| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খালেদা জিয়ার আজকের বক্তব্যের গুরুত্বপুর্ন কয়েকটি কথা,
১। ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
২। এ সরকারও মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রত্যেককে সেই মানবতাবিরোধী ট্রাইবুনালে বিচার করা হবে।
৩। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই অনেক বড় রাজাকার। আওয়ামী লীগের প্রচুর রাজাকার আছে , তাদেরও ধরুন।
৪। পুলিশের এই বাড়াবাড়ির কারনে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
৫। অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের আইন পাশ করতে হবে। নির্দলীয় সরকার ছাড়া এদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৬
এম আর সুমন বলেছেন: লেখাটি আজ আমার দেশে প্রকাশিত হয়েছে।দেখেছি।
২|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৮
অগ্নিঝরা আগন্তুক বলেছেন: হুম জামাতিগো বাদ দিয়া যুদ্ধাপরাধী গ বিচার নিশ্চিত করা হবে ...দেশের মানুষ রে এত আবাল পাইসে ... ভালো কথার ফুলঝুরি দিয়া আর কাম হইব না
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৩
এম আর সুমন বলেছেন: হ কেউ কেউ তো আবালই। যাই হোক, জামাতিরা তো আওয়ামী লীগের লগেও আছিলো। এখন তারা আবার জামাতিগো পিটায় না? বিএনপি ক্ষমতায় আসলেই কেবর সব দলের যুদ্ধাপরাধির বিচার সম্ভব।
আপনাদের তো ভাল কথা কখোনোই ভাল লাগে না।
৩|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১
নন্দনপুরী বলেছেন: মাগীর একই অঙ্গে কত রুপ ???
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৪
এম আর সুমন বলেছেন: তোর মা রে গিয়া মাগী ডাক। তাড়াতাড়ি যা। তোরে এরপর আমার পোষ্টে যেন না দেখি।
৪|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪১
বিডি আমিনুর বলেছেন: আগে রাজাকার ছিল এখন মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী সার্টিফিকেট আছে না !!!!
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
এম আর সুমন বলেছেন: কার ? ও...........স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর!!
দেখেন না কতগুলা ভাদা গলা ফাটাইতে চইলা আসতাছে।
৫|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
সািকল খান বলেছেন: নন্দনপুরী বলেছেন: মাগীর একই অঙ্গে কত রুপ ???
নন্দনপুরী কি কি পেইড ব্লগার?
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০২
এম আর সুমন বলেছেন: মনে হয় , পাগল ছাগলরা কত কি যে কয় !!
৬|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৬
দমকল৮৬ বলেছেন: বিচির চাইতে ব্রেইনের সাইজ ছোট হলে তার সাথে রাজনৈতিক আলোচনা করা যায় না ।
@ লেখক
অগ্নিঝরা আগন্তুক ও নন্দনপুরী এর সাথে রাজনৈতিক আলোচনা বাদ দেন ।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০২
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
বাদ দিলাম
৭|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭
পরিবেশ বন্ধু বলেছেন: সবই রাজাকার
নিরাপদ নয় সরকার
তুই রাজাকার তুই রাজাকার
আম জনতার হয় সাজা কার
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩
এম আর সুমন বলেছেন: হু
৮|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮
যোগী বলেছেন: ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতা বিরোধীতের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
খুবই ভালো উদ্যগ। তা ম্যাডাম কি এই বিচারের ব্যাপারে কোন রুপরেখা দিছে? যে নিজামী, মুজাহীদ, সাকারা বিচারের কোন কোন দায়িত্ব পালন করবে।
তা এবারও কি সেই আগের জজ মিয়া কে আনা হবে না অন্য কোন ব্যারিষ্টার মিয়া কে আনার চিন্তা ভাবনা চলছে।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৮
এম আর সুমন বলেছেন: হু, ম্যাডামও বোধহয় কতগুলো দলীয় লোক দিয়া, স্কাইপেতে জিজ্ঞাসাবাদ কইরা বিচার করতে হয় এমন বিচারক নিযুক্ত করিবেন। তিনি সম্ভবত যেহেতু রাজাকারের বিচার করিতে রাজাকারের দরকার হয়, তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এদের কাউকে বসাবেন।
আর না পারলে তো শাহবাগ আছেই।
আর যত তৃতীয় শ্রেনীর উকিল মোক্তার আছেন উহাদের নিযুক্ত করিবেন। যাকে খুশি তাকে এই মামলায় জড়ানোর জন্য তুঘলকি কর্মকান্ডে বিশেষভাবে পারদর্শী বর্তমান এটর্নি জেনারেলকেই স্বপদে বহাল রাখিবার সম্ভাবনা দেখিতেছি।
ব্যরিষ্টার যিনিই হোন না কেন, আইনমন্ত্রি নিশ্চয়ই এমন কেউ হইবেন, যিনি বিচারের মাঝপথে বার বার আইন পরিবর্তনে বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত। এগুলা না হইলে কি আর বিচার জমিবে???
৯|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০০
রওনক বলেছেন: এই কথা লোখা আমি একবার ব্যান খাইছি।
সাধু, সাবধান!! যারা আগে পড়েছেন তারা ক্লিক কইরেন না
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৯
এম আর সুমন বলেছেন: এখোনো আছেন ক্যামনে ???
