| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা যে দেশটিতে বসবাস করছি সেই দেশ , সেই দেশের জন্য দেশপ্রেম , সেই দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি , ভাষা এগুলো নিতান্তই আওয়ামী সম্পদে পরিনত হয়েছে। আওয়ামী লীগের একটি দল হিসেবে ভোটের রাজনীতিতে বা সমর্থনের প্রশ্নে জনসমর্থন যতই কমতে থাকুক না কেন, তাদের দেশপ্রেম বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। এই দেশপ্রেমের আবার নানান ধরন আছে। আবুলীয় দেশপ্রেম হল প্রথম শেনীর দেশপ্রেম। স্বয়ং প্র্রধানমন্ত্রী বলেছেন তিনি এদেশে না থাকলে এই দেশটার কি হবে! তার চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক কেউই নাই।
আমাদের দেশটায় যা কিছু শান্তির অভাব তা কিন্তু আসলে বিশ্বকে শান্তি দিতে গিয়ে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তো আসলে বিশ্ব শান্তির মডেলদাত্রী। তাই নিজের দেশের প্রতি হয়তো খেয়াল একটু কম দেয়া হয়েছে। তাই বলে যে তিনি শান্তিকন্যা হবেন না এমন কোনো কথা নেই।
শান্তি কিন্তু আমাদের দেশে আসবেই। এখন পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বিভিন্ন দেশে এই শান্তি ঘোরাঘুরি করছে। এক সময় আমাদের দেশে নিশ্চয়ই আসবে।
সংস্কৃতির কথা বলছিলাম। আমার যদি মনে হয় যে আমি আওয়ামী লীগ করবো না, এটা তো মহা পাপ হয়ে যাবে । কারন আওয়ামী লীগ না করা মানেই সেই ব্যক্তি এদেশের সংস্কৃতি , ভাষা বা শহীদ মিনার এসবের বিরোধী। একটু বেশি যারা আওয়ামী লীগার তারা হয়তো বলবেন আওয়ামী লীগ না করলেই রাজাকার, আবার যুদ্ধাপরাধীও বলা যেতে পারে।
যদিও দেশের সাধারন মানুষের ধারনা বর্তমান সরকারের জনপ্রিয়তা সত্যিই এই সময়ে ২০ শতাংশও আছে কিনা সন্দেহ। তার মানে এদেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষই সংস্কৃতি বা দেশপ্রেম অন্তরে ধারন করে না। আওয়ামী সূত তাই বলে।
যাই হোক বলতে চেয়েছিলাম একটু বেড়াতে যাওয়ার কথা। ছুটি পেয়ে সোনারগাওয়ে গিয়েছিলাম। লোকশিল্প জাদুঘর মানে ঈশা খানের বাড়ি দেখতে। খুব আগ্রহ করেই গিয়েছিলাম। কিন্তু যতখানি আগ্রহ নিয়ে গিয়েছি ততখানি হতাশ হযে ফিরে আসতে হয়েছে। আসলে ভাই আমি গিয়েছিলাম ঈশা খানের স্মৃতি দেখতে। মনে হয় একটু সময়ের জন্য ভুলে গিয়েছিলাম যে এটা তো আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। ফলে এটা আওয়ামী সম্পত্তি। তবে সেই ভোলাটা বেশিক্ষন স্থায়ী হল না।
সেই ইশা খানের বাড়ি তন্ন তন্ন করে খুজেও ঈশা খানের কোনো মূর্তি , ছবি, বা পোট্রেট তো দূরের কথা কোথাও ঈশা খাঁ নামটাও দেখলাম না। যেখানেই তাকাই কেবল বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি , তার পোট্রেট , তার পোষ্টার, বড় বিলবোর্ড, বঙ্গবন্ধুর কতিপয় নথি , এমনকি শেখ রাসেলের ভাস্কর্য পর্যন্ত সেখানে আছে। শুধু ঈশা খানই সেখানে অনুপস্থিত।
এরপরে একটু খোঁজখবর নিযে জানা গেল এ সবকিছুর পরিকল্পনা যিনি করেছেন তিনি মহা প্রগতিশীল আওয়ামী কবি, রবীন্দ্র গোপ। তিনি নাকি কিছুদিন আগে জিয়াউর রহমানের কিছু নথিপত্র সোনারগাঁওয়ে পুড়িয়ে ফেলেছেন। শুনেই মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। আমার পরিচিত এক কবিকে তখনই ফোন করে জিজ্ঞেস করলাম ,ভাই এই রবীন্দ্র গোপের ভাল কোনো লেখা আছে? তিনি আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন কোন রবীন্দ্র গোপ? আওয়ামী লীগের কবি?
আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। কবিও আওয়ামী লীগের সম্পত্তি !!!আর কি কি আওয়ামী লীগের হয় কে জানে!!!
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৭
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।
২|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৫
আজিব শিমু বলেছেন: আমি আমার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। কবিও আওয়ামী লীগের সম্পত্তি !!!আর কি কি আওয়ামী লীগের হয় কে জানে!!!
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৭
এম আর সুমন বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ
৩|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৪
বোকামন বলেছেন:
৪|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:২৩
রাসেল মেটামোরফোজ বলেছেন: তিনি আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন কোন রবীন্দ্র গোপ? আওয়ামী লীগের কবি?
৫|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ৮:৩২
কন্সট্যান্ট শেখ বলেছেন:
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৫
আজিব শিমু বলেছেন: আবুলীয় দেশপ্রেম হল প্রথম শেনীর দেশপ্রেম।