নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

গ্রাম-প্রকৃতি-সবুজ-সারল্য যেখানে মিলেমিশে একাকার, সেখানে ফিরে যেতে মন চায় বার বার।

গ্রাম-প্রকৃতি-সবুজ-সারল্য যেখানে মিলেমিশে একাকার, সেখানে ফিরে যেতে মন চায় বার বার।

সুফিয়া

পৃথিবী আমাকে শূণ্যতায় বাঁধতে পারেনা অস্তিত্বে মাকে আগলে রেখেছি বলে।

সুফিয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের গ্রামীণ জীবনের কিছু জীবন্ত ছবি।

২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৩৪





































































ছবির সূত্র ঃ বাংলাদেশফটোগ্যালারী ডট কম

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৬

ইছামতির তী্রে বলেছেন: ছবিগুলো সত্যই জীবন্ত লাগছে!!

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫১

সুফিয়া বলেছেন: জীবন্ত বলেই ছবিগুলো দেখে বার বার ইচ্ছে করছে গ্রামে ফিরে যাই। ফিরে যাই আমার শৈশব কাটিয়ে আসা এমনি মানুষগুলোর কাছাকাছি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২| ২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৪৯

রেজওয়ানা আলী তনিমা বলেছেন: সুন্দর , একঝলকে বেশ গ্রাম দর্শন হল। আপনাদের গ্রামটা কোথায় ?বেশ সুন্দর তো!

২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৩

সুফিয়া বলেছেন: ছোটকালে যখন গ্রামে ছিলাম তখন গ্রামের এসব কাজে লিপ্ত থাকা মানুষগুলোর সাথে আমিও যেন মিশে গিয়েছিলাম। তাই তো এই দৃশ্যগুলো আজ বড় বেশী পিছু টানে আমাকে।

আমার গ্রাম ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার শেরপুর।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৩

রাহুল বলেছেন: কতোবছর গাঁয়ে যাইনা।

২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৫

সুফিয়া বলেছেন: নষ্টালজিক হয়ে পড়েছেন তো ? আমারও ঠিক তাই। যদিও আমি ২/৩ মাস পর পর গ্রামের বাড়ি যাই। সেই গাছ-পালা, বাঁশঝাড়, পুকুর পাড়, সরু আইল আর সহজ-সরল মানুষগুলো। এদের সান্নিধ্যে গেলে কেমন যেন বদলে যেতে ইচ্ছে করে !

ধন্যবাদ আপনাকে।

৪| ২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৪

শায়মা বলেছেন: খুব সুন্দর!

২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৮

সুফিয়া বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

আসলেই ছবিগুলো খুব সুন্দর। তারচেয়েও বেশী স্মৃতিকাতর। বারবার পিছু টানে গাঁয়ের দিনগুলোতে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৫| ২৯ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৫৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অনেক ভাল লাগল ....... গ্রাম আমাদের আষ্ট্রেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:০৬

সুফিয়া বলেছেন: আমাদের অস্তিত্বের শেকড় পোতা রয়েছে গ্রামে। যেখানে আছে শ্যামল ছায়া মায়ের আঁচলের মতো, পাখির ডাক যা প্রশান্তির আমেজ ছড়িয়ে দেয় দেহমনে। আর আছে মন উদাস করা রাখালিয়া গান, গোধূলী বেলায় ধুলি উড়ানো পথে রাখাল বালকের ঘরে ফেরা। নোলক পরা সেই কিশোরী বধূ আজও কলসী কাখে যায় পুকুর ঘাটে।

এসবের পিছুটান কি কখনও ভুলা যায় ?

