নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অজানা মহাবিশ্বে ভ্রমণশীল...

রাজনীতি-মুক্ত ব্লগ

এস. এম. রায়হান

আমি লেখক নই, নই কোন কবি-সাহিত্যিক কিংবা সাংবাদিক। অবসরে কিছু লেখালেখির চেষ্টা করি মাত্র।

এস. এম. রায়হান › বিস্তারিত পোস্টঃ

এক নজরে বৌদ্ধ ধর্ম

২৩ শে মে, ২০১১ রাত ২:১৬

গৌতম বুদ্ধ ছিলেন প্রাচীন ভারতের এক ধর্মগুরু এবং তাঁর দ্বারা প্রচারিত ধর্ম বিশ্বাস ও জীবন দর্শনকে বৌদ্ধ ধর্ম বলা হয়। খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অনুগামীরা তাঁর জীবনকথা ও শিক্ষা লিপিবদ্ধ করেন। তাঁর শিক্ষাগুলি প্রথম দিকে মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। বুদ্ধের মৃত্যুর প্রায় চারশো বছর পর এগুলি লিপিবদ্ধ করা হয়।



গৌতম বুদ্ধের পিতা ছিলেন রাজা শুদ্ধোদন আর মাতা ছিলেন মায়াদেবী। মায়াদেবী কপিলাবস্তু থেকে পিতার রাজ্যে যাবার পথে অধুনা নেপালের অন্তর্গত লুম্বিনি গ্রামে বুদ্ধের জন্ম দেন। তাঁর জন্মের সপ্তম দিনে মায়াদেবীর জীবনাবসান হয়। পরে তিনি বিমাতা গৌতমী কর্তৃক লালিত হন। জন্মের পঞ্চম দিনে রাজা ৮ জন জ্ঞানী ব্যক্তিকে সদ্যোজাত শিশুর নামকরণ ও ভবিষ্যৎ বলার জন্য ডাকেন। তাঁর নাম দেয়া হয় সিদ্ধার্থ – যে সিদ্ধিলাভ করেছে বা যার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন বলেন, রাজকুমার একদিন সত্যের সন্ধানে বেরিয়ে যাবেন এবং বোধিপ্রাপ্ত হবেন।



বুদ্ধের বিবাহ সম্বন্ধে দু-ধরণের মত আছে। প্রথম মত অনুসারে ১৬ বছর বয়সে তিনি একটি প্রতিযোগিতায় তাঁর স্ত্রীকে লাভ করেন। আর একটি মত অনুসারে ২৮ বছর বয়সে তাঁকে সংসারের প্রতি মনোযোগী করার জন্য তাঁর পিতা-মাতা তাঁকে রাজকন্যা যশোধরার সাথে বিবাহ দেন।



কথিত আছে, একদিন রাজকুমার সিদ্ধার্থ বেড়াতে বের হলে ৪ জন ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। প্রথমে তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, অতঃপর একজন অসুস্থ মানুষ, এবং শেষে একজন মৃত মানুষকে দেখতে পান। তিনি তাঁর সহিস চন্নকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে, চন্ন তাঁকে বুঝিয়ে বলেন যে এটিই সকল মানুষের নিয়তি। একই দিন কিংবা অন্য একদিন তিনি দেখা পেলেন একজন সাধুর, যিনি মুণ্ডিতমস্তক এবং পীতবর্ণের জীর্ণ বাস পরিহিত। চন্নকে এঁর সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন উনি একজন সন্ন্যাসী যিনি নিজ জীবন ত্যাগ করেছেন মানুষের দুঃখের জন্য। রাজকুমার সিদ্ধার্থ সেই রাত্রেই ঘুমন্ত স্ত্রী, পুত্র, পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন। সিদ্ধার্থের এই যাত্রাকেই বলা হয় মহানিষ্ক্রমণ। তার মানে মানুষের বৃদ্ধ হওয়া, অসুস্থ হওয়া, মৃত্যু হওয়া, এবং সন্ন্যাসীদের সম্বন্ধে বুদ্ধের কোনো ধারণা ছিল না। তিনি এগুলো জানতে পেরেছেন চন্ন নামের এক ব্যক্তি থেকে। এই অবস্থায় ঘুমন্ত স্ত্রী, পুত্র, পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন।



