| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কান্না চলছে সেই আদি কাল থেকে।
কেউ হয়তো এর
বাহিরে গিয়ে কিছুটা আলো দেখতে পায়,
সেটা নিতান্তই ভাগ্য বসত।
ওরা কাদছে তার কারন
আমরা কাঁদাচ্ছি, নিজেদের
স্বার্থেই আমরা পুরুষ রা বলি,
নারি তোমারা এগিয়ে যাও। আবার
পিছন থেকে রশি আমরাই
ধরে রেখেছি। কারন আমরা পুরুষ
মনে মনে ভয়ে থাকি,
যদি চাবিটা হারিয়ে ফেলি? তাই
নিজের স্বার্থেই আমরা ভক্ষক। আমার
মা আমার কাছে শ্রেষ্ট রমনি, সন্দেহ
নেই। আবার আমি আমার স্ত্রির
বেলায় প্রচন্ড কঞ্জুস। এই ভেদাভেদ
রয়েই গেছে। মাকে ভালো কাজ
করতে দেখলে স্বাধিন ভাবে কিছু
করতে দেখলে আমার খুব
ভালো লাগে, আবার আমার স্ত্রী যখন
একি কাজ করে, আমি তখন হই যম দুত। তাই
এই বিতর্কে নাই বা গেলাম।
সৃষ্টি রহস্যে পুরুষ দৈহিক শক্তিতে একটু
বেশি হওয়াতে এই
তেজস্ক্রিয়তা আমাদের। নইলে আজ
পর্যন্ত কোন পুরুষ এই কথা বলেছে,
আমি ঘরের পুতুল? বলেনি। তার কারন
মেয়েকে আমরা সহজে নোংরা বলতে পারি,
কিন্তু যেখান থেকে সে নোংরা হল
সেই প্রজাতি আমি বা আমার মত অন্য
কোন পুরুষ, কেউ কি আমাদের
নোংরা বলতে পেরেছে? আমাদের
কোন দোষ নেই কারন আমরা পুরুষ বলে।
তাই এই তর্কের কোন মানে নেই। বড় বড়
কথা আমরা সবাই বলি, কাজ করিকি?
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১:২১
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: সুন্দর ।
ভালো থাকবেন