নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সৌভিকের চিন্তাচর্চা

চারিদিকে দেখো চাহি হৃদয় প্রসারি

সৌভিক ঘোষাল

পেশায় সাহিত্যের শিক্ষক। মতাদর্শে মার্কসবাদী। কোলকাতার বাসিন্দা

সৌভিক ঘোষাল › বিস্তারিত পোস্টঃ

মহম্মদ যে আল্লাহকে দেখেছিলেন কেমন ছিল তাঁর চেহারা ?

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:১৯

ইসলাম বিশ্বাস অনুযায়ী সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে দেখা যায় না, তার কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই। হজরত মহম্মদ, যিনি পয়গম্বর হিসেবে মান্য হন বিশ্বাসীদের কাছে, তিনি আল্লাহকে দেখেছিলেন বলে কথিত। হজরত মহম্মদের দেখা সেই আল্লাহর রূপ কেমন ছিল তার কোন বর্ণনা আছে কি? যদি থাকে সহৃদয় ব্লগ পাঠকরা জানালে উপকৃত হব। এ সম্পর্কে আলোচনা আছে এরকম কোন বই থাকলে দয়া করে তার নাম ও প্রকাশকের নাম জানাবেন।

মন্তব্য ৩১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৭

একজন আমি বলেছেন: খুব বেশি চুলকায় দাদা বাবু???

২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৮

রাজদরবার বলেছেন: আল্লাহ পাক নিরাকার। তিনি আকার আকৃতি হাত পা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ইত্যাদি সীমাবদ্ধতা থেকে পবিত্র।

সুতরাং তিনি কেমন ছিলেন দেখতে তা প্রশ্ন করাটা অবান্তর।

তবে জানতে চাইলে এই হাদীস শরীফটি প্রযোজ্য।

হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আইশ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি আল্লাহ পাককে উত্তম ছূরত মুবারকে দেখেছি। তখন আল্লাহ পাক আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, মালায়ে আলা ফেরেশতাগণ কি নিয়ে আলোচনা করছেন(মিরাজ শরীফের সময়)। আমি বললাম, আয় আল্লাহ পাক! আপনি ভাল জানেন। তখন আল্লাহ পাক উনার কুদরতী হাত মুবারক আমার দুই কাঁধ মুবারকের মাঝে রাখলেন। তখন আমি উনার শীতলতা অনুভব করলাম। আর আমাকে আসমান এবং যমীনের সবকিছুই অবগত করানো হলো।” সুবহানাল্লাহ!

৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৯

প্রজন্ম৮৬ বলেছেন: দুঃখজনক বিষয় যে মানুষ ব্লগে এসে ধর্ম সম্পর্কিত বিষয় জানতে চায়।

যেখানে সে নিজেও জানে কোন লেভেলের জ্ঞান নিয়ে সে নিজে ব্লগে পড়ে আছে!

মানুষ বড় বিচিত্র!

৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩০

রবিন-৭৭ বলেছেন: খুব বেশি চুলকায় তর, তাই না?

৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩১

ইনোোসন্ট িশহাব বলেছেন: মি. আমাদের সৃস্টিকর্তার আকৃতি নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে। নিজেদের দেবী নিয়ে চিন্তা করেন।

X(( X(( X((

৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩২

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: বর্ণনা নেই।

মূর্ত না হলে কি ভক্তি আসেনা? অন্ধের মত বিমূর্ত কিছুতে বিশ্বাস করা, প্রণাম করা কি আসলেই দুঃসাধ্য? মুসলিমদের দেখে তো মনে হয়না! যে ইশ্বরকে দেখা যায়না, তার কল্পিত আকার দাড় করানোর ধৃষ্টতা দেখানোর চেয়ে বিমূর্ত অস্তিত্বে আরাধনা, বিশ্বাস কি বেশি যৌক্তিক নয়?

৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৪

ইনোোসন্ট িশহাব বলেছেন: এসব ছাগু কোত্থকে আসে????????

