| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
অনেকের খালেদা সংক্রান্ত ভাবনা অত্যন্ত একপেশে। সম্প্রতি খালেদা জিয়ার বক্তব্য বিবৃতিগুলোর মিথ্যা ব্যাখ্যা দিয়ে অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগের পাহাড় গড়ছেন অনেকে। জামাত প্রসঙ্গ থেকে হালের সেনাবাহিনী প্রশ্নে খালেদা যে দেশটাকে একেবারে রসাতলে নিয়ে ফেলেছেন এতে অনেকেরই কোনো সন্দেহ নাই দেখলাম। আমি একটু খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি যে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এদের করা অভিযোগগুলি কি।
মজার বিষয় হল সেসব অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা গেল অভিযোগ গুলো খালেদা জিয়ার চাইতে হাসিনার বিরুদ্ধেই বরং বেশি করে করা যায়।
প্রথমেই অভিযোগগুলোর প্রাপ্তির জন্য আমি বিভিন্ন ব্লগ , ফেসবুক ও পত্রপত্রিকায় যারা খালেদার সমালোচনা করতে করতে মুখে ইতিমধ্যেই ঘা বানিয়ে ফেলেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে আমাকে অভিযোগ গুলো খুঁজতে বেশি কষ্ট করতে হয় নি।
আমি এইখানে শুধু অভিযোগ গুলি পাল্টা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা যায় কিনা তাই দেখার চেষ্টা করেছি।
সুতরাং এই পোষ্ট ডিফেন্ডিং খালেদা পোষ্ট না। তাই খালেদার বিরুদ্ধে ওনাদের করা প্রত্যেকটি অভিযোগই আলোচনায় আনবো।
আমি আবারো বলছি , একটা মজার বিষয় হচ্ছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আপনি যে সব অভিযোগ করলেন তার প্রত্যেকটিই খালেদা জিয়ার চাইতে আরো বেশি বেশি হাসিনার বিরুদ্ধে করা যায়।
দেখা যাক একে একে,
১। প্রসঙ্গ যখন জামাতঃ খালেদাকে নিয়ে ওনাদের অভিযোগ-- খালেদা জিয়া জামাতের আমীর। তার কথায়ই জামাত চলে, আবার কেউ কেউ দশ ডিগ্রী উপরে গিয়ে বরেছেন জামাতের কথায়ই খালেদা চলেন। জামাত এর সাথে তাদের সম্পৃক্ততায় দেশের সকল সুশীল সমাজ অনেক অনেক ঘুমের ওষুধ খেয়েও ঠিকমত ঘুমাতে পারছেন না। মোটামুটি এগুলোই অভিযোগ।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ শহীর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় জামাত নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন পায়নি। তখন দেশে দুইটা নির্বাচন হয়েছে। যাতে আওয়ামী লীগ অংশ নিয়েছে, কিন্তু জামাত নিতে পারে নি। এই জামাত হাসিনার হাত ধরে, তার প্রত্যক্ষ মদদে প্রথম নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পায় ১৯৮৬ সালে। সেই জাতীয় বেঈমানীর ইতিহাসে জামাতও শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিল।
সেই থেকে হাসিনার সাথে জামাতের সখ্যতা।
শেখ হাসিনা ১৯৯৫ তে মিন্টু রোডের বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাস ভবনে নিউইয়র্কের বাংলা চ্যানেল "রূপসী বাংলা"র পরিচালক আনিসুজ্জামান খোকন কে বলেন -
"আমি বিরোধী দলের নেত্রী , জামাত - জাতীয় পার্টিও বিরোধী দলের অন্তর্ভুক্ত। সেদিক থেকে আমি সংসদে তাদেরও নেত্রী"..
তাও কিন্তু এক দুই দিন নয় , জামাতের সাথে শেখ হাসিনার দলের দীর্ঘ পথ চলার ইতিহাস। আবার এই তত্বাবধায়ক আন্দোলনই তখন ইস্যু ছিল।
দেখা যাচ্ছে এই প্রসঙ্গে হাসিনা খালেদার চেয়ে কম নন। হঠাৎ করে সাধু সাজলেই তো আর হয় না।
২।খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ ঃ নারী নির্যাতনের সুপরিবেশ নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী দমন।,
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ .এতগুলো ইস্যু একত্রিক করলাম । শেখ হাসিনার দুই আমলে নারী নির্যাতন কমে গিয়েছিল বলে তো কোনো পরিসংখ্যান নাই। এখোনো দেশে প্রতিদিন গড়ে ৬ জনের বেশি ধর্ষিতা হয়। যা অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এগুলো যে এককভাবে রাষ্ট্রপ্রধানের দায় তাও না। এমনকি সিমিন হোসেন রিমির পিএস , আওয়ামী লীগ নেতা কতৃক গৃহকর্মীকে নির্যাতন তো এ সময়ের বহুল আলোচিত ঘটনা।
আর তার চেয়েও বেশি হচ্ছে সেই অপরাধীকে শাস্তি না দেয়ার যে প্রচেষ্টা।
রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের এই সরকারের চেয়ে বেশি কেউ নির্যাতন করেছে এটা এখন আর কোনো সুস্থ্য মানুষ বিশ্বাস করে না। অন্তত বিরোধী দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রকাশ্যে পুলিশ দিয়ে গুলি তো আর করানো হয়নি কখোনো। হাসিনা সরকারের আমলে গত চার বছরে আসলে কোনো ভিন্ন মতাবলম্বীকেই রাস্তায় নামতে দেয়া হয় নি।
৩। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ সংখ্যালঘুদের বাড়ি ঘরে আগুন দেয়া, ব্যপক নির্যাতন ইত্যাদি।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রতিদিনই কথা হচ্ছে। এই ইস্যুটি আওয়ামী লীগই কাজে লাগাতে চায়। আর এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে তারাই এ ঘটনা ঘটাচ্ছে। আর সেই অভিযোগ মুক্ত হওয়ার জন্য বিরোধী দলের আহ্বান সত্ত্বেও তারা কোনো বিচার বিভাগীয় তদন্ত করছে না। সুতরাং নিরপেক্ষ মানুষ তো যা বোঝার বুঝেই নিচ্ছে।
৪। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ বর্তমান সময়ে প্রকাশ্যেই সহিংসতায় উস্কানি দেয়া।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ প্রকাশ্যে সহিংসতায় উস্কানী দেয়াতেও খালেদা আরো দশ বছর চেষ্টা করলেও হাসিনার ধারে কাছে যেতে পারবেন না। কারন এখন পর্যন্ত একটা লাশের বদলে দশটা লাশ ফেলতে কিন্তু খালেদা বলেননি।
৫। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ সেনাবাহিনীতে বিশৃংখলা সৃষ্টির উস্কানি প্রদান ...