ধন্যবাদ আপনাকে।

৬| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:০৬

রাহুল বলেছেন: কচি শশা গাছ থেকে পেড়ে খাওয়ার মুন চাইতাছে।যান্ত্রিক জীবেনে এসব ভুলতে বসেছি।

মনে করিয়ে দিবার জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:১৪

সুফিয়া বলেছেন: শশার কথা বললেন ! ওরে বাপরে ! সেই কি মজার দিনগুলো ছিল ! তখন তো এভাবে শশার চাষ করা হতনা ? উঠোনের কোণের গাছে ২/১টা শশা ধরত। কচি শশা কামড়ে খাওয়ার জন্য সবাই মুখিয়ে থাকতাম। কিন্তু একসাথে এত শশা তো পায়ো যেতনা। আম্মা বড়দেরকে বলতেন, তোরা পরে খাবি। গাছে আবার ধরবে। মাঝে মাঝে আম্মা কচি শশা কাউকে খাইতে না দিয়ে বড় করতেন। চাউল ভাজার সাথে খাওয়ার জন্য। এটা একটা মজার খাবার ছিল তখন। ভাতের চাউল ভেচে পেঁয়াজ-মরিচ-সরিষার তেল দিলে মাখিয়ে শশা দিয়ে খাওয়া।

আহারে ! কোথায় হারিয়ে গেল সেই দিনগুলো।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৭| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:২২

আজ আমি কোথাও যাবো না বলেছেন: নেটের অতি মচেৎকার স্পিডের কারণে পাচ মিনিট অবধি পেজটা লোড হচ্ছে। :( সবগুলা পিক দেখতে পারলাম না।

যেগুলো দেখেছি সেগুলা খুব সুন্দর।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:০৩

সুফিয়া বলেছেন: আর একবার চেষ্টা করে দেখুন। আসলে আমি চাচ্ছি আপনি সবগুলো ছবি দেখুন। ছবিগুলো আমাদের গ্রামীণ জীবন ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৮| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:২৩

রফিকুজজামান লিটন বলেছেন: আহ কতো সুন্দর আমাদের দেশ । একসাথে অনেকগুলো বিষয় মনে পড়াই দিলেন । ধন্যবাদ সুন্দর পোস্টের জন্য ।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:০৫

সুফিয়া বলেছেন: ঠিক তাই। আমাদের গ্রামীণ জীবন ব্যবস্থাকে যারা কাছ থেকে দেখেছে, এই ছবিগুলো দেখে তাদের অনেক কিছুই মনে পড়ে যাবে।

আপনি সেই দলের একজবুঝতে পারছি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৯| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৩২

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন: খুব সুন্দর। আপনার পোস্ট দেখে গ্রামে থাকার গর্ববোধ করছি।

ধন্যবাদ।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:০৭

সুফিয়া বলেছেন: আপনি গ্রামে থাকেন এটা জেনে আপনাকে আমার হিংসে হচ্ছে। সত্যি যদি জীবনের বাকী সময়টা গ্রামে কাটাতে পারতাম তাহলে সেটা কত যে উপভোগ্য হতো তা কাউকে বলে বুঝাতে পারবনা আমি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১০| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৪৬

মুদ্‌দাকির বলেছেন: এর একটা ছবিও যদি কেউ দেখে তবে সে বুঝবে যে এটা বাংলাদেশ !!
দারুণ আপনার ছবি ব্লগ গুলো ++++++

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:১০

সুফিয়া বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আপনার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। আমার প্রিয় বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরার জন্য এর বেশী কিছুর প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের গ্রামীণ মানুষের আটপৌরে জীবন-জীবিকাই এর প্রকৃত পরিচয়।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১১| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:২২

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: ছবি গুলো খুবই সুন্দর। নস্ট্যলজিক !!! গ্রামের সন্ধা/গোধুলী আমার খুব ভালো লাগতো।

বর্তমানে এই রকম গ্রামের সংখ্যা অনেক কমে গেছে।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৩৫

সুফিয়া বলেছেন: আমার গ্রামটা কিন্তু এখনও সেরকম রয়ে গেছে। বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি আজও। গোধূলির সময়টা পার হবার সাথে সাথে ঘরে ঘরে জ্বলে উঠে কূপি কিংবা হারিকেনের আলো। পেঁচার ডাকে সন্ধ্যা উৎরায় আজও আমার গ্রামে। আজও সেখানে শেয়ালের হুক্কা-হুয়া ডাকে রাতের ঘুম ছুটে যায় অনেকের। প্রায় এক মাইল দূরত্বে গাড়ি রেখে সরু আল ধরে আমার বাড়ি পর্যন্ত হেঁটে যাওয়ার আনন্দ আমি কাউকে বুঝাতে পারব না। আমার ভয় হয়, আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া এসে পৌঁছুলে আমার গাঁয়ের এই মৌলিকত্বগুলো না হারিয়ে যায় ! আর তখন গাঁয়ের প্রতি আমার পিছুটান আগের মতো থাকবে তো ?

