নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এলোমেলো শব্দের অবিন্যস্ত সমাহার

নিজেকে জানার প্রচেস্টায় অহর্নিশ ভাবিত

পথ দার্শনিক

পথ আমাকে ঘর ছাড়িয়েছে নামিয়েছে তার ধুলোয় পথের খাতায় দার্শনিক হয়ে সব দিয়েছি চুলোয় www.facebook.com/sumit.mahmud

পথ দার্শনিক › বিস্তারিত পোস্টঃ

হরিতালে বেতাল

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৯:২২

সকাল ৭টা না বাজতেই ফোন দিয়েছে এক ফ্রেন্ড।



কোন রকম জড়ানো কন্ঠে ফোন ধরলাম তার, ‘হ্যালো’



‘কিরে মামা তুই এতো সকাল পর্যন্ত ঘুমাস!’।

ভাবখানা দেখে মনে হল, সে ফজরের ওয়াক্তে ওঠে।



আমি বললাম, ঘুমাইতে দিলি আর কই তোরা! তোর সাথে ঝগড়া লাইগা একবার তোর গার্লফ্রেন্ড ফোন দেয়, একবার তুই ফোন দেস, দুইদিন পর তগো বাচ্চা-কাচ্চা হইলে তারাও ‘আব্বু বকা দিছে’ বলে ফোন দিব। কাহিনী কী সেইটা ক?



-জামাতীরা এটা কোন কাম করল! আমার কনভোকেশনের দিনে হরতাল দিল!

(মেজাজ খারাপ তার বুঝায় যাচ্ছে)



-তুই কালকে ওগো যাইয়া কইতি, কালকে আমার কনভোকেশন আছে হরতাল দিয়েন না।



-আচ্ছা হরতাল না হয় দিল, তাই বলে রাস্তার মধ্যখানে টায়ারে আগুন জ্বালাইতে হইব?



-টায়ার জ্বালাইছে আগুন ধরাইছে ভাল করছে, তুই আগুনে বিড়ি ধরায়ে খা। তুই তো মাঝে মাঝে বিড়ি ধরানার আগুন পাস না। মাগনা ধরায়ে টান দে।



সে এবার অবাক হয়ে গেল, কি কস মামা! সারাজীবন লীগ কইরা আইসা এখন শিবিরের আগুনে বিড়ি ধরামু! তুই এইটা আমারে কইতে পারলি! দরকার হইলে বিড়ি খাওয়াই ছাইড়া দিমু!



তারপর একটু থেমেই বলল, আসলেই মামা যাইতে কষ্ট হইব।

আমি বললাম, প্রোগ্রাম কইটায়?

সে বলল, ১০টায়।

-তাইলে প্যাচাল রাইখা এখনই রেডি হইয়া বাহির হ। নাইলে যাইতে পারবি না।

বলেই ফোন কেটে দিলাম।



গতকাল এআইইউবির ( AIUB ) ত্রয়োদশ সমাবর্তনে যাওয়ার আগে ফ্রেন্ডের সাথে এই কথাগুলো হল।



বাংলাদেশের যেকোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সবচেয়ে বেশি সাফার করে সাধারণ মানুষ। যদিও প্রোগ্রামগুলো হয়ে থাকে দলিয় সার্থে।



Anyway, Congratulations to all Graduates!!! :)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.