| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রশ্নগুলো আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে। যারা শাহবাগে আন্দোলন করছে, তাদের উদ্দেশ্যে। তারা কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাও লিখছি...
১। এ বিচার বেশিরভাগ লোক ই মানে না।
২। বিচার টি নিরপেক্ষ নয়।
৩। বিচারটি পুরোপুরি শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রনে। উনি চাইলে কারো ফাঁসি বা যাবজ্জিবন হয়। বা কেউ খালাস ও পেতে পারে।
৪। তার মানে ট্রাইবুনাল স্বাধীন না।
৫। আওয়ামী লীগ যে বিচারের নামে রাজনীতি করছে সেটা বর্তমান প্রগতিশীলরা ( পড়ুন গন্ডারের চামড়া) এতদিন পরে ধরতে পেরেছেন।
৬। তারা এখন আন্দোলন করে কি প্রমান করতে চান, বিচারটি ঠিক মত হচ্ছে না, ফলে ট্রাইবুনাল ভেঙে দিতে হবে?
৭। ও রকম হলে তো জামায়াত আর এই আন্দোলনকারীদের দাবি প্রায় একই।
৮। আন্দোলনকারীদের দাবি যদি সঠিক হয়, তবে কি তারা এখোনো আওয়ামী লীগের উপরে আস্থা রাখবে?
৯। দাবি সঠিক হলে, বর্তমান বিচারকরা তো পুরোপুরি বিতর্কিত হয়ে গেল। সেক্ষেত্রে কি করনীয় আছে।
১০। নিয়ম অনুযায়ী আপিল হবে, কেউ রায়ে সংক্ষুব্ধ হলে, বা অখুশী হলে, তা বলার সুযোগ রয়েছে। সেই আপিল হবে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাপিলেট ডিভিশনে। তবে কি বিক্ষোভকারীরা সুপ্রিমকোর্টের উপরেও ভরসা রাখতে পারছে না?
১১। তাহলে কিসের বিচার তারা চায়, কার কাছে চায়?
২|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: :-& :-& :-&
৩|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৩৫
সংকেত মাহমুদ বলেছেন: কিরে খানকির পোলা ,ট্রাইবুনাল কি তোর বাপরে নির্দোষ কইছে । জনগন ক্ষেপছে তো লঘু দন্ড কেন দেওয়া হলো সেজন্য ।
ঐ খানকির পোলা , তোরা যারা জামাত-শিবির করতাছোস, তোরা তো ইসলামী দল ।তো ইসলামী দল হয়ে কোন আক্কেলে আদালতে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিস !!ইসলামে কি মিথ্যাচার জায়েজ আছে ?? অবশ্যই নেই ।তাইলে আদালতে মিথ্যাচারের চর্চা যে জামাত শিবির করলো, এটা কোনধরনের ইসলামিক বৈশিষ্ঠ্য !!!!
ইসলামের ইতিহাসে খেলাফত কায়েমকারী কাউরে কখনো দেখছোস মিথ্যাচারের চর্চা করতে ??
জামাত-শিবির হল ইসলামের প্রকৃত শত্রু, যারা মুখে খেলাফত কায়েমের কথা কয় আবার মিথ্যাচারের চর্চাও করে ।যেমনঃআদালতে কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগের ঘটনাস্হল ঢাকার মিরপুর এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জে ।অথচ এ প্রসঙ্গে আদালতে কাদের মোল্লার পক্ষের সাক্ষী হাফেজ এ আই এম লোকমান আদালতে মিথ্যা জবানবন্দী দিয়ে বলেছেঃ যুদ্ধকালে আব্দুল কাদের মোল্লা নাকি ঢাকাতেই ছিলেন না। তিনি গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে ছিলেন। হানাদার বাহিনীর সাথে কাদের মোল্লার নাকি কোন সম্পর্কই ছিল না !!!!!!! দৈনিক সংগ্রামও কাদের মোল্লার পক্ষের ঐ সাক্ষীর এই মিথ্যা জবানবন্দীটি রিপোর্ট ফলাও করে নিখছে কাদের মোল্লার পক্ষের সাক্ষী লোকমান যে আদালতে মিথ্যা জবানবন্দী দিয়েছে তার প্রমান দেখা মেলে এই ছবিতে যেখানে কাদের মোল্লার{গোল দাগ চিহ্নিত} সাথে পাক বাহিনী সেনাপতি ঘাতক নিয়াজীর সঙ্গে মুখে ইসলাম কায়েমের কথা কয় আবার আদালতে মিথ্যাচারও করে ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫২
এম আর সুমন বলেছেন: তোর ভাষাটাই তো তোর পরিচয় দিয়ে দিল রে। থলের বিড়াল এভাবেই বের হয়ে যায়। আর কতক্ষন ফও কচকচানি করলি কি জন্য । আমি তো জামাত না যে তোর প্রশ্নের জবাব দেব। এটা তোর হাম্বালীগ বাপেরে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারিস। আর না হলে তোদের যে নতুন বাপ জামাত তাদেরকে সরাসরিও তো জিজ্ঞেস করতে পারিস। এখন তো তোরা ই এক হইয়া গেছিস।
আর খানকীর পোলা টাইপের শব্দ তোরে যে শিখাইছে, সম্ভবত তোর কোনো বড় ভাই, তাকে দিয়ে প্রাকটিস করতে পারিস।
তোর মত ফালতু লোক কেন ব্লগে আসে আমার তো মাথায় ঢোকে না।
৪|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪১
অপরিচিত অতিথি বলেছেন: kono law mani na. Direct fasi chai.