দাদা বাবু এটা কলকাতা নয়।.........ভেবে চিন্তে কথা বলবেন!!!!!!!.....................ফাউল কোথাকার X( X( X(

৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৬

রাজদরবার বলেছেন: পোস্টলেখকের মানসিকতা মূর্তিচিন্তার উর্ধ্বে উঠতে পারেনি।

৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪২

লিন্‌কিন পার্ক বলেছেন: ঘোষাল দা ,তা দাদা আপ্নার শরীরটা কেমন জাচ্ছে

খুব চুল্কনি হচছে বুজি X(( X((

১০| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৯

সচেতন নাগরিক বলেছেন: মুসলানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী উষ্কানিমূলক পোষ্ট। রিপোর্টেড।

১১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫০

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: কোলকাতায় কি আজকাল চুলকানির মলমের খুব আকাল নাকি গো দাদা বাবু? /:) নাকি সব মলম দিদিরা মেখে বসে আছেন ? :(

১২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৪

হাছুইন্যা বলেছেন: দাদা হযরত মুহাম্মদ (সা:) বানানটা ঠিক ভাবে আগে লিখতে শিখুন তারপর নাস্তিকতা মারাইতে আসিবেন। বুছছেন??

১৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৫

রিমন০০৭ বলেছেন: আপনি মিরাজ বিষয়ক কোনো বই কিনে সেটা পড়তে পারেন।

১৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৯

রিমন০০৭ বলেছেন: মতাদর্শে মার্কসবাদী।

IoI :D

১৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৫৯

নভোচারী বলেছেন: হজরত মহম্মদ, যিনি পয়গম্বর হিসেবে মান্য হন বিশ্বাসীদের কাছে, তিনি আল্লাহকে দেখেছিলেন বলে কথিত

আপনার লেখার উদ্ধৃত অংশটুকু ব্যাখ্যা করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। আপনি 'কথিত' শব্দটি উল্লেখ করেছেন। এবং একথা সত্য যে অনেকে এমনকি মুসলিমদের ভেতরও এমন লোক আছে যারা এই ধারণা করে যে মুহাম্মদ (স) আল্লাহকে দেখেছেন। কুরআনের ৬ নং সূরা, সূরা আনামের ১০৩ নং আয়াত অনুযায়ী আল্লাহকে দেখা সম্ভব না। তাছাড়া একটি হাদিস দেখেছিলাম যাতে আয়েশা(রা) নবীজি(স) কে জিজ্ঞাসা করেছেন যে তিনি মেরাজের রাতে আল্লাহকে দেখেছিলেন কিনা। উত্তরে তিনি বলেন যে তিনি আল্লাহকে দেখেননি তবে ফেরেশতা জিব্রাইল(আ) কে তার নিজস্ব আকৃতিতে দেখেছিলেন। উল্লেখ্য জিব্রাইল(আ) তার ফেরেশতা আকৃতিতে ওহী নিয়ে আসতেন না। এক সাহাবীর আকৃতিতে আসতেন। উক্ত হাদিসের সূত্র এবং সাহাবীর নাম আমার এখন জানা নেই। তবে সত্যতা নিয়ে আমি নিশ্চিত।

২নং কমেন্টের উত্তরে কিছু কথা বলতে চাই। এখানে তিনি যেই হাদিসটির উল্লেখ করেছেন তা সরাসরি কুরআনের আয়াতের বিরোধী। তাই এর সত্যতা নিয়ে আমি সন্দিহান।

তিনি আল্লাহকে নিরাকার বলছেন। এই ধারণাও অনেকে করে। যারা এই দাবি করে তাদের অনেককে আমি প্রশ্ন করেছি সূত্রের ব্যাপারে, উত্তর কেউ দিতে পারেনি। তবে কুরআন হাদিস পড়ে আমার জ্ঞান এই যে 'আল্লাহ নিরাকার' এমন কথা কোথাও বলা হয় নি। বরং বলা হয়েছে, "তার মত কেউ নেই"।
সূরা ইখলাস (১১২:৪)।
এর মানে হল আল্লাহর সাথে তুলনা দেয়ার মত কিছুই নেই। বিস্তারিত না বলে এটুকু বলি, আল্লাহ আল্লাহর মত। নিরাকার বা সাকার বললে তাও একটি প্রকারের মধ্যে পড়ে। কিন্তু কুরআন অনুযায়ী যেহেতু তার মত কেউ নেই তাই তাকে নিরাকার বলাও অযৌক্তিক।

১৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:০৩

গ্যালিলিও গ্যালিলি বলেছেন: আল্লাহর ব্যাপারে প্রশ্ন করসেন, কিন্তু দাদা এইটার উত্তর তো আপনাগোর দেব-দেবীরা ভালো কৈতে পারব!