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ একটি অভ্যুত্থান চেষ্টা , যেটা রহমান বিশ্বাস এর প্রেসিডেন্ট থাকা কালীন অবস্থায় ব্যর্থ করে দেয়া হয়, সেখানে শেখ হাসিনার মদদের অভিযোগ সবাই জানে। এরশাদ সামরীক শাসন নিয়ে আসলেও আওয়ামী লীগ পরবর্তী দুই বছরেও একটি বিবৃতি পর্যন্ত দেয়নি। বরং ৮৬ নির্বাচনে গিয়ে তাদের বৈধতা দিয়েছে। আর সামরীক মইনুদ্দিন সরকার তো তাদের ইনডিমিনিটি পেয়েছে, তাদের মহান আন্দোলনের ফসল।
৬ । খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ একুশে আগষ্ট প্রসঙ্গঃ খালেদা জিয়ার মদদ, নিহত হয়েছিলেন ২২ জন। জজ মিযা সৃষ্টি ইত্যাদি।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ সরাসরি কোনো একুশে আগষ্ট শেখ হাসিনার আমলে ঘটেনি। সেটা একটা জঘন্য দিন ছিল। কিন্তু মদদের প্রশ্নে তার চেয়ে বর্তমান সরকার কমও করছে না। তারা তো প্রকাশ্যে পুলিশকে দিয়ে বিরোধী দলের নেতাদের উপরে গুলি করাচ্ছে। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী , কয়েকজন কমিশনার সহ এ পর্যন্ত গুপ্ত হত্যার সংখ্যা প্রায় ২৩০ জন।
বিচারের নামে নাটক তো ভাই অনেক কথাই মনে করিয়ে দিল। সাগর রুনী থেকে শুরু করে ইলিয়াস আলী পর্যন্ত , ভ্যানিটি ব্যাগ চুরির নাটক থেকে ময়লার গাড়ি পোড়ানো , কত শত উদাহরন এদিকেও আছে। আর বিডিআর বিদ্রোহের গোঁজামিল তো আছেই।
৭। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ হরতাল আর সহিংসতায় মদদ।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ এখোনো হাসিনার হরতালের মত এক সাথে ১১ জনকে পুড়িয়ে মারে নি কেউ।
খালেদা জিয়ার শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি হরতাল দিতে এখোনো দশ বছর চেষ্টা করতে হবে। এ পর্যন্ত তত্বাবধায়ক প্রশ্নে মোট প্রদত্ত হরতালের সংখ্যা ২৭ টি। যে প্রশ্নে শেখ হাসিনা দিয়েছিলেন ১৭৬ দিন হরতাল।
৮। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ সাম্প্রদায়িকতা
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ খেলাফত মজলিশের সাথে চরম সাম্প্রদায়িক চুক্তি , রাজনৈতিক কারনে খানজাহান আলীর নাম ব্যবহার করে বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন , ইলেকশন আসলে হিজাব আর তজবিহ্ পরিধান। একটি দরবার থেকে নির্বাচনী কার্যকলাপ শুরু , সৌদি আরব থেকে নির্বাচনের ঘোষনা, মসজিদের দেয়াল ভাঙা , সংবিধানে বিসমিল্লাহ রেখে ডাবল স্টান্ডার্ড খেলা, জামাতের আমীরের কাছে নিজেদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে দোয়া চাইতে পাঠানো ।
আমি এখানে কাউকেই ডিফেন্ড করিনি। যে কাউকে যে কোনো অভিযোগ থেকে ডিফেন্ড করার সুযোগ অবশ্যই রয়েছে। আমি শুধু অভিযোগ গুলি তুলে দিয়েছি।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:০৪
এম আর সুমন বলেছেন: খেলাফত মজলিশের সাথে আওয়ামী লীগের একটি চুক্তি হয়েছিলো। সেই চুক্তির শর্তগুলো পড়লেই বুঝবেন। এটাকে আপনারা সাম্প্রদায়িক বলেন বা না বলেন খোদ আওয়ামী বুদ্ধিজীবিরাই এটাকে সাম্প্রদায়িক চুক্তি বলেছে। এবং এই কারনেই চাপের মুখে এটা বাতিল করতে বাধ্য হন সভানেত্রী। আমি যা সত্য তাই তুলে ধরতে চেয়েছি। কিছু বোঝাতে চাইনি।
২|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:০২
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ছবি দুইটা দেইক্যা.... আহারে.. সুময়...
গানটা মনে পড়ল-
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেল গুলো সেই
আজ আর নেই........
এত দুব্বল আওয়াজে তাদের সাথে পারবেন কেনু?
এত এত বিশাল ইস্যু বিএনপির কোন উইং দেখেছেন নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করছে।
প্রচার প্রোপাগান্ডা আওয়ামী মিথ্যার বিপরীতে বিএনপি সত্য নিয়াও পিছিয়ে!!!!
তাদের গোয়েবলষীয় তত্ত্ব বাদই দিন, তারেক নিয়ে সামরিক ২ আর তাদের ৪ ছয় বছরেও একটা সলিড প্রমাণ দাড় করাইতে পারে নাই- অথচ প্রপাগান্ডায় তারে চোর বানাইয়া জয়ের চুরি কিরুম আড়াল কইরা রাখছে।
আর এইবারের পরও যদি বিএনপি আকর না হয়- মিডিয়ার এইরকম আছাড়ি পিছাড়ি খাওয়ার পরও যদি আকল না হয়- তো আর কি কমু???? কিস্সু কমুনা!
নিউজের হেড লাইন গুলা আওয়ামী আমলের হেডলাইনের সাথে তুলনা কইরা দেইখেন- শালারা একেকটা অন্ধ সমর্থক, নাটকের বিবেক সাইজা শিরোনাম লেখে এক চোখ বন কইরা!!!!!
যাউকগা!
প্যাচাল পাইরা হইব কি?
কো শোনে কার কথা!!!
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:০৬
এম আর সুমন বলেছেন: ঠিক বলেছেন , কে শোনে কার কথা!!
ও আচ্ছা চুরি চামারীর অভিযোগটা আমার আলোচনায় আসেনি। সেটি আপনি আলোচনা করে দিলেন। ধন্যবাদ।
৩|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৫
ম্যাংগো পিপল বলেছেন: লীগ করলে লীলাখেলা অন্যেরা ঢং
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৭
এম আর সুমন বলেছেন: এক কথায় সব বলে ফেললেন দেখছি !!!
