নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবধর্মী, ইন্ট্রোভার্ট টাইপ ভদ্র, সহজসরল, সাদাসিধে মানুষ আমি.. আমার মধ্যে গিরিবিল্টি কম.. তবে আমি একটু হিজিবিজি টাইপ..

সোহান সিদ্দিকী

২ বছর হলো বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ..

সোহান সিদ্দিকী › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য একটি ভালো সরকারের কত বছর ক্ষমতায় থাকা প্রয়োজন?

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ২:২৮



বর্তমান সরকারের আমলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কিছু উন্নতি হয়েছে কিন্তু শিক্ষার মানের পর্যপ্ত উন্নতি সাধিত হয়েছে কি?

শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতির মধ্যে রয়েছে দেশে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, সরকার বিনামূল্যে বই প্রদান কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ব্যবস্থা, শিক্ষক ট্রেনিং, নারী শিক্ষার উন্নায়ন, নকল কমানো, প্রশ্ন ফাঁস বন্ধ, শিক্ষাকে সহজলভ্য করা, সিলেবাস উন্নায়ন (আইসিটি অন্তভূক্ত করা), সেশনজট কমানো, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়ন, শিক্ষায় বাজেট বৃদ্ধি ইত্যাদি অনেক কিছুই রয়েছে।

কিন্তু কেউ কি দৃঢ় গলায় বলতে পারবে যে এসব কিছুতে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হলেও শিক্ষার মানের কাঙ্খিত উন্নতি সাধিত হয়েছে? 2021 এ এসেও একজন শিক্ষার্থী যখন অনার্সে পড়ে তখনও সে দিশেহারা থাকে এবং অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করার পরেও সে দিশেহারা থাকে যে এই পড়াশোনা দিয়ে সে জীবনে কি করবে!! ওয়ান থেকে ইন্টার পর্যন্ত একটা ছাত্র 12 বছর ইংরেজি পড়ার পরেও ইংরেজির ভয় কাটেনা, ভালোভাবে লিখতে পারেনা। লাখ লাখ ছাত্রের এই সমস্যার দায় কি শুধু ঐ ছাত্রেরই? আর ধর্ম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের গত 50 বছরে কী অর্জন দিয়েছে!! তারা কি বিশ্বমানের কোন পন্ডিত দিতে পেরেছে যদি না পারে তাহলে ডট ডট ডট.. আর সার্টিফিকেট তৈরির কারখানা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান গুলোর কথা নাই বললাম....

সমস্যা যেখানে, সমাধান সেখানে : আমাদের দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষা ও শিক্ষক দুটোতেই গভীর সমস্যা আছে। সিলেবাস এমন যে শিক্ষার্থীদের আগ্রহের জায়গাটা থাকেনা, বই পড়ে তারা আনন্দ পায় না। আবার টিচাররাও তেমন স্কিলড নয়। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, ভিত্তি দূর্বল হলে ইমারত কখনও মজবুত হয় না। আবার শিক্ষকদের বেতন বাড়লেও তা যথেষ্ট নয় ফলে ক্লাস রুমের বাহিরে টিউশন বাণিজ্য করে তাদের চলতে হয়। তাছাড়া অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপের কারণে সুশিক্ষা প্রদান বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে ক্লাসরুমে পড়ার মান বাড়ানো যায় না। আমার মনে হয় 2021 এ এসে সরকারকে বেশকিছু শক্ত পদক্ষেপ নিতেই হবে। এ বিষয়ে আর দেরি করা একদমই উচিত হবে না। প্রথমত শিক্ষক হওয়ার জন্য উচ্চ যোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে এবং এ বিষয়ে অবশ্যই খুবই কঠোর হতে হবে সাথে একটি স্মার্ট বেতন কাঠামো তৈরি করতে হবে যাতে মেধাবীদের এ জায়গায় আসার আগ্রহ তৈরি হয়। পুরা শিক্ষাব্যবস্থাকে বিজ্ঞানের আলোকে ঢেলে সাজানো জন্য এখন আর সময় নেয়া উচিত নয়। সরকারকে ইমিডিয়েট পদক্ষেপ নিতে হবে, নয়তো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ চরমভাবে হোঁচট খাবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

[ক্লিয়ারেন্স : আমি সরকারপন্থী, সরকারবিরোধী বা উগ্রবাদী কোন বিষয়ে ইনভল্বড না। সুতরাং এই তিনটি বিষয় নিয়ে আমাকে জাজ করতে আসবেন না]

মন্তব্য ১৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৩:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



বিশ্বের কোন কোন দেশের শিক্ষা ব্যবস্হা আপনি পছন্দ করেন?

