| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যকথন১
সত্যের জয় আর মিথ্যার ক্ষয় অবশ্যম্ভাবী। তবে সাময়িকভাবে মিথ্যার আস্ফালনে সত্য ঢাকা পড়ে যায়। আর মিথ্যার তলোয়ার ক্ষমতাধরদের হাতে পড়লে জাতির ভাগ্যাকাশে নেমে আসে দুর্যোগের ঘনঘটা। কিন্তু ইতিহাস মিথ্যাকে সহ্য করে না। সময়ে সময়ে তাই সব অন্ধকার ভেদ করে সত্যের সূর্য সমহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।
![]()
বিভিন্ন সময়ে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে কারাভোগের পর জেল গেটে ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত হতে দেখেছি। কিন্তু কাল জেল গেটে দেখলাম এক অবাক কান্ড। কারাভোগ শুরু হওয়ার আগেই উষ্ণ ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন উদ্যমী ও তরুণ এক সাংবাদিক। দুদিকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়েছেন সহকর্মী সাংবাদিকরা। এ এক অন্যরকম দৃশ্য। এমন দৃশ্য অতীতে বাংলাদেশে আর কেউ কখনও দেখেনি। এ যেন সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকের জেলযাত্রা নয় যেন আদালতের রায়ের প্রতি নীরব প্রতিবাদ। টিভিতে সত্যনিষ্ঠ বীর সাংবাদিকের এ দৃশ্য দেখে রায়ের আদেশ দেওয়া বিচারকরাও মনে হয় লজ্জা পেয়েছেন। সত্য প্রকাশের দায়ে সুপ্রিমকোর্টের দণ্ডপ্রাপ্ত আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান আজ নতুন এক ইতিহাসের অংশ। অলিউল্লাহ নোমান তার রিপোর্টে উচ্চ আদালতের ভাবমর্যাদা রক্ষায় এটর্নি জেনারেলের অফিসের কিছু মিথ্যাচার ও অনিয়মগুলো তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু আদালত রায়ে বললেন তারা সত্য-মিথ্যা যাচাই করতে বসেননি, আদালত অবমাননা হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য বসেছেন। তবে কি সত্য মিথ্যার যাচাই আমাদের দেশের আদালতের দায়িত্ব নয়। কিন্তু আদালত যদি সত্য মিথ্যা না দেখাতে পারেন, তাহলে তারা মানুষের মন জয় করতে পারবেন না। আর মানুষের মন যদি তারা জয় করতে না পারেন, তাহলে আদালতের আর কোনো ক্ষমতা থাকে না। আদালতের ক্ষমতা হলো জনগণের সমর্থন। না হয় জনগণ আবার জেগে ওঠে বলবে" বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে সেই জনতা"
২|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৭
যোগী বলেছেন: দোয়া করি সে যেন সুদ্ধ হয়ে জেল থেকে ফিরে আসে।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৬
সত্যকথন১ বলেছেন: আপনার মানসিকতা শুদ্ধ করা দরকার
৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৮
সাইমুম বলেছেন: সাবাস অলিউল্লাহ নোমান
৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১০
সাচার বলেছেন: হাম্মালীগ লজ্জা পাইবু না তো?
৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৩
ফটিকছড়ি বলেছেন:
সাবাস অলিউল্লাহ নোমান
সত্য প্রকাশের দায়ে সুপ্রিমকোর্টের দণ্ডপ্রাপ্ত আমার দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান আজ নতুন এক ইতিহাসের অংশ
আমি উনার সহকর্মী ছিলাম......
দোয়া রইল তার জন্য
৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৭
চরমপত্র বলেছেন: ভালো করছে । তো এত তেল দেয়ার কি হলো ? চামচামী রক্তের মধ্যে ঢুকে গেছে, না ? হালা দেশেটা একটা চামচা প্রধান দেশ অইয়া গেছে।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩২
সত্যকথন১ বলেছেন: গতরে এত জ্বালা লাগছে কেন?
৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:১৮
অ্যামাটার বলেছেন: বীরত্বগাঁথা।
৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:২৭
কামালপ্রতাপ বলেছেন: মাহমুদুর রহমান শুধু একজনই নয় সময়ের প্রয়োজনে হাজারো মাহমুদুর রহমানের জন্ম হয়। সাবাশ তোমাকে।
৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩১
অণুসন্ধানী বলেছেন: মাহমুদুর রহমান শুধু একজনই নয় সময়ের প্রয়োজনে হাজারো মাহমুদুর রহমানের জন্ম হয়। সাবাশ তোমাকে।
১০|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩২
অক্টোপাশ বলেছেন: মাহমুদুর রহমান শুধু একজনই নয় সময়ের প্রয়োজনে হাজারো মাহমুদুর রহমানের জন্ম হয়। সাবাশ তোমাকে।
১১|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
সুন্দর সমর বলেছেন: দ্যাশে ডিজিটাল শাসন কায়েম না হইলে ও লাথিবাজ-গালিবাজসহ ডিজিটালভক্তদের নিয়ে বিচারপতি সৃষ্টি না হলে মাহমুদু রহমান ও অলিউল্লাহ নোমান কখনওই বীর হতে পারতেন না। তাই সকল কৃতিত্ব ডিজিটাল শাসনের। 'জয়! ডিজিটাল(মাতাল) শাসন কি জয়।'
১২|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৩৩
রেনেসা বলেছেন: কারা কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর !!! ক্যাপশনটা বুঝলাম না।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪৩
সত্যকথন১ বলেছেন: কারাভোগ শুরু হওয়ার আগেই উষ্ণ ফুলেল সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন উদ্যমী ও তরুণ এক সাংবাদিক। দুদিকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়েছেন সহকর্মী সাংবাদিকরা। এ এক অন্যরকম দৃশ্য। এমন দৃশ্য অতীতে বাংলাদেশে আর কেউ কখনও দেখেনি। এ যেন সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকের জেলযাত্রা নয় যেন আদালতের রায়ের প্রতি নীরব প্রতিবাদ।
১৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪০
পান্থ নজরুল বলেছেন: @ চরমপত্র বলেছেন, এত তেল দেয়ার কি হলো? চামচামী রক্তের মধ্যে ঢুকে গেছে . . . . . .।
আসলে একে চামচামী বলে না, একে বলে গুণীর কদর। এটা ভালো কাজ। আর চামচামী আসলেই একটা খারাপ কাজ। এদেশে গুণীর কদর হয়না বললেই চলে কিন্তু মাখাল ফলের আশ-পাশে চামচাদের ভীড় কমতেই চায় না!!
সাব্বাস অলিউল্লাহ নোমান!
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫৩
সত্যকথন১ বলেছেন: ধন্যবাদ
১৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪০
বাহারুল ইসলাম বাহার বলেছেন: সাইমুম বলেছেন: সাবাস অলিউল্লাহ নোমান
১৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪২
সাইমুম বলেছেন: রেনেসা : এ জাতীয় মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিজের সুবিধা মতো সময়ে কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে সারেন্ডার করেন এবং তাকে তার পক্ষের লোকজন কারাকর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেন, যাতে প্রমাণ থাকে যে, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোর্টের রায় মেনে কারাগারে গেছেন। অন্য মিমলার সেঙ্গ এ জাতীয় মামলার চেতনাগত ব্যবধান রয়েছে।
১৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: দেশের সব পেশাজীবিদের মধ্যে দলীয় লোক দেখা যায়।তেমনি বিচারকদের মধ্যেও।
১৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: sabash.....
১৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
হুপফূলফরইভার বলেছেন: কত খেইল দেখুম রে মনা! আরো কত খেইল যে আছে বাকি..... খোদা কা মালুম!!
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৩
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: সাবাস অলিউল্লাহ নোমান