১০|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১
কর্ণেল সামুরাই বলেছেন: সব নষ্টামীর গোড়া হইল সামুর হনুরা। সামুতে লায় পাইয়া পাঙ্খা গজাইছিল তো তাই শাহবাগে ভীড় জমাইছিল। বুঝে নাই বাংলাদেশ সামহয়্যার ব্লগ না। নাস্তিকগুলারে লায় না দিলে শাহবাগ কখনোই বিতর্কিত হইত না আর গো আজমের ডিম্ব থেরাপীতেও বাধা আসত না।
এই নাস্তিকগুলারে জুতায়ে মঞ্চের বাইরে রাইখা আসা উচিত। অন্তত আসিফ মহিউদ্দীনের বিচার নিশ্চিত করা হলে অনেকটাই দায়মুক্ত হবে মঞ্চ। সরকার কোন হিসাবে এরে গানম্যান দেয় সেটাও বুঝিনা।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০
এম আর সুমন বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দিনের কি শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন?
১১|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩
দন্ডিত বলেছেন: আওয়ামী লীগের মাঝে রাজাকার আছে অনেকে। কিন্তু অন্যান্য সবাইকে বাদ দিয়ে মখা আলমগিরের পেছনে লাগাটা বিএনপির উদ্দেশ্যের সাধুতা যে কত কম সেটা প্রমাণ করে।
কাদের সিদ্দিকী বার বার মখা আলমগীর এর বিপক্ষে রাজাকার রাজাকার বলে ফেনা তুলতেছেন, কিন্তু তার একমাত্র ভিত্তি হচ্ছে মখা ৭১ এ এডিসি ছিলেন। ৭১ এ সবার মেরুদণ্ড শক্ত ছিল না যে ভাল চাকরী ছেরে যুদ্ধে চলে যাবে। এইরকম কেস আরো আছে। ৭১ এ চাকুরী যারা ছাড়েন নাই তাদের স্রেফ মেরুদণ্ডহীন বলা যায়, রাজনীতি থেকে অপাংক্তেয় করা যায়, এবং করা উচিত কিন্তু মানবতা বিরোধী অপরাধী কি বলা যায়? কাদের সিদ্দিকী বার বার মখা গেজেটেড অফিসার ছিলেন সেইটা উল্লেখ করতেছেন, কিন্তু একবারও বলতেছেন না মখা খুন হত্যা ধর্ষণ ইত্যাদির সাথে জড়িত ছিল।
যাই হোক মখা টাইপ ছাগল নিয়ে আমার মাথা ব্যথা কম। এটা ঠিক মখা পাকিস্তানের পদলেহী ছিল, তারে ধরন দরকার। কিন্তু বিএনপির দাবীর সততা কম।
কারন খালেদার পাশেই এম কে আনোয়ার বসে থাকে। এম কে আনোয়ার ৭১ এ শধু ডিসিই ছিল না, পাকস্থান সরকারের কাছ থেকে আনুগত্যের পুরস্কারও পেয়েছিল।
এডিসি হওয়ার কারনে খালেদা যদি মখার গ্রেপ্তার দাবী করেন তাহলে সাথে এম কে আনোয়ারের গ্রেপ্তারের দাবী করা উচিত।
আসলে আওয়ামী লীগ আরো ভয়ংকর কিছু রাজাকার পালতেছে। যেমন মুসা বিন শমসের। তাগোরে বাদ দিয়া মখার পিছনে লাইগা তাদের দাবীর আন্তরিকতা প্রশ্নের মুখে ফালাইতেছে।
পাশে ৭১ এর ডিসি এম কে আনোয়ার নিয়ে ৭১ এর এডিসির গ্রেপ্তার চাওন যায় না। আমি মখার গ্রেপতার চাইতে পারি। খালেদা পারেন না।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৫
এম আর সুমন বলেছেন: এম কে আনোয়ারের বিষয়ে আমি জানতাম না। কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রেও এটা পাইনি। আপনি পারলে কোনো শক্ত লিংক দেন।
আর মি. সিদ্দিকীর মত কোনো নির্ভরযোগ্য মুক্তিযোদ্ধার মুখেও শুনিনি।
সুতরাং ত্যানা প্যাচাইয়েন না।
আর প্রথম প্রশ্নটি যে করেছেন , কেন শুধু মখা??
তবে বলেন তো, এত এত জাতীয় রাজাকারদের মধ্যে, মানে গো আজম, নিজামী , মুজাহিদদের আগে সাঈদি কেন? আর তাদের আগে সাইদীর কি করে ফাঁসি হয়?
সাইদীর আগে অন্তত ৩৬০০০ প্রতিষ্টিত রাজাকারের কি বিচার হওয়া উচিত ছিল না?
আপনার প্রশ্নের উত্তর এগুলোর মধ্যেই আছে।
সবই রাজনীতি।
১২|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৫
দমকল৮৬ বলেছেন: @ দণ্ডিত
রাজাকারকে বেয়াই বানিয়ে যদি রাজাকারের বিচার করা যায় তবে খালেদা জিয়া কি দোষ করল ?
