| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লাইক দ্যা টয় সোলজার।
গানটার মাহাত্ম্য কি বুঝি না। কিন্তু সুর টা কেন জানি ইমোশানাল করে। শুনতে শুনতে পুরোনো দিনের কথা মনে আসে শুধু। এই যেমন এখন, ভাবতে ভাবতে চলে গেলাম এক দম ছোট বেলায়। যখন ১-২ তে পড়তাম, বাবা নতুন নতুন সিলেটে ট্রান্সফার হইছে , সেট হয় নি তখনো। ছাত্র ছিলনা বললেই চলে, সম্ভবত ৬-৭ জন ছিল। তখন মা ও চাকরি করতো না। এম সি কলেজ তো সরকারি কলেজ, এক জন টিচার কতই বা আর বেতন পায়। আর মেট্রোপলিটন শহরের খরচ তো জানাই আছে। বাবার আর্থিক অবস্থা খুব খারাপ ছিল তখন, শাপলাবাগ এর ছোট্ট একটা বাসায় থাকতাম তখন। যারা এখন দেখতেসো আমারে, তারা হয়তো বলবা, বানাই বলতেসি কিন্তু সত্যি কথা এটাই। আমি তখন এত কিছু তো বুঝতাম না। বাচ্চা ছেলে। বাবার কাছে অনেক বায়না করতাম। বাবা তখন আমার সব বায়নার জায়গা ছিল। এত ঝামেলায় থাকার পর ও আমার প্রতিটা আবদার প্রতিটা বায়না বাবা মিটাইসে , এটা ভেবে যে আমি কস্ট পাব। আজ আমি বড় হলাম, প্রায় ১৮ হবে বয়স, এখন বায়না করি না, দূরত্ব। বেড়েছে বাবার সাথে, খারাপ আচরন করি। দু' চার টা গার্ল ফ্রেন্ড বানাইসি, ওদের কেই সময় দেই। বাবার কথা ভাবার সময় আছে!
যে ছোট ছেলেটা বাবাকে ছাড়া ঘুমাতো না, সে আজ বাবা সাথে ঘুমাতে চাইলে সরিয়ে দেয়, রাতে গার্ল ফ্রেন্ড এর সাথে কথা বলতে পারবে না তাই। বাজে ব্যবহার করে মধ্যবিত্য পরিবারের নিয়ম মানতে বললে।আজ ভাবছি সত্যি কত কস্ট দি আমি বাবা কে, সেই বাবাকে, যে কিনা আমার জন্য.........।
থাক এত বলে কি হবে আর! ছোট মনে হচ্ছে নিজেকে । কান্নাও পাচ্ছে।
এই যা ভাবলাম কিছু কিছু বুঝলাম না।তবে এটা বুঝলাম, অনেক ভালবাসি তোমায় বাবা।
জানি আরো অনেক কথার মত এ কথাও কোন দিন বলা হবে না। আমার মাঝেই রয়ে যাবে।
চিরকাল অপরাধী হয়েই কাটিয়ে দিব
©somewhere in net ltd.