দুঃখ ও দুঃখের কারণ সম্বন্ধে জানতে সিদ্ধার্থ যাত্রা অব্যাহত রাখেন। প্রথমে তিনি আলারা নামক একজন সন্ন্যাসীর কাছে যান। তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট হতে না পেরে তিনি যান উদ্দক নামক আর একজনের কাছে। কিন্তু এখানেও কোনো ফল না পেয়ে কিছু দিন যাবার পর তিনি মগধের উরুবিল্ব নামক স্থানে গমন করেন। সেখানে প্রথমে একটি উত্তর-পূর্বমুখি শিলাখণ্ডের উপর বোধিসত্ত্ব জানু পেতে বসে আপন মনেই বলেছিলেন যে, "যদি আমাকে বুদ্ধত্বলাভ করতে হয় তা হলে বুদ্ধের একটি প্রতিচ্ছায়া আমার সম্মুখে দৃশ্যমান হোক।" এই কথা উচ্চারিত হবার সঙ্গে সঙ্গে শিলাখণ্ডের গায়ে তিন ফিট উঁচু একটি বুদ্ধের প্রতিচ্ছায়া প্রতিফলিত হলো। বোধিসত্ত্ব তপস্যায় বসার পূর্বে দৈববাণী হয় যে, "বুদ্ধত্ব লাভ করতে গেলে এখানে বসলে চলবে না; এখান থেকে অর্ধযোজন দূরে পত্রবৃক্ষতলে তপস্যায় বসতে হবে।" এরপর দেবগণ বোধিসত্ত্বকে সঙ্গে করে এগিয়ে নিয়ে যান। মধ্যপথে একজন দেবতা ভূমি থেকে একগাছা কুশ ছিঁড়ে নিয়ে বোধিসত্ত্বকে দিয়ে বলেন যে, এই কুশই সফলতার নিদর্শন স্বরূপ। বোধিসত্ত্ব কুশগ্রহণের পর প্রায় পাঁচ শত হাত অগ্রসর হন এবং পত্রবৃক্ষতলে ভূমিতে কুশগাছটি রেখে পূর্বমুখি হয়ে তপস্যায় বসেন। কঠোর সাধনার ফলে তাঁর শরীর ক্ষয়ে যায়। কিন্তু এ তপস্যায় তিনি ভয়, লোভ ও লালসাকে অতিক্রম করে নিজের মনের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করতে সক্ষম হলেন। সহসা তিনি বুঝতে পারলেন এভাবে বোধিলাভ হবে না। তিনি তাই আবার খাদ্য গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেন। অবশেষে কঠোর তপস্যার পর তিনি বুদ্ধত্বপ্রাপ্ত হলেন। তিনি দুঃখ, দুঃখের কারণ, প্রতিকার প্রভৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করলেন। এ ঘটনাটিই বোধিলাভ নামে পরিচিত। আক্ষরিক অর্থে "বুদ্ধ" বলতে একজন জ্ঞানপ্রাপ্ত মানুষকে বোঝায়। উপাসনার মাধ্যমে উদ্ভাসিত আধ্যাত্মিক উপলব্ধি এবং পরম জ্ঞানকে "বোধি" বলা হয়।



বুদ্ধের দর্শনের প্রধান অংশ হচ্ছে দুঃখের কারণ ও তা নিরসনের উপায়। বাসনা সর্ব দুঃখের মূল। বৌদ্ধমতে সর্বপ্রকার বন্ধন থেকে মুক্তিই হচ্ছে প্রধান লক্ষ্য। এটাকে নির্বাণ বলা হয়। নির্বাণ শব্দের আক্ষরিক অর্থ নিভে যাওয়া, বিলুপ্তি, বিলয়, অবসান। এ-সম্বন্ধে বুদ্ধের চারটি উপদেশ (Four Noble Truths) যা আর্যসত্য বা চতুরার্য সত্য নামে পরিচিত:





1. Suffering does exist



2. Suffering arises from attachment to desires



3. Suffering ceases when attachment to desire ceases



4. Freedom from suffering is possible by practicing the Eightfold Path



বলা হচ্ছে দুঃখ একটি বাস্তবতা – যা বুদ্ধের আগেও সবারই জানার কথা। এই দুঃখের কারণ হচ্ছে কামনা-বাসনা-বন্ধন। সকল প্রকার কামনা-বাসনা-বন্ধন থেকে মুক্তি লাভই হচ্ছে নির্বাণ। এগুলোকেই বুদ্ধের চারটি উপদেশ তথা "Four Noble Truths" বলা হয়।



বুদ্ধ পরকাল সম্বন্ধেও অনেক কিছুই বলে গেছেন। পরকাল নির্ভর করে মানুষের ইহ জন্মের কর্মের উপর। মৃত্যুর পর মানুষ ৩১ লোকভূমিতে গমন করে। এই ৩১ লোকভূমি হছে ৪ প্রকার অপায়: তীর্যক, প্রেতলোক, অসুর, নরক। ৭ প্রকার স্বর্গ: মনুষ্যলোক, চতুর্মহারাজিক স্বর্গ, তাবতিংশ স্বর্গ, যাম স্বর্গ, তুষিত স্বর্গ, নির্মানরতি স্বর্গ, পরনির্মিত বসবতি স্বর্গ। ১৬ প্রকার রুপব্রহ্মভূমি। ৪ প্রকার অরুপব্রম্মভূমি। মোট ৩১ প্রকার। এই ৩১ প্রকার লোকভুমির উপরে সর্বশেষ স্তর হচ্ছে নির্বাণ (পরম মুক্তি)। যেমন: ইহজন্মে মানুষ যদি মাতৃহত্যা, পিতৃহত্যা, গুরুজনের রক্তপাত ঘটায় তাহলে মৃত্যুর পর সেই মানুষ চতুর উপায়ে (তীর্যক, প্রেতলোক, অসুর, নরক) জন্মগ্রহণ করে, আর ইহজন্মে মানুষ যদি ভালো কাজ করে তাহলে মৃত্যুর পর সেই মানুষ বাকি ২৮ লোকভূমিতে গমন করে।



ত্রিপিটক হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মীয় পালি গ্রন্থের নাম। পালি তি-পিটক হতে বাংলায় ত্রিপিটক শব্দের প্রচলন। তিন পিটকের সমন্বিত সমাহারকে ত্রিপিটক বোঝানো হয়। পিটক শব্দের অর্থ ঝুড়ি যেখানে কোনো কিছু সংরক্ষণ করা হয়। খ্রীষ্টপূর্ব ৩য় শতকে সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে ত্রিপিটক পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসাবে স্বীকৃত হয়। এই গ্রন্থের গ্রন্থনের কাজ শুরু হয়েছিল বুদ্ধের পরিনির্বানের তিন মাস পর অর্থাৎ খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৩ অব্দে এবং সমাপ্তি ঘটে খ্রীষ্টপূর্ব প্রায় ২৩৬ অব্দে। প্রায় তিনশ বছরে তিনটি সঙ্ঘায়নের মধ্যে এর গ্রন্থায়নের কাজ শেষ হয়।



বৌদ্ধ ধর্মে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার কোনো ধারণা নাই। বলা হয়ে থাকে বুদ্ধও নাকি স্রষ্টার প্রশ্নে নীরব ছিলেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের ধর্মগ্রন্থকে স্রষ্টার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করা হয় না। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে মাথায় রেখে বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন রাখা হলো (কোনো প্রকার আক্রমণ বা হেয় অর্থে নয়):



