নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আল্লাহ্\'র নিকট আত্মসমর্পণকারী একজন মুসলিম ! আমি আল্লাহ্\'কে ভালবাসি, ভালবাসি ইসলাম নামের এই দ্বীনকে, স্বীকার করি সকল নবী- রাসূলকে আর, রাসুলুল্লাহ‏ কে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ভালবাসি …আরও ভালবাসি সাহাবা আজমাইন, তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন,

মাকড়সাঁ

মাকড়সাঁ › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আর মন্ত্রী জনাব পলককে গালি দেয়ার আগে এই লেখাটা পড়ার সুযোগ হবে কি.?

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৫৩

আমরা তারানা হালিমরে কম গালি দেইনি। রম্য, ছড়া আর প্রবন্ধ টাইপ আলোচনা সমালোচনা লিখে ভারি করেছি বাংলা সাহিত্যকে।
তবে এই তথ্য দেখার পর মনে হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেক ভাল আছি। আমরা তো অনেক স্বাধীনভাবেই সরকারকে গালি দিতে পারি তার তদারকিতে করা ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কিন্তু অনেকে তাও পারে না...
::
"যেসব দেশে ফেসবুকসহ আরো অনেক সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইট বন্ধ"
::
বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশে প্রায়ই বন্ধ করা হয় সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। কোনো কোনো দেশ একদিনের মাথায় নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও কোনো কোনো দেশে চিরস্থায়ীভাবেই বন্ধ করে দেওয়া হয় সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমকে। আবার চীনের মতো জনবহুল এবং প্রযুক্তিবান্ধব দেশ ফেসবুকের বিকল্প হিসেবে চালু করেছে নিজস্ব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট।
নানা দেশে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইনডেক্স অন সেন্সরশিপ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। সেখানে বিভিন্ন দেশে ফেসবুক বন্ধের কারণ এবং সময়সীমা তুলে ধরা হয়েছে।
.
উত্তর কোরিয়া
""""""""""""
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমনিতেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব চলছে দেশটির। কখনো কখনো এই দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে সাইবার যুদ্ধে। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতাসীন দলের নেতা কিম জং উন তার দেশে সব সময়ই ইন্টারনেট ব্যবহার সীমিত রেখেছেন। বিভিন্ন সময় আরোপ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ায় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেখানে সোশ্যাল মিডিয়া গবেষক রামেস্ট শ্রিনিবাসন জানিয়েছেন, ‘উত্তর কোরিয়া হচ্ছে এমন একটা দেশ যেখানে প্রত্যেকটি কম্পিউটার বা প্রযুক্তিতে সরকারি নজরদারি রয়েছে। সফটওয়্যার থেকে হার্ডওয়্যার সবকিছুতেই সরকারি বিধিনিষেধ জারি আছে’।
:
ইরান
"""""
যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বিপক্ষ শক্তি ইরান। এই দেশেও বন্ধ রয়েছে ফেসবুক। তবে মজার বিষয় হচ্ছে সাধারণ জনগণের ফেসবুকে প্রবেশাধিকার না থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের ফেসবুক এবং টুইটার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে।
:
চীন
""""
‘দ্য গ্রেট ফায়ারওয়াল অব চায়না’ নামে ইন্টারনেটের ওপর সেন্সরশিপ এবং নজরদারি বজায় রেখেছে চীনা সরকার। ২০০৯ সালে ‘উরুমকি দাঙ্গা’র পর ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয় চীনে। মুসলিম জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত চীনের স্বায়ত্তশাসিত উইঘুর অঞ্চলের রাজধানী উরুমকিতে ২০০৯ সালের ৫ জুলাই ছড়িয়ে পড়েছিল দাঙ্গা। বিচ্ছিন্নভাবে চলা সে দাঙ্গায় প্রাণ হারায় ১৯৭ জন।
দাঙ্গার পরিকল্পনা এবং যোগাযোগে ফেসবুক ব্যবহার করা হচ্ছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সে সময় সারা দেশে ফেসবুক বন্ধ করে দেয় চীনা সরকার। এর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ইন্টারনেটের ওপর আরো কড়াকড়ি আরোপ করে চীনা সরকার। ২০১৩ সালে সীমিত আকারে সেই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছিল চীনা সরকার। যদিও তা সাংহাইয়ের মুক্তবাণিজ্য এলাকার মাত্র ১৭ বর্গমাইলের মধ্যে।
