.০ প্রজন্মের রাজাকার হিসেবে এরা অনন্য সাধারণ মানসম্পন্ন, শতভাগ নিশ্চয়তা সহকারে।

/মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা শৈশব থেকে তাদের ওস্তাদজীদের কাছ থেকে এটাই জেনে এসেছে যে জাতীয় সঙ্গীত আর জাতীয় পতাকা ইসলামের ধর্মীয় নীতির সাথে সাংঘর্ষিক। উপরন্তু ৭১ এর মুক্তিসংগ্রাম তাদের কাছে ভারতীয় হিন্দুদের ষড়যন্ত্রের কারণে পাকিস্তানের অখণ্ডতা বিনষ্টের কাহিনী মাত্র। এর বেশি কিছু নয়।

/এছাড়াও মাদ্রাসা মাধ্যম সহ অন্যান্য মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা,

-জামায়াত শিবির সংশ্লিষ্ট কোচিং সেন্টারে বিশেষ হ্রাসকৃত সুলভ মূল্যে পড়াশোনা করেছে,
-সাজেশনের নামে ফাঁসকৃত মূল প্রশ্নপত্র পেয়েছে, -বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা ফি আর ঢাকায় মেসে থাকার সিট ভাড়াও ওই দলের কাছ থেকেই পেয়েছে,
-এমনকি পড়াশোনা শেষে তাদের চাকরিটাও ওই দলেরই বদানত্যায় পাওয়া, কারণ জামায়াত সংশ্লিষ্ট স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, মাদ্রাসা, ব্যাংক, এনজিও প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে সহজেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের placement হয়।
-এরপর কি গল্প শেষ? মোটেও না। যে সংগঠন জীবিকার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তারা কি এমনি এমনি ছেড়ে দিবে? তারা তাদের জীবনের আয় উপার্জন কালে সংগঠনে ২০/৩০ বছর ধরে নির্দিষ্ট পরিমাণ চাদা/হাদিয়া দিতে বাধ্য থাকে। এরাই জামায়াতি রাজাকার বা রাজাকার কর্তৃক শৈশব থেকে গড়ে তোলা cash cow বা দুধেল গাই বিশেষ।

সুতরাং তাদের আনুগত্য নিরংকুশ ভাবেই ওই দলটির জন্য আমৃত্যু সংরক্ষিত থাকবে, যাদের কাছ থেকে তারা শৈশব থেকে বিবিধ সুবিধাদি পেয়ে এসেছে, এটিই স্বাভাবিক। শৈশব থেকেই তাদের তৈরি করা বুদবুদের মাঝে বা তাদের বাস্তুসংস্থানে বড় হওয়া এই প্রজন্মগুলো ইসলাম বলতে বোঝে কেবল ওই দলের “মওদুদীবাদ বিশেষায়িত ইসলাম”।

সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত জামায়াতি মোনাফেক, তাদের শুভাকাঙ্ক্ষী ও তাদের প্রতক্ষ্য ও পরোক্ষ্য সুবিধাভোগীদের এন আই ডি, পাসপোর্ট আর জন্মসনদ বাতিল, তাদের পাকিস্তান গমনের একমুখী টিকেট ধরিয়ে দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে শৈশবেই শিক্ষা ব্যাবস্হার মধ্য দিয়ে শিশুরা যে ভ্রান্ত জামায়াতি আকিদার দূষনের শিকার, তা যে কোন মূল্যে রোধ করতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।

সমাজকে deJamatification এর মাধ্যমে detox করতে হবে।

৮| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ছাত্রশিবিরের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক— ডাকসু ভিপি— আবু সাদিক কায়েম আজ বলেছে, ‘২০২৪ সালের ১৭ জুলাই— মূলত ঐদিনই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।’ বৃহত্তর জামায়াতে ইসলামি এর আগে বলাবলি করেছে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৫ আগস্ট। বৃহত্তর জামায়াত এও বলে থাকে— বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে আসলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট। অর্থাৎ জামায়াতের কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাদিবস অনেকগুলো। কথিত আছে— ‘নাইয়ার এক নাও, নিনাইয়ার শতেক নাও’। এর মানে, যার নৌকা আছে, তার নৌকা মূলত একটাই, সে অন্য কারও নৌকায় চড়ে না বা চড়ার প্রয়োজন বোধ করে না। পক্ষান্তরে, যার নৌকা নেই, তাকে শত-শত নৌকায় চড়তে হয়। আরও কথিত আছে— যার স্বামী আছে, তার এক ভাতার; যার স্বামী নেই, তার দশ ভাতার।