- বৌদ্ধরা জন্মান্তরবাদ তথা কর্মের উপর ভিত্তি করে জন্ম-মৃত্যু'র চক্রে বিশ্বাস করে। তাদের এও বিশ্বাস যে, গৌতম বুদ্ধ নির্বাণ লাভ করেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে গৌতম বুদ্ধ কী করে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তিনি সত্যি সত্যি নির্বাণ লাভ করেছেন? বৌদ্ধ ধর্মে অনুসারীরাই বা কীসের উপর ভিত্তি করে তা বিশ্বাস করে। গৌতম বুদ্ধের পর আর কেউ নির্বাণ লাভ করেছেন কি-না?



- মানুষের কর্মের উপর ভিত্তি করে পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না – কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?



- গৌতম বুদ্ধের সামনে শিলাখণ্ডের গায়ে তিন ফিট উঁচু একটি বুদ্ধের প্রতিচ্ছায়া কীভাবে প্রতিফলিত হলো, দৈববাণী এবং দেবগণ কোথা থেকে এলো, আর গৌতম বুদ্ধ জ্ঞান লাভই বা করলেন কোথা থেকে?



- স্বর্গ, নরক, অসুর, প্রেতলোক, ইত্যাদির অবস্থান কোথায় এবং এগুলোকে কে সৃষ্টি করেছে?



- বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, ও অন্যান্য বড় বড় অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা কে ও কীভাবে করবে? তাদের হাতে যারা বলি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরই বা কী হবে? তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে?



- জীব হত্যা মহা পাপ – ভাল কথা। কিন্তু কেউ এই মহা পাপ করে ফেললে বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী তার কোনো বিচার বা শাস্তির ব্যবস্থা আছে কি-না?



সূত্র:



১. বৌদ্ধ ধর্ম - উইকিপিডিয়া



২. গৌতম বুদ্ধ - উইকিপিডিয়া



৩. Buddhism - Wikipedia

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মে, ২০১১ রাত ২:৫৭

বিনলাদিন বলেছেন: তাঁর জন্মের সপ্তম দিনে মায়াদেবীর জীবনাবসান হয়।

অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। জন্মের পর পিতা বা মাতাকে না পাওয়া মানে দুনিয়ায় কিছুই না পাওয়া।

২| ২৩ শে মে, ২০১১ সকাল ৯:৪১

মহি আহমেদ বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্ম ভারত বর্ষে জন্মলাভ করলেও ভারতে যে এই ধর্ম খুব একটা ঠাই পায় নাই তার কারন কি সে ব্যপারে কিছু বললে খুশী হতাম।

২৩ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩২

এস. এম. রায়হান বলেছেন: আপনার কথা ঠিক। বৌদ্ধ ধর্ম ভারত বর্ষে জন্মলাভ করলেও মূলত ব্রাহ্মণবাদীদের কারণে ভারতে টিকে থাকতে পারেনি। তবে এই লেখার বিষয়বস্তু আলাদা বিধায় সেই প্রসঙ্গ আসেনি। এ বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর লেখাও আছে।

৩| ২৩ শে মে, ২০১১ সকাল ১১:৫৫

ছোটমির্জা বলেছেন:
কেমন আছেন?

২৩ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৯

এস. এম. রায়হান বলেছেন: এই তো চলছে। আপনাকে মনে হয় অনেক দিন পর দেখলাম।

৪| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: এই ভারতিয় ধর্ম টা সুদুর চিন কোরিয়া তে গেল কিভাবে ?

২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৩৪

এস. এম. রায়হান বলেছেন: প্রচারের মাধ্যমে গেছে নিশ্চয়।

৫| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৩৮

নিশাচর নাইম বলেছেন: স্রষ্টায় অবিশ্বাসী অনেকেই বুদ্ধকে হযরত জুলকিফল (আঃ)(বা এরকম কিছু) নামে পরিচয় দেয় যেটা খ্রিস্টানরা ইসা(আঃ) কে যীশু হিসেবে মনে করে সেইরকম।আপনি কখনো শুনেছেন নাকি এরকম কিছু?