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:১০

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: এশিয়ার মধ্যে দক্ষিন কোরিয়া, জাপান। ইউরোপের মধ্যে নেদারল্যান্ড, আর আমেরিকা, কানাডা।

২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৩:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি কি ছাত্র, চাকুরে, ব্যবসায়ী, বেকার?

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:১৫

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: পড়াশোনা করছি..

৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ রাত ৩:৪২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
প্রশ্নফাঁস ৫ বছর আগেই বন্ধ হয়েছে।
তবে অনেক অসংগতি বিশৃক্ষলা আছে
দেশ একটা, ভাষা একই, এরপরও শিক্ষার মাধ্যম কতগুলো।
উদ্ভট উটের পিঠে চলছে বাংলাদেশ?

১। প্রচলিত বাংলা মাধ্যম
২। ইংরেজি মাধ্যম
৩। বাংলা মাধ্যম - ইংলিশ ভার্শন (২০০৪ এ প্রবর্তিত)
৪। ক্যাডেট কলেজ - মিলিটারি ইংলিশ মাধ্যম
৫। মাদ্রাসা - ফার্সি মাধ্যম
৬। আলিয়া মাদ্রাসা - বাংলা মাধ্যম (এম্পিও। সরকারি টেক্সটবুক ও সিলেবাস)
৭। কওমি মাদ্রাসা, ফার্সি-উর্দু মাধ্যম
৮। কওমি মাদ্রাসা হাফিজিয়া আরবি-উর্দু মাধ্যম
৯। কওমি মাদ্রাসা, দেওবন্ধি/দারুল উলুম, ফার্সি-উর্দু -আরবি-বাংলা মাধ্যম।
১০ ক্যাডেট মাদ্রাসা, ইংরেজি-বাংলা মাধ্যম।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:২০

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: জনগণ চুজ করে জন্যই এতরকম এতগুলো মাধ্যম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অশিক্ষিত বাবা-মা অদক্ষ সন্তান তৈরি করে এইসব থার্ডক্লাস প্রতিষ্ঠান তাদের সন্তানকে পড়াশোনা করিয়ে। জনগণের মাথায় নিজের ভালো বোঝার এই সাধারন ঘিলু টুকু না থাকলে কর্তৃপক্ষের দোষ দিয়ে কি লাভ!!

৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ৯:৫৬

কামাল১৮ বলেছেন: ড,কুদরত ই খোদার শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তবায়ন করলেই অনেক সমস্যার সমাথান হয়ে যায়।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:১৮

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: পরিকল্পনার অভাব নাই... বাস্তবায়নেরর বালাই নাই।

৫| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১০:২৬

নতুন বলেছেন: নিদৃস্ট কোন পরিকল্পনা নেই। আর উপরে হাসান ভাই ১০ রকমের কায়দার কথা লিখেছেন তাই এতো মাধ্যমকে এক পথে আনাও কস্টকর।

মন্ত্রী বা সচিবালয়ে যারা আছে তারা পেটের দায়ে ১০-৫টা অফিস করে, শিক্ষকদের গড়ে তোলার কোন উদ্দোগ বা দায়ীত্বশীল এবং জবাবদিহিতা করার মতন পরিবিশ তৌরির উদ্দোগ নেয় না।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:২১

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: সমস্যা স্বীকার করলে তারপর তো সমাধান সম্ভব। সবাই তো ভক্ষক।

৬| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:



শিক্ষার উপর পিএইচডি, ইত্যাদি এখনো আপনার নেই? শিক্ষা ব্যবস্হা নিয়ে মুখ খুলতে হলে, কমপক্ষে পিএইচডি থাকতে হয়।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১২:১৯

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: পিএইচডিধারীরা বসে বসে বেতন নিচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থার মডিফিকেশন নিয়ে কথা বলতে তারা খুব একটা আগ্রহী নন। অনন্ত কাল যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে তাও তারা মুখে কুলুপ এঁটেই বসে থাকবেন।

৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ দুপুর ১:৪৭

কুশন বলেছেন: আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা অতি নিম্মমানের। আমাদের দেশে শিক্ষা মানে ব্যবসা।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২১ বিকাল ৪:০৪

সোহান সিদ্দিকী বলেছেন: ব্যবসা হলে হতে পারে তাতে সমস্যা নাই। সমস্যা হল চিটারি বাটপারি মানহীন আউটকাম। অবশ্য তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। সাধারণ জ্ঞান বাংলা এসব পড়েই তো বিসিএস ক্যাডার হওয়া যায় মান দিয়ে কি করবে জাতি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.