প্রতিনিয়ত যেহেতু খানা খাইতেছেন তাহারা,বাহারি পদের খানা,আল্লাহ দেখতে কেমুন এইটা কৈতে আশা করি তিনাদের বেশি কষ্ট হইবে না!

ব্লগে আমরা সব মূর্খ মুমীন,আমগোরে জিগায়া লাভ নাই। দেব দেবীগোর চাইতে আমরা খাইও কম,জানিও কম।

১৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:০৮

সজীব আকিব বলেছেন:

আসলে আল্লা বলতে কিছু নাই। এগুলো সস্পূর্ণ ভুল বিশ্বাস। হজরত মুহাম্মদের আগের লোকেরা এই আল্লাকে দেবতাগুণে পুজা করত। সেখান থেকেই মুহাম্মদ আল্লার ধারণা পেয়েছেন।

১৮| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:০৯

শওকত বলেছেন: মি. আমাদের সৃস্টিকর্তার আকৃতি নিয়ে আপনার মাথা না ঘামালেও চলবে। নিজেদের দেবী নিয়ে চিন্তা করেন।

১৯| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:১২

আসুন মজা করি বলেছেন: চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: কোলকাতায় কি আজকাল চুলকানির মলমের খুব আকাল নাকি গো দাদা বাবু? /:) নাকি সব মলম দিদিরা মেখে বসে আছেন ? :(

২০| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:১৫

শওকত বলেছেন: মুসলানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারী উষ্কানিমূলক পোষ্ট। রিপোর্টেড।

২১| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪২

শুভ জািহদ বলেছেন: এই মন্তব্যটি ব্লগার আবদুল্লাহ আরিফ মুসলিম ভাইয়ের। তার অনুরোধে পোষ্ট দিলাম।
--------------------------------------------------------------------

সৌভিক ভাই, ব্লগারদের কথায় কষ্ট পাবেন না। আপনার পোষ্টে অনুভূতিতে আঘাত হানার মতো কিছু পাই নাই। আর যেহেতু আপনি জানতে চেয়েছেন, তাই শুধুমাত্র আমরা মুসলিম তথা স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণকারীদের উচিত জানা থাকলে উত্তর দেওয়া।

আপনার কথার কয়েকটি পয়েন্ট হলোঃ

১) আপনি শুনেছেন ইসলাম অনুযায়ী আল্লাহ কে দেখা যায় না।
২) তার কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই বা অনেকের মতে নিরাকার।
৩) শুনেছেন রাসুল সাঃ আল্লাহকে নাকি দেখেছেন।

শেষ থেকেই শুরু করি-
তৃতীয়তঃ রাসুল সাঃ নাকি আল্লাহকে দেখেছেন, সত্য না মিথ্যা। এই প্রশ্ন সাহাবারা জিজ্ঞেস করেছিলেন সাহাবারা উম্মুল মুমিনিন আয়েশা সিদ্দিক রাঃ কে, যে রাসুল সাঃ কি মেরাজে আল্লাহকে দেখেছেন।

তিনি বলেছেন যে বলবে রাসুল সাঃ আল্লাহ কে দেখেছেন সে মিথ্যুক।
সূত্র: বুখারী-কিতাবুত তাওহীদ হাদিস নং-৬৮৩২।

পরবর্তীতে তিনি অর্থ্যাৎ আয়েশা সিদ্দিক রাঃ কোরআন থেকেও দলিল দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন,

চক্ষুরাজি আল্লাহকে দেখতে পায় না। (সূত্রঃ সূরা আনআম-৬: ১০৩)

একই প্রশ্ন যিনি আল্লাহর সান্নিধ্যে গিয়েছিলেন সেই নবীজি সাঃ কে প্রশ্ন করেছিলেন সাহাবী আবু জার রাঃ যে, হে আল্লাহর রাসূল, আপনি কি (মেরাজে) আল্লাহকে দেখেছেন? তিনি উত্তর দিলেন, আল্লাহ তো নুরের পর্দার আড়ালে। আমি কিভাবে তাকে দেখতে পারব। (সূত্র: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-২৬১)

