| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হোটেলের পানি মুখেও নেয়া যাবে না।
২০১২ এর ডিসেম্বরে সহকর্মীদের নিয়ে বান্দরবান বেড়াতে গিয়ে দুপুরে হোটেলে উঠি। ওয়াস রুমের পানিতে হাত ধুতে গিয়ে দেখি পানি গুলো কেমন যেন ঘোলাটে। ম্যানাজার বলল যেহেতু বান্দরবান শহর পুরোটাই পাহাড়ের উপর তাই এখানে কোন টিউবয়েল নেই। শহরের পাশের পাহাড়ী নদী (শীত কালে এসব নদী প্রায় মৃত এবং পানি গুলোও নোংরা থাকে) থেকে পানি টেনে এনে হোটেলে সরবরাহ করা হচ্ছে। খেতে গিয়ে লক্ষ্য করি গ্লাসের পানি গুলোও কেমন যেন। খাবার হোটেল গুলোতে অবশ্য মিনারেল ওয়াটার ছিল তাই রক্ষা। কিন্তু আমাদের ভ্রমন সংগী অফিসের এক পিয়ন বেচারা হোটেলের পানিই পান করছিল। রাত ২টায় শুরু হয় তার প্রচন্ড পেটে ব্যাথ্যা ও অসহ্য চিৎকার । হোটেলের সবাই ভয় পেয়ে যাই ওর চিৎকারে। স্থির করি হাসপাতানে নেয়া হবে। পাহাড়ী ঠান্ডায় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হোটেল ম্যানাজারকে প্রশ্ন করে জানতে পারি হোটের আশেপাশে এমনকি বান্দরবান শহরেও কোন বেসরকারি ক্লিনিক নেই। একমাত্র ভরশা ২ মাইল দুরে সরকারি হাসপাতাল। এত রাতে জনমানবহীন হীমশীতল রাস্তায় কোন ধরনের বাহনই নেই। অনেক কষ্টে নেয়া হল হাসপাতালে। সেবিকার সাথে কথা বলে বুঝতে পারি ওর করেলার মত হয়েছিল।
আরেকটি কথা, দর্শনীয় স্থানের বিভিন্ন হস্তশিল্পের দাম বান্দরবান শহর থেকে কিন্তু তুলনামুলক বেশী। শহরে ওসব জিনিস অনেক কমে পাওয়া যায়।
©somewhere in net ltd.