৪|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৫
আজিব শিমু বলেছেন: খালেদার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ গুলো কি আপনি বিশ্বাস করেন?
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৮
এম আর সুমন বলেছেন: না আপু , আমি শুধু অভিযোগ গুলি লিখলাম। আমার বিশ্বাস অবিশ্বাস প্রকাশের পোষ্ট এটা না। সেগুলো তো অন্য পোস্টে আলোচনা হয়। ধন্যবাদ আপনাকে।
৫|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৫
রাসেল ভাই বলেছেন: ভন্ডরা বাকপটু হয় এটা পৃথিবীর অমোঘ নিয়ম
।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৯
এম আর সুমন বলেছেন: হু
৬|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৬
আজিব শিমু বলেছেন: দুর্নীতির বিষয়টি নিয়েও একটা তুলনামুলক চিত্র থাকতে পারতো ভাইয়া।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:১৯
এম আর সুমন বলেছেন: আমার সেটা খেয়াল ছিল না। তবে বিদ্রোহী ভৃগু ভাই সেই অপূর্নতা দূর করেছেন দেখলাম।
৭|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৩
কাঠুরে বলেছেন: হা হা হা,
এইসব লেখা দেখার সাথে সাথে অনেকে অনুভব করে, হঠাৎ কইরা বোধহয় তাদের পেট অনেকখানি চিইমা গেছে।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৪
এম আর সুমন বলেছেন:
৮|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৬
সকাল ও সারিকা বলেছেন: ৭। খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগঃ হরতাল আর সহিংসতায় মদদ।
শেখ হাসিনার অবস্থানঃ এখোনো হাসিনার হরতালের মত এক সাথে ১১ জনকে পুড়িয়ে মারে নি কেউ।
২০০৬ এ অক্টোবর মাসে আওয়ামীলীগের প্রত্যক্ষ মদদে বায়তুল মোকাররম এর পাশে লগি বৈঠা দিয়ে ১৮ জনকে পিটিয়ে হত্যা। এইটা যোগ করে দেন।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৯
এম আর সুমন বলেছেন: এটা ভুলে গিয়েছিলাম্। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। সাত নম্বরে এটাও যুক্ত হলো।
৯|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৪
ধ্রুব মহাকাল বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম ।++++
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৩৮
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
১০|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪০
কাঠুরে বলেছেন: পোস্ট না, পোস্টের লেখকরে প্রিয়তে নিলাম।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৬
এম আর সুমন বলেছেন: হা হা হা, । ধন্যবাদ।
১১|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪০
িট.িমম বলেছেন: @ সকাল ও সারিকা আমার ইচ্ছাছিল এই পয়েন্ট নিয়া কথা কমু কিন্তু আমনেতো আগেই বইলা ফালাইলেন, এখন আমি যদি কিছু লিখি তয় মানসে কইব আমি আমনের লেখা নকল করছি। যাউগ আমি কিন্তু পোষ্ট দাতার সাথে সহমত পোষন করছি।
আর পোষ্টদাতা যদি শেয়ার বাজার, হলমার্ক, ডেষ্টিনির তুলনামূলক আলোচনা করতেন তবে পোষ্টটা জব্বর হইতো।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪৯
এম আর সুমন বলেছেন: এই প্রসঙ্গটি ভাই আমি ভুলে গেছি। তাও বিদ্রোহী ভৃগু তো এটা উল্লেখ করেছেন। তাও তো আপনাদের একটি কথা বলার যায়গা রেখেছি।
ধন্যবাদ ভাই। আপনার প্রফাইল পিকচারটা সেই রকম!!!
১২|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৪০
হুমায়ুন তোরাব বলেছেন: gallary te boilam,dekhi keu ase kina.
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫০
এম আর সুমন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। আমি হতাশ। আইজ আর ওনারা আসবেন না।
বেকায়দার কোনো পোষ্টে এদের আজ পর্যন্ত দেখছেন?
১৩|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:৫৩
সরোজ রিক্ত বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট, রেখে দিলাম।
আজকে হাম্বারা বিদায় নেয়া শুরু করছে। কেউ কেউ হাম্বা হাম্বা করে বিদায় নিচ্ছে, কেউ চুপিসারে।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:০১
এম আর সুমন বলেছেন: কোনো হাম্বাই এখানে আসেনি আজ। বড়ই পরিতাপের বিষয় ভাই।
মনে হয় চুপিসারে ভাগছে।
১৪|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১০
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: গ্যালারী তে আছি ।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৫
এম আর সুমন বলেছেন: থাকেন।
১৫|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১৫
নষ্ট শয়তান বলেছেন: কোথায় একজন ছুপা লিগার ওতো দেখলাম না কিছু কইলো। আচ্ছা বইলাম। ওই আব্দুল ওক্কায় তামাক দিয়া যা।
দেখি কে কি কয়। লগে আছি জনাব।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৬
এম আর সুমন বলেছেন: কোথায় যে গেল সব!!
১৬|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:১৮
ডিগবাজি বলেছেন: simply truth is better than fiction.
But we can't say it for their continuous noise.
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:২৮
এম আর সুমন বলেছেন: ভাল বলেছেন, continuous noise! !
১৭|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩২
আই লাভ ইউ, ম্যান বলেছেন: এই পোস্টে হাম্বা জিন্দেগীতেও আসবে না
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৯
এম আর সুমন বলেছেন: তাই তো দেখছি!!
১৮|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৩৭
বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১ বলেছেন: আই লাভ ইউ, ম্যান বলেছেন: এই পোস্টে হাম্বা জিন্দেগীতেও আসবে না
হেডাম থাক্লেনা আসবো। ওরা পারে খালি ঘেউ ঘেউ কর্তে আর যখন তখন রাস্তার কুকুরের মতন লালা ফেলাইতে। আর ছাগু ছাগু ডাক পার্তে। এসব ছাড়া আর কিছুই কি আছে বেজন্মাগুলার???
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৯:৪১
এম আর সুমন বলেছেন: দেখা যাক কেউ আসে নাকি!
১৯|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:২২
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: আপনার পয়েন্টে অনেক ভুল আছে-
১। ১৯৮৬ তে দেশে যে নির্বাচন হয়েছিল সেই নির্বাচনে জামাত আর লীগ হাত ধরে অংশ নেয় ।এর মানে কি বুঝলাম না? ১৯৯১ এর নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়। এর মানে কি জাপার হাত ধরে বিএনপি অংশ নেয়। ১৯৮৬ তে জামাত কি লীগের সাথে জোট করে অংশগ্রহন করেছিল?????