কোন এক অদ্ভুত কারনে আওয়ামী লীগ এর ব্যাপারে আপনি বেশ সহনশীল ।
হালুয়া রুটি জনিত কোন ব্যাপার ? নাকি হাম্বাদের কিছু সুশীল নিকের সাহায্য দরকার হয়ে পড়েছে ।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৬
এম আর সুমন বলেছেন:
১৩|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৬
অগ্নিঝরা আগন্তুক বলেছেন: বি : দ্র : আমি কোনো দলের supporter বা ভাদা , পাদা ট্যাগ যুক্ত কোনো দু পদ বিশিষ্ট জানোয়ার নই.... বিন্ফি , বা* লিগ সব বহুত আগেই excluded অর expired from my লিস্ট
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮
এম আর সুমন বলেছেন: আপনারে তো ভাদা বলি নাই ভাই।
ঘটনা কি , ঠাকুর ঘরে কে রে.................আমি কলা খাই না টাইপের কিছু?
১৪|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮
রাসেল ভাই বলেছেন: নন্দনপুরির কমেন্টটা মুছবেননা দয়া করে ।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯
এম আর সুমন বলেছেন: না মুছিনি, মানুষ দেখুক এরা কতটা নোংরা হইতে পারে।
১৫|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮
সািকল খান বলেছেন: মখারে নিয়ে কোন মন্তব্য করার সাহস নেই, দেখেন্না আমার দেশ নাকি নেই থেইক্কা পড়া যাইতেছেনা,,,,,,,,,,,আমিও বাদ পড়তে চাই না।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৮
এম আর সুমন বলেছেন: ভয় পাইতাছি।
১৬|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৮
সািকল খান বলেছেন: মখারে নিয়ে কোন মন্তব্য করার সাহস নেই, দেখেন্না আমার দেশ নাকি নেট থেইক্কা পড়া যাইতেছেনা,,,,,,,,,,,আমিও বাদ পড়তে চাই না।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:২৮
এম আর সুমন বলেছেন: হু ভয় পাইতাছি।
১৭|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯
দন্ডিত বলেছেন: @দমকল৮৬ আমার অবস্থান আপনার পোস্টে ক্লিয়ার করছি(যেটার উত্তর দেন নাই)। তারপরও আমাকে ব্যক্তি আক্রমনের কোন দরকার ছিল না।
@লেখক এইটা আসলে প্রমান করার কিচু নাই। আপনি সচিবালয়ে গেলেই রেকর্ড পাবেন। পুরানো আমলাদের জিজ্ঞাসা করেও দেখতে পারেন। উনি আমার দেশের বাড়ি নির্বাচনী এলাকার(হোমনা, কুমিল্লা) মানুষ। ওনার মত ভাল সাংসদ কম পাওয়া যায়। আমাদের এলাকার আওয়ামীরাও তাকে ভোট দেয়। একি এলাকার লোক হিসেবে আমি অনেক আগে থেকেই তথ্যটি জানি। কিন্তু তাতে অবাক হওয়ার কিছু দেখি না। অধিকাংশ আমলাই ৭১ এ যুদ্ধে জড়াননি। পাকিস্থানের অনুগত থেকে গেছেন। কিন্তু তার মানে এই না তারা অপরাধের সাথে জড়িত।
আমি কয়েকটা লিংক দিচ্ছি। যদি বিশ্বাস না হয় তাহলে সচিবালয়ে গেলে ভেরিফাই করতে পারবেন। ২৫ শে মার্চের পর মার্শাল ল এডমিনিস্ট্রেটর অফিস থেকেই দেশ চালানো হত। আমলাদের তেমন ক্ষমতা চিল না। আপনি এ বিষয়ে সিদ্দিক সালেক, রাও ফরমান আলী, খাদিম হোসেন রাজার বৈ পড়ে দেখতে পারেন। তারা এই বিষয়টা আলোকপাত করেছেন।
http://www.amarblog.com/sonnaasee/posts/145830
Click This Link
Click This Link
আমার বক্তব্য ছিল, চাকরী না ছাড়ার কারনে কেউ অপাংক্তেয় হতে পারেন, কিন্তু অপরাধী হতে পারেন কি?