এখন কেউ যদি কোরআন ও সহীহ হাদিসগুলোর বিপরীতে যেয়ে বলে যে নবী আল্লাহকে দেখেছেন সেটা হবে আল্লাহ ও তার রাসুলের উপর মিথ্যাচার। হ্যা তবে কেউ দলিল দিতে পারলে মেনে নিব।

--------------------------------------------------------------------

দ্বিতীয়ত: কথিত আছে, আল্লাহ কোন নির্দিষ্ট আকৃতি নেই বা অনেকের মতে নিরাকার।

=> এটা একটা মিথ্যা কথা যে আল্লাহ নিরাকার। এই কথা আবেগ থেকে কেউ বলতে পারে। তাছাড়া হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী ঈশ্বর নিরাকার। তবে ইসলাম অনুযায়ী না।

কোরআনে আল্লাহর হাতের কথা আছে। (সূরা ফাতহ-১০)
কোরআনে চোখের কথা আছে।
পায়ের কথা আছে।
কোরআনে বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সম্পর্কে বলা হইছে।


তবে চূড়ান্ত ভাবে একটা কথা বলা হইছে যে, তিনি তার সৃষ্টি করা কারো মতো না।

সূরা ইখলাস-১১২:৪) তার সাথে তুলনা করার মতো কিছুই নাই।

স্রষ্টা বা আল্লাহ অতুলনীয়। যদি আল্লাহকে কোন আকৃতির মধ্যে বা মুর্তির মধ্যে আবদ্ধ করি, তখন সেটা আল্লাহ থাকে না।

আল্লাহ বলেছেন,
সূরা শুরা-১১> কোন সৃষ্টিই আল্লাহর সাথে তুলনীয় না।

অতএব, যদিও হাত পা চোখ ইত্যাদি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের কথা বলা হইছে তাতে নিরাকার নয় বরং আকারই প্রতিয়মান হয়। এছাড়াও
সূরা কিয়ামাহ-২৩> কিয়ামতের দিন মানুষ হবে তাদের প্রতিপালকের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপকারী।

সেদিন আমরা আল্লাহর দিকে তাকিয়ে থাকব। তিনি যদি নিরাকারই হতেন, তবে রবের দিকে তাকাতে বলতেন না। অতএব কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী আল্লাহর আকার আছে। তবে আমরা স্রষ্টা সম্পর্কে ততটুকুই বলি এবং ততটুকুই জানি যতটুক আল্লাহ আমাদের জানিয়েছেন।


--------------------------------------------------------------------

প্রথমতঃ আপনি শুনেছেন ইসলাম অনুযায়ী আল্লাহ কে দেখা যায় না।

=> হ্যা। সূরা আনআম-৬:১০৩ নং আয়াত অনুযায়ী আমরা আল্লাহকে দেখতে পারব না। তবে জান্নাতে মুসলিমরা আল্লাহকে দেখতে পাবে। এছাড়াও কিয়ামতের দিন সূরা কিয়ামাহ এর ২৩ নং আয়াত অনুযায়ী আল্লাহকে দেখতে পাব। তবে সেটা এই জীবনে না। পুনরুত্থানের পর।

আল্লাহই ভালো জানেন।

২২| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:৪৬

কে এম মিজানুর রহমান বলেছেন: ধর্ম নিয়ে বাড়া বাড়ি বা কারো মনে আঘাত দেয়া ঠিক না। ধর্মপ্রাণ মানুষ আছে বলেই পৃথিবীটা এতো সুন্দর!! ডিপলি একটু চিন্তা করে দেখুন। ধর্ম যদি না থাকতো তবে আপনার বোন, মা, চাচী, খালা ইজ্জত নিয়ে কি বেঁচে থাকতো পারতো? অবশ্য আপনারতো ইজ্জতই নেই। ইজ্জতের মর্যাদা বুঝবেন কি করে?

