| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।
সমস্যা হচ্ছে, ওড়না তো আর সরকারি উন্নয়ন বাজেট না যে একই সঙ্গে পাঁচ জায়গায় বরাদ্দ দেওয়া যাবে।
তার আয়তন সীমিত।
বিশেষ করে আধুনিক ওড়না। কোনো কোনো ওড়না দেখে মনে হয়, প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কাপড়ের বিশ্বব্যাপী সংকট সম্পর্কে আমাদের আগেই সতর্ক করে দিয়েছে। বুক ঢাকলে মাথা বাকি থাকে, মাথা ঢাকলে বুক।
ফলে আজানের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও জ্যামিতিক সংকট দেখা দেয়।
ওড়নাটি কোথায় যাবে?
মাথায়?
নাকি বুকে?
ধরা যাক, আজান শুরু হলো। একজন নারী দ্রুত বুকের ওপর থেকে ওড়নাটি সরিয়ে মাথায় দিলেন। মাথা যথাযথভাবে ঢাকা পড়ল। কিন্তু এই সফল অভিযানের ফলে নিচের ফ্রন্টটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে গেল।
এখন আল্লাহর কাছে কোনটা বেশি গ্রহণযোগ্য, এই হিসাবটা আমার জানা নেই।
তবে দৃশ্যটি বেশ চমৎকার: শালীনতা রক্ষার জন্য কাপড়টি এক জায়গা থেকে সরিয়ে আরেক জায়গায় নেওয়া হলো, এবং এই স্থানান্তরের ফলে আগে ঢাকা জায়গাটিই আর ঢাকা রইল না।
এ যেন একটি থানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাশের থানার সব পুলিশ নিয়ে আসা।
সম্ভবত ভবিষ্যতে ওড়নার গায়ে নির্দেশিকা দেওয়া দরকার:
“আজানের সময় মাথায় ব্যবহারের পূর্বে নিশ্চিত হোন যে অন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলসমূহ নিরাপদ অবস্থায় আছে।”
আর পোশাক কোম্পানিগুলো চাইলে বিশেষ “আজান-কমপ্যাটিবল ওড়না” বাজারে আনতে পারে। Extra Long. Dual Coverage. মাথা ও বুক একসঙ্গে ঢাকার নিশ্চয়তা।
কারণ সমস্যাটা ধর্মতাত্ত্বিক হওয়ার আগেই এখন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সমস্যা হয়ে গেছে।
তবে সবচেয়ে সহজ সমাধান সম্ভবত আরও সহজ।
আজান শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওড়না কোথায় আছে, সেটা নিয়ে টানাটানি শুরু করার আগে একবার আয়নায় তাকানো।
কারণ মাথা ঢাকতে গিয়ে যদি বুকটাই খুলে যায়, তাহলে অন্তত এটুকু বলা যায়:
অপারেশন সফল। রোগী মারা গেছে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৯
মুনতাসির বলেছেন: জি অবশ্যই কিন্তু আমি যা লিখেছি সে আমার নিজের অভিজ্ঞতা। তাও ৩ যুগ তো হবেই।
২|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আযান পড়লেই যে ওড়না মাথায় টানতে হবে এমন তরিকা কোথা
কোন হাদিসে আছে । বিশ্বে বাংলাদেশ ছোট্ট একটি দেশে ।
সারা বিশ্বে কোথাও জোরে মাইকে আজান হয়না ।ইউরোপ, আমেরিকা
বা অষ্ট্রেলিয়া তো কিছুতেই নয় ।
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে আর আমরা পিছনে কি ছিল কি করব ইত্যাদি ভাবছি ।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১১
মুনতাসির বলেছেন: আপনি আপেলের সাথে কমলা তুলনা করছেন। এক এক দেশের নীতি এক এক হবে। এটাই নরমাল।
৩|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১০
রাজীব নুর বলেছেন: ইসলাম ধরে বেশ জটিলতা আছে।
ইসলামে মেয়েদের সব সময়ই মাথা আবৃত করে রাখার আদেশ দেয়া আছে।
এর উপকারিতা কি আমি জানি না। তবে মনে হয় নামাজকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মেয়েরা মাথায় কাপড় দেয়।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৩
মুনতাসির বলেছেন: আমরা এসব কঠিন বিষয়ে না যাই!
৪|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৮
খায়রুল আহসান বলেছেন: কত রকমের যে সমস্যা আছে!
ওড়না নিয়ে এ রকমের যে কাপড়ের টানাটানির সমস্যা আছে, সেটাই তো জানা ছিল না! জানিনা, কবে থেকে এ রকম 'আধুনিক ওড়না'র প্রচলন শুরু হলো!
যাহোক, সমস্যা যখন এসেছে, সমাধানও আসবে।
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫২
মুনতাসির বলেছেন: একদম, সটস পরে চালাচল করাও এখন সমস্যা।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আসলে আযান পড়লেই যে ওড়না মাথায় টানতে হবে তা না,
ঘরে অনেক সময় মাথায় ওড়না থাকে না, কাজে কর্মে ব্যস্ত মেয়েরা। আযান পড়লে মাথায় ওড়না দিতেই হবে এমন কোন নির্দেশনা কোথাও পাইনি। আহমদু্ল্লাহ হুজুরের একটা বক্তব্যে শুনেছি, মাথায় কাপড় না দিলেও কিছু হবে না।
আর বাহিরে যারা পর্দা মানার চেষ্টা করেন তাদের মাথায় ওড়না বা হিজাব থাকেই-তা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।