আর কাদের সিদ্দিকী আমাদের অনেকেরই নায়ক। কিন্তু ইদানিং তিনি প্রায়ই কথাবার্তায় ডাবল স্ট্যান্ডার্ডে বলছেন।
যোদ্ধা হিসেবে তিনি আমার হিরো। কিন্তু তার গত তিনচার বছরের কর্মকাণ্ড তার সাথে ঠিক মেলে না। মনে রাখবেন এই কাদের সিদ্দিকীই ১৯৯২ তে গোলাম আজমের নাগরিকত্ব দেয়ার প্রতিবাদে তার বীর উত্তম খেতাব বর্জন করেছিলেন। জামাত কে নিষিদ্ধ করার জন্যে সোচ্চার ছিলেন। ২০০৮ এও নির্বাচন কমিশনের কাছে এই দাবী জানিয়েছিলেন।
http://www.sachalayatan.com/drohee/42348
শেষে, জাতীয়তাবাদী দলের প্রতি আমার একটা ব্যক্তিগত অভিমান আছে। আমাদের পরিবার এম আনোয়ারের কল্যানে বিএনপি পন্থী। মামা ছাত্রদল করতেন। চাচাতো ভাইরা যুবদলে যুক্ত আছেন। আমি বিএনপিকে বেশ কাছ থেকেই দেখেছি। এই জন্যেই মেলাতে পারি না।
৯০ এর পরে সংসদে প্রথমবারের মত জামাত নিষিদ্ধের দাবী তুলেছিলেন বি এন পি সাংসদ নরসিংদী ৫ আসন থেকে নির্বাচিত আব্দুল আলী মৃধা। এজন্যেই মেলাতে পারি না।
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৩
এম আর সুমন বলেছেন: না মেলানোর কিছু নাই।
স্বাধীনতার পর থেকে কেন জানি আমাদের সব সরকারকেই রাজাকারদের সাথে নিয়ে চলতে হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যেমন ২৬০০০ রাজাকারকে সাধারন ক্ষমা করেছিলেন, বা ১৯৫ জন প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। আবার তিনি রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে নিয়ে ওআইসির বৈঠকে যোগ দিতে লাহোরে গিয়েছিলেন। মানে হল এদেশের নীতি নির্ধারনী পর্যায়ে রাজাকারদের অংশগ্রহন ছিল।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও পরবর্তীতে অসীম জনসমর্থন পাওয়া জিয়াউর রহমানও শাহ আজিজকে তার মন্ত্রীসভায় স্থান দিয়েছিলেন।
এরশাদ সরকারও রাজাকারদের পূনর্বাসন করেছেন নানান ভাবে।
পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের সময় আওয়ামী লীগ জামাতকে সাথে নিয়ে এই তত্বাবধায়ক ইস্যুতে তুমুল আন্দোলন করেছে।
তার পরে আওয়ামী সরকারে নুরু রাজাকার মন্ত্রী ছিলেন। আবার ফায়েজুল হকও রাজাকার ছিলেন বলে শুনেছি।
তার পরে বিএনপি সরকারে তো নিজামী মুজাহিদরা মন্ত্রী ছিল।
আর বর্তমান আওয়ামী সরকারের প্রধানের সবথেকে কাছের আত্মীয় থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ন মন্ত্রনালয়ে রাজাকার আছে। আপনি তো আপনার এলাকার উদাহরন দিলেন, আমার এলাকার কথাও একটু বলি। আমার এলাকা পিরোজপুর ৩, মঠবাড়ীয়া থানা। সেখানকার আওয়ামী এমপি ডা. আনোয়ার হোসেন। সেখানে এই এমপি ও তার বাবা এসাহাক হাজী ছিলেন শান্তি কমিটির মুল উদ্যোক্তা ও সভাপতি।
শুধু তাই না, মঠবাড়ীয়ার কৃতি সন্তান গনপতি হালদারকে যে তারাই মেরেছে সেই কথা বলে গনপতির ভাইরা ও সেই সাথে আরো যে শ দুয়েক নীরিহ জনগনকে সেদিন বদ্ধভুমিতে নিয়ে মারা হয়েছিল তাদের আত্মীয়রা সেদিন এটিএন বাংলায় একথা স্পষ্ট বলেছেন। সেখানে ভিকটিমরা স্পষ্টত সেই এমপির নাম উল্লেখ করেছেন। এখন আমার যদি অন্য কোথাও বাড়ি হতো তাহলে না হয় জানতাম না।
এখন আপনি বলেন দেখি, অবাক কেন হলেন?
১৮|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:০৩
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জামাত নিয়া তাদের বহুমূখীতা স্বার্থমূখীতা বহুত পুরানা!!!
সেই নার্সারী থেকে শুরু
আর পারিনা গুরু
ফটুক দেখেন-
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৭
এম আর সুমন বলেছেন: পল্টিবাজি আর কতকাল?
১৯|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৫
অগ্নিঝরা আগন্তুক বলেছেন: দমকল বাই একজন কড়া বিন্ফি সমর্থক ..তাই অনার দলের বিরুদ্ধে কোনো যুক্তি ধোপে টিকবে না ...