জামায়াতে ইসলামির প্রতিষ্ঠাতা আমির সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদি ভারতবর্ষের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অন্তত ১৯৩০ সাল থেকে অক্লান্তভাবে লেখালিখি করেছেন, লেখালিখি করেছেন উপমহাদেশে মুসলমানদের জন্য আলাদা আবাসভূমি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধেও। মওদুদি ১৯৪১ সালে জামায়াতে ইসলামি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মূলত ভারতবর্ষের স্বাধীনতা ও পাকিস্তানের জন্মের বিরোধিতা করার জন্য। আর ১৯৭১ সালে জামায়াত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গিয়ে স্বজাতির ওপর গণহত্যা চালিয়েছে। ফলে, জামায়াত একাত্তরেরও পরাজিত শক্তি, সাতচল্লিশেরও পরাজিত শক্তি; সাতচল্লিশের ১৪ আগস্টও জামায়াতের পরাজয়দিবস, একাত্তরের ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বরও জামায়াতের পরাজয়দিবস। জামায়াতের জন্য যেহেতু সব দিবসই পরাজয়দিবস এবং যেহেতু জামায়াতের কোনো বিজয়দিবস বা স্বাধীনতাদিবস নেই, সেহেতু জামায়াত এখন নতুন করে বিজয়দিবস ও স্বাধীনতাদিবস খুঁজছে। এজন্যই অন্যদের বিজয়দিবস একটা, স্বাধীনতাদিবসও একটা; কিন্তু জামায়াতের একেক নেতাকর্মীর বিজয়দিবস ও স্বাধীনতাদিবস একেক রকমের। অন্যদের স্বামী আছে, তাই অন্যদের ভাতার একজন করে; জামায়াতের স্বামী নেই অথবা জামায়াতের স্বামীসংখ্যা দশ বা ততোধিক।

-কীর্তিমান মানব

৯| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ওরেব্বাবা একজন চেতনার ফেরী নিয়ে হাজির!

১০| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:০৪

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: যে যত মুজিব মুজিব বলে চেতনার ঝান্ডা নিয়ে কুত্তার মতো জিহবা বের করে চিল্লাইছে সে তত বাংলাদেশের পু*টকি মাইরা ফাটাইয়া ফেলাইছে, রক্ত বাইর কইরা দিছে।

১১| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: চেতনা ব্যবসায়ীরা বড়জোর ইহকালে ঝামেলায় পড়বে কিন্তু ইসলামের চেতনা নিয়ে ব্যবসা করা জামায়াতি মোনাফেক আর তার মুরীদকুলের পরকাল তো নিশ্চিতভাবেই ফকফকা....।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০৪

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অবশ্যই মোনাফেকদের অবস্থা ফকফকা; কে মোনাফেক তা নিশ্চয় আল্লাহ নির্ধারণ করবেন।

১২| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। ভিয়েতনাম যেভাবে আমেরিকায় পন্য রপ্তানী করে বৈদাশিক মুদ্রা আয় করছে, আমাদেরও উচিত পাকিস্তানের সাথে সব ধরনের ঘৃণা ও বিভেদ ভুলে বাণিজ্য চুক্তি করা।

বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ও মাপের জঙ্গি এবং তৌহিদী জনতা রপ্তানী করে বিপুল পরিমান বৈদাশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করি।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:২১

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সমস্যাটা এখানেই আপনাদের মননে অন্তরে ভারত প্রেম তাই ভারতের চশমায় আপনারা তৌহিদী মৌহিদী বালছাল এগুলোই দেখবেন। হাসিনার সময় আপনারা দেশে শুয়োর আম্লিগ বাদে সবাইকে শুধু জংগী রুপেই দেখতেন। বাংলাদেশকে জঙ্গীর কারখানা বানিয়ে ফেলেছিলেন। প্রতিদিন জঙ্গী ধরতেন, অস্ত্রকারখানা আবিস্কার করতেন, পাহাড়ে জঙ্গী ক্যান্টনমেন্ট আবিস্কার করতেন। হাসিনা তার ভাতাদের কাছে যাওয়াতে আপনারা খুবই ব্যথাতুর হয়ে পড়েছেন। ২৪ এর ব্যথা ভুলতে পারছেন না তাই তো ইউনূসকে দানব বানাতে গিয়ে হাসিনার অপকর্মকে হালকা করে ফেলছেন। ৭১ এর চেতনায় বুদ হয়ে শুধুই পিছে টানছেন সামনে দেখার সুযোগ কই? সৃষ্টি যতদিন আছে ততদিন পাকিস্তানকে ঘৃনা করে যেতে হবে আর ভারতকে সেজদা করে যেতে হবে তাছাড়া সে কোনদিন স্বাধিনতার পক্ষের শক্তি নয় ওরা স্বাধিনতার বিপক্ষের শক্তি।

১৩| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২১

অপু তানভীর বলেছেন: গোলাম আজম যদি রাষ্ট্রকতৃক বা আদালত কতৃক রাজাকার আখ্যা দিয়ে থাকে তাহলে আমিও তাকে রাজাকার বললো না করলে বলবোনা।

=p~ =p~

ভাল থাকুন!

