| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলানিউজ সামুর ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছে তা অবান্তর। বিশেষ করে এক জায়গায় তারা মহা উৎসাহে লিখেছে সরকারী একটি গোয়েন্দা সংস্থা সামুর পোষ্টগুলি নজরে রেখেছে। এটা তো এদেশের মানুষের লেখার বা বলার স্বাধীনতার সরাসরি লঙ্ঘন। এটা আওয়ামী লীগ সরকার করতে পারে না। সেই অধিকার তাদের কেউ দেয়নি। আমাদের উপর কোনো নজরদারী আমরা চাই না। এটা করার প্রয়োজনও নাই।
যেখানে দেশের বর্তমানে বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি সরাসরী এ আন্দোলনের পক্ষে নেই, এমনকি তারা এর বিরোধীতা করেছে। যেখানে গতকাল কাদের সিদ্দীকীকে স্পষ্ট বলতে শুনলাম যে আওয়ামী লীগে যারা রাজাকার তাদের বিচার ও করা হোক। তিনি একটি টকশোর শেষে গতকাল স্পষ্ট বলেছেন এই বিতর্কীত ট্রাইবুনাল ভেঙে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষনে নতুন ট্রাইবুনাল গঠন করা হোক।
তিনি বলেন, শাহবাগে সবাই রাজাকারদের ফাঁসি চাই , না বলে শুধু জামাতের রাজাকারদের ফাসি চাইছে। যেখানে তাদের দাবি হওয়া উচিত সব দলের সব রাজাকারদের ই ফাঁসি। মিস্টার কাদের সিদ্দিকী বঙ্গবীর আরো বলেন এ তরুনরা জোশে এসে রাজাকারদের কারো কারো ফাঁসী তো চাইছে কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে ভুলে গেছে। তারা একে খন্দকার এর মত মুক্তিযোদ্ধাকে গত পরশু অনেক দুরে দাড় করিয়ে রেখেছে। এমনকি জিজ্ঞাসাও করেনি যে আপনি কে।
এ কথাগুলো আমার না কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এ নেতার।
আবার বিএনপির আইনজীবি মোশাররফ বা ম্ওদুদরাও ট্রাইবুনাল ভেঙে দিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন।
বিএনপির এই মূহুর্তে যে জনপ্রিয়তা তাতে অন্য সকল দল মিলেও বিএনপির ধারেকাছেও কেউ যেতে পারবে বলে তো মনে হয় না। এমনকি প্রথম আলোর জরীপ অনুযায়ীও বিএনপির জনপ্রিয়তা ৪৪ শতাংশের বেশি। যা আওয়ামী লীগের থেকে ১০ শতাংশ বেশি। ১৬ কোটির মধ্যে দশ শতাংশ কিন্তু বিশার ব্যপার। এখন দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্টির যারা প্রতিনিধিত্ব করেন তারাই তো শাহবাগ আন্দোলনকে দলীয় নাটক বলছে।
কথা হচ্ছে সেই কথাগুলোই কি সাধারন ব্লগাররা বলতে পারবে না?
তাদেরকে কি সেই কারনে নজরদারিতে থাকতে হবে? দেশে কি কেউ বিএনপি করতে পারবে না? করলে সে তাদের মতামতও তো বলতে পারবে, নাকি বললেই রাজাকার হয়ে যাবে?
যতই দাবিয়ে রাখতে চাক কথাটা, তারপরেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশে শেখ হাসিনাকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, আওয়ামী লীগ নামে একটি দল করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন।
আর তার জনপ্রিয়তার ধারেকাছেও বাংলাদেশের কোনো নেতা আর কোনোদিন যেতে পারবে বলে মনে হয় না। তিনিই এদেশের মানুষকে বাক স্বাধীনতা দিয়েছিলেন, তিনিই দিয়েছিলেন সংবাদপত্র ও লেখালেখির স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতারই কথা বলে সামহোয়্যার ইন ব্লগ। এদেশের জনগনের সেই সুযোগ নষ্ট করার কোনো অধীকার কারো নেই , থাকতে পারে না।
সত্যি যদি কেউ সামুকে নজরদারীতে রেখে থাকেন, তবে বলি প্লিজ বাংলাদেশের মানুষের এইটুকুই তো স্বাধীনতা , সেটুকু হরন করবেন না। প্লিজ যার যা মতামত তা অন্তত বলতে দিন। সত্যিকারের গনতন্ত্র প্রতিষ্টার সুযোগ করে দিন।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭
এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ
২|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৪
মাইকেল স্কোফিল্ড বলেছেন: আজিব শিমু বলেছেন: সম্পূর্ন একমত
আপনার সাথে।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৮
এম আর সুমন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ
৩|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৫
মাইকেল স্কোফিল্ড বলেছেন: আজিব শিমু বলেছেন: সম্পূর্ন একমত
আপনার সাথে।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২২
আজিব শিমু বলেছেন: সম্পূর্ন একমত আপনার সাথে।