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২০
এম আর সুমন বলেছেন: হতেই পারে। আমার ধারনা দেশের অন্তত অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠি বর্তমানে বিএনপিকে সমর্থন করে । এবং আগামীতেও সুযোগ পেলে ভোট দিবে। বিএনপি করে এটা তো খারাপ কোনো গুন না। অন্তত আওয়ামী লীগ করার থেকে খারাপ হতে পারে না।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় , এই যুক্তি মানা মানির বিষয়ে বিএনপির থেকে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি কট্রর।
২০|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫১
অগ্নিঝরা আগন্তুক বলেছেন: সমর্থন না কইরা কই যাইব , বলেন .... আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি আজ একটা যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ভুগছে ... তাই বৈলা বারবার দুই ডাইনির হাতে এই দেশ টাকে ধর্ষিত হতে দিতে পারি না ..শাহবাগ এর আন্দোলনের মতই একজন যোগ্য নেতৃত্বের জন্য একটা নিরপেক্ষ আন্দোলন প্রত্যাশা করি ..শাহবাগ যদিও নিরপেক্ষ আন্দোলন কিনা সন্দেহ আছে .. বিন্ফি , আ : লিগ এবার ক্ষেমা দিক এই অভাগা জাতি টারে
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫৭
এম আর সুমন বলেছেন: আপনার অভিমানটা বুঝি। আমি একমতও । কিন্তু সেটা সহজে সম্ভব না। তবে এক সময় তো হবেই।
২১|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫৯
দন্ডিত বলেছেন: (আওয়ামী দের কুকীর্তির তালিকা আমি জানি। আমি শেষ পর্যন্ত মনে করি, আওয়ামীদের ভুল বিম্পির ভুলকে বৈধতা দেয় না। যে ব্যাপারটা নিয়ে আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেটা হচ্ছে বিম্পি অনেক জামাত ঘেষা হয়ে পরেছে। মাহমুদুর রহমান যদি মেইনস্ট্রীম বিম্পিকে প্রতিনিধিত্ব করে তাহলে জামাত নেতার অরর্থায়নে পরিচালিত এই পত্রিকাকে আমি কখনই বিম্পির মুল আদর্শের সাথে সংগতিপূরর্ণ ভাবতে পারছি না। মাহমুদুর রহমানের বক্তব্যগুলো যখন পাকিস্থান ডিফেন্স ফোরামের একটিভ মেম্বার মোহাম্মদ মুনসীর কথার পুনরাবৃত্তি করে তখন আমি ভয় পাই। জামাতের ষড়যন্ত্র দ্বিমুখী। সময় থাকতে সাবধান হন। আপনাদের পুরোপুরি খেয়ে দেয়ার তালেই তারা আছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারন মানুষ। বাংলাদেশের নেতানেত্রীরা সারাক্ষণই কারো না কারো দালালী করে বেড়াই। তাদের কিছু যাবে আসবে না।)
আমি দমকলের সিমিলার প্রশ্নের একটা বড় জবাব লিখেছিলাম ঐটাই পুস্ট করছি।
১) মুজিবের রিকনসিলিয়েশনের পুরা দৌড়া দৌড়ি আমি সমর্থন করি না। তার দেশের অবস্থার বারোটা বাজার সাথে সাথে নিজেদের কলকাতায় হালুয়া রুটি খাওয়া নেতাকর্মীদের দৌড়াত্নে তার অসহায়ত্বটা অবশ্য অনুধাবন করি। সেই সাথে পাকিস্তানে আটকে পরা পাচ লক্ষ লোকজনও একটা ফ্যাক্টর। আমার নিজের এনালাইসিস হইল দেশে তার অবস্থা শক্ত হইলে ৭৪ এ আইসা হঠাত পাকিদের তেল দেওয়ার দরকার হইত না। এই অবস্থার জন্যে অনেকেই দায়ী। তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এর দায় তিনি এড়াতে পারেন না। যে "মুসলিম ব্রাদারহুড" এর ভাইরা একাত্তর তো দূরে থাক, এর পরো আমাদের জন্যে সামান্যতম সহানুভুতি দেখায় নাই, তাদের বেইল দিতে গিয়া দ্যেশেরও ও কোন লাভ হয় নাই। তবে এইটা ঠিক, যে প্রক্রীয়া তিনি শুরু করছিলেন, অর্থাৎ ও আই সি কে তেল দেওয়া, সেই প্রক্রীয়ার পুরা সুবিধাটা ভোগ কর্ছেন জিয়া।
২) মুজিবের যেই কাম সমর্থন করি না, সেই একই কাম জিয়া করলে সেইটারে সমর্থন করার প্রশ্নই আসে না। সেই সাথে বিদেশীগো দয়ায় যখন দেশের অর্থনীতিটা দাড়াইতেছে, তখন এইসব ৭১ এ বাতিল হৈয়া যাওয়া লুকজনরে নিয়া দৌড়ঝাপ না করলেও জিয়ার কোন ক্ষতি হৈত বইলা আমার মনে হয় না। যে লুকগুলারে ওল্ড কয়েন বৈলা পাকিস্তানী জেনারেলরাই গাইলাইত, সিদ্দিক সালেক যে বাতিলগুলারে আসন বাইটা দিয়া বাংলাদেশের বিদ্রোহ দমনের ইয়াহিয়া/পীরজাদার স্বপ্নকে স্বপ্নদোষ হিসেবেই সিলেক্ট করছেন, হ্যাগোরে পুনর্বাসন কৈরা এই দেশের কোন লাভ হয় নাই।এইটা জিয়ার ভুল ছিল।