২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:২২

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: :-P :D :)

১৪| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:০৩

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আমরা শৈশবে শুনতাম, মুঘল মারাঠাদের পানিপথের যুদ্ধের কাহিনী আর আমাদের কয়েক প্রজন্মের পরের বাচ্চা কাচ্চারা শুনবে পা৭য়ুযোদ্ধাদের পায়ুপ@থের যুদ্ধের কাহিনী।

কওমে লুত (আ: ) এর কাহিনী শুনিয়ে সেই শিশুদের ওপরই মাদ্রাসা শিক্ষক কিভাবে ব্যবহারীক পরীক্ষা (পায়ু০কাম/শিশু৳কাম/সমকা৯ম) প্রয়োগ করে এ আমাদের বুঝে আসে না। কারণ সমাজে বিবিধ প্রকার অবৈধ সম্পর্ক স্বাভাবিকিকরণের অপবাদ দিয়ে ওনারাই কিন্তু সিনেমা, সিনেমা হল, নাটক, মঞ্চ নাটক, পথ নাটক প্রদর্শনের বিরুদ্ধে সোচ্চার।

নারীতে নিরাসক্ত মাদ্রাসার এই সকল শিক্ষকরা পরবর্তীতে সামাজিক চাপে পড়ে ঘরে বিবি আনে। তারপর তারা রূপান্তরিত হয় উভকামীতে। ঘরে অল্পবয়সী সুন্দরী বিবি আর মাদ্রাসায় তাদের পরম আরাধ্য ঘেটুপুত্র! আবার ওনারা জনসাধারণকে বলে বেড়ায় একের অধিক তো বটেই চার বিয়ে (মাসনা, সুলাসা, রুবাইয়া) করতে। এই বন্দোবস্ত নাকি যেনা থেকে মানুষকে প্রতিহত করে। এই তৌহিদী জনতার ধারক আলেমদের প্রগতিশীলতা (?) দেখে তো উল্টো আমাদেরই লজ্জা পাওয়ার কথা।

দাড়ি টুপি ওয়ালা মাদ্রাসার হুজুররা যখন স৯মকাম/শি৩শুকাম করে তখন তা আমাদের আলেমদের চোখে যেন হালাল। এ ব্যাপারে ওনারা সম্মিলিত ভাবেই নিশ্চুপ থাকেন। নিশ্চুপ মূর্তির ভাব ধরে ওনারা ওনাদের ভাবমূর্তি রক্ষা করেন।

আসলে যেকোন ভাবেই হোক যে মাদ্রাসার উসিলায় তারা বছর বছর হাদিয়ার বন্যায় ভেসে যান, রুটি রুজির সংস্থান হয়, সেই মাদ্রাসার নিয়ে নেতিবাচক কথা বলে (আত্ম সমালোচনা করে) মাদ্রাসা বাণিজ্য তো আর বন্ধ করা যাবে না।

নিজের হালুয়া রুটির সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত কি কেউ নিজে নষ্ট করে?

আমাদের এই প্রগতিশীল তৌহিদী জনতার ইসলামী চেতনা নিয়ে আপনারা অনেক দূর এগিয়ে যান।

২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: যাক আপনি যে পা১য়ুপথের যোদ্ধা তা বোঝা যাচ্ছে শুধু পা২য়ুপথের যোদ্ধাই না আপনি মা৩গিপাড়ার সর্দারও বটে। কীভাবে আপনার ধ্ব৪জভঙ্গ হয়েছিল মা৫গিপাড়া পা৬য়ুপথে যুদ্ধ করতে গিয়ে সেই গল্প অবশ্যই নাতীপুতিদের শোনাবেন অন্যআঙ্গীকে বলবেন আমি বীর পা৭য়ূমাগী যোদ্ধা

মাদ্রাসা, মৌলভী, আলেমওলামা নিয়ে যে আপনার পা৮য়ুপথে গুড়োক্রিমি যুদ্ধ করে সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

১৫| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩

অরণি বলেছেন: মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ সাহেব আপনার ধর্ম নিয়ে চুলকানি আছে

১৬| ২১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৮

মাথা পাগলা বলেছেন: পাকিস্তান প্রেম, শি/শুকাম, পা/য়ু যোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়নে ব্যর্থ হলে, ভবিষ্যতে এর মাসুল পুরো জাতিকে দিতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.