:
কিউবা
""""""
লাতিন আমেরিকার দেশ কিউবাতে সরকারিভাবে ঘোষণা দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করা হয়নি। তবে ইন্টারনেট ব্যবহার করা সেখানে বেশ কষ্টসাধ্য এবং ব্যয়বহুল। শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং মেডিকেলে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে বৈধভাবে কিউবায় ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে থাকেন। এর বাইরে সবাইকেই নির্ভর করতে হয় সাইবার ক্যাফের ওপর।
সেখানে এক ঘণ্টা ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য গুনতে হয় ৬ থেকে ১০ ডলার। কিন্তু কিউবার মানুষের গড় আয় ২০ ডলার। তাই এত দাম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার সেখানে বিলাসিতা হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর এত টাকা খরচ করে সাইবার ক্যাফেতে বসলেও ধীরগতির সংযোগের কারণে পুরো টাকাটাই জলে যায় ব্যবহারকারীদের। আর এভাবেই ইন্টারনেট-বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করছেন কিউবানরা।
:
মিসর
"""""
২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের সময় সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যাতে এর মাধ্যমে আন্দোলনকারীরা সংগঠিত হতে না পারেন। এ ছাড়া আন্দোলন সম্পর্কে যাতে বিদেশিরা জানতে না পারেন সে জন্য মিসরীয় সাইটগুলো যাতে বিদেশ থেকে দেখা না যায় সে ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
:
সিরিয়া
""""""
২০০৭ সালে প্রথম সিরিয়াতে সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাসার আল আসাদের সরকার আশঙ্কা করেছিল এসব সাইট ব্যবহার করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা বাসার সরকারবিরোধী প্রোপাগান্ডা চালাতে পারে। ২০১১ সালে অবশ্য প্রেসিডেন্ট আসাদ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন। ততদিনে অবশ্য মিসর ও তিউনিশিয়ার মতো সিরিয়াতেও সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়ে যায়। সরকারিভাবে চার বছর বন্ধ থাকলেও সে সময়ে প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো ব্যবহার করেছিলেন সিরিয়ার নাগরিকরা।
:
মরিশাস
""""""""
আফ্রিকার দেশ মরিশাসেও একদিনের জন্য ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল। কারণটা ছিল বেশ মজার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাভিন রামগুলামের নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে কে বা কারা একের পর এক পোস্ট দিয়ে যাচ্ছিল। এই অপপ্রচার রুখতে ২০০৭ সালে সারা দেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ফেসবুক। অবশ্য কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে সেদিনই আবার ফেসবুক খুলে দেওয়া হয়েছিল।
:
পাকিস্তান
"""""""""
আপত্তিকর কার্টুন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ২০১০ সালে দুই সপ্তাহ ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছিল পাকিস্তানে। পরে সে নিষেধাজ্ঞা তুলে ফেলা হলেও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ায় এমন সব পেজ বিভিন্ন সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
:
ভিয়েতনাম
""""""""""
২০০৯ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যদিও সরকারিভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ায় প্রযুক্তিবিদদের দিয়ে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছিল দেশটির সরকার।
যদিও দেশটির সরকার কখনোই এ ধরনের কোনো আদেশ দেওয়ার কথা স্বীকার করেনি। এরপরও বিভিন্ন সময়ে সরকারি ঘোষণা ছাড়াই ইন্টারনেট এবং ফেসবুক ব্যবহার সীমিত করা হয়েছে দেশটিতে। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বের ভিয়েতনাম সরকার ‘ডিক্রি ৭২’ জারি করে যেখানে বলা হয়, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে কোনো খবরের লিংক প্রকাশ করা যাবে না
::
সূত্র ইন্টারনেট