৩) আওয়ামী লুকজন দলের পলিসি/অর্থনীতি/পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি নিয়া সাফাই গাইয়া পুস্ট দিলে ওগোর সাথে প্যাচ খেলা যাইব। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ নিয়া যতক্ষণ না মিছা কথা কইতাছে তখন ক্যামনে প্যাচ খেলুম? জাতীয়তাবাদীরা সুযোগ দিতাছে তাই প্যাচ খেলতেছি।
৪) আমাদের দেশের সব রাজনীতিই যে শেষপর্যন্ত বহির্বিশ্বের দালালীতে পরিণত হয় এইটা ঐ ৭০ দশকে যেমন সত্য ছিল, এখনও সত্য আছে। এই জন্যেই ভারত, জনগন নিয়া আওয়ামীরা থ্রিসাম করে। আর বিম্পি সেই থ্রিসামে ভাগ চাইয়া মূল অথর হিসেবে খালেদারে উল্লেখ কইরা জার্নালে একাডেমিক লেখা ছাপায়। একাডেমিয়াতে এইসব জিনিস খুব খারাপ চোখে দেখা হয়। ঐ জার্নালের ইংরেজী খালেদার না। অন্যের লেখা ভাষণ পড়া যায়, কিন্তু অন্যের নামে পাবলিকেশন্স করা যায় না। সবচেয়ে খারাপ জিনিস হৈতেছে সেই পাবলিকেশন্সে দেখি বিএনপিও ট্রানজিট এর গ্রীণ সিগন্যাল দিতেছে। তারমানে তাদের দাবী দাওয়ায় যে ট্রানজিট এর কথা হঠাত লাপাত্তা হয়ে গেল সেটা একসিডেন্ট না। যেভাবে হাসিনা একসময় ফুলবাড়ির লোকজনের সাথে একাত্নটা প্রকাশ কইরা আজকে আবার এশিয়া এনার্জিকে আমার দেশের সম্পদ তুইলা দিতে চায়।
বটমলাইন হচ্ছে, সব রসুনের পাছা একযায়গায়। যদি পার্টিজান হন, বাই ডিফল্ট আপনের সমালোচনার নৈতিক অধিকার ৯৮ শতাংশ কইমা যায় এইটা খিয়াল কৈরা।
খালেদার স্ট্রাটেজিক এনালাইসিস জার্নালে প্রকাশিত দালালীপূর্ণ এবং গওহর রিজভীসদৃশ পেপারের লিংকঃ
Click This Link
ডাউনলোড লিংকঃ
Click This Link
১৪ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০১
এম আর সুমন বলেছেন: আপনার মন্তব্যের প্রথম অংশের উত্তর।( পড়ুন আবারো প্রশ্ন)
১। জামাত কোনো বড় দলকে গ্রাস করেছে এমন কোনো রেকর্ড কি আপনার হাতে আছে?
আওয়ামী লীগ তো দীর্ঘদিনের জামাতের মিত্র , তারা কি এখন জামাতের শত্রুতে পরিনত হয়নি?
বিএনপির বেলায় এত গ্রাস গ্রাস সংকেত আসছে কেন?
যে কাজ আওয়ামী লীগ করলে জাত যায় না, সেই কাজ বিএনপি করলে এত জাত গেল , জাত গেল রব কেন তোলা হয়?
আপনার কি ধারনা আমার দেশ সরাসরি বিএনপির মুখপাত্র? কেন আমার দেশকে একটি পত্রিকা হিসেবে দেখতে পারছেন না?
আমার দেশ ভিন্নমত প্রকাশ করে সত্য, কিন্তু তাদের সরাসরি মিথ্যা খবর দেয়ার রেকর্ড খুবই কম। সেই কারনেই সংগ্রাম , দিনকাল, বা জনকন্ঠের মত দলীয় পত্রিকা মানুষ না পড়লেও আমার দেশের জনপ্রিয়তা উত্তরো্ত্তর বৃদ্ধিই পেয়েছে।
আর বিএনপি বিশাল সমুদ্রের মত একটি দল। এই দলটিকে মূল্যায়ন করতে গিয়ে আপনি কেন আমার দেশকে টেনে আনছেন?
কেন ভাবছেন না, জামাতকে যেমন বিভিন্ন বড় দল ব্যবহার করেছে, তেমনি বিএনপিও ব্যবহারই করছে। কথাটি ঠিক এমনও নয়, বলা যায় গোটা সাতেক আসনের বিনিময়ে জামাতের কাছ থেকে বাকি ২৯৩ টি আসনের সমর্থন নিতে চাইছে বিএনপি। এই রকম সমর্থন নিয়ে বিএনপি আগেও সরকার গঠন করেছে। এতে আওয়ামী লীগের মাথা ব্যথা হতেই পারে। কিন্তু আপনারা এত ক্ষেপতাছেন কেন?
সাধারন বিএনপি সমর্থকরা বিএনপি ই করে , জামাত করে না।
২য় অংশ
দমকলের ওখানে আমি আপনার কমেন্ট দেখেছিলাম। সেখানে প্রপার জবাব সে দেয়নি। যাই হোক, আমিই দিচ্ছি,
আমি খুব স্পষ্ট বলছি, পাকিস্তান থেকে সদ্য বিচ্ছিন্ন একটি জাতি হিসেবে পাকিস্তানের প্রতি নির্ভরশীলতা ও সেই সময়ে যুদ্ধাপরাধীদের সাথে পাকিস্তানে আটক সাধারন মানুষের মুক্তিকে আমি পুরোপুরি সাপোর্ট করি।
সেই ১৯৫ জনকে মেরে ফেললে কি হত? আমাদের প্রতিশোধ হয়তো হতো, কিন্তু হাজার হাজার বাঙালীকে কি আমরা ভালভাবে ফেরত পেতাম?
