নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দেশপ্রেম হচ্ছে দুবৃত্তদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থলঃ Samuel Johnson

গতানুগতিক

এম আর সুমন

গতানুগতিক

এম আর সুমন › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটা মাত্র সমস্যা নিয়ে নাগরিক সমাজের বিশাল উদ্বেগ!!!! ( হাফ রম্য)

১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৬

নাগরিক সমাজ বিষয়টা আসলে কি?

এই সংগঠনের ইতিহাসই বা কি?

এগুলো আমার জানতে ইচেছ করছে খুব।কারন আমাদের দেশের নাগরিক সমাজ আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশাল আয়োজন ও চা পানি খেতে খেতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের এই উদ্বেগ মূলত একটি বিষয়ে । জামাত নিষিদ্ধ করা কেন হচেছ না। এছাড়া এই নাগরিক সমাজ আজ জামাত কি কি প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করা যায় তার বেশ কিছু বিশুদ্ধ পদ্ধতি বাতলে দিয়েছেন।

Click This Link



ব্যক্তিগতভাবে এতে আমার কোনো আপত্তি নাই। সহজভাবে বলতে গেলে জামাত নিষিদ্ধ হলে সেদিন খুশিতে মিষ্টি খাইতাম। জামাত নিষিদ্ধ কিভাবে করা যায় ইত্যাদি মহান দাবি নিয়ে আজ আমাদের তরুন সমাজও ( পড়ুন শাহবাগ) খুবই উদ্বিগ্ন ! আমাদের মহা প্রতাপশালী গনতন্ত্রমনা, বিশ্ব শান্তির মডেলদাত্রী আওয়ামী নেত্রীর এই সুখ সাশনামলে জামাত নামক বস্তুর নাম গন্ধ এদেশে না থাকুক এটা তো সকলেরই চাওয়া পাওয়া, ধ্যান ধারনা অরাধনা।

দেশের সকল সমস্যা , সুখ শান্তি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়াবলী যেহেতু জামাত নিষিদ্ধের উপর নির্ভর করছে। সেহেতু এটা নিয়ে আমাদের মহান নাগরিক সমাজের উদ্বেগ থাকারই কথা।

দেশের সরকারে যারা আছেন তাদের মহামান্য মন্ত্রীরা বিষয়টিতে পুরোপুরি একমত জানালেও নানান কারনে আন্দোলন চালিয়ে যেতেও সকলে বদ্ধপরিকর।

এখন কথা হল এই নাগরিক সমাজ আসলে কারা ? তারা আর কি কি কারনে উদ্বিগ্ন সেটাও জনগন জানতে চায়। আমরা এই নাগরিক সমাজকে যেসব কারনে বঙ্গবন্ধু কনভেনশনে চা নাস্তা করে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখিনি তা হলো....

১। হয়ে যাওয়া পদ্মা সেতু যখন বড় বড় কয়েকজন দেশপ্রেমিকের কারনে আটকে গেছিল তখন তাদের তেমন কোনো উদ্বেগ ছিল না। তারা খুশি হয়েছিল কিনা তাও অবশ্য জানা যায়নি। একজন বড় দেশপ্রেমিকের জন্মে তাদের তো খুশি হওয়ারই কথা।

২। ৩৩ লক্ষ বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজারে নিস্ব হয়ে গেল, যাদের পরিবার নিয়ে এই ভুক্তভোগীর সংখ্যা ১ কোটিরও বেশি। কেউ কেউ আত্মহত্যাও করেছে। তখন অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন এতে যারা জড়িত তা আমি জানি। তবে বিচার তো করা যাবেই না, এমনকি তারা এতই রাঘব বোয়ালদের নামও বলা যাবে না।

তখন এই নাগরীক সমাজকে এতটা উদ্বিগ্ন হতে দেখিনি। কে জানে এই নাগরিক সমাজেই হয়তো সেই রাঘব বোয়ালদের কেউ কেউ থেকে থাকবেন।

৩। সংখ্যালঘু একটা ছেলেকে এভাবে সরকারী চামুন্ডারা কুপিয়ে কুপিয়ে মেরে ফেলল। আমরা তখন কাউকে উদ্বিগ্ন হতে দেখিনি। মনে হয় তখন বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টার ভাড়া পাওয়া যায় নি।