আপনাকে, পৃথিবীটাকে এতো সুন্দর করে সৃষ্টির পেছনে অবশ্যই কেউতো একজন আছে, যাকে দেখা যায় না, ছোঁয়া যায় না, ধরা যায় না, তিনিই আল্লাহ, সর্বশক্তিমান যা ইচ্ছা করেন তাইই করতে পারেন বা হতে পারেন তিনিই আল্লাহ। ইহকালে নয় পরকালে অবশ্যই তাঁকে দেখতে পাবেন। যদি আপনাকে আপনি চিনতে পারেন।

২৩| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ২:২২

শুভ জািহদ বলেছেন: যারা ইসলামসহ পৃথিবীর অন্যান্য ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থগুলোর ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চান তারা এই লিংকে ক্লিক করেন।

২৪| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:০৭

শিংগারা বলেছেন: খুব চুলকায়ে - তাই না দাদা?

সব মাল্লু শালা এক । তরা মাল্লুই রইয়া গেলি - মানুষ আর হইতে পারলি না

২৫| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৩:৩৯

েশখসাদী বলেছেন: শুভ জাহিদের প্রচেষ্টা ভালো লেগেছে । তবে আল্লাহর আকার আছে কি আছে না এটা নিয়ে বিতর্ক আছে । কারণ, এক হাদিস অনুসারে আল্লাহ হলো নূর বা আলো । আলোর কোন আকৃতি হয় না । কুরআনে আল্লাহর হাত ও চোখ বলতে যা বুঝানো হয়েছে তা হলো কুদরতি অঙ্গ । অর্থাৎ অবস্হা বুঝানোর জন্য বলা হয়েছে । কেননা, সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টির মত নয় ।

তবে আল্লাহ দেখতে কেমন ..এটা জানা সম্ভব না কারণ তিনি নিজেই নিজেকে প্রকাশ করেন নি । মানুষের ক্ষুদ্র মস্তিকে তা আসবেনা বলে । যেমন উদহারণ স্বরূপ বলা যায়, কম্পিউটার যা মানুষের সৃষ্টি । এখন কম্পিউটারের যদি কৃত্রিম মস্তিস্ক কোন সময় হয়ও তাকে বুঝানো যাবে কি মানুষ কি রকম ? জানিনা উদাহরণটা ঠিক হলো কিনা ।

আপনার মনের প্রকৃত উদ্দেশ্য আল্লাহ পাক জানেন ...কেন এই পোষ্ট দিয়েছেন । উদ্দেশ্য খারাপ হলে বলব ...সবার উচিত সবাইকে সম্মান করা । এই কথাটা উপরে যারা বিরূপ মন্তব্য করেছেন তাদেরকেও বলছি । আমাদের মহানবী (সাঃ) কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করেন নি । আমাদেরও না করা উচিত । যদিও আবেগ ধরে রাখতে পারিনা । আর উদ্দেশ্য যদি মহৎ হয় ..তবে বলব..আল্লাহ দেখতে কেমন তা জানার চাইতে আল্লাহর গুনাবলী জানা জরুরী । যা আল্লাহকে জানতে সহায়তা করবে ।

আর যারা বলে আল্লাহ বলতে কিছু নাই...তারা আল্লাহকে স্বীকার করেনা কিন্তু প্রকৃতি কে আল্লাহর আসনে বসায় দেয় । কোন কিছুই এমনি এমনি হয় না । পাগল ছাড়া কেউ এধরনের কথা বলে না । ধন্যবাদ ।

২৬| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৫:০০

আমাদের ইয়াহু বলেছেন: গ্যালিলিও গ্যালিলি বলেছেন: আল্লাহর ব্যাপারে প্রশ্ন করসেন, কিন্তু দাদা এইটার উত্তর তো আপনাগোর দেব-দেবীরা ভালো কৈতে পারব!

প্রতিনিয়ত যেহেতু খানা খাইতেছেন তাহারা,বাহারি পদের খানা,আল্লাহ দেখতে কেমুন এইটা কৈতে আশা করি তিনাদের বেশি কষ্ট হইবে না!