সিমলা চুক্তি আমাদের জাতি হিসেবে অনেক পরিপক্ক করেছে। সেই চুক্তি আমাদের , ভারতের বা পাকিস্তানের কারো জন্যই অবমাননাকর ছিল না। ঘটনার এত বছর পরে হয়তো প্রেক্ষাপট ভিন্ন বলে এমন মনে হয়েছে। কিন্তু তখনকার সমস্যাগুলো বুঝতে পারলে এ ধরনের কথা আপনি বলতেন না।
বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির আসল অভিভাবক ছিলেন। তিনি ও তার মন্ত্রী পরিষদ এবং তখনকার সব থেকে কাছের মিত্র ইন্ডিয়া যা ভাল মনে করেছে সেটাই করেছে। একই ভাবে জিয়াও দায়মুক্ত। তিনিও মহান মুক্তিযোদ্ধা। রাজাকারদের বিষয়ে আপনার আমার চেয়ে তার সেনসিটিভিটি বেশিই থাকার কথা। আজ যেমন কাদের সিদ্দিকী যখন দেখলেন যে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের নামে রাজনীতি হচ্ছে, তখন বেঁকে বসেছেন, এবং এই বেঁকে বসার ক্ষমতাও তার আছে।
তিনিই মুক্তিযোদ্ধা বলেই কেউ এটা নিয়ে রাজনীতি করলে তার শক্ত প্রতিবাদ করার ক্ষমতা রাখেন। এবং জাতির সৌভাগ্য যে তিনি সেই প্রতিবাদটা করেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আমার এই পোষ্টে একটু ঢোকেন , আরো বিস্তারিত আছে,
Click This Link
একই ভাবে জিয়াও অনেককে প্রশ্রয় দিয়েছেন, আবার এটাও ভাবতে হবে যে সেই মনোভাবের কারনেই কিন্তু অন্তত ৩৫ টা দেশের সাথে নতুন করে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পেরেছিলেন তিনি। যার ফলশ্রুতিতে আজ আমাদের দেশের অন্তত ৮০ লক্ষ শ্রমিক বিভিন্ন দেশে কিছু করে খেতে পারছে। যা ইতিমধ্যেই আমাদের দেশের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দেখা দিয়েছে।
কে জানে হয়তো মধ্যপ্রাচ্যের কোনো আত্মী স্বজন শ্রমিকের ডাল রুটি খেয়েই আপনি এ ব্লগ লিখছেন!!!
আপনার মতে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মিছা কথা বলে না?
ভাই আমার এই বিষয় নিয়া আর আলোচনা করতে ইচ্ছা করে না। আওয়ামী লীগ যে বলে তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দল, এটাই সবথেকে বড় মিথ্যা। বিস্তারিত,
Click This Link
আর শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, এমনকি ভাষা আন্দোলন নিয়েও এই দলটির ইতিহাস বিকৃতির শেষ নেই। এটা তো ৭২ এ সেই জহির রায়হান হত্যাকান্ড থেকেই শুরু হয়েছে রে ভাই। আরো জানতে চাইলে বলবো। আমার ধারনা আপনি বিষয়গুলো জানেন। কিন্তু আপনি আওয়ামী লীগের সাথে কি আসলেই প্যাচ খেলেন? এটা ঠিক আমার না দমকলের প্রশ্ন।
আর ৪ নম্বরটির উত্তরও একটি প্রশ্ন মাত্র,
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের কোন দেশটি বৈদেশিক হস্তক্ষেপ মুক্ত?
পারলে তাড়াতাড়ি উত্তর দেন।
যখন ভারতীয় পত্রিকায় নিবন্ধ ছাপে যে দিল্লী আবারো একবার হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর সব কৌশল করে রেখেছে তখন কি আপনার একই রকম গায়ে লাগে?
আজকে খালেদাকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে আপনার তো ভারত আওয়ামী লীগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত ছিল। বিএনপি ট্রানজিটের নামে করিডোরের বিরোধীতা এখোনো করছে, তখনো করেছে।
খালি খালেদার বিদেশ নীতি নিয়া আওয়ামী লীগারদের মত এত ভীতি কেন আপনার? বিস্তারিত আমার এই পোষ্টে।
ক্ষমতার রাজনীতি, আওয়ামী লীগের নির্ঘুম রজনী ও খালেদার বিদেশ সফর!!!!