৬| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৪১

সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: + + + +

৭| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৪৮

ক্ষ বলেছেন: উত্তর : ১

গৌতম বুদ্ধের পরেও নির্বাণ লাভ করছে .

নির্বাণ যারা প্রাপ্ত হয় তাদের জীবন দশায় অর্হত বলা হয়। এইরকম আরো একটা লেভেল আছে সেটা হলো স্রোতপ্রাতিফল্ল । তত্রিপিটক এ প্রতিটি লেভেলের মানুষের কি কি বৈশিষ্ঠ থাকবে সেগুলো বলা আছে. সেটা দেখে লেভেল নির্ণয় করা হয় ।

নির্বাণ কোনো ইউনিক আইডিয়া না । মহাভারতে নির্বানের কথা বলা আছে । যদিও গৌতম বুদ্ধের পূর্বে ত্রিপিটক অনুসারে আরো বুদ্ধ ছিলো ।

২৪ শে মে, ২০১১ রাত ২:১২

এস. এম. রায়হান বলেছেন: এইটা তো প্রশ্নের জবাব হলো না। প্রশ্নটি আবার বলি:

কেউ নির্বাণ লাভ করা মানে তার আর জন্ম হবে না, তাই না? ফলে গৌতম বুদ্ধ কী করে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তিনি সত্যি সত্যি নির্বাণ লাভ করেছেন। বৌদ্ধ ধর্মে অনুসারীরাই বা কীসের উপর ভিত্তি করে তা বিশ্বাস করে। গৌতম বুদ্ধের পর আর কেউ নির্বাণ লাভ করেছেন কিনা।

৮| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৫০

ক্ষ বলেছেন: উত্তর ২ কর্মই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে .

২৪ শে মে, ২০১১ রাত ২:১৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার 'কর্ম' তাকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। 'কর্ম' কি ঈশ্বরের মতো কিছু যে কোন কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

৯| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ১:৫৪

ক্ষ বলেছেন: ৩. বুদ্ধের মৃতুর পর অনেক মিথ জন্ম নেয় , এইডাও একটা মিথ . এই সব মিথের সৃষ্টিকারক রা বুদ্ধরে ভগবান বা ঈশ্বর বানাইয়া ফেলছে . খারান ফেইস বুক এর একটা লিঙ্ক দেই

View this link

১০| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ২:০৭

এস. এম. রায়হান বলেছেন: @ক্ষ, উত্তরগুলো কি বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী হিসেবে দিলেন?

১১| ২৪ শে মে, ২০১১ রাত ২:২২

ক্ষ বলেছেন: যুক্তিতে গেলে ধর্ম গুলো আর ধর্ম থাকে না . সকল ধর্মের মতো এইডাও ইনভেলিড হয়ে যায় . উত্তর গুলো বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী হিসাবে দেই নাই .


২৪ শে মে, ২০১১ রাত ২:৩৬

এস. এম. রায়হান বলেছেন: প্রশ্নগুলো ছিল বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি। আপনি তাহলে কী হিসেবে উত্তর দিলেন।

১২| ২৪ শে মে, ২০১১ সকাল ৮:৫৯

ব্রেথ অব ফেট বলেছেন: apni evabe buddhism k nichu korchen keno....??!! evabe karo bisshase akromon kora ta ki thik...???

২৪ শে মে, ২০১১ দুপুর ১২:১৮

এস. এম. রায়হান বলেছেন: বৌদ্ধ ধর্মকে কীভাবে নীচু করা হলো, আর কারো বিশ্বাসেই বা কোথায় আক্রমণ করা হলো? আপনি কি বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী?

১৩| ০৩ রা জুন, ২০১১ রাত ৯:৪১

ব্রেথ অব ফেট বলেছেন: আপনার উত্তর আপনিই খুজে নিন........ আর হ্যা... আমি বৌদ্ধ.........

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.