৫|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩২
সংকেত মাহমুদ বলেছেন: খানকি মাগির পোলা ছাগুদের বিশ্বাস হয় না, ধৃত ব্যাক্তিরা অরিজিনাল আলবদর- রাজাকার ।আরে হারামজাদা ছাগুর দল- ধৃত ব্যাক্তিরা তো শুধু রাজাকার বাহিনীর একজন সাধারন সদস্যই না বরং রাজাকার-আলবদর-দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।
যে নিজামী আলবদরে লিড দিছে, "অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধর "এই কথা বইলা যে মুজাহিদ গনহত্যাকারী রাজাকারদের নির্দেশ দিছে , যে গোলাম আজম তার কর্মীদের খুনী পাক হানাদার বাহিনীরে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিছে , তারা ৭১ এ নিশ্পাপ শিশু । অথচ এরা তো ছিল, গনহত্যাকারী দোষর বাহিনীর কেন্দ্রীয় লিডার ।কেননা ’৭১-এ মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকাররেরা যাদের হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করেছে, তাদের সঙ্গে রাজাকারদের কোনো ব্যক্তিগত বা পারিবারিক শত্রুতা ছিল না। লাখ লাখ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছিল দলীয় ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্দিষ্ট আদর্শিক প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে। রাজাকার বাহিনী হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল এই লিডারদের রাজনৈতিক আহ্ববানেই ।
বাংলার স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অধিনস্ত রাজাকারদের অস্ত্র হাতে নিতে মুজাহিদের নির্দেশঃ
(
(
( +
১৯৭১ এর গনহত্যাকারী আলবদর বাহিনীকে একশনে উৎসাহিত করতে আলবদরের নেতা নিজামীর প্রচেষ্টার নমুনাঃ
![]()
এই কারনেই তো ছাগুদের বলা হয় এরা জারজ ।কেননা এরা নিজেদের বাপদেরই চিনতে পারে না ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:০৬
এম আর সুমন বলেছেন: বেহায়া বেয়াদপের বাচ্চা। তোর বাপ হইল আসল রাজাকার। তোর বাপরা তো রাজাকার আছিলই এখন রাজাকারদের আবার ছাইড়া দিতাছে। আর বিচারের নামে মস্করা করতাছে।
আর যাদের বাপের ঠিক নাই তারে কি উত্তর দিব। আর রাজাকারদের এসব ফিরিস্তি দিয়া আমি কি করব? কোথাও তো আমি লিখিনি যে এরা রাজাকার না, বা বিচার সঠিক হয়নি। তুই তার পরেও আমার ব্লগে এসব কপচাচ্ছিস কেন জানিস, কারন তুই যুক্তিগুলার উত্তর দিতে পারবি না। তোর বাপেরা তো শুধু গালি শিখিয়েছে যুক্তি শেখায়নি। মাদারচোদ, আবার একবার আমার লেখাটা পড়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৭
ফারমার বলেছেন: হায়েনা মোল্লার বিচার আবার করা হবে, ফাঁসী থেকে মুক্তি নেই!