২। ভাই হিন্দু নির্যাতন বলেন, বাংলাদেশে যে কয়বার হিন্দুদের বাড়িতে আগুন লাগসে তার পিছনে বিএনপি র হাত আসে। বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার সময় বাংলাদেশে মন্দির ভেঙ্গে একাকার করেছিল ১৯৯২ তে। সেই সময় কোন বিচার বিভাগীয় তদন্ত হয়েছে সেইটা নিয়ে একবারো কোন কথা বললেন না???? ২০০১ নির্বাচনে জেতার পর যে হিন্দু নির্যাতন করেছিল ছাত্রদল আর ছাত্র শিবির সেইটার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চলছে। অনেক মামলার রায় শেষে সাজা হয়েও গেসে। এবারেরটা নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে। অনেক জায়গায় প্রাথমিক ইনভেস্টগেশান শেষ হওয়ার পথে। প্রথম আলোতে নজর রাখেন প্রতিদিন আপডেট দেয়।
৩। সেনাবাহিনীতে উস্কানি , বিশৃংখলা নিয়ে কি বলতেসেন এইসব? জিয়ার আমলে ২৩টা ক্যু হইসিল। ১১৪৩ সেনাকে ফাসিতে ঝুলায় মারে। তাহেরের মাধ্যমে উদ্ধার পেয়ে সেই তাহেরকে ফাসিতে ঝুলায় জিয়া। ১৯৯৩-৯৪ তে আনসার ভিডিপি র বিদ্রোহের কথা স্মরন আছে কিনা আপনার আল্লাহ মালুম। অভ্যুত্থান হয়েছিল ১৯৯৬ এর কেয়ারটেকারের সময়ে। ১৯৯৬ সালে তৎকালীন সেনাপ্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ্ মোহাম্মদ নাসিম বীরপ্রতীকের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস নাসিমের প্রিয়ভাজন বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দিলে জেনারেল নাসিম ওই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু ঢাকার বাইরের সেনানিবাস থেকে নাসিমের ওই প্রচেষ্টার বিরোধিতার কারণে তিনি সফল হতে পারেননি।
৪। ২১শে আগস্ট নিয়ে কিছু বলার নাই। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে বিএনপি সরাসরি লীগের নেতাদের নাম ধরে খুন করা শুরু করে। তাও আবার মন্ত্রী পর্যায়ের। শেখ হাসিনাও বাদ পড়েনি। যাই হোক জামাত আর বিএনপি দুইটাই বর্তমানে স্টেটসের কাছে সন্দেহভাজন জঙ্গী কার্যকলাপের জন্য অভিযুক্ত দল। এই পয়েন্টে অনেকেই বলবেন ইউএসএ ইহুদি নাসারাদের দল। ওদের কথায় কি আসে যায়? যাই হোক কিছু দিন আগে ওই দেশের পত্রিকাতে কলাম লিখেছেন এক ম্যাডাম।
৫। লীগ বা হাসিনাকে ধরার বহুত জায়গা আছে। কিন্তু তুলনা করেছেন এমন এক জন বা এমন এক দলের সাথে যাদের ব্যাপারে কিছুই বলার নাই।
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৫৯
এম আর সুমন বলেছেন: তাহলে শেষ পর্যন্ত একজন হলেও আসলেন!!!
আপনাদের কেউ আসতেছে না দেখে কতগুলো লোক আপনাদের খুঁজতেছে , দেখেছেন তো।
যাই হোক, আমি এখানে কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ তাই লিখেছি। কোনো ডিফেন্ড করিনি। এমনকি খালেদার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ তাও হুবহু দিয়েছি। আপনি হাসিনাকে কোনো ডিফেন্ড করতে পারেননি। খালেদার কিছু অভিযোগের সত্যতা দেখানোর চেষ্টা করেছেন। তবুও আমি আপনাকে একটু জবাব দেই।
১। ৮৬ এ এরশাদ আবার ক্ষমতায় যাবে সেটা নিশ্চিত ছিল। সুতরাং সেখানে নির্বাচনী জোট থাকার কথাও না। সেখানে জোট ছিল কে নির্বাচনে যাবে আর কে যাবে না তাই নিয়ে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিজেরাই ঘোষনা দিয়ে জাতীয় বেঈমান সেজে নির্বাচনে গিয়েছিলো। আর তারা বিএনপিকেও সাথে নেয়ার চেষ্টা করেছিলো। আমার ফাঁসি চাই বইটিতে স্পষ্ট আছে হাসিনা বস্তা ভর্তি টাকা নিয়ে সেই নির্বাচন করতে রাজি হয়েছিলেন। এমনকি এই দিন সাতেক আগে এরশাদ ইটিভিতে পীর হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের উত্তরে সেই টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকারও করেননি।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে সেখানে দুটি জোট ছিল, একটি গ্রুপ আওয়ামী লীগের সাথে সাথে নির্বাচনে গেছে, আর একটি গ্রুপ বিএনপির অনুকরনে নির্বাচনে যায় নি। আর আওয়ামী গ্রুপে ছিল জামাত।
এখানে আমি অবশ্য ভিন্ন একটি প্রসঙ্গে লিখেছি। আওয়ামী লীগ বরং খুশি হয়েছিলো যে তাদের মত জামাতও নির্বাচনে যাচ্ছে দেখে। কিন্তু তখন পর্যন্ত জামাত এদেশে কোনো নির্বাচন করার সুযোগ পায় নি। আওয়ামী লীগের এসই মদদেই জামাত নির্বাচনে যাওয়ার বৈধতা পায়। এরশাদ আওয়ামী লীগকে দেখাতে সক্ষম হয় যে আপনারা একা না সাথে জামাতও নির্বাচনে যাবে। এই সিষ্টেমে পড়ে জামাত নির্বাচনের বৈধতা পেয়ে যায়। এখন দলান্ধ না হয়ে একটু বিবেক খাটিয়ে বলেন , আওয়ামী লীগ কি দায় এড়াতে পারে?
২। ভাই প্রথম আলু নিয়া আর কি বলবো? এরা তো জনকন্ঠের বি টিম। তবুও বলি, সরকার ২০০১ সালের জন্য তদন্ত কমিটি করেছে অথচ বর্তমানে একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি করতে এত গড়িমসি কেন? বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতারা হিন্দু বাড়ি আক্রমন করতে গিয়ে ধরা খাচ্ছে, এগুলো কি আপনারা দেখেও দেখেন না?
