নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুই কেমন করে যাবি? পথ হারালেই পথের ছায়ায় আমাকেই তুই পাবি, তবুও তুই বলিস যদি যাই, দেখবি তোর সমুখে কেউ নাই....।

সোনায় সোহাগা

যুক্তিই হোক অধিকার প্রতিষ্ঠার একমাত্র হাতিয়ার...!

সোনায় সোহাগা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদেরকে বাঙ্গালী কারেক্টার বাদ দিয়ে আপডেট চেতনাধারী হতে হবে আইমিন অরিজিনাল বাংলাদেশী

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩১

এই হল বাংলাদেশি! কিংবা বাঙ্গালী, যাই বলেন আরকি! নিজের তুচ্ছ স্বার্থেও যদি আঘাত আসে তাইলেই এরা বাচ্চার মতো চিল্লায়, নাচাছোড় বান্দা নাবালকের মতো কেঁদে কেটে চোখের জলে নেয়ে একাকার হয়ে যায়। কিন্তু নিজের চোখের সামনেই যদি অন্যের জীবনটাও খোয়া যায় তাহলেও এদের কিছুই যায় আসে না। নিজের আঁতে ঘা লাগলেই শুধু এদের যতো তর্জন গর্জন।

দেশে এখন ফেসবুক বন্ধ। ফেসবুক বন্ধ হয়েছে তো কি হয়েছে? প্রক্সি ও ভিপিএন দিয়ে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে একটু এদিক সেদিক করে ফেসবুক তো চলানো যাচ্ছে! তাতেই ফেসবুক খুলে দেয়ার জন্য মানব বন্ধন পর্যন্ত হয়ে গেছে! এ যেন ফেসবুক বন্ধ হওয়াতে গোটা বাংলাদেশ স্তব্ধ হয়ে গেছে। অথচ বিগত কয়েক বছরে দেশ তছনছ করে ফেলেছে সরকার। চেতনার ফেরিওয়ালারা চেতনার দোহাই দিয়ে সাত খুন মাফ পেয়েই শুধু থেমে নেই বরং যার যখন যা ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা করে যাচ্ছে। দেশের বারোটা বাজিয়ে ছাড়ছে। গোটা দেশকে অরাজকতায় ভরে দিয়ে বিভাজিত এক সংক্ষুব্ধ ও জিঘাংসায় লোলুপ্ত জনপদে পরিণত করেছে। যখন যাকে ইচ্ছা চেতনা বিরোধী বলে গ্রেফতার করছে, ফাঁসি দিচ্ছে, গুম করছে, ক্রসফায়ারে দিচ্ছে, ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করছে, মামলা করছে। পুলিশ দেদারছে করে যাচ্ছে গ্রেফতার বাণিজ্য। চাকরির বাজারে টাকার ছড়াছড়ি, শিক্ষায় নকল, মসজিদে নজরদারিসহ গোটা জাতির পরিচয় ভচকে দেয়া একেকটি কাজ করে যাচ্ছেন সরকার মশাই। এতকিছুর পরেও এই কাপুরুষ বাঙ্গালের রাস্তায় নামতে সৎসাহসে কুলায় নাই। কারণ সরকারের এইসব স্বৈরাচারী আচরণে তাদের প্রতিবেশী কেউ কেউ অপূরণীয় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এরা ছিল ক্ষয়-ক্ষতির বাইরে। নিজের গায়ে যতক্ষণ ঘা লাগে নি ততক্ষণ এরা চামচিকার মতো খোঁয়াড়ে ডিম পেড়েছে, তা দিয়েছে। এখন ফেসবুকহীন তুচ্ছ ঝক্কি ঝামেলা যখন ঘাড়ে এসে পড়লো তখন ঠিকই তারা অনেক প্রতিবাদী হয়ে উঠলো।

ফেসবুক ছাড়াও বাংলাদেশ তার জীবনের সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল সময়টি সফলতার সাথে অতিক্রান্ত করেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ তাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে ক্রিটিক্যাল সময়টি পার করছে। মানুষ হিসেবে অন্যায় কে অন্যায় হিসেবে স্বীকার করা, অনাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এখন বাঙ্গাল মানুষের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য খুবই দরকার। ফেসবুক এইখানে কোনও ম্যাটার না। মানুষের মৌলিক অধিকার, এবং সততার সাথে মানবতা বোধের জয় হলে ফেসবুক থাকলেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, না থাকলেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এভাবে কাপুরুষ স্বার্থপরদের চেতনার চাদর জড়িয়ে অনেক দেশ প্রেমিক সেজে খোঁয়াড়ে বসে বসে ডিম পাড়তে থাকলে বাংলাদেশ হয়তো ধুঁকে ধুঁকে টিকে থাকবে কিছুকাল, কিন্তু বাঙ্গাল মানুষ যদি ঘুরে দাঁড়াতে না পারে তাহলে বাংলাদেশ হেরে যাবে কাপুরুষদের স্বার্থপরতার জন্য। তখন অনেক জয়বাংলা করেও কাজ হবে না। অনেক ফাঁসি ফাঁসি করেও ঝাল মিটবে না। তাই স্বার্থের উপরে উঠে সবার জন্য এক হয়ে দাঁড়াতে হবে, তুচ্ছ ফেসবুকীয় ঝামেলার জন্য নয়।