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২০

রোলেন বলেছেন: উইকিতে দেখলাম বাংলাদেশের নাম সবার প্রথমে। সেটাইতো লিখলেন না ভাই। তবে যাই বলেন প্রযুক্তিতে আমরা বেচে আছি চায়না আর আমেরিকার দয়ায়। শুনলাম মুসলিমদের আগমন নিষেদ করা হচ্ছে আমেরিকাতে। যদি করা হয় তাহলেতো বহু ঝামেলা হবে।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৪

মাকড়সাঁ বলেছেন: Bangladeshi manus bangladesher ta janea ja janea na tai janailam ar ki

২| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৩

shiponblog বলেছেন: ফেসবুক ছাড়া খুব ভাল আছি।আমি কিনতু লীগার না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৬

মাকড়সাঁ বলেছেন: Blog er moto moja ar kothao nai :)

৩| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৭

মাকড়সাঁ বলেছেন: মুসলিমদের আগমন নিষেদ করা হচ্ছে আমেরিকাতে। যদি করা হয় তাহলেতো বহু ঝামেলা হবে।
#চরম সত্য কথা বলেছেন। @রোলেন

৪| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪২

রোলেন বলেছেন: মাকড়সা: হু বেপারটা আজকেই দেখলাম টিভিতে। সত্যিই যদি হয়, দেখবেন অনেক পাবলিক ধর্ম পালটাইয়া আমেরিকা যাবে "মাইকেল" সাহেবের মত। আজকে আমি আপনাকে বললাম বেপারটা মনে রাইখেন।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৮

মাকড়সাঁ বলেছেন: Hoytoba apni thik....tobe jara Mikal sir er moto hoibe tara Dormo ka noy borog tk ka valabasha. Tai tader dormo bodol nia ami chintito noi.. রোলেন

৫| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৪২

সুলতানা রহমান বলেছেন: যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে ফেবু আর ফিরবে না।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৯

মাকড়সাঁ বলেছেন: Facebook khullai ba ki ar na khullai ba ki ! Jara chalanor tara thikee chalaitace

৬| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

জাহিদুল ইসলাম ২৭ বলেছেন: যেসব দেশের উদাহরন দিলেন সেগুলোর কোনটাই অনুসরনযোগ্য দেশ না,উন্নত দেশ না।চীন বাদে।ঊত্তর কোরিয়া,পাকিস্তান,ইরানের পথ অনুসরন করে তো দেশ চলতে পারে না।স্ট্যান্টবাজি আর কত?

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৭

মাকড়সাঁ বলেছেন: Bujlam Tobe amara ja karap ase aita boler upay nai...
Facebook er thaka aro boro kichur ovab asea desh a agea sai ta nia vaba ucet amader...

৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৭

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: তাহলে তো চীনের মত করে নিজস্ব একটি সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের দেশ তৈরি করতেই পারে। তাই না?

যেসব দেশের উদাহরণ দিলেন - সে সব দেশের ঝামেলাও প্রকট। তাই ফেসবুক বন্ধ রাখাটাই শ্রেয় তাদের জন্য।

আর বলতে গেলে - ফেসবুকটাকে বাংলাদেশেই বেশি ইউজ করা হয়। বাইরের অন্যান্য দেশে টুইটারটাই চলে বেশি। ফেসবুকটাকে আমরা অন্যভাবেই ব্যবহার করেছি। সাহিত্যের মাধ্যম হিসেবে, ব্যবসার মাধ্যমে, রক্তের সাহায্যের ক্ষেত্রে।
যাই বলেন না কেন, ফেসবুক বন্ধ করায় জরুরী ভিত্তিতে রক্ত চেয়ে পোষ্টটা না করতে পারায় কিন্তু খারাপও হচ্ছে। কারণ, রক্ত না পেয়ে আসলে কতজনের মৃত্যু হয় সেইটা কিন্তু কোন সংবাদ বা মিডিয়ায় আসে না।

উন্নত দেশগুলোকে অনুসরণ করা দরকার। ইরান বা পাকিস্তানকে না।
চীনকে অনুসরণ করা যায়। তারা বন্ধ করেই বসে থাকেনি - নিজস্বভাবে একটা নতুন পোর্টাল চালুও করেছে। দেশের নিরাপত্তার জন্য আমাদের দেশেও তো কম শিথিলতা আসেনি ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর।

০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৩০

মাকড়সাঁ বলেছেন: Samajik kaj guloy blog kintu kom vumika rakha nai?
Uddog ja sob somay sorker nibe ta noy, borog proxy ber korer moto new protal ki amra ber korta pari na.?

৮| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৪১

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: প্রক্সি বা ভিপিএন যেটা বলছেন - সেটা আমাদের বানানো না।
এইটা এক!

দুই, ব্লগের ঠিক এই মুহুর্তের জনসংখ্যার পরিসংখ্যান
১৮৭ জন ব্লগার
৬৯৮ জন ভিজিটর
২৯২ জন মোবাইল থেকে


সব মিলে এক হাজার। অন্যান্য ব্লগ সাইট থেকে এটাই বৃহৎ। তবুও এই সময়টায় সবচাইতে মানুষ ব্লগের থাকার পরও ১০০০ পার হয় না। আপনি কিভাবে ব্লগকে ফেসবুকের উপরে দিবেন? ব্লগ ভূমিকা রাখে যথেষ্ট - আমার জন্য ভালই রাখছে - কিন্তু আপামর জনসাধারণেরটা তো রাখতে পারছে না।

এই জন্যই তো সামাজিক যোগাযোগের একটা মাধ্যম দরকার।

সরকার বন্ধ করেছে অহেতুক ভাবে - তো এইটার দায়িত্ব সরকারের। কারণ, সাধারণ জনগণের কেউ যদি পোর্টাল খুলে - তাহলে সরকার আবার সেটা বন্ধ করবেই। এমনকী গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে।