আর জামাত বা বিএনপি প্রসঙ্গে বলছেন তো? আপনাদের দাদাদের দেশের পত্রিকায় লেখা হয়েছে যে এই হিন্দুদের বিরুদ্ধে যে আক্রমন ২০০১ সালে হয়েছিলো তা কোনো সাম্প্রদায়িক হামলা ছিল না। নিছকই রাজনৈতিক হামলা ছিলো। আপনার ৪ নম্বর পয়েন্টের ২য় লাইনটিও সেকথা সমর্থন করে। ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসার পরে বিএনপি সরাসরি লীগের নেতাদের নাম ধরে খুন করা শুরু করে।
সুতরাং বিএনপি কখোনো কোনো সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িত ছিল না। আর আপনি
একজায়গায় বলছেন বিএনপিও জঙ্গি দল। এই কথার পরে আপনার সাথে আর কোনো গঠনমুলক আলোচনায় যেতে ইচ্ছে করছে না। দেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠি জঙ্গি?
আপনাদের নেত্রীকে কোর্ট পাগল বলেছে , এতে আমার কোনো দুখ ছিল না কিন্তু সেই পাগলামী যে আপনাদেরও এভাবে শেখাচ্ছে, এখানে তো আমার খুব কষ্ট লাগলো ভাই।
৩। আর জিয়াকে নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন সেই বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। শুধু জেনে রাখেন আপনি পুরোপুরি উল্টা টা জানেন। আপনি তাই জানেন যা এই সরকার আপনাকে জানাতে চায়। আসল সত্য ও জিয়া কেন বিদ্রোহী সেনাদের বিচার করেছিল, কেন এই ক্যু গুলো সঠিক ছিল না তা জানতে আমি আপনাকে মেজর হামিদের তিনটি অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা বইটি পড়ার অনুরোধ করছি। আর না পারলে সেয়ানা বিপ্লবী তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ছায়া নায়কদের অস্পষ্ট কায়া........... Click This Link
এখানে একটু কষ্ট করে গুতা মারেন। হ্যাঁ ৯৬ এর যে ঘটনাটি আপনি উল্লেখ করেছেন আমি সেই ঘটনার কথাই বলছি। তখন বিবিসিতে দেয়া হাসিনার সাক্ষাতকারই প্রমান করে যে তিনি সেই ঘটনায় সেনা অভ্যুত্থানকে সমর্থন করেছিলেন। আর আমি তাই বলতে চেয়েছি। এই ঘটনায় হাসিনার সম্পৃক্ততা নিয়ে অনেক প্রমান রয়েছে। আর তা কখোনো আওয়ামী লীগ অস্বীকার করেছে বলেও শুনিনি।
আর তো কিছু আপনার কমেন্টে দেখছি না বোঝানোর মত। আবার আসবেন প্লিজ।
২০|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৩৮
হাসানুল বান্না পথিক বলেছেন: হাম্বা দের কেউ নায় এই পোস্ট এ, তাই ওদের পক্ষে লিখলাম।
এই খানে সময় নষ্ট না করে, যায় সময় টাকে কাজে লাগায় । টেন্ডার বাজি, চাঁদা বাজি, আরও কত বাজি আমার জন্য অপেক্ষা করতেছে। আর এরা আছে ক্যাচাল নিয়া। সময় নষ্ট করার সময় আছে নাকি।
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৩
এম আর সুমন বলেছেন: হু ভালই তো পক্ষ নিলেন দেখতেছি।
২১|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:৩৫
এস এইচ খান বলেছেন: গান্জার নৌকা এখন শুধু পাহাড় বাইতাছে তাই মাঝি মাল্লারাও নেশার ঘোরে চূর! এমতাবস্হায় তুলনামূলক আলোচনা কি ওদের মাথায় ঢুকবে ভাই!
যাউগ্গা, নেশা কাটলে ঢুকতেও পারে কি বলেন? হ...ওই আব্দুল, হুক্কায় তামুক লাগা, আমি কাচারীতে বইলাম
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৫
এম আর সুমন বলেছেন: হা হা হা, সত্যিই খুব মজা পাইলাম।
মজাই কমে না।
২২|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১২:৪৩
সানজানা আহমেদ সানা বলেছেন: post a + 19 no comment er answer a golden +++
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:০৭
এম আর সুমন বলেছেন: ভাল থাকবেন।
২৩|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:০১
নষ্ট শয়তান বলেছেন: ওস্তাদ সব ই কইলেন দামড়া ডারে আমার জন্য কিছু রাখলেন না। বহুত খুইজ্জা এইডুকু পাইছি। দামড়াডারে আমার কাছে পাডান।
১৯৯৩-৯৪ তে আনসার ভিডিপি র বিদ্রোহের কথা স্মরন আছে কিনা আপনার আল্লাহ মালুম।
কান পাইত্তা হোন সোনার পোলা
১৯৯৪ সালে ১ লা ডিসেম্বর আনসার বিদ্রোহ শুরু হয়!! এই বিদ্রোহের ঘটনাস্থল ছিল আনসারহেডকোয়ার্টারও আনসার একাডেমী সফিপুর যা পরবর্তীতে সারা দেশ ব্যাপী ছড়িয়ে পরে !! তখন সরকারে ছিল বিএনপি!! বিদ্রোহীরা ৪০ জনের উপর কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার পরিজনকে বন্দী করে রাখে!! ভিতরে শুরু হয় লুট তরাজ!! তাদের প্রধান দাবীগুলো ছিল, সেনা কর্মকর্তাদেরকে বিডিআরের অফিসার পদ থেকে সরাতে হবে, তাদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধী করতে হবে,তারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে চায়!!!!
প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিদ্রোহ শুরুর সাথে সাথেই পাঠানো হয় চীফ কমান্ডার মেজর জেনারেল সয়েদ বদরুজ্জামাকে!! জানিয়ে দেয়া অস্র সমর্পন না করলে প্রধানমন্ত্রী কোন অবস্থাতেই তাদের সাথে কোন আলোচনায় যাবেন না!! সেই সাথেই পাঠিয়ে দেয়া হয় ইনটেলিজেন্স ও পুলিশ বাহিনীকে!! এবং পাঠানো হয় চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল এম। মাহবুবুর রহমানকে যিনি এর আগে আনসারের চীফ ছিলেন ও আনসার বাহিনীতে জনপ্রিয় হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন এবং তার সাথে চিলেন সরকারী অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দ!!!!
তাদের আলোচনা ফলপ্রসু না হওয়ার পরেও প্রধানমন্ত্রী বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনায় বসতে রাজী হননি!!