ব্লগে আমরা সব মূর্খ মুমীন,আমগোরে জিগায়া লাভ নাই। দেব দেবীগোর চাইতে আমরা খাইও কম,জানিও কম।

...............উপযুক্ত জবাব, সহমত, ধন্যবাদ।

২৭| ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৫:২৯

বীরেনদ্র বলেছেন: আল্লাহকে দেখার কৃতিত্ব একমাত্র হযরত মোহাম্মদ(সাঃ ) এর তবে তার বর্ননা কোথাও আছে কিনা তা মনে হয় জানা যাবে না।

যারা বিশ্বাস করে তাদের কাছে সব কিছুই সম্ভব আর যদি প্রমানের কথা বলেন কোন প্রমান ছাড়াই বিশ্বাস করতে হবে।

এক কোটি মিথ্যে কথা, দুই কোটি বানানো গল্প , তিন কোটী মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, চারকোটী লোভ, পাঁচ কোটি ভয় ইত্যাদি মিলিয়ে ধর্ম তা হিন্দু ধর্মই বলেন বা অন্য ধর্ম যাই বলেন।

২৮| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৬

মুখচোরা বলেছেন: সাহিত্যের শিক্ষক, মতাদর্শে মার্কসবাদী এবং কলকাতার বাসিন্দা বলে গর্বিত এই ভদ্রলোক প্রায়শঃই বাঙালি জাতি কে থুড়ি বাঙাল জাতি কে নসিহত করে থাকেন।তবে তার এই পোষ্টটি দেখে আমি আসলেই আশ্চর্য হয়েছি। এটি যে, ১০০% চুলকানিজাত তাহাতে আমার বিন্দু মাত্র সন্দেহের অবকাশ নাই। তাঁর পূর্বের একটি পোষ্টে মন্তব্য করতে গিয়ে আমি অনুরোধ করেছিলাম বাংলাদেশ ভারতের মূল সমস্যা অর্থাৎ নদীসমূহে ভারত কর্তৃক একতরফা ভাবে বাঁধ নির্মান, সীমান্তে নির্বিচারে বাংলাদেশী হত্যা, বাণিজ্য বাধা ইত্যাদি বিষয়ে তাঁর কি ধারনা তা ব্যাক্ত করার জন্য। তিনি তা না করে একটা চুলকানি মার্কা পোষ্ট দিলেন। এই কি একজন মার্কসবাদির কাজ?

২৯| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:২৮

ৎায়ইাবুর বলেছেন: আপ্নের ভচ বাল মার্ক্স রে গোরস্থান থাইকা উঠাইয়া হেরে জিগান।

৩০| ০৬ ই মার্চ, ২০১২ সকাল ৭:০৪

শিবলী১২৩ বলেছেন: গরুটা ঘাস খেতে খেতে বর্ডার পার হয়ে এপারে চলে এসেছে, একে লাত্থি দিয়ে বিদায় করে দেয়া হোক

৩১| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১০:১০

রইসউদ্দিন গায়েন বলেছেন: শিক্ষিত,বিবেকবান,শান্ত এবং ধৈর্যশীল ব্যক্তি হওয়া প্রয়োজন।তা' তিনি হিন্দু হ'ন বা মুসলমান।জনবলের ভয় দেখিয়ে বা ধমকী দিয়ে কারো মুখ বন্ধ করা যায়না।ইসলামের সামনে অনেক অসংখ্য অপ্রিয় প্রশ্ন এসেছে এবং আসবেও;কিন্তু প্রকৃত ইসলামপন্থী কখনও ক্রোধে অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন না---বরং কোরানের আলোকে যুক্তিসহ প্রতিপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।...এখানে আরো একটা অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করেছি লেখক বা পাঠক কারো সত্য পরিচয় নেই।একটা কথা জেনে রাখা ভাল যে মিথ্যাচারের প্রশ্রয় ইসলামে নেই।কেমন প্রকৃতির লোক প্রশ্ন করছে,কে বা কারা উত্তর দিচ্ছে বা মন্তব্য করছে,তা' সবাই মিথ্যার আবরণে ঢাকা,কেন?।যে কোনো আলোচনার ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম ব্যক্তি-পরিচয় স্পষ্ট হওয়া দরকার।আজে-বাজে নামে নিজেকে প্রকাশ করাই তো মিথ্যাচার্‌।মিথ্যাচারীরা ইসলাম এবং আদর্শ' কিভাবে বুঝবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.