৪। একটি গনতান্ত্রিক দেশে প্রধান বিরোধী দলের রাজনৈতিক কার্যালয় ভাংচুর করে , সব নেতাদের গ্রেফতার করা হয়। অথবা সরাসরি নেতাদের গায়ে গুলি করা হয় , তখন আমাদের নাগরিক সমাজ তেমন উদ্বিগ্ন ছিল বলে শুনিনি।

৫। এরা তো নাগরিক সমাজ। আমরা ঢাকা নামক যে মহানগরিতে বসবাস করি তা যানজটের কারনে প্রায় স্থবির হয়ে আছে। এই স্থবির ঢাকা শহরকে চালানোর জন্য একবার বঙ্গবন্ধু কনভেনশনে তাদের যেতে দেখলাম না। মনে হয় এতে তাদের কোনো উদ্বেগ নাই। এমনকি কোনো পরামর্শও তাদের দিতে দেখিনি। জামাত নিষিদ্ধের যদি এত এত পথ তাদের জানা থাকে কেন যে তাদের এই যানজন নিরাময়ের কোনো পথ জানা নেই কে জানে!!

৬। আর সম্প্রতি গনহত্যা হোক আর যে হত্যাই হোক, রক্তারক্তি কারবার তো হয়েছে। ধরে নিলাম নারী শিশু যারা মরেছে তারা সবাই একনিষ্ঠ জামাত কর্মী। এমনকি পুলিশও তো মরেছে। তাছাড়া গত চার বছরে বহু লোক গুম হয়ে গেছে। বিশ্ববাসী এতে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও আমাদের নাগরিক সমাজের কপালে উদ্বেগের লেশমাত্র নাই।

এরকম বহু বহু বিষয় আছে। আমি ক্ষুদ্র নাগরিক বলেই হয়তো সব মনে রাখতে পারিনি।

কিন্তু আমার মজা লাগতাছে এইকারনে যে যারা ক্ষুদ্র না বিশাল নাগরিক সমাজ তারাও এগুলো মনে রাখতে পারে নি। দেশের হর্তা কর্তারা সব একসাথে হয়েও এগুলো বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে শুনলাম না।

এমনকি একটা দেশের প্রধান বিরোধী দল এভাবে তত্বাবধায়ক চাইতে চাইতে কুরবানী হয়ে যাচ্ছে। সংসদের সামনে বিরোধী চীফ হুইপ মার টার খেয়ে একেবারে বিদিকিচ্ছিরি অবস্থা। কি জানি এক অদৃশ্য কারনে বঙ্গবন্ধু কনভেনশনের চায়ের টেবিলে তা কারোর মনেই পড়লো না !!!

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫৪

সরোজ রিক্ত বলেছেন: ওরা নাগরিক নয়, ছাগরিক সমাজ। ইগনোর করুন।

১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০২

এম আর সুমন বলেছেন: কন কি, এত এত নাগরিক নেতা!!! আমাদের মহান দেশপ্রেমিকবৃন্ধ , তাগোরে ইগনোর করমু??

২| ১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা ..

দা বার্ণিং কুশ্চেন?

এর উত্তর হবে- ত তে তুই রাজাকার।!!!!

এই মানসিক বৈকল্যের সমাজে পাগলে শঞহদ মিনার ভাঙ্গে আবার লীগের বড় পদেও থাকে...

এখানে আলু আর চনায় কাজ হবে না-

আগে চাই শক্ত গাথুনি। চাই মুগর।
শুদ্ধ কথায় কাজ হবে না।
চাই শুদ্ধিকরণ অভিযান।
দেশ মাটি আর মানুসের জণ্য।

১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১০

এম আর সুমন বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

৩| ১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০৭

ভালোরনি বলেছেন: ভাই ইনারা পেইড। আজকে আপনি একটা অহিংসো আন্দোলন করেন হলমার্ক কেলেংকারি নিয়া, কিংবা শেয়ার মার্কেট নিয়া সরকার পিডায়া কৌস্ঠকাঠিন্য ছুটায়া দিবো।

এগুলা সব সরকারি মদদ পুস্ঠো প্রচার। সরি ডিজিটাল প্রচার।

১৬ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১১

এম আর সুমন বলেছেন: হা হা হা, ডিজিটাল প্রচার!!! ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.