Click This Link
২২|
১৪ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩২
দন্ডিত বলেছেন: বাকি ব্যাপারগুলো নিয়ে পরে বলছি। পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে বলে নেই।
১) ল্যাটিন আমেরিকার কিছু দেশ ইদানিং দেখানো শুরু করেছে বিশ্বব্যাংক/যুক্তরাষ্ট্রের পা না চাটলেও দেশের উন্নতি করা যায়। এজন্যে প্রয়োজন সঠিক নীতির। জ্বালানী শুধুমাত্র জ্বালানী খাতেই এরশাদের সময় থেকে শুরু করে আমাদের দেশে যেপরিমান লুটপাট হয়েছে তা আতংকজনক। আত্নমর্যাদাশীল কোন জাতি নিজের ভালোটা নিজেই বুঝতে পারে। সত ইচ্ছা থাকলে সেটি সম্ভব বলেই আমি বিশ্বাস করি। আমি জ্বালানী বিশেষজ্ঞ নই। কিন্তু তৈফিক এলাহী বা আগের টার্মের মাহমুদুর রহমান থেকে ১০০০ গুন ভালো জ্বালানী নীতি আমি কিছু দক্ষ আমলার সাহায্যে নিজেই নামাতে পারব। আপনি দেশের নীতি যদি দেশমুখী করেন তাহলে এটি সম্ভব বলেই মনে হয়। মজার জিনিস হচ্ছে কি জানেন? আমাকে বিদেশী কেউ পলিটিক্যাল ভিউ জিজ্ঞাসা করলে আমি নিজেকে জাতীয়তাবাদী বলে পরিচয় দেই। আমার প্রিয় অর্থনীতি হয়ত কিছুটা বাম ঘেষা কিন্তু বাকি বিষয়ে আমি চিন্তাভাবনা জাতীয়তাবাদের কাছাকাছি। দু:খজনক যে বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের ঝাণ্ডা বহন করা দলের সাথে আমার কিছুই মেলে না। বিএনপি বা আম্লীগের কর্মকাণ্ডে কখনই এই দেশমুখী নীতির প্রমাণ দেখি নাই। যেসকল বিষয়ের সাথে দেশের উন্নয়ন সরাসরি জড়িত নয় সেগুলো নিয়ে তারা বিবাদ করেই টাইম পাস করে। কিন্তু যেসকল বিষয় জরুরী সেগুলো নিয়ে তাদের পার্থক্য দেখি না।
২)গওহর রিজভীর পেট থেকে যেসকল নতজানু দেশ বিরোধী পররাষ্ট্র নীতি বের হয়ে আসে তাকে সমর্থনের প্রশ্নই আসে না। কিন্তু আমি বিএনপির কাছ থেকে এর থেকে আলাদা কিছু পাই না। তাদের রাজনৈতিক স্ট্যাণ্ড এন্টি ভারত হলেও তাদের ভারত থেকে জিনিস পাতি আদায় করার জন্যে কোন কনস্ট্রাকটিভ উদ্যোগ দেখি না। দুইবার করে এই দুই পার্টি ক্ষমতায় থাকলেও ভারতের সাথে আমাদের অমিমাংসিত বিষয়গুলো অমিমাংসিতই থেকে যায়।
৩) টিপাইমুখ এবং ট্রানজিট ইস্যু দুইটি বিএনপির মুল দাবী থেকে সরে যাওয়াটা দু:খজনক।
৪) জ্বালানী বিষয়ে বিএনপির আচরন কোন জাতীয়তাবাদী দলের মত নয়। বরং বাংলাদেশের সকল সরকার যে ধনিক লুটেরা শ্রেনীকেই শেষ পর্যন্ত প্রতিনিধিত্ব করে তা প্রমাণ করে।
৫) বাংলাদেশের দুইটি দলই কথায় জাতীয়তাবাদী। একজন বাঙ্গালী অন্যজন বাংলাদেশী। কিন্তু তাদের দুতাবাস কেন্দ্রীক দৌড়ঝাপ লজ্জাজনক। পাশাপাশি উকিলিকস পড়ে বাংলাদেশের প্রায় সকল দলমত নির্বিশেষে রাজনৈতিক নেতার উপর বিশ্বাস হারিয়েছি। তাদের হালুয়া রুটির দ্বন্দে শেষ পর্যন্ত পুটু মারা খায় জনগন।
৬) বাংলাদেশে প্রায় সকল দেশ সম্পর্কিত ব্যাপারে একমত, শুধুমাত্র বায়বীয় কিছু বিষয়ে দ্বিমত এই দুইদলের জন্যে নির্বাচনটাই দাড়িয়েছে প্রহসনের মত। পাচ বছর পর পর নির্বাচন আর সংবিধান চটকানোর হ্যাপা থেকে বাচতে তাদের উচিত নির্বাচন বাদ দিয়ে জনগনের সাথে থ্রীসামে নেমে পরা(কার্টেসী বাঙ্গাল)।
১৫ ই মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৩:১৫
এম আর সুমন বলেছেন: ভাই , ইদানিং কে কি শুরু করেছে সেটা ভিন্ন কথা। সেগুলো তো আর আমি চল্লিশ বছর আগের শাসকদের কাছ থেকে আশা করতে পারি না। তাই না? আর ভৌগলিক কারনে এখানে লাতিন আমেরিকার থিউরি কাজও করবে না।
এর পরে আপনি মুলত বিএনপি আর আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেছেন। বিভিন্ন বিষয়ে দুটি দলকে এক করতে চেয়েছেন।
প্রত্যেকটি বিষয়ে বিশদ বিতর্ক চলে। তবে মোটা দাগে ভাবলে আপনার কথাগুলো তো সত্য। সুতরাং আর কিছু বলার নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩২
রাতপাখি বলেছেন: Click This Link