দল ও মত নির্বিশেষে সত্য কে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা এবং অবিচার কে অবিচার বলতে শেখা অনেক জরুরী। চেতনার অজুহাতে অবিচার কে বিচার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং শুধুমাত্র এই অজুহাতে সকল স্বৈরাচারী অনাচারকে মেনে নেয়ার মধ্যে স্খলন ছাড়া আর কিছুই নাই।

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০৬

বিপরীত বাক বলেছেন: ৭১ বাদে চিরকালই এ জনপদ বিভাজিত ছিল, আছে এবং থাকবে।। এটা রক্তের বৈশিষ্ট্য।। জাতের স্বভাব।।
আর চাকরির বাজারে হাওয়া ভবন যে টাকার ছড়াছড়ি করেছিল সেই রেকর্ড এখনো কেউ ভাঙতে পারে নি।। আমি প্রত্যক্ষদর্শী ছিলাম তো তাই জানি।।

আর আপনি যে ডাক পাড়ছেন না,, " এসো বাহে,, নামো হে,, সক্কলে চল্ল""।। তাও এদেশ বাসী করে তার ফলাফল দেখেছিল ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত।। সাধারণ মানুষ জীবন দিবে আর বসে বসে মধু খাবে হাওয়া মিয়া, খোয়াব বেজন্মা, চম্পা মহলের মাগী, ONE বাস্টার্ড মামুইন্যা,, কুষ্ঠ হারিছ,, চামচিকা অপু,, এরা।।

তারচেয়ে যেটা চলছে সেটাই ভাল,, একসময় পেট ভরে যাবে।।। ভালো কাজ এমনি করবে।। এখনই লক্ষণ দেখা অরাজকতায় ভরে দিয়ে বিভাজিত এক
সংক্ষুব্ধ ও জিঘাংসায় লোলুপ্ত জনপদে
পরিণত করেছে ।। অবকাঠামোগত এত উন্নয়ন বাংলাদেশে এ যাবৎকালে আর কোন সরকার করেনি যেটা শেখ হাসিনা করেছে।।

আর বিচার এর কথা বললে বলতে হয় যে,

আগে হাওয়া ভবনের ঐ ধাড়ি বেজন্মা তারেইক্যা আর হাওয়া ভবনের সাথে জড়িত সবকটা হাউয়ার পুত --কির পোলা গুলোর বিচার আগে হবে তারপর বাকি সবার সিরিয়াল আসবে।।

উস্কানি না ছড়িয়ে দেশের ভালো হয় এরকম কিছু লিখুন।।

২| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:০৮

সোনায় সোহাগা বলেছেন: আপনারাইতো উস্কে দিচ্ছেন ব্রাদার!

৩| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৮

জীবনতরী চলছে বলেছেন: @বিপরীত বাকঃ আপনার মত বিশ্রী মুখের ভাষার মানুষদের জন্য এদেশের শাসক হিসেবে শেখ হাসিনা দেবতাতুল্য হতেই পারে। একজন মানুষ হলেও আমি ওনাকে ঘৃণা করি। প্রচন্ড ঘৃণা। তাতে শেখ সাহেবা অথবা আপনার কিছু যায় আসে না। তবে নিশ্চিত থাকুন-এভাবে কেউ টিকে যায় না। পৃথিবীর সব একনায়ক স্টুপিডিরাই ডেভেলপমেন্ট করেছে। তবে অবশেষে গাদ্দাফির ভাগ্য বরণ করেছে। অনলাইনে অবশ্যই আপনার সাথে সেসময় মত বিনিময় হবে।

৪| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:২১

উচ্ছল বলেছেন: কৃষ্ণ ফেসবুকে ঢুকলে লীলাখেলা, আমি ঢুকলে চোর।

৫| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩১

বিষণ্ণ সৈনিক বলেছেন: Hmm..right

৬| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৫

সোনায় সোহাগা বলেছেন: উচ্ছলঃ একপেশে ;)

৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০১

রুদ্র জাহেদ বলেছেন: নীরব দর্শক!!!!!

৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:১৩

রাফা বলেছেন: পক্ষান্তরে লেখক স্বিকার করে নিলো বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ভালো আছে।কারন অগ্নি কাউকে স্পর্শ না করলে নাকি আমারা বাঙ্গালীরা জেগে উঠিনা।অবশ্য কিছু সংখ্যক ছাগিয়তাবাদি ও জঙ্গীবাদির মাতুতালয় জামাত/শিবির ভালো নেই।তাদের কি আসলে এই দেশে ভালো থাকার কথা ছিলো? ছিলোনা একজন জিয়া ,একজন খালেদা ও একজন এরশাদের জন্যই তারা এখানে আসতে পেরেছিলো।শেখের বেটি এখন শক্ত হাতে হাল ধরে সব আবর্জনা পরিস্কার করছে।এই অভিযান সফল হোলেই সোনার বাংলা তার হারানো গৌরব আবার ফিরে পাবে।আমাদের প্রতিক্ষা এখন সোনালি সূর্যটার জন্য।ইনশাহ-আল্লাহ বাংলাদেশ আবার ৭১-এর মত একতাবদ্ধ হোয়ে পথ চলবে।

৯| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৫৬

কলাবাগান১ বলেছেন: "শেখের বেটি এখন শক্ত হাতে হাল ধরে সব আবর্জনা পরিস্কার করছে।এই অভিযান সফল হোলেই সোনার বাংলা তার হারানো গৌরব আবার ফিরে পাবে।"
স হমত

১০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:১৬

শামিম ভাই বলেছেন: আপনার কথায় ছাগু গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। জাতির বাপের কন্যা আমাদের মা শেখ হাসিনা, দুগ্যা মায়ের গজে চড়ে দেশের উন্নয়ন করছেন। ভারত মাতা তার পিছে আছে। দেশ রক্ষার জন্য হাতের টিপ ঠিক রাখতে গুলি চালিয়ে প্রাক্টিস করা হচ্ছে।

১১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:১০

গোধুলী রঙ বলেছেন: দুর্নীতি, প্রতারনা, সব কাজে শর্টকাট/ফাকিবাজি, ধান্দাবাজি, প্রতারিত হওয়া, সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করা, সকল খাদ্য দ্রব্যে ভেজাল, অন্য ব্যবসায়িক পণ্যে ফাকিবাজি, ট্যাক্স ফাকির ধান্ধা, ইগোর সমস্যা (নিজের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানো), মানুষকে ছোটখাটো উপকার করতে অনিহা উলটো ক্ষতি করা এইগুলো আমাদের বাঙালী চরিত্রের সমস্যা না চেতনার সমস্যা?

১২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:০৮

প্রামানিক বলেছেন: মানুষ হিসেবে অন্যায় কে অন্যায় হিসেবে স্বীকার করা, অনাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এখন বাঙ্গাল মানুষের সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য খুবই দরকার। ফেসবুক এইখানে কোনও ম্যাটার না। মানুষের মৌলিক অধিকার, এবং সততার সাথে মানবতা বোধের জয় হলে ফেসবুক থাকলেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, না থাকলেও বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

সুন্দর কথা।

১৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০২

ফারুক১ বলেছেন: বিপরীত বাক@ একগাদা বিপরীত বাক প্রয়োগ করে গেলেন। সভ্যতা হোক অসভ্যতা হোক উনি বিপরীত বাক প্রয়োগ করে থাকেন। বাংলাদেশ এমন এক ফ্যাসিবাদে আক্রান্ত যে 'সাম পার্সন নিড লেসন'।

১৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:০৩

ফারুক১ বলেছেন:


জয় আর বাংলা।
ক্রিস্টিনা আর বঙ্গবন্ধু
পুতুল আর মোশাররফ
হাসিনা আর রাজাকার

সব একাকার!
কেয়া বাত?

১৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:১১

ফা হিম বলেছেন: ফেসবুক বন্ধ করাটা বড় কোন ইস্যু না সহমত। কিন্তু আপনার লেখা এমন একপেশে এবং ঘৃণায় ভরপুর!! আপনার কথামত "চেতনা-বিরুধী"রা যদি আজকে ক্ষমতায় থাকত তবে কি দেশের খুব মঙ্গল হত? তখন তো চেতনাবাদীদের ধরে ধরে জেলে ভরা হত। আপনি তখনো মানুষকে রাস্তায় নামতে বলতেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.