ধন্যবাদ ।

১২| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৬

জাফরুল মবীন বলেছেন: শহরের জটিল জীবনে থাকতে থাকতে এখন গ্রামগুলোকে স্বর্গ মনে হয়।যে সুখের হাতছানিতে গ্রাম ছেড়েছিলাম তা ক্ষেত্র বিশেষে থাকলেও শান্তি নেই।কিন্তু ফিরে যাওয়ার উপায়ও নেই।নিজের পোষা অক্টোপাস জড়িয়ে রেখেছে শক্ত করে,ফিরে যাওয়া সম্ভব না এক মৃত্যু ছাড়া।ছবিগুলো দেখে কষ্ট ও আনন্দ-দুই অনুভূতিই দোলা দিয়ে গেল।

ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানবেন।

২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৬

সুফিয়া বলেছেন: ইট-পাথরে ঘেরা শহরের কঠিন ও বাস্তব জীবনের চিত্রটাই আপনি তুলে ধরেছেন আপনার মন্তব্যে। শহরের অক্টোপাশে আবদ্ধ থেকে আমরা যারা সুখে আছি বলে মনে করি তারা আসলেই মুর্খ। গ্রামের নৈসর্গিক জীবন মানুষকে যে সুখের সন্ধান দিতে পারে তার কাছে শহরের সুখ কিছুই না। আপনার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। শহরের জটিল জীবনে থাকতে থাকতে এখন গ্রামগুলোকে স্বর্গ মনে হয়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

১৩| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:১১

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: বরাবরের মতই সুন্দর একটা ছবি ভূবন যেখানে ছবিতে ছবিতে কথা বলছে আবহমান বাংলা ...
ভালোলাগা দিয়ে মার্ক করে গেলাম ...(+)

২৯ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৪

সুফিয়া বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

খুব ভালো লাগল আপনার কথাটি। ছবিতে ছবিতে কথা বলছে আবহমান বাংলা।

১৪| ২৯ শে জুন, ২০১৪ বিকাল ৫:২৬

ফাহিম আহমদ বলেছেন: সুন্দর ছবি +

২৯ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৭

সুফিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ।

আমাদের বাংলাদেশ বিশেষ করে গ্রাম বাংলার রূপ বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়। সেই গ্রাম বাংলার জীবন্ত ছবি। সুন্দর তো হবেই।

১৫| ২৯ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:২৪

আমি ইহতিব বলেছেন: আপনার জন্য



আরেকটা

২৯ শে জুন, ২০১৪ রাত ৮:০০

সুফিয়া বলেছেন: উফ ! আপনার এই উপহারের তুলনা হয়না। আমার শৈশব ও গ্রামীণ আর একটা দিককে আপনি জািগয়ে তুললেন। কচুরপিানার ফুলের জন্য কত হন্যে হয়ে ছুটেছি।

শুধুমাত্র ধন্যবাদ দিয়ে আপনার এই উপহারের প্রতিদান দেয়া সম্ভব নয়। তবু আপাতত এটুকুই।

ভালো থাকবেন।

১৬| ২৯ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৭

শাহাদাত হোসেন বলেছেন: গ্রামে এই সব ছবি বাস্তবে দেখা যায়, তবে আমার মনে হচ্ছে আপনি কিছু ছবি নেট থেকে খুজে বাহির করে দিয়েছে, অনেক ছবি যেটা আপনার ক্যামরায় উঠানো না।

২৯ শে জুন, ২০১৪ রাত ৮:০৪

সুফিয়া বলেছেন: আমি কিন্তু বলিনি যে ছবিগুলো আমার ক্যামেরায় তোলা কিংবা ছবিগুলো আমার গ্রামের। ছবিগুলো গ্রামীণ চিরন্তন রূপের প্রতীক। ছবিগুলোর মাধ্যমে আমি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র সবার সাথে শেয়ার করতে চেয়েছি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭| ২৯ শে জুন, ২০১৪ রাত ৯:০২

বাবেষ্ট বলেছেন: Marvelous, beautiful, hearttouchable post.
how are you sister? We hope for you good luck, happy days, healthy life!!!

৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৩২

সুফিয়া বলেছেন: আমি খুব ভালো আছি। বিশেষ করে এই মুহূর্তে আপনার এত সুন্দর মন্তব্য দেখে। আজ সকালটাই আমার ভালো হয়ে গেল।

ছবিগুলো সুন্দর একথা ঠিক। সুন্দর তো হবেই। আমার প্রিয় বাংলাদেশটাই তো সুন্দরের এক বিরল দৃষ্টান্ত। আর এর গ্রামগুলো ! সবুজে-শ্যামলে ঢাকা মায়ের আঁচলের মতো ছায়া দিয়ে মায়া দিয়ে আগলে রেখেছে সবাইকে। এর কি কোন তুলনা মেলে ?

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ৩০ শে জুন, ২০১৪ রাত ১:৪২

শুঁটকি মাছ বলেছেন: দারুন

৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৩৫

সুফিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

১৯| ৩০ শে জুন, ২০১৪ রাত ২:০৫

একেবিশ্বাস ( আব্দুল কুদ্দুস বিশ্বাস) বলেছেন: ছবিগুলো বেশ সুন্দর। বেশ ভালো লাগলো। বাড়ি যায় না ৯ মাসে বেশি হলো। ছবি দেখে বাগি যাওয়ার ইচ্ছাটা আরো চাঁড়া দিচ্ছে। ধন্যবাদ ভাই, সুন্দর ছবি শেয়ার করার জন্য।

৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৪২

সুফিয়া বলেছেন: এই পোস্টটা অনেককে নস্টালজিক করে দিয়েছে। খুবই স্বাভাবিক। গ্রামকে যারা ভালোবাসে, মাটি ও মানুষের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ যাদের হয়েছে তাদের বেলায় এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক। আপনার ছবিতে গাছপালার আদুরে আলিঙ্গনে যে গ্রামটিকে দেখা যাচ্ছে, গ্রামের বুক ছিঁড়ে চলে যাওয়া মেঠোপথ সবই সুন্দর। এসব দৃশ্য দেখলেই একবার কাছে যেতে ইচ্ছে করে।

সম্ভব হলে একবার গ্রামে গিয়ে ঘুরে আসুন। মাটির সূধাগন্ধে দূর হয়ে যাবে মনের ভিতরের সমস্ত হা-হুতাশ। ভালো থাকুন আপনি।

ধন্যবাদ।

২০| ৩০ শে জুন, ২০১৪ রাত ২:৫১

কামরুল ইসলাম রুবেল বলেছেন: এত সুন্দর গ্রামটা কোথায়? মানে আপনার উল্লেখিত গ্রামের নামটা জানতে চাচ্ছি।
উপর থেকে আট নম্বর ছবিটি কোথাকার?

ভালো হয়েছে+

৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ৯:৫৬

সুফিয়া বলেছেন: ছবিগুলো আমার তোলা নয়, সংগ্রহ করা। সাইটের এড্রেস দিয়ে দিয়েছি। ওখানে এরকম আরও হাজার হাজার ছবি পাবেন।

আরও একটি কথা। বাংলাদেশের সব গ্রামেই কিন্তু সুন্দর।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২১| ৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ১০:৪৫

রাজিব বলেছেন: জীবনানন্দ দাশ

বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর : অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড়ো পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দোয়েলপাখি — চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম — বট — কাঠালের — হিজলের — অশখের করে আছে চুপ;
ফণীমনসার ঝোপে শটিবনে তাহাদের ছায়া পড়িয়াছে;
মধুকর ডিঙা থেকে না জানি সে কবে চাঁদ চম্পার কাছে
এমনই হিজল — বট — তমালের নীল ছায়া বাংলার অপরূপ রূপ

দেখেছিল; বেহুলার একদিন গাঙুড়ের জলে ভেলা নিয়ে –
কৃষ্ণা দ্বাদশীর জোৎস্না যখন মরিয়া গেছে নদীর চরায় –
সোনালি ধানের পাশে অসংখ্য অশ্বত্থ বট দেখেছিল, হায়,
শ্যামার নরম গান শুনেছিলো — একদিন অমরায় গিয়ে
ছিন্ন খঞ্জনার মতো যখন সে নেচেছিলো ইন্দ্রের সভায়
বাংলার নদী মাঠ ভাঁটফুল ঘুঙুরের মতো তার কেঁদেছিলো পায়।

উতসঃ Click This Link

৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৫০

সুফিয়া বলেছেন: অনেক দিন পর আমার প্রিয় কবিতাটি পড়লাম। সুযোগ করে দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

এখানে ছবি দেয়ার কৌশলটা জানিনা। জানলে আপনাকে সুন্দর আরও ২/১ ছবি দিতাম এত সুন্দর কমেন্ট এর জন্য। আপাতত পারছিনা। তাই মনে আফসোস রয়ে গেল।

ভালো থাকবেন।

২২| ৩০ শে জুন, ২০১৪ সকাল ১১:৩৫

রেজা এম বলেছেন: BD r gram r India r gram gula totally opposite :| :| :|

৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৩

সুফিয়া বলেছেন: ইন্ডিয়ায় আমি অনেকবার গিয়েছি। কিন্তু কাছ থেকে কোন গ্রাম দেখার সুযোগ হয়নি। তাই আমাদের গ্রামের সাথে আপনার তুলনাটা ঠিক বুঝতে পাচ্ছি না। তবে আমার কাছে আমাদের গ্রামগুলো সত্যি অপরূপ।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩| ৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ১২:৫৯

রাজিব বলেছেন: যার যার কাছে তার নিজের দেশ দেশের গ্রামই সেরা। বৃষ্টির দেশের মানুষ আমি। বৃষ্টি হবে না, সবুজ ঘাস থাকবে না, গাছ থাকবে না, নদী থাকবে না, পুকুর থাকবে না- এমন কি ভাল লাগে? কিন্তু মরুর দেশের লোকের কাছে এত বৃষ্টি অসহ্য, এত নদী ভাল লাগার কথা নয়। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রামের চিত্র বিভিন্ন রকমের। তাদের কাছে সেটাই ভাল লাগে। আমি কোলকাতা গিয়েছি এবং তাদের গ্রাম এত সুন্দর মনে হয়নি। আবার সুনামগঞ্জ থেকে মেঘালয়ের চিত্র দেখেছি এবং তা অপরূপ লেগেছে।

৩০ শে জুন, ২০১৪ দুপুর ২:৩৭

সুফিয়া বলেছেন: আপনি একদম ঠিক বলেছেন। যার যার কাছে তার নিজের দেশ বা গ্রামই সেরা। এটাকেই বোধহয় বলা হয় দেশপ্রেম। দেশকে ভালো না বাসলে এমন অনুভূতি কখনও মনে আসবে না।

ধন্যবাদ আপনাকে।

২৪| ০২ রা জুলাই, ২০১৪ রাত ১:২৯

সায়েদা সোহেলী বলেছেন: +++++++++++++

০২ রা জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:৫৬

সুফিয়া বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

সকাল বেলা মনটা খুশীতে ভরে গেল এমন সুন্দর সুন্দর একটা ছবি দেখে। কি সুন্দর গ্রামটির ছবি। বর্ষা ঋতুতে আমাদের গ্রামগুলোর রূপ যেন ভিন্ন মাত্রা নয়। সেরকমই একটা ছবি দিয়েছেন।

সেই তালগাছ আজও আছে এক পায়ে দাঁড়িয়ে/সব গাছ ছাড়িয়ে।

সেই সবুজ মাঠ, শ্যামল গাছপালার আঙিনা পেরিয়ে/ওপারে আকাশে মেঘের দল যেন ডাকছে কাকে।

আমি আজও ফিরে ফিরে যাই তাদের কাছে/মায়াময় সেই গাঁয়ের কাছে।

আমার ফেলে আসা দিনগুলোকে খুঁজে পাব বলে।

২৫| ১৯ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:৩০

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: সোজা সংকলনে .....

২০ শে জুলাই, ২০১৪ সকাল ৭:৪৫

সুফিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো লাগল আপনার সিলেকশান দেখে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.