আর সবচাইতে বড় কথা - ঐ পোর্টাল খুললেও - সেটা ফেসবুকের সমপর্যায়ে যাবে না।

আমাদের দেশে কেউ বলেনি ফেসবুক ফ্রি করে দিতে - সরকারই সেটা করেছে। ফ্রি-এর ফলস্বরূপ, কিছু কুফলও তারা দেখেছে। আবার তারাই বন্ধ করে দিয়েছে এখন।
কে বলেছিল ফ্রি করতে ফেসবুককে? আগেই তো ভাল ছিল। ফ্রি-এর মজা তো টের পেয়েছে সবাই ই।

অন্যান্য দেশের সাথে উদাহরণটা মানতে পারলাম না। তাদের বন্ধ করার যথেষ্টরও বেশি কারণ আছে।
কিন্তু আমাদের দেশে বন্ধ করার যুক্তিযুক্ত একটা কারণও মনে হয় নেই।

ফেসবুকে আমি কম ঢুকি। কিন্তু কয়েকদিন আগেই রক্তের দরকার পড়েছিল। প্রক্সি/ভিপিএনও ঠিকমত কাজ করেনা। ঢুকতে পারিনাই। পোষ্ট দিলে শহরের যে কোন কোনা থেকে অবশ্যই ব্যবস্থা হয়ে যেত। কিন্তু ব্লগে তো এইটা সম্ভব না। ইদানিং এমনিতেই ব্লগে পাঠকও কম।

তো এখন আপনিই বুঝেন - তারানা হালিম আর পুলককে নিয়ে মানুষ কেন কটু মন্তব্য করবে না? ক্ষতি তো হচ্ছেই।
বিশেষ করে ই-কর্মাসের সাইটটায় তো ধ্বসই নেমে গেছে।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৭:০৯

মাকড়সাঁ বলেছেন: কারণ, সাধারণ জনগণের কেউ যদি পোর্টাল খুলে - তাহলে সরকার আবার সেটা বন্ধ করবেই। এমনকী গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করতে পারে।....
Kano vai? Facebook ki bakti porjay thaka utha asea nai? Sob kichu ek din a jonopriota payna asta asta jonoprio hoyea utha..
আর সবচাইতে বড় কথা - ঐ পোর্টাল খুললেও - সেটা ফেসবুকের সমপর্যায়ে যাবে না।
kano jabea na? Amra pordashi brand baboher a ovosto bolai?.
Amra tho bolae vabe boro kichu korea falce but jara daitta asea tara bujta parea daittar jala koto ta !

৯| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:০৩

জাহিদ নীল বলেছেন: আবেগ কিঞ্চিৎ কম হইয়াছে। আরো আবেগ ঢালিতে হইবে। সঙ্গে গরাগরি খাইয়া ক্রন্দনের ইমো হইলে বিষয়খানা বোধ করি আরেকটু পোক্ত হইতো।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪৯

মাকড়সাঁ বলেছেন: আসলেই তাই!

১০| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৮:১৮

তাশফিয়া নওরিন বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেক ভাল আছি। আমরা তো অনেক স্বাধীনভাবেই সরকারকে গালি দিতে পারি তার তদারকিতে করা ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কিন্তু অনেকে তাও পারে না...

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৪৮

মাকড়সাঁ বলেছেন: সহমত

১১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৫৬

রাজীব বলেছেন: সিরিয়া, মিশর, উত্তর কোরিয়া, এমনকি
পাকিস্তান ??

আমরা কি এখন পাকিস্তানের কাতারে চলে এসেছি???

আমি ব্যাক্তিগতভাবে ফেসবুক পছন্দ করি না, কিন্তূ পাকিস্তানের কাতারে চলে আসা মানতে পারছি না।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:৫১

মাকড়সাঁ বলেছেন: Amra ki pakistaner thaka valo ase?
Ar ekta desh daklan baki gulor ki hobe?

১২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:০৫

আবু শাকিল বলেছেন: এই রে ফেবু বন্ধ আছে অনেক দেশেই।
বাংলাদেশ নস্যি।
জয় বাংলা :)

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০২

মাকড়সাঁ বলেছেন: Hmmm :) :)

১৩| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০৭

প্রামানিক বলেছেন: আহারে ফেসবুক

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:০৩

মাকড়সাঁ বলেছেন: :(

১৪| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১:০১

রাফা বলেছেন: কোন কিছু বন্ধ করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়না-আশাকরি সরকার সেটা ভালো করেই জানে।তবে সরকারের সাথে সাধারণ মানুষের স্বার্থেই ফেসবুকের একটা সংযোগ থাকা দরকার।যাতে এর অপ-ব্যাবহার বন্ধ করা যায়।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:১৪

মাকড়সাঁ বলেছেন: সত্য কথা বলেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.