সর্বশেষে বিদ্রোহী ডমনে কঠিন পদক্সেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়!!
বিদ্রোহ যেভাবে দমন করা হয়!! সমর পরিকল্পনা!!
নিরাপত্তাবাহিনী অনেকগুলো এন্টি ট্যাংক "ব্লাইন্ড সাইড" সেল নিক্সেপ করে!! তার সাথে সাথে হেলিক্পটারের মাধ্যমে ও স্থলবাহিনী কর্তৃক টিয়ার সেল নিক্ষেপ করা হতে থাকে এবং ২০০ রাউন্ড লাইট মেসিন গানের গুলী!! পুরা ঘটনায় নিহত হয় চারজন ও আহত হয় প্রায় দেড়শ!!
এখানে দেখা যায় যে প্রধানমন্ত্রী আত্মসমর্পনের আগে বিদ্রোহীদের সাথে দেখা বা আলোচনায় যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন!! আলোচনায় নিয়োগ করেন এই ধরনের ঘটনায় এক্সপার্টদেরকে!! নিয়োজিত করেন আনসারদের নিকট এক সময়ে জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিকে!! সব জায়গায় ছড়িয়ে দেয়া হয় গোয়েন্দাদের যাতে করে ফার্সট হ্যান্ড খবর পাওয়া সহজ হয়!! যখন আক্রমনে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তখনই রেডি করা ছিল কিভাবে বিদ্রোহ দমন করতে হবে!! ব্যানহার করা হয় ব্লাইন্ড সাইট সেল ও টিয়ার সেল!! এইভাবেই বিদ্রোহী দমন করা হয় মিনিমাম ক্যাজুয়াল্টির মাধ্যমে!! প্রধানমণ্ত্রী তখন দলীয় নেতা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে সাটল আলোচনা করেন নি!! করেছিলেন শুধু বর্তমান ও প্রাক্টন সেনা কর্মকর্টাদের সাথে!! যাদের ছিল এই ধরনের সমস্যা মোকাবেলায় প্রশিক্সন!!!!
সাধারন ক্ষমার নামে প্রশ্রয় দেয়া হয়নি বিদ্রোহীদের!!!!!
এই বার তুমারে এক খান কুশচেন করি বিডিআর বিদ্রোহ সন্মন্ধ্যে কি জান? বিস্তারিত আলোচনা চাই।
না পারলে বড় গরু গুলারে নিয়া আইস
ওই আব্দুল ওক্কায় আগুন নাই আগুন দে আর দামড়াডারে ঘাস পাতা দে।
নেক্সট
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১১
এম আর সুমন বলেছেন: ওয়াও..............
ভাই আমি ওনার এই পয়েন্ট টা খেয়াল করিনি। করলে উত্তর দিতাম। আপনি খুবই সুন্দর জবাব দিয়েছেন। খুবই ভাল লাগলো দেখে।
এদিকে নজর অব্যহত রাইখেন।
২৪|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১:০৮
নষ্ট শয়তান বলেছেন: উস্তাদ একটু আশীর্বাদ দিয়া আসেন আমার পোষ্টে যাইয়া
আর দামড়া টামড়া কিছু পাইলে খবর দিয়েন। আমিও বইয়া আছি এক্টাও ধরতে পারছি না
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:১২
এম আর সুমন বলেছেন: এখনই যাইতাছি। ওখানে হাম্বার দল আসছে নাকি?
২৫|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:২১
নষ্ট শয়তান বলেছেন: না ওস্তাদ আমার আতালে এক্টারেও পাইতেছিনা। ভাল লাগছে না। কিযে করি কত কতা আছে হুঞ্ছি এই জায়গায় সব বড় বড় দামড়া থাকে। কিচ্ছু না সব আবাল।
আছি। যে জায়গায় পামু হেই জায়গায় ধরুম। অনেক সহ্য করছি আর না। অরা আমাগো ভদ্রতারে দূর্বলতা মনে করছিলো।
আব্দুল আমারে আর এক ছিলাম তামাক দিয়া যা............... কই গেলি আরে আব্দুল.....................
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ২:৫০
এম আর সুমন বলেছেন: এক্কেবারে মনের কতাহান কইয়া হালাইছেন। অনেক সহ্য করছি আর না।
২৬|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:০১
নষ্ট শয়তান বলেছেন: ওস্তাদ হাম্বারা এক্তা ভাল পোলার পিছে লাগছে দেখেন যাইয়া কান্ডারী অথর্ব পোলার পিছনে লাগছে
এই যায়গায় দেহেন
অগো নোংরামি কোতায় গেছে দেখেন। কান্ডারীর পিছনে লাগার কোন মানে আছে। দেইক্কা আসেন
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:১২
এম আর সুমন বলেছেন: খারান যাইতাছি। আপ্নেও আসেন।
২৭|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:১৯
াহো বলেছেন: সবাই এক জিনিস আজ ভুলে গেছে বলতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক
জিয়াউর রহমান ১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক
,১৯৭৫-এর ২৪শে অক্টোবরে সেনাপ্রধানকে পদচ্যুত করে উপসেনাপ্রধান থেকে সেনাপ্রধান।
বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র ৪ মাস পর ,৭২এর ঘাতক দালাল আইন বাতিল।
১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক
,১৯৭৭এর ২১ শে এপ্রিলে আবার সায়েমকে সম্পূর্ণ কিকআউট করে রাষ্ট্রপ্রধান
,৩০শে আগস্ট সকল রাজনীতি নিষিদ্ধ ,
৭৭ এ অবৈধ ঘোষিত ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমতি।
১৯৭৭-এর ২২ এপ্রিলে ১৯৭২ এর শাসনতন্ত্রের ৩৮ অনচ্ছেদের মূল পরিবর্তন এনে সংবিধানে সন্ত্রাস ,১৯৭৭-এর ৭ই মে তে খুনিদের ক'জনকে পদোন্নতি এবং পুনর্বহাল ,
১৯৭৮-এর ৫ই এপ্রিলে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে ১৯৭১-এর ঘাতক দালালদের নাগরিকত্ব দানের জন্য মন্ত্রনালয়কে আদেশ , ৭৭-এর হ্যা না ভোট ,
১৯৭৯-এর ৫ই এপ্রিল ৫ম সংশোধনীকে আইনে প্রণীত করে জেল ও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দ্বার রুদ্ধ করতে বিষাক্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইন এবং নতুন নাগরিকত্ব আইনের আওতায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে রাজাকার গোলাম কে দেশে ঢুকিয়ে এবং ইয়াহিয়ার মন্ত্রী গণহত্যার মাস্টার মাইন্ডার ,আব্বাসকে ৭৯তে জামাতের আমীর হতে দিয়ে ,দেশে মৌলবাদ এবং জামাতের স্বাধীনতা বিরোধী সকল কার্যকলাপকে সাংবিধানীক বৈধতা ,৭৫এর ৩১শে ডিসেম্বর ঘাতক দালাল আইন বাতিল করে ১১ হাজার যুদ্ধ অপরাধীর মুক্তি ,যাদের মধ্যে ৭৫২জন দন্ডপ্রাপ্ত।জেল ও বঙ্গবন্ধু হত্যার সব তদন্ত বন্ধ করে দিয়ে রাস্ট্রদ্রোহিতা মুলক কর্মকান্ড।ক্ষমতার এত জঘন্য দৃষ্টান্ত আর কার ?১৯৭২এর সংবিধানকে কেটে ছিরে নিজের ইচ্ছে মত সব
কিছুকে জায়েজ করার নগ্ন প্রচেষ্টা।
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:১৬
এম আর সুমন বলেছেন: আপনার সব কথাই ভুয়া। আমার পোষ্টের সাথে প্রাসঙ্গিক কথা থাকলে বলুন। আর না হলে ব্লক খাবেন। ভুল ইতিহাস আমার দু চোখের বিষ।
ওখানেও লিখেছি, আবারো লিখলাম
খুব সহজ কথায় বুঝি, মুজিব বাকশাল করেছিলেন, আর জিয়া সেটা বন্ধ করে দেশকে গনতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। আপনি এখন যাই বলেন, প্রত্যেকটাই দীর্ঘ বিতর্কের বিষয়। যেমন তাহের নিয়া, সেনাবাহিনী নিয়া কতক্ষন কচলাইলেন। ভাই সেনাবাহিনীকে আপনি জিয়ার চাইতে বেশি ভালবাসেন না। তিনিই ভাল বুঝেছেন যে সেই সময়ে সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য যা যা করার দরকার তাই তাই করেছেন। আর জেনে রাখেন , জিয়ার মত একজন রাষ্ট্রপতি এই দেশে আরো শত শত বার আমরা চাই। আমরা কোনো চোরের দল , চাটার দল দেখতে চাই না।
জিয়ার সবথেকে বড় গুন ছিল , তিনি ছিলেন সততার এক পরাকাষ্ঠা। এটাই তার এত জনপ্রিয়তার কারন। এগুলো আপনাদের মাথায় ঢুকবে না।
ঢুকলে তো তর্ক না করে এতক্ষনে আবেগ নিয়ে গাইতেন, প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরন বাংলাদেশ।
২৮|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৩৩
াহো বলেছেন:
রাষ্ট্রপতি পদ ছিনতাইয়ের পর জিয়াউর রহমান তার প্রতি সমর্থন দেখানোর জন্য প্রহসনের গণভোট করেন। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও গণভোটে শতকরা ৫ ভাগ ভোটারও উপস্থিত হননি। অথচ রাষ্ট্রীয় প্রচার মাধ্যমে বলা হলো গণভোটে শতকরা ৯৮ ভাগ লোক জিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। এভাবেই স্বৈরশাসক জিয়া দেশে ভোট জালিয়াতির সংস্কৃতি চালু করেন। প্রকৃতপক্ষে সামরিক শাসনের মধ্যেও তথাকথিত গণভোটে শতকরা ৫ ভাগ ভোটার উপস্থিত না হয়ে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়াকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এরপর ১৯৭৮ সালের ৩ জুন সেনাপ্রধানসহ সব লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থেকেই জিয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। অর্থাৎ জেনারেল জিয়া রাষ্ট্রপতি পদের প্রার্থী হিসেবে ছিলেন সম্পূর্ণ অবৈধ। এরপর জেনারেল জিয়া ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজনৈতিক দল বিএনপি গঠন করেন। দল গঠনের মাত্র ৫ মাস পর ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৩০০ আসনের মধ্যে ২ শতাধিক আসন লাভ করে। নির্বাচনের পর স্বাধীনতার প্রত্যক্ষ বিরোধী শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী এবং আরও কয়েকজন রাজাকার দালালকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন জিয়াউর রহমান।
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:১৭
এম আর সুমন বলেছেন: জিয়াউর রহমানের যারা চরিত্র হননের চেষ্টা করে, আমার ধারনা তারা কেউ এদেশের নয়, দাদাদের ঘরে জন্ম নেয়া নোংরা বিষ্ঠাবিশেষ।
২৯|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ ভোর ৪:৪১
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: হিটলার থেকে জিয়া টাইপ বইতে জিয়া খালেদার যৌণ জীবন নিয়েও লেখা পাবেন। এখন সেইখান থেকে আপনাকে কোট করে যদি বলি দেখসেন এইটা হচ্ছে প্রমান তাহলে আপনার সাথে তর্ক বৃথা। আমার ফাসি চাই সেইরকম একটা নিকৃষ্ট বই। যাই হোক, প্রথম আলোতে আপনার যেহেতু এলার্জি আছে তাহলে সম্ভবত আপনি আমারদেশের পাঠক। জিয়াউর রহমান কি চীজ ছিলেন সেটা হুমায়ূন আহমেদের দেয়াল উপন্যাসে পাবেন। আর সেই বইটা যেই রেফারেন্স নিয়ে লেখা হইসে সেই গুলো পড়ে দেখেন। আচ্ছা ঠিক আছে সবই মিথ্যা। ১১ জন সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে ১০ জন তো আর মিথ্যা বলবেন না। পারলে সেক্টর কমান্ডারদের ছোট গল্প সংকলন পড়ে দেখেন। মুন্তাসীর মামুনের সম্পাদনা করেছেন সেই বইটা। নাম হল একাত্তরের মেঘে ঢাকা ইতিহাস। সেইখানে কর্নেল অলির বক্তব্য দেয়া আছে।
লীগের সাথে জামাতের সখ্য নিয়ে আপনি বললেন এরশাদের কাছ থেকে হাসিনা বস্তা ভর্তি টাকা নিয়েছে। কোন প্রমান দিলেন না। যাই হোক ২০০৭ এ ঢাকার মেয়র ইলেকশানে আই চ্যানেলে মাহতাবুদ্দিনের ছেলে ইরতাজুদ্দিন খালেদার কাছ থেকে নমিনেশান বাবদ ৫ কোটী টাকা দাবির সাক্ষাতকার নিয়ে কি বলবেন। ভুলে যাবেন না, মাহতাবুদ্দিন খালেদার উপদেষ্টা। যাই হোক পোস্ট এ লিখেছিলেন আপনি নিরপেক্ষ ভাবে বিচার করেছেন।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনি ছাগীয়তাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত সেটা লুকাতে পারেন নাই। আমি কমেন্ট করেছিলাম নিরপেক্ষ ভাবে। এমনকি লিখেও দিয়েছিলাম লিগরে ধরার আরো বহু জায়গা আছে। ১৯৯৬ সালে হাসিনা আর জামাত নেতার মিটিঙ এর কথা জাতি ভুলে যায় নাই। একেক্টা মিতিং শেষে যৌথ হরতালের ডাক জাতির বুকে শেলের মত বিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু এরপরেও যদি শুনতে হয় হাম্বালীগ, দামড়া টাইপ এর কথাবার্তা তাহলে সেই পোস্ট এ আপনি লীগ থেকে শুরু করে আপামর জনগন কে পাবেন না। পাবেন কিছু ছাগু আর ছাগীয়তবাদীদের। আপনার পোস্ট এর বড় প্রমান। ভালো থাকুন।
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৯
এম আর সুমন বলেছেন: আপনাদের এই এক মহা দোষ, আমার ফাঁসি চাই হোক আর বেগম মুস্তারী শফির বই হোক, যেখানেই আওয়ামী লীগারদের আসল চরিত্র উম্মোচিত হয়েছে সেই বইগুলোকেই আপনারা বিতর্কীত বলছেন। ভাই আমার ফাঁসি চাই ই শুধু নয়, আমি এরশাদের উদাহরনও দিয়েছি।
আর হাসিনা খালেদা দুজনের বিরুদ্ধেই নমিনেশন বানিজ্যের অভিযোগ আছে।সেটার সাথে এই প্রশ্ন মেলালে হবে না। নমিনেশন বানিজ্য এক জিনিস আর টাকা নিয়ে এক স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে নির্বাচনে যাওয়া ভিন্ন জিনিস। এগুলো আপনাদের মগজে ঢুকলে তো আর কথাই থাকতো না।
জিয়ার সহযোদ্ধা শমসের মবিন চৌধুরীর এই লেখাটি পড়ে দেখবেন, Click This Link
আর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম থেকে কি কোন কারনে বলা হয় সেটা আমরা জানি। মুন্তাসীর মামুনের ইতিহাস দেখে জিয়াকে মূল্যায়ন করার কিছু নাই।
আর দেয়াল উপন্যাস অনেকবার পড়েছি। সেখানে জিয়াকে খুব একটা সামনে আনাই হয় নি। যাকে আনা হয়েছে তার রক্ষীবাহিনীর ইতিহাস একটু পেড়ে দেখবেন। বাকশালে যোগদান নিয়ে যে জোরাজুরি সেগুলো একটু পড়ে দেখবেন।
তারপরেও বলি , এনারা দুজনই গ্রেট লিডার। তবে মানুষ। দোষ গুন সবারই থাকে। তবে মুক্তিযুদ্ধকে যদি আপনি বিশ্বাস করেন, তাহলে জিয়াকে অবমূল্যায়ন করার কোনো কারনই নাই।
ভাই নিরপেক্ষভাবে সত্য বললেও আপনাদের কাছ থেকে ট্যাগ পেতে হয়। এটাই বাস্তবতা। এখানে আমার বলার কিছু নাই। শুধু বলি সত্যের জয় অবসম্ভাবি।
আর হাসিনার জামাত কানেকশনের বিষয়ে আমি আগেই উত্তর দিয়েছি। সেগুলো আপনি প্যাচ লাগিয়ে ফেলেছেন। খুলতে পারেননি।
৩০|
২৬ শে মার্চ, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৮
এম আর সুমন বলেছেন: আপনাদের এই এক মহা দোষ, আমার ফাঁসি চাই হোক আর বেগম মুস্তারী শফির বই হোক, যেখানেই আওয়ামী লীগারদের আসল চরিত্র উম্মোচিত হয়েছে সেই বইগুলোকেই আপনারা বিতর্কীত বলছেন। ভাই আমার ফাঁসি চাই ই শুধু নয়, আমি এরশাদের উদাহরনও দিয়েছি।
আর হাসিনা খালেদা দুজনের বিরুদ্ধেই নমিনেশন বানিজ্যের অভিযোগ আছে।সেটার সাথে এই প্রশ্ন মেলালে হবে না। নমিনেশন বানিজ্য এক জিনিস আর টাকা নিয়ে এক স্বৈরাচারকে বৈধতা দিতে নির্বাচনে যাওয়া ভিন্ন জিনিস। এগুলো আপনাদের মগজে ঢুকলে তো আর কথাই থাকতো না।
জিয়ার সহযোদ্ধা শমসের মবিন চৌধুরীর এই লেখাটি পড়ে দেখবেন, Click This Link
আর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম থেকে কি কোন কারনে বলা হয় সেটা আমরা জানি। মুন্তাসীর মামুনের ইতিহাস দেখে জিয়াকে মূল্যায়ন করার কিছু নাই।
আর দেয়াল উপন্যাস অনেকবার পড়েছি। সেখানে জিয়াকে খুব একটা সামনে আনাই হয় নি। যাকে আনা হয়েছে তার রক্ষীবাহিনীর ইতিহাস একটু পেড়ে দেখবেন। বাকশালে যোগদান নিয়ে যে জোরাজুরি সেগুলো একটু পড়ে দেখবেন।
তারপরেও বলি , এনারা দুজনই গ্রেট লিডার। তবে মানুষ। দোষ গুন সবারই থাকে। তবে মুক্তিযুদ্ধকে যদি আপনি বিশ্বাস করেন, তাহলে জিয়াকে অবমূল্যায়ন করার কোনো কারনই নাই।
ভাই নিরপেক্ষভাবে সত্য বললেও আপনাদের কাছ থেকে ট্যাগ পেতে হয়। এটাই বাস্তবতা। এখানে আমার বলার কিছু নাই। শুধু বলি সত্যের জয় অবসম্ভাবি।
আর হাসিনার জামাত কানেকশনের বিষয়ে আমি আগেই উত্তর দিয়েছি। সেগুলো আপনি প্যাচ লাগিয়ে ফেলেছেন। খুলতে পারেননি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে মার্চ, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৮
আলতামাশ বলেছেন: খেলাফত মজলিসের চরম সাম্প্রদায়িক চুক্তি- কথাটির দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন?