নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশপ্রেম হচ্ছে দুবৃত্তদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থলঃ Samuel Johnson

গতানুগতিক

এম আর সুমন

গতানুগতিক

এম আর সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঘুম ভেঙেছে মিডিয়ার ( পুরোপুরি কপি পেষ্ট)

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১২

লেখাটি আমার খুবই ভাল লেগেছে। মিডিয়া নিয়ে আমি আগেও একটি লেখা দিয়েছিলাম। সেই লেখার শিরোনাম ছিল,সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, মিডিয়াগুলির একপেশে নীতি , বাকশাল ও বর্তমান বাস্তবতা

Click This Link

আজ মানবজমিনে এমন আর একটি লেখা পড়লাম। আমি লেখাটি শেয়ার করছি। বিশেষ করে সংখ্যালঘুগো মাইরা মাইরা যারা রাজনীতি করতাছেন , তাগো জন্য অবশ্যপাঠ্য।

ঘুম ভেঙেছে মিডিয়ার। তারা এখন বলছে, অনেক হয়েছে। আর নয়। আলোচনায় বসুন রাজনীতিকরা। এতদিন এই মিডিয়া উস্কে দিয়েছে সবকিছু। ঘটনার এক পিঠ দেখেছে। অন্য পিঠে কি আছে তা একবারও তলিয়ে দেখার চেষ্টা করেনি। অভিযোগ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টাতেও রসদ দিতে চেয়েছিল কতিপয় মিডিয়া। দু’সপ্তাহ আগে কলকাতার আশপাশে দাঙ্গা হয়েছিল।

একজন পেশ ইমাম খুনের ঘটনার পর। বিবিসি এ খবর দিয়েছিল। আগ্রহবশত অনলাইনে পরদিন খবরটি কলকাতার পত্রপত্রিকায় খুঁজলাম। একটি হরফও পেলাম না। অথচ ঢাকার মূলধারার গণমাধ্যম যেসব খবর প্রচার করেছে তাতে আতঙ্কিত না হয়ে পারা যায় না। রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য এসব মিডিয়া একপেশে খবর ছেপেছে।



যাতে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভিন্ন বার্তা গেছে আধুনিক দুনিয়ায়। বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক নয়। তারা রাজনীতি নিয়ে লড়াই করতে পারে। বেছে নিতে পারে হিংসার পথ। কিন্তু কখনও সাম্প্রদায়িকতাকে প্রশ্রয় দেয়নি। বরং জান দিয়ে রুখে দিয়েছে। এখনও তা করবে। জামায়াতে ইসলামী পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেছে তারা মন্দির কিংবা হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে আগুন দেয়ার সঙ্গে জড়িত নয়। বিরোধী নেত্রী বেগম জিয়াও বিবৃতি দিয়ে নিন্দা করেছেন। তদন্ত দাবি করেছেন।



সরকার এ নিয়ে রাজনীতি করছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি আরেক ধাপ এগিয়ে। তিনি বর্তমান অবস্থাকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করছেন। বাস্তব অবস্থা কি তাই! দেশের বেশিরভাগ না হলেও অর্ধেক মানুষ কি এই জঘন্য খেলায় মাততে পারে! রাজনৈতিক বিরোধিতার মানে কি স্বাধীনতার বিরোধিতা। দেশে দেশে এমন ঘটনা ঘটছে। কিন্তু সেসব দেশের শাসকদেরকে বলতে শোনা যায় না এরা রুয়ান্ডা, সিরিয়া, মিশর কিংবা তিউনিসিয়ার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরোধী।

এখন রাজনীতির সময় নয়। সংখ্যালঘুদেরকে যে কোন হিংস্র হামলা থেকে বাঁচাতে হবে। খুঁজে বের করতে হবে কারা এই হামলা করছে। পরিস্থিতি ঘোলাটে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এখন মিডিয়াকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আসল সত্যটা প্রচার বা লিখতে হবে। একটি ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদকীয় দেখে কিছুটা আশ্বস্ত হলাম। এতে বলা হয়েছে জরুরি ভিত্তিতে সংলাপে বসতে হবে। বলেছে, সমস্যাটি রাজনৈতিক। তাই শক্তি প্রয়োগ না করে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। আরেকটি প্রভাবশালী বাংলা দৈনিকের সম্পাদকীয়তেও একই ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মনে রাখতে হবে সমস্যাটি নিছক আইনশৃঙ্খলাজনিত নয়।



রাজনৈতিক সমস্যা সবাইকে সঙ্গে নিয়েই সামাল দিতে হবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে এ ধরনের খবর প্রচারে বেশি সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ, এখন একটি খবর আমাদের সব অর্জন ওলট-পালট করে দিতে পারে। বিপন্ন হতে পারে গণতন্ত্র। ঝুঁকিতে পড়তে পারে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সর্বদলীয় বৈঠকের যে খবরা-খবর এসেছে তা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। তাতে মনে হয় নোংরা প্রচারণার মধ্যে বিবেক হারিয়ে যায়নি। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, সাংবাদিকরা দলীয়ভাবে বিভক্ত হওয়ার কারণে আমরা একবাক্যে বলতে পারছি না, রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ। একটি অভিন্ন সম্পাদকীয় লেখার কোন উদ্যোগও নেয়া যাচ্ছে না।



সম্পাদকদের কোন ফোরাম নেই। সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক হিংসা হানাহানির জের ধরে ভেঙে গিয়েছে সেই ঐক্য। সরকার অনেক কিছুই বুঝতে পারে না অন্ধ দলবাজি আর মোসাহেবির কারণে। তাই বলে সাংবাদিকরা কেন বুঝতে পারবেন না বাংলাদেশ এখন কোন পথে হাঁটতে শুরু করেছে।





মানুষইবা কি ভাবছে। নির্বাচিত সরকার বাদ দিয়ে যখন ‘গণজমায়েত’কে বিকল্প সরকার ভাবা শুরু হলো তখন থেকেই পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। মিডিয়া যদি বিশ্বাসযোগ্যতা হারায় তাহলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যত যে অনিশ্চিত এটা বোধ করি কাউকে বলতে হবে না। তাই সময় এসেছে সাদাকে সাদা বলার।



Click This Link

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২০

কানা ফকীর বলেছেন: মিডিয়া আসলে এবার অনেক ক্ষেত্রেই অবাক করেছে।

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩০

এম আর সুমন বলেছেন: একমত। অবাক মিডিয়া!!

২| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২২

খালিদ মুহাম্মদ ইফতেখার আবেদীন বলেছেন: এক সময় সামরিক শাসকেরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করত । সাংবাদিকরা তাদের রক্তচক্ষুকে উপক্ষো করে খবর ছাপাত ।কত শহ সাংবাদিক সত্য সংবাদ প্রকাশের জন্য নির্যাতন সহ্য করেছে তা হয়ত লিখেও শেষ করা যাবে না । এখন সময় পাল্টে গেছে । দেশে সামরিক শাসন নেই, নেই সংবাদ প্রকাশের ওপর কোন বিধি নিষেধ। এখনকার সংবাদপত্রগুলো নিজেরাই Self Censorship চালু করেছে । পত্রিকা ও টিভি মালিক ঠিক করেন কোন সংবাদ কিভাবে জনগণের সাথে উপস্থাপন করা হবে । তাই একদল ভাঙচুর করলে সেটা হয় 'ক্ষোভের বহি:প্রকাশ' আর অন্যদল করলে সেটাই হয় 'তান্ডব' ।

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৪

এম আর সুমন বলেছেন: সঠিক বিশ্লেষণ একেবারে। প্রগতিশীলরা যা ভেল্কী দেখাইলো!!

৩| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৬

জীবনকেসি বলেছেন: ৭১ এর পরই কিন্তু ৭৪ এবং এর পর ৭৫।

০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৭

এম আর সুমন বলেছেন: দোয়া করেন এগুলা যেন না হয়।

৪| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৯

একমত না বলেছেন: এই পোস্টের পরে সামু যদি আমাকে ব্যান না দেয় তাহলে বুঝতে হবে সামুর মডুরা নিরেপক্ষ হওয়ার চেষ্টা করতেছে আর না হয়ে ১০০ টা পোস্ট ডিলিট করে এই একটা পোস্ট ডিলিট না করে, আমাকে ব্যান না করে তারা দেখানোর চেষ্টা করতেছে তারা নিরেপক্ষ।

যোগী নামক এক ব্লগার খালেদা জিয়াকে নিয়ে কিছু সুন্দর কথা বলার কারনে কেও তার ব্যান চাচ্ছে আর কিছু ছাগু ফাইটার যোগীকে সমর্থন দিচ্ছে। বাংলাদেশের ৩ বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ এবং তার চরিত্র নিয়ে কমেন্ট দেবার পরো সামুতে সে বহাল তবিয়তে থাকে এবং অনেকের সমর্থন পায় সেটা দেখে আমি ভাবলাম আমিও একটা চান্স নেই।
দেখি নিজেকে সুস্থ মস্তিষ্কের দাবি করা ছাগু ফাইটাররা এবং সামুর মডুরা কি করে।

এক আবুলের পেটে পুরা পদ্মা সেতু চলে গেল। এক আবুলকে চার্জ শিটে ঢুকিয়ে দিলে এখন হয়তো পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়ে যেত। ওহ! ভুলে গেছি। মসিউর রহমান নামক উপদেষ্টাও কম দায়ী না। পদ্মা সেতু আর বিশ্ব ব্যাংকের মাঝে এই দুই লোক কাঁটা হয়ে থাকলেও, অর্থমন্ত্রী মসিউর রহমান (হয়তো আবুলকেও) কে সরিয়ে দিতে রেডি থাকলেও আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আবুল এবং মসিউর কে সরিয়ে দিতে একদম রাজি নয়। শেষে না পেরে আবুলকে বের করে দিলেও মসিউর কে নিয়ে কম নাটক করেনি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এখন কথা হচ্ছে তাদের প্রতি বিশেষ করে মসিউরের প্রতি তার কিসের এতো পিরিত যে তিনি তাকে সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন না। নাকি সরিয়ে দিলে তাদের যখন তখন বঙ্গভবনে কাছে পাওয়া যাবেনা এই কারনে তিনি সরিয়ে দিতে চাচ্ছেন না? ডাল মে কুচ কালা জরুর হ্যায়।

৫| ০৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৫৪

রাজ হাসান বলেছেন: এই ব